সম্পাদকীয়

অপসংস্কৃতির আগ্রাসন ও সামাজিক অবক্ষয়

ফজলুল হক খান প্রকাশিত হয়েছে: ১৫-০২-২০১৮ ইং ০০:৪২:২৫ | সংবাদটি ১০ বার পঠিত

একটা জাতির সামাজিক আচার-আচরণ, ধর্মীয় রীতি-নীতি, জীবন-জীবিকার উপায়, শিল্প-সাহিত্য, ললিতকলা, পালাপার্বণ, উৎসবাদী এক কথায় জীবন উপভোগের হাজারও উপকরণ ও উপাচার ভাষা, সাহিত্য, সংগীত, চিত্রকলা, নৃত্য ইত্যাদি মিলেই সংস্কৃতি। যে জাতির সংস্কৃতির পরিমন্ডল যত ব্যাপক ও সমৃদ্ধ সে জাতি তত উন্নত। সভ্যতা ও সংস্কৃতি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত তবে সংস্কৃতি সভ্যতার চেয়েও প্রাচীন এবং বাস্তব। প্রকৃতপক্ষে সভ্যতার যে অংশ মানুষের অন্তর্জাত স্বভাবে পরিণত হয় সেটাই হচ্ছে মানুষের সংস্কৃতি। আবার জাতি বা গোষ্ঠী ভেদে, তাদের ভাষা-সাহিত্য সংস্কৃতি ভিন্ন চরিত্রের উপাদানে সৃষ্ট ও ঐতিহ্যপূর্ণ। প্রতিটি জাতি বা গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বুনিয়াদের ভিত বা বিশ্বাস অত্যন্ত শক্ত। ফলে আর্যদের আবির্ভাবের কয়েক শতাব্দী আগে এ দেশে গড়ে ওঠা কৃষিভিত্তিক নিজস্ব সংস্কৃতির আর্যদের আবির্ভাব কিংবা পরে সুফি সাধকদের আবির্ভাবের পরও মৌলিক কোনো পরিবর্তন হয়নি। শুধু মূল সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রেখে অত্যন্ত সন্তর্পণে কিছু সংমিশ্রণ ঘটেছে মাত্র। তবে আমাদের বাঙালি সাংস্কৃতিক মূলে যে কুঠারাঘাত করার অপচেষ্টা করা হয়নি তা নয়। এই অপচেষ্টার পিছনে কিছু অন্তর্নিহিত কারণও ছিল। একজন কিংবদন্তি নেতার সংগ্রামী চেতনা, রাষ্ট্রীয় জীবনে তার অবদান ও গৌরবময় ইতিহাসকে মুছে ফেলার জন্য যেমন ইতিহাসকে বিকৃত করা হয় তেমনি একটা জাতির পরিচয় ও প্রাচীন ঐতিহ্যকে মুছে ফেলার জন্য সংস্কৃতির ওপর আঘাত করা হয়। মধ্যযুগে সাম্রাজ্যবাদ, অধিপত্যবাদের সুবাদে কোনো নির্দিষ্ট ভূখন্ড দখল করে সে এলাকার অধিবাসীদের মধ্যে দখলকারীদের নিজস্ব সংস্কৃতি চালু করার প্রবণতা ছিল। বর্তমানে সে নীতির অবসান হয়েছে কিন্তু অবাধ তথ্য প্রবাহের মাধ্যমে এক দেশের সংস্কৃতি অন্য দেশে ঢুকে পড়ছে।
সংস্কৃতির আদান-প্রদান দোষের কিছু নয়। সংস্কৃতির আদান-প্রদানের মাধ্যমেই একটা জাতির পরিচয়, সভ্যতা, ইতিহাস, ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়, ভাবের আদান-প্রদান হয়, জ্ঞানের পরিধি বাড়ে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বর্তমানে নিজস্ব সংস্কৃতি বাদ দিয়ে বিদেশি অপসংস্কৃতির চর্চাই বেশি করা হয়, যা জাতীয় ঐতিহ্যকে মুছে ফেলার নামান্তর। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ভিন দেশিরা কীভাবে নিয়েছে, আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে কীভাবে মেলে ধরতে পেরেছি তা আমরা জানি না। তবে আমাদের সাংস্কৃতিক জগতের দিকে তাকালে মনে হয় বিদেশি অপসংস্কৃতির কাছে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে হারাতে বসেছে। প্রথমে বাংলা সাহিত্যের কথাই ধরা যাক। বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে এখন দুই ধরনের চর্চা চলছে। একটা হলো চটকদারি কল্পকাহিনী-যা আরব্য উপন্যাস বা বিদেশি ডিটেকটিভের অনুকরণ, অন্যটি হলো সৃজনশীল ও মননশীল সাহিত্য। এ দুই ধরনের সাহিত্যের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। চটকদারি সাহিত্যের ক্ষেত্রে বৈষয়িক বিষয়টি প্রাধান্য পায় আর সৃজনশীল সাহিত্যের ক্ষেত্রে বৈষয়িক স্বার্থের চেয়ে সৃষ্টির আনন্দই মুখ্য। একটা নিরপেক্ষ বস্তুনিষ্ঠ ঘটনাকে বাংলা সাহিত্যের ঐতিহ্যকে বাদ দিয়ে নয়, বরং বাংলা সাহিত্যের ভেতর থেকেই জনপ্রিয় করে তোলা যায়, তবে বিষয়টিকে কে কীভাবে উপস্থাপন করবেন তা নির্ভর করে যিনি সাহিত্য সৃষ্টি করবেন তার মন-মানসিকতার ওপর। এ বিষয়ে আমাদের একটা কথা স্মরণ রাখা উচিত সৃজনশীল সাহিত্যও বাজারি সাহিত্যের মতো জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারে কিন্তু বাজারি সাহিত্য কখনো সৃজনশীল হতে পারে না। বাজারি সাহিত্য সাময়িক ব্যবসায়িক সাফল্য পেতে পারে, কিন্তু সৃজনশীল সাহিত্যের আবেদন সব সময়ই বেশি। সৃজনশীল সাহিত্যের মূল্যায়ন হতে একটু সময় লাগলেও যুগ যুগ ধরে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকে, বাজারি সাহিত্যের মতো ওয়ান টাইম বল পেন নয়। সাহিত্যের অঙ্গ গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা, নাটক, উপন্যাসের কাজ কেবল আনন্দ দেয়াই নয়, শিক্ষা দেয়াও। আমাদের জন্য দুটোই প্রয়োজন। আর এ প্রয়োজন মেটানোর উপকরণ বাংলা সাহিত্যে অভাব নেই বরং বাংলা সাহিত্যে এ উপকরণে ভরপুর। শুধু মানসিকতার প্রয়োজন বাংলা সাহিত্যকে আরও সমৃদ্ধ করার। ভাষাগত দিক থেকেও বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পৃথক মর্যাদা রয়েছে। 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' ও কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলা সাহিত্যে নোবেল প্রাপ্তি বাংলা ভাষার ঐতিহ্যের ভান্ডারকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। কাজেই ওয়েস্টার্ন সিরিজের আদলে বাংলা সাহিত্যকে সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য মৌলিক ভাবধারা নষ্ট করার কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।
অপসংস্কৃতির আগ্রাসন আমাদের সংস্কৃতির প্রতিটি স্তরে বিস্তার লাভ করলেও সম্ভবত চিত্র জগৎকেই গ্রাস করেছে সবচেয়ে বেশি। বিদেশি সংলাপ, গান, সুর, নৃত্যসহ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরো কাহিনীকেই অনুবাদ করে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। এ তো গেল নকলের দিকটা অন্যদিকে বর্তমানে কিছু চলচ্চিত্রে এমন এমন সংলাপ জুড়ে দেয়া হচ্ছে যা কলম দিয়ে লিখতেও রুচিতে বাধে। অশস্নীল বাণীতে সমৃদ্ধ, নিম্নমানের কাহিনী, অশ্লীল গানের কথা ও নৃত্য সব কিছু মিলিয়ে বর্তমান চলচ্চিত্র পারিবারিকভাবে উপভোগের অন্তরায়। ফলে একটি বিশেষ শ্রেণির দর্শক ছাড়া প্রেক্ষাগৃহে যাওয়ার রাস্তাটাই মানুষ ভুলে যাচ্ছে। অথচ ষাটের পুরো দশক এবং সত্তরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলচ্চিত্রগুলোয় ব্যক্তি, পারিবারিক ও সমাজজীবনের কথা, বিত্তহীন প্রেমিকের জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার সংগ্রাম, আর্থিক অভাব অনটন ও বিত্তহীনতার মধ্যেও স্বামী-স্ত্রীর অকৃত্রিম গভীর ভালোবাসা, শ্বশুড়-শাশুড়ি, ননদ দেবরকে নিয়ে সুখের নীড় যেমন দেখেছি তেমনি দেখেছি অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার ষোড়শী কন্যার সঙ্গে বিত্তবান মোড়লের অসম বিয়ে, যৌতুকের লোভে শাশুড়ি, ননদের জ্বালাতন। ধর্মীয় কুসংস্কার ফতোয়াবাজদের ধর্মাচার, গ্রাম-বাংলার অশিক্ষিত মানুষের মধ্যে কুসংস্কার ও কুফলের নির্মম বাস্তবতা, বিত্তবান মোড়ল বা সমাজপতির নিষ্ঠুর আচরণ যেমন দেখেছি তেমনি দেখেছি নায়কের বলিষ্ঠ প্রতিবাদ। প্রেমিক-প্রেমিকার গভীর ভালোবাসা, মান অভিমান, ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে স্বপ্নের নীড় বাধা যেমন দেখেছি, তেমনি দেখেছি ভিলেনের নিখুঁত চালে নিষ্পাপ কিশোর-কিশোরীকে আত্মাহুতি দিতে। বাঙালি জীবনের হাসি-আনন্দ, দুঃখ বেদনা, অন্তর্দাহ, নিপীড়ন সবকিছুই সামাজিক অর্থনৈতিক ও পারিপার্শিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শৈল্পিকভাবে উপস্থাপন করা হতো ষাট এবং সত্তরের দশকে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোয়। এমনকি জলসা ঘরে নাচের দৃশ্যগুলোতেও একটা শালীনতাবোধের পরিচয় পাওয়া যেত। বর্তমান চলচ্চিত্রে নাচের দৃশ্য বলতেই নায়িকার অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় কোমর দোলানো, বিশেষ বিশেষ অঙ্গের ভিন্ন ভিন্নভাবে উপস্থাপন যার মধ্যে কোনো শৈল্পিকতা নেই, আছে শুধু এক শ্রেণির দর্শকদের জৈবিক অনুভূতিতে সুড়সুড়ি দেয়। প্রেম, বিরহ বেদনা শুধু বাঙালির জাতীয় জীবনে নয় সব ভাষাভাষীর মানুষের মধ্যে চিরন্তন। তবে উপস্থাপনার ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে। পশ্চাত্যের দেশগুলোর মতো আমাদের দেশে সংস্কৃতি ফ্রি সেক্সে বিশ্বাসী নয়। ফলে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীর মধ্যে যে প্রেম লক্ষ্য করা যায় তা পার্কে বসে নির্জনে প্রেমালাপ, বাদাম খাওয়া কিংবা গাছের সঙ্গে হেলান দিয়ে স্বপ্ন দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ। অথচ চিত্রজগতে নায়ক-নায়িকার মধ্যে পরিচয় পর্ব শেষ না হতেই কাটপিস পড়ে নায়িকাকে নিতম্ব দোলাতে দেখা যায়। কিংবা অর্ধ উলঙ্গ হয়ে সমুদ্র সৈকত বা ঝরনার গেগ্রাতে ধাপাধাপির চোট পানিও সহ্য করতে পারে না। সময় এবং সুযোগমতো পানিরও রসিকতা করে দর্শকদের নায়িকার বিশেষ বিশেষ অঙ্গ দেখার সুযোগ করে দেয়। চিত্রজগতে আজকাল যা চলছে এর সঙ্গে আমাদের সংস্কৃতির মিল খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
নাটকের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এক সময় এই বাংলাদেশের নাটক দেখার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মানুষ উন্মুখ হয়ে থাকতো। আজ সে অবস্থা নেই। বর্তমান নাটকে না আছে সমাজের মানুষের জন্য কোনো ম্যাসেজ, না আছে শৈল্পিকতা। আছে শুধু চিৎকার, চেঁচামেচি, ভাঁড়ামো। ফলে দর্শক মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বাংলা নাটক থেকে। এতগুলো টিভি চ্যানেলে প্রতিদিন এত নাটক প্রচারিত হচ্ছে অথচ দর্শকরা বলতে পারে না একটি সংলাপ কিংবা একটি নাটকের নাম।
আজ আমাদের পারিবারিক ও সমাজ জীবনে মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার অবক্ষয় চলছে এর পিছনে চিত্রজগতের একটি বলিষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। কারণ আমাদের ব্যক্তি পারিপার্শ্বিক ও সমাজজীবনে প্রত্যেকের নিজ নিজ ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই সীমাবদ্ধতার ব্যত্যয় ঘটিয়ে চিত্তবিনোদনের নামে চলচ্চিত্রে যা চলছে তাকে কোনো অবস্থায় সুস্থ বিনোদন বলা যায় না। এটা এক ধরনের ব্যাধি, এক ধরনের অপসংস্কৃতি। আসলে মানুষ চায় সুস্থ বিনোদন। কাটপিস পড়া নিতম্ব দোলানো চলচ্চিত্র যদি মানুষকে আকৃষ্ট করত তবে প্রেক্ষাগৃহগুলোর অবস্থা দিন দিন এমন হচ্ছে কেন? এত বিজ্ঞাপন, এত হাঁকডাক করেও মানুষকে কেন চলচ্চিত্রমুখী করা যাচ্ছে না। এটা ভেবে দেখা দরকার।
সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সবচেয়ে জনপ্রিয় যে দুটো মাধ্যম চলচ্চিত্র এবং সংগীত। আমার মনে হয় দুটো মাধ্যমেই অপসংস্কৃতি দ্বারা সমানভাবে আক্রান্ত। বাংলা গানের জগতে ষাটের দশকে যে মৌলিকত্ব ও মেলোডি পাওয়া যেত তা আজ আর নেই। বর্তমানে চলছে অপসংস্কৃতির এক তা-বলীলা। ওয়েস্টার্ন মিউজিকের আদলে কথা বাংলায়, সুর ও মিউজিক সম্পূর্ণ ওয়েস্টার্ন- এই অভিনব পদ্ধতি নানা বর্ণ ও কৌশলের সংমিশ্রণে বর্তমানে বাংলা গান তার নিজস্ব মৌলিকত্ব ও বৈশিষ্ট্য হারিয়ে শংকরজাতীয় একটা কিছুতে পরিণত হয়েছে। প্রত্যেকটি সৃষ্টির পেছনে শুধু বৈষয়িক স্বার্থই জড়িত থাকে না, থাকে মানুষের অমর হয়ে থাকার এক দুর্বার আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু বর্তমানে গানের জগতে যা চলছে তার স্থায়িত্ব অত্যন্ত ক্ষীণ, বড়জোর এক সপ্তাহ। এসব গানের কথা ষাটের দশকের গানের মতো সমাজদারদের মুখে মুখে ফেরে না। যে সৃষ্টি চোখ মেলে প্রভাতের নতুন সূর্য দেখার আগেই ঝরে পড়ে সে শিল্পীকে অমর করতে পারে না। আমার মনে হয় গানের জগতে সম্ভাবনাময় শিল্পী কলাকুশলীদের একথাটা ভেবে দেখা উচিত।
এক সময় বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জেও সংস্কৃতির বেশ চর্চা ছিল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিবছর নাটক সঞ্চায়িত হতো। চিত্তবিনোদনের জন্য বিচিত্রানুষ্ঠান, জারি, সারি গান, বারুণী মেলা, ঘোড়দৌড় ইত্যাদির প্রচলন ছিল। আজ সে সব নেই। খেলাধুলার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। ফুটবল, ভলিবল, কাবাডি, ডাংগুলি, গোলস্নাছুট কত ধরনের খেলাধুলার প্রচলন ছিল গ্রাম-বাংলায়। স্কুল থেকে ফিরে বই খাতা রেখে কে কার আগে মাঠে যাবে এ নিয়ে ছিল প্রতিযোগিতা। আজকাল তা আর নেই। চায়ের স্টলে বসে উচ্চৈঃস্বরে হিন্দি গান শোনা কিংবা বিদেশি সিরিয়াল দেখার মধ্যে বর্তমান সংস্কৃতি আবদ্ধ।
অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। আজ যুব সমাজের উলেস্নখযোগ্য একটা অংশের এই কারখানায় মুক্তবুদ্ধি চিন্তা-চেতনার বিকাশ ঘটে না। এই কারখানায় উৎপাদন হয় মদ, জুয়া, গাঁজার এবং ইয়াবার মতো মরণব্যাধি ট্যাবলেটের। তাই আজ গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে রাতে বসে মদ, জুয়া ও গাঁজার আসর। সংক্রামক ব্যাধির মতো এই অপসংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ছে যুব সমাজের মধ্যে। এখনই এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া অত্যন্ত জরুরি।
লেখক : প্রাবন্ধিক।

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT