প্রথম পাতা

অমর ২১ শে

স্টাফ রিপোর্টার : প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০২-২০১৮ ইং ০৩:২৪:২৮ | সংবাদটি ১২৭ বার পঠিত

 ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি-আমি কি ভুলিতে পারি’-মাতৃভাষা আন্দোলনের ওপর আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর লেখা আর শহীদ আলতাফ মাহমুদের সুর করা কালজয়ী এ গানটি আজো কোটি বাঙালির হৃদয়ে বেদনা জাগায়। গানটি শুনলেই কোটি কোটি মানুষের বুকের মধ্যে হাহাকার করে ওঠে, সেদিনের সেই বর্বর পাকিস্তানিদের অত্যাচার আর নির্যাতনের ভয়াবহতার কথা স্মরণ করে। স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে ভাইয়ের রক্ত, ছেলেহারা মায়ের অশ্রুসিক্ত চোখ। যুগ যুগ ধরে বাঙালির হৃদয়ে ভাষা আন্দোলন আর একুশের চেতনাকে জাগ্রত করে রেখেছে একুশের গান- ভাষার এ গান।
মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ আরো অনেকে নিজের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে মাতৃভাষাকে রক্ষা করেছিলেন, যা ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। যাদের জন্য আজ পুরো পৃথিবীতে ২১শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে নেমে যায় ছাত্র-জনতা। দৃপ্ত স্লোগানে তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র রফিক উদ্দিন আহমেদ। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে শহীদ হলেন তিনি। একুশের প্রথম শহীদ এ বীর অমর হয়ে থাকলেন ভাষার ইতিহাসে। নূরুল আমিনের ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে নেমে দৃপ্ত স্লোগানে বরকতও ছিলেন মিছিলের সাগরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শেষবর্ষের ছাত্র বরকত শহীদ হন। মিছিলে মিছিলে উত্তাল সারাদেশ। উত্তপ্ত ঢাকার নওয়াবপুর রোডও। ৮ বছরের শিশু অহিউল্লাহ তখন তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র। সেও শরিক হয়েছিলো মায়ের ভাষার দাবিতে, পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই শহীদ হয় সে। পুলিশের গুলিতে শহীদ হলেন হাইকোর্টের হিসাবরক্ষণ শাখার কেরানি শফিউর রহমান। বিদ্রোহের হাওয়া তাকেও নিয়ে গেল মিছিলে। তিনিও স্লোাগান দিলেন ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ উত্তাল স্লোগানে রাজপথ কেঁপে ওঠে। এমন এক সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর হুকুমে তাঁবেদার তৎকালীন পুলিশ মিছিলে গুলি চালায়। হাঁটু আর কোমরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হলেন আব্দুল জব্বার।
মাতৃভাষার দাবিতে বাঙালি যখন এক জোট, তখন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। মিটিং-মিছিল নিষিদ্ধ করে দেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন তরুণ ১৪৪ ধারা ভঙ্গের ঘোষণা দিয়ে বেরিয়ে এলো রাজপথে। মাতৃভাষার দাবি নিয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ ঘেরাও করতে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা মিছিলে অংশ নেয়। কিন্তু মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা থেকে শুরু হলেও বেশি দূর এগোতে পারেনি। এরপরই পুলিশ মিছিলের ওপর গুলি চালায়। শহীদ হন রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না জানা আরো অনেকে।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • সর্বোচ্চ পরমাণু ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ বানালো রাশিয়া, আনছে যুক্তরাষ্ট্র
  • এরশাদের অবর্তমানে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব জিএম কাদেরের
  • কাউন্সিল ডেকে বিএনপি’র নেতৃত্বে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব
  • মুহিতের অন্য রকম সিলেট সফর
  • জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির কর্মসূচি আজ
  • দেওবন্দ মাদ্রাসায় তাবলিগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ
  • ভারতে ধরপাকড়, বাংলাদেশে আসছে আরও রোহিঙ্গা
  • স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে সারাদেশে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
  • আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ
  • ঐক্যফ্রন্ট না টেকারই কথা: কাদের
  • ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি নয়, আ’লীগের পরাজয় হয়েছে: ফখরুল
  • প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে ............... পরিবেশ ও বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন
  • রোমাঞ্চ ছড়িয়েও জিততে পারেনি খুলনা
  • ‘সাকিবময়’ ম্যাচে উড়ে গেল সিলেট
  • সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন
  • জনবান্ধব আমলা থেকে সফল রাজনীতিবিদ এম এ মান্নান
  • আ. লীগের ‘বিজয় উৎসব’ কাল
  • ৩ আসামী ৫ দিনের রিমান্ডে
  • বিশ্বনাথে পানি সংরক্ষণে নিজ জমিতে চাষিদের পুকুর খনন!
  • হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া কমলো ১০ হাজার ১৯১ টাকা
  • Developed by: Sparkle IT