প্রথম পাতা

অমর ২১ শে

স্টাফ রিপোর্টার : প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০২-২০১৮ ইং ০৩:২৪:২৮ | সংবাদটি ৯৪ বার পঠিত

 ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি-আমি কি ভুলিতে পারি’-মাতৃভাষা আন্দোলনের ওপর আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর লেখা আর শহীদ আলতাফ মাহমুদের সুর করা কালজয়ী এ গানটি আজো কোটি বাঙালির হৃদয়ে বেদনা জাগায়। গানটি শুনলেই কোটি কোটি মানুষের বুকের মধ্যে হাহাকার করে ওঠে, সেদিনের সেই বর্বর পাকিস্তানিদের অত্যাচার আর নির্যাতনের ভয়াবহতার কথা স্মরণ করে। স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে ভাইয়ের রক্ত, ছেলেহারা মায়ের অশ্রুসিক্ত চোখ। যুগ যুগ ধরে বাঙালির হৃদয়ে ভাষা আন্দোলন আর একুশের চেতনাকে জাগ্রত করে রেখেছে একুশের গান- ভাষার এ গান।
মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ আরো অনেকে নিজের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে মাতৃভাষাকে রক্ষা করেছিলেন, যা ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। যাদের জন্য আজ পুরো পৃথিবীতে ২১শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে নেমে যায় ছাত্র-জনতা। দৃপ্ত স্লোগানে তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র রফিক উদ্দিন আহমেদ। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে শহীদ হলেন তিনি। একুশের প্রথম শহীদ এ বীর অমর হয়ে থাকলেন ভাষার ইতিহাসে। নূরুল আমিনের ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে নেমে দৃপ্ত স্লোগানে বরকতও ছিলেন মিছিলের সাগরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শেষবর্ষের ছাত্র বরকত শহীদ হন। মিছিলে মিছিলে উত্তাল সারাদেশ। উত্তপ্ত ঢাকার নওয়াবপুর রোডও। ৮ বছরের শিশু অহিউল্লাহ তখন তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র। সেও শরিক হয়েছিলো মায়ের ভাষার দাবিতে, পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই শহীদ হয় সে। পুলিশের গুলিতে শহীদ হলেন হাইকোর্টের হিসাবরক্ষণ শাখার কেরানি শফিউর রহমান। বিদ্রোহের হাওয়া তাকেও নিয়ে গেল মিছিলে। তিনিও স্লোাগান দিলেন ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ উত্তাল স্লোগানে রাজপথ কেঁপে ওঠে। এমন এক সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর হুকুমে তাঁবেদার তৎকালীন পুলিশ মিছিলে গুলি চালায়। হাঁটু আর কোমরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হলেন আব্দুল জব্বার।
মাতৃভাষার দাবিতে বাঙালি যখন এক জোট, তখন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। মিটিং-মিছিল নিষিদ্ধ করে দেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন তরুণ ১৪৪ ধারা ভঙ্গের ঘোষণা দিয়ে বেরিয়ে এলো রাজপথে। মাতৃভাষার দাবি নিয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ ঘেরাও করতে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা মিছিলে অংশ নেয়। কিন্তু মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা থেকে শুরু হলেও বেশি দূর এগোতে পারেনি। এরপরই পুলিশ মিছিলের ওপর গুলি চালায়। শহীদ হন রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না জানা আরো অনেকে।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • জোট নয়, বি. চৌধুরীর দোয়া চায় ন্যাপ-এনডিপি
  • সংসদের ২৩তম অধিবেশন শুরু আগামী রোববার
  • সিভিল সার্জন ভবনসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী
  • পারস্পরিক সমঝোতা ও সহযোগিতা নিয়ে অগ্রসর হতে হবে
  • ওসমানীনগরে সালিশ বৈঠকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০
  • কমলগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু
  • জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশ যান : বিদেশে
  • ট্রান্সকমের লতিফুরকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ
  • নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ॥ ইসি সচিব
  • ২৩ অক্টোবর সিলেটে সমাবেশের অনুমতি পায়নি ঐক্যফ্রন্ট
  • যুব ইউনিয়ন নেতা মঈন উদ্দিন জালাল আর নেই
  •    কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেই
  • প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবীবুর রহমানের ইন্তেকাল আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে জানাজা
  •  শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী আজ
  • মৌ’বাজারে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন ও অর্থ-বস্ত্র প্রদান বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ
  • সব জিরোদের নিয়ে গড়া জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের ফলাফল জিরোই হবে ॥ অর্থমন্ত্রী
  • বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশ হতে চাই: সৌদি যুবরাজ
  • ‘গায়েবি মামলা’র প্রবণতায় উদ্বিগ্ন টিআইবি
  • মি টু বনাম হিম টু আকবরের পক্ষে ৯৭ উকিল, প্রস্তুত প্রিয়াও
  • সিলেটে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের সমাবেশ সফলের লক্ষে বিএনপি’র প্রস্তুতি এসএমপি কমিশনারের কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন
  • Developed by: Sparkle IT