প্রথম পাতা

অমর ২১ শে

ডাক ডেস্ক ঃ প্রকাশিত হয়েছে: ১৫-০২-২০১৮ ইং ০২:৩৩:২৩ | সংবাদটি ১২২ বার পঠিত

 ঢাকার বাইরে দেশের অন্যান্য স্থানেও রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে আন্দোলন জোরকদমে এগিয়ে চলে। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেটের প্রতিটি জেলা ও মহকুমায় ভাষা আন্দোলনের তীব্রতা ও ব্যাপকতা ছিল লক্ষ্য করার মত। সেইসব আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ঢাকার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের যোগাযোগ ছিল ক্ষীণ। এছাড়া, তৎকালীন সময়ে এখনকার মত সহজ যোগাযোগ মাধ্যম ছিল না। সেই প্রতিকূল পরিবেশ এবং বাস্তবতার মধ্যেও তারা একুশের কর্মসূচি নিয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে আন্দোলনে নামেন ও সাফল্য পান।
যত সময় যাচ্ছিলো, ততই ভিন্ন মাত্রা যোগ হচ্ছিলো আন্দোলনে। ঢাকার মত সিলেটেও সরকারের দমননীতি ও পুলিশী নির্যাতন কোন অংশে কম ছিলো না। পুলিশের জঙ্গিচরিত্র ও দমননীতির তীব্রতায় আন্দোলন সিলেটের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছাতে থাকে। ফলে, এই আন্দোলন চাঙ্গা হচ্ছিলো ক্রমান্বয়ে।
বৃটিশ শাসনের শেষ দিনগুলোতে সিলেট অঞ্চল রাজনৈতিক পৃথক উত্তাপে আলোড়িত ছিলো। তথাপি শহরের বাইরে ১৯৫২’র আগে ভাষা আন্দোলনের প্রভাব খুব একটা লক্ষ্য করা যায় না। শহরে প্রথম থেকে যে কর্মতৎপরতা ছিল তার ফলে অবশ্য গ্রামাঞ্চলের স্বাক্ষর লোকজন ভাষা-বিতর্ক সম্পর্কে অবহিত ছিলেন। বিশেষ করে স্কুল কলেজের শিক্ষক এবং অগ্রসর ছাত্ররা এ ব্যাপারে ছিলেন সজাগ। ভাষা বিতর্কে সোচ্চার শহরবাসী নেতা-কর্মীদের গণসংযোগ ছিলো গ্রাম পর্যায়ে। তবে ঢাকায় হত্যাকান্ডের পরই তৃণমূল পর্যায়ে বিষয়টি সাড়া জাগায়। ১৯৫২ খ্রীস্টাব্দে যোগাযোগ ব্যবস্থা আজকের নিরিখে অবিশ্বাস্য রকম অনগ্রসর ছিল। পত্র-পত্রিকার সংখ্যা ছিল খুব কম। ঢাকার পত্রিকা আসতো এক দিন পর। জেলার অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থাও ছিল পিছিয়ে পড়া। মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, জকিগঞ্জ ও হবিগঞ্জে একদিনে যাতায়াত ছিল প্রায় অসম্ভব। ব্যক্তিগত গাড়ি একেবারেই ছিল হাতে গোনা। এমনি একটা পরিবেশে ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে সভা সমাবেশের এবং তৎপরতার বিস্তারিত বিবরণ সর্বত্র ফলাও প্রচার পায়নি। প্রথমদিকে, অনেকে ভাষা সম্পর্কিত বিতর্কের সুদূরপ্রসারী প্রভাব ও গুরুত্বের কথা আজকের মত ভাবেননি।তাই,সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা তথ্যাদি সংরক্ষণেও যতœবান হননি। ফলে ভাষা আন্দোলনের অনেক খুঁটিনাটি তথ্য ঐ সময়ের নেতা-কর্মীদের স্মৃতি থেকেই জানতে হয়।
জাতীয় পর্যায়ে ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে বড় মাপের কাজ হয়েছে। আঞ্চলিক পর্যায়েও খুব কম হচ্ছে না। তবুও জাতীয় ইতিহাসের মোড় পরিবর্তনকারী এ আন্দোলন সম্পর্কিত অনেক কিছুই ইতিহাসে ঠাঁই পায়নি। ‘সিলেটে ভাষা আন্দোলনের পটভূমি’ গ্রন্থে আমরা সেই তথ্যই খুঁেজ পাই। বিশিষ্ট গবেষক সাংবাদিক আবদুল হামিদ মানিক গ্রন্থটির প্রণেতা।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • সিলেটে উন্নয়নের ‘ধীরগতি’র বদনাম ঘুচাতে হবে
  • মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করা আমার প্রথম কাজ
  • ১৯ জানুয়ারি মহাসমাবেশে যোগ দিতে সিলেট আওয়ামী লীগের আহবান
  • ‘সিলেট হবে দেশের প্রথম ডিজিটাল নগরী’
  • খালেদা জিয়া অসুস্থ, আদালতে যেতে পারেননি
  • মুসলিম উম্মাহ’র ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
  • সিলেটে হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার জিয়ারত করলেন পরিবেশ মন্ত্রী
  • ফের কয়লা আমদানী বন্ধ
  • দক্ষিণ সুরমায় রিকশা চালককে পিটিয়ে খুন
  • সুনামগঞ্জের হাওরসমূহে এখনো বাঁধের কাজ পুরোপুরি শুরু হয়নি
  • রাজশাহীতে থামলো ঢাকার ‘জয়রথ’
  • রংপুরকে হারিয়ে জয়ে ফিরলো সিলেট
  • ‘মা’ মানেই বেঁচে থাকার নি:শ্বাস
  • শাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
  • শাবিতে নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন আজ ও আগামীকাল
  • নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ, বিতর্কিত: টিআইবি
  • অসহায় মজলুম মানুষের খেদমতে আত্মনিয়োগ করুন
  • টিআইবির প্রতিবেদন পূর্বনির্ধারিত মনগড়া: রফিকুল
  • সামাদ আজাদ ও ‍হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই
  • প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে জয়ের পুনঃনিয়োগ
  • Developed by: Sparkle IT