প্রথম পাতা

অমর ২১ শে

ডাক ডেস্ক ঃ প্রকাশিত হয়েছে: ১৫-০২-২০১৮ ইং ০২:৩৩:২৩ | সংবাদটি ১০৭ বার পঠিত

 ঢাকার বাইরে দেশের অন্যান্য স্থানেও রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে আন্দোলন জোরকদমে এগিয়ে চলে। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেটের প্রতিটি জেলা ও মহকুমায় ভাষা আন্দোলনের তীব্রতা ও ব্যাপকতা ছিল লক্ষ্য করার মত। সেইসব আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ঢাকার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের যোগাযোগ ছিল ক্ষীণ। এছাড়া, তৎকালীন সময়ে এখনকার মত সহজ যোগাযোগ মাধ্যম ছিল না। সেই প্রতিকূল পরিবেশ এবং বাস্তবতার মধ্যেও তারা একুশের কর্মসূচি নিয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে আন্দোলনে নামেন ও সাফল্য পান।
যত সময় যাচ্ছিলো, ততই ভিন্ন মাত্রা যোগ হচ্ছিলো আন্দোলনে। ঢাকার মত সিলেটেও সরকারের দমননীতি ও পুলিশী নির্যাতন কোন অংশে কম ছিলো না। পুলিশের জঙ্গিচরিত্র ও দমননীতির তীব্রতায় আন্দোলন সিলেটের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছাতে থাকে। ফলে, এই আন্দোলন চাঙ্গা হচ্ছিলো ক্রমান্বয়ে।
বৃটিশ শাসনের শেষ দিনগুলোতে সিলেট অঞ্চল রাজনৈতিক পৃথক উত্তাপে আলোড়িত ছিলো। তথাপি শহরের বাইরে ১৯৫২’র আগে ভাষা আন্দোলনের প্রভাব খুব একটা লক্ষ্য করা যায় না। শহরে প্রথম থেকে যে কর্মতৎপরতা ছিল তার ফলে অবশ্য গ্রামাঞ্চলের স্বাক্ষর লোকজন ভাষা-বিতর্ক সম্পর্কে অবহিত ছিলেন। বিশেষ করে স্কুল কলেজের শিক্ষক এবং অগ্রসর ছাত্ররা এ ব্যাপারে ছিলেন সজাগ। ভাষা বিতর্কে সোচ্চার শহরবাসী নেতা-কর্মীদের গণসংযোগ ছিলো গ্রাম পর্যায়ে। তবে ঢাকায় হত্যাকান্ডের পরই তৃণমূল পর্যায়ে বিষয়টি সাড়া জাগায়। ১৯৫২ খ্রীস্টাব্দে যোগাযোগ ব্যবস্থা আজকের নিরিখে অবিশ্বাস্য রকম অনগ্রসর ছিল। পত্র-পত্রিকার সংখ্যা ছিল খুব কম। ঢাকার পত্রিকা আসতো এক দিন পর। জেলার অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থাও ছিল পিছিয়ে পড়া। মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, জকিগঞ্জ ও হবিগঞ্জে একদিনে যাতায়াত ছিল প্রায় অসম্ভব। ব্যক্তিগত গাড়ি একেবারেই ছিল হাতে গোনা। এমনি একটা পরিবেশে ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে সভা সমাবেশের এবং তৎপরতার বিস্তারিত বিবরণ সর্বত্র ফলাও প্রচার পায়নি। প্রথমদিকে, অনেকে ভাষা সম্পর্কিত বিতর্কের সুদূরপ্রসারী প্রভাব ও গুরুত্বের কথা আজকের মত ভাবেননি।তাই,সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা তথ্যাদি সংরক্ষণেও যতœবান হননি। ফলে ভাষা আন্দোলনের অনেক খুঁটিনাটি তথ্য ঐ সময়ের নেতা-কর্মীদের স্মৃতি থেকেই জানতে হয়।
জাতীয় পর্যায়ে ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে বড় মাপের কাজ হয়েছে। আঞ্চলিক পর্যায়েও খুব কম হচ্ছে না। তবুও জাতীয় ইতিহাসের মোড় পরিবর্তনকারী এ আন্দোলন সম্পর্কিত অনেক কিছুই ইতিহাসে ঠাঁই পায়নি। ‘সিলেটে ভাষা আন্দোলনের পটভূমি’ গ্রন্থে আমরা সেই তথ্যই খুঁেজ পাই। বিশিষ্ট গবেষক সাংবাদিক আবদুল হামিদ মানিক গ্রন্থটির প্রণেতা।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • নির্বাচন হবে কি হবে না, জানি না: মহাসমাবেশে এরশাদ
  • চলতি সংসদের শেষ অধিবেশন শুরু আজ
  • শিক্ষকদের সমর্থন চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • ২৮ অক্টোবর সকাল থেকে ৪৮ ঘন্টা কর্মবিরতির ঘোষণা
  • শ্রমিক সমাবেশ তাই বাস ছাড়েনি
  • ২৪ অক্টোবরও সিলেটে সমাবেশের অনুমতি পায়নি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট
  • আলীয়া মাদ্রাসা মাঠের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল
  • জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সিলেটের সমাবেশ পেছালো
  • ভারতে ট্রেন দুর্ঘটনায় অর্ধশত মানুষের প্রাণহানি
  • বহিষ্কৃতদের নেতৃত্বে বিকল্প ধারার পাল্টা কমিটি
  • প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গোৎসব
  • বিশ্বকাপের ট্রফি দেখলো সিলেটবাসী
  • সরকারের উন্নয়ন ও জনবান্ধব উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজন জনগণের ঐক্য ও সহযোগিতা
  • সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজ জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশ
  • সমাবেশের অনুমতি দিয়ে নিয়ে নেওয়া হলো: মওদুদ
  • বিদেশীদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দেউলিয়াত্ব প্রকাশ পেয়েছে : কাদের
  • তারেককে ফেরত পাঠাতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের চিঠি
  • ওমরাহ শেষে দেশের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন প্রধানমন্ত্রী
  • জোট নয়, বি. চৌধুরীর দোয়া চায় ন্যাপ-এনডিপি
  • সংসদের ২৩তম অধিবেশন শুরু আগামী রোববার
  • Developed by: Sparkle IT