প্রথম পাতা

গ্রাম আদালত কার্যকরের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি সম্ভব --- ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম

ডাক ডেস্ক : প্রকাশিত হয়েছে: ২৫-০২-২০১৮ ইং ০২:৩৩:২৬ | সংবাদটি ১০৭ বার পঠিত

 সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেছেন, স্বল্প খরচে ও স্থানীয়ভাবে বিরোধ মীমাংসার পাশাপাশি নি¤œ আদালতের দীর্ঘ মামলার জট কমানোর জন্য গ্রাম আদালতকে আরো কার্যকর করতে হবে। তিনি বলেন, গ্রাম আদালত কার্যকরের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি এবং গ্রাম পর্যায়ে শান্তি-শৃংখলা নিশ্চিত করা সম্ভব।
গতকাল শনিবার নগরীর রিকাবীবাজারস্থ কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ইউএনডিপি এবং বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ‘গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে স্থানীয় প্রশাসনের গুরুত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক বিভাগীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এ কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার আরো বলেন, গ্রামীণ জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২৩টি নির্দেশনার মধ্যে ৯ নং নির্দেশনায় গ্রাম আদালতকে সক্রিয়করণের নির্দেশনা প্রদান করেন। তারই আলোকে আজকের এই বিভাগীয় সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।  স্থানীয় সরকার বিভাগ সিলেটের পরিচালক মোঃ মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ আজম খান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী আবদুল হান্নান, সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ রাহাত আনোয়ার, সুনামগঞ্জের  জেলা প্রশাসক মোঃ সাবিরুল ইসলাম, মৌলভীবাজারের  জেলা প্রশাসক মোঃ তোফায়েল ইসলাম।
ইউএনডিপি এর পক্ষে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের সমন্বয়ক সরদার এম আসাদুজ্জামান। শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা আলমগীর হোসেন ও গীতা পাঠ করেন সুখেন্দু কুমার শর্মা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জাকারিয়া।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার অনুপমা দাসের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বক্তারা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন বিশেষত জেলা প্রশাসক, উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণের নেতৃত্ব এবং নির্দেশনায় সিলেট বিভাগের ৩টি জেলার (সিলেট, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ) ১৩টি উপজেলায় প্রকল্পটি স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মাঝে গ্রাম আদালত সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর সেবা গ্রহণে জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করতে প্রকল্প এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণের নেতৃত্ব ও ভূমিকা প্রশংসনীয়। বক্তারা প্রকল্প এলাকাসহ দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় গ্রাম আদালতগুলোকে আরো সক্রিয় করতে জেলা উপজেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা নিয়মিতকরণ ও এর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সুপারিশ করেন। একই সঙ্গে তারা গ্রাম আদালতে নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে চেয়ারম্যানদের অনুকরণীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার উপর জোর দেন।
সম্মেলনে অল্প সময় ও খরচে স্থানীয় ছোটখাটো বিরোধ মীমাংসা এবং গ্রামীণ জনগণের মাঝে বিচারিক সেবা গ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সিলেট বিভাগে প্রকল্প এলাকার ১১১ টি ইউনিয়নে কার্যরত গ্রাম আদালতগুলোকে আরো সক্রিয় করতে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • ফেঞ্চুগঞ্জ মুক্ত দিবস আজ
  • মোমেন-মুক্তাদীরের মিশন শুরু
  • সিলেট প্রতীক পেয়ে ভোটের লড়াইয়ে প্রার্থীরা
  • কাল প্রচারণা শুরু করবেন শেখ হাসিনা
  • খালেদার প্রার্থিতা বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজ
  • বিজয়ের মাস :
  • প্রার্থিতা নিয়ে খালেদা জিয়ার রিট
  • মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে ভোট দিয়ে তরুণরা ইতিহাসের অংশীদার হবেন
  • ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন সিলেট বিভাগের ৩৮ প্রার্থী
  • সিলেট আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মেয়াদ বাড়লো
  • সিলেট বিভাগের ১২ আসনে দলীয়ভাবে নির্বাচন করবে জাপা ও খেলাফত মজলিস
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারালো বাংলাদেশ
  • সিলেট বিভাগে চূড়ান্ত ভোট যুদ্ধে ১১৪ প্রার্থী
  • খালেদা জিয়া মামলা নিয়ে কানামাছি খেলেছেন: কাদের
  • সন্তানদের বেগম রোকেয়ার আদর্শে গড়ে তুলতে হবে
  • নৌকার প্রার্থী ২৭২, আওয়ামী লীগের ২৫৮
  • ধানের শীষের প্রার্থী ২৯৮ আসনে, বিএনপির ২৪২
  • টেকনোক্র্যাট ৪ মন্ত্রীকে অব্যাহতি
  • বিজয়ের মাস
  • ড. কামালের আয়-ব্যয়ের হিসাব খতিয়ে দেখছে এনবিআর
  • Developed by: Sparkle IT