সম্পাদকীয়

ইসলামী শিক্ষার একাল-সেকাল

মো. আব্দুল মালিক প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-০৩-২০১৮ ইং ০১:৩১:৪২ | সংবাদটি ১৬৭ বার পঠিত

প্রকৃতির বাস্তব কর্মশালা ছিল বিশ^নবীর শিক্ষা। বিশ^প্রকৃতি এবং এর অন্তর্ভুক্ত যাবতীয় সৃষ্টিকুল, মানুষের সাথে ¯্রষ্টা ও অন্যান্য সৃষ্টিকুলের সম্পর্ক এবং আচরণের নীতিমালা পাঠ ছিল তাঁর পূর্ববতী নবী-রাসূলদের শিক্ষানীতির পরিশোধিত নিখুঁত সঞ্চয়ন। বিশ^নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর শিক্ষার বিষয়বস্তু শুধু বিশ^¯্রষ্টা, বিশ^প্রকৃতি ও মানবকুলের মধ্যোই সীমিত নয়, বরং ইহা নশ^র এ দুনিয়ার ধ্বংস প্রাপ্তির পর আখিরাত পর্যন্ত ব্যাপ্ত। আখিরাত ও পারত্রিক জগৎ সম্পর্কে তিনি জ্ঞান অর্জন করেছিলেন-পবিত্র শবে মেরাজের মাধ্যমে। তাঁর জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি ছিল প্রধানত : (১) ওহী, (২) রুইয়া বা স্বপ্ন, (৩) দিব্যদৃষ্টি, (৪) মেরাজ বা সশরীরে আসমানে উত্থান এর মাধ্যমে।
আল্লাহর রাসূল (সা.) মসজিদুন নববীতে অবস্থান করে সাহাবীদের নামায শিক্ষা দিতেন; আরো শিক্ষা দিতেন পাক কুরআন ও হাদীস শরীফ। সাহাবীগণ কুরআন শরীফের আয়াত মুখস্থ করবার জন্য তিনবার আবৃত্তি করতেন। আল-কুরআন শিক্ষা করা ছাড়াও সাহাবীগণ ধর্মীয় বিধান, কারুময় হস্তলিপি (পধষষরড়মৎধঢ়যু) বংশ ইতিহাস, ঘোড় দৌড়, বিদেশী ভাষা ও তীর নিক্ষেপ শিক্ষা করতেন। একযোগে দীন ও দুনিয়ার শিক্ষা প্রদানের পদ্ধতি ও প্রয়োগ আল্লাহর রাসূল (সা.) এভাবে প্রচলিত করেন।
খুলাফায়ে রাশেদার আমলে শিক্ষার বিষয়বস্তু ছিল :
১. আল-কুরআন। ২. আল-হাদীস। ৩. বাক্যাল্যংকার। ৪. নীতিশাস্ত্র। ৫. দর্শন। ৬. ইতিহাস। ৭. অঙ্ক। ৮. ব্যাকরণ। তাছাড়া এসব বিষয়ের সাথে শারীরিক ও সামরিক শিক্ষার জন্য সহপাঠক্রমিক হিসেবে হযরত উমর (রা.) ১. সাঁতার। ২. তীর-বর্শা নিক্ষেপ। ৩. ঘোড় দৌড় বিষয়ে প্রশিক্ষণের নির্দেশও দেন। প্রত্যেক অভিভাবকই এ নির্দেশানুযায়ী ছেলেদেরকে উক্ত শিক্ষা দিতে বাধ্য ছিলেন। অভিভাবকদেরকে হযরত উমর (রা.) এ তাকিদও দিয়েছিলেন যে ঐতিহাসিক আমীর আলীর কথায় : ণড়ঁ ংযড়ঁষফ সধশব ঃযবস ষবধৎহ বিষষশহড়হি ঢ়ৎড়াবৎনং, রিংব ংধুরহমং ধহফ মড়ড়ফ ঢ়ড়বঃৎু. ইবনুল কিয়ামের মতে প্রত্যেক পিতা-ই এ নির্দেশানুযায়ী সন্তানদেরকে শিক্ষাদানে রত ছিলেন।
উমাইয়া যুগে শিক্ষার বিষয়বস্তু ছিল :
১. আল-কুরআন। ২. আল-হাদীস। ৩. হালাল-হারামের বিষয়াদি। ৪. বক্তৃতা। ৫. কবিতা, কাসীদা, গযল। ৬. আরবি ব্যাকরণ। ৭. ইসলামের বিজয় ইতিহাস।
তাছাড়া জুম্মার দিনে খুতবা প্রদানের সময় মসজিদের ইমামগণ মুসল্লীদের নিয়মিতভাবে ১. দেশপ্রেম। ২. সামরিক শিক্ষার প্রতি উৎসাহ দান করতেন। ঈড়-ঈঁৎৎরপপঁষধ বা আনুষঙ্গিক বিষয়ের মধ্য- ১. সাঁতার। ২. তীর নিক্ষেপ। ৩. শিক্ষা সফর। ৪. ঘোড় দৌড় পাঠক্রমের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ ধরনের শিক্ষা বিশেষভাবে সীমিত ছিল খলীফা ও আমীর-ওমরার সন্তানদের জন্যে। ইবনে সা’দের মতে উমাইয়া যুগে বিজ্ঞান শিক্ষা দেওয়া হতো দু’ ভাবে : ১. ধর্মবিষয়ক এবং ২. দেহ বা প্রকৃতি বিষয়ক।
আব্বাসীয় যুগের শিক্ষার বিষয়াবলি :
১. আল-কুরআন। ২. আরবি গ্রামার। ৩. কবিতা। ৪. ইতিহাস। ৫. ভূগোল। ৬. অভিধান কোর্স। ৭. আইন। ৮. রসায়ন। ৯. দর্শন। ১০. চিকিৎসা। ১১. সৌরমগুল বা জ্যোতির্বিদ্যা। আব্বাসীর যুগে মহিলাদের শিক্ষার্জনের প্রসার ও ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যায়। সাধারণ পরিবারের মেয়েদের ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি গভীর অনুরাগ দেখা যায়। অভিজাত ঘরের মেয়েরা ‘মুয়াদেদিব’ বা ঢ়ৎরাধঃব ঃঁঃড়ৎ রেখে ধর্ম ও শালীনতামন্ডিত সাহিত্য, ছন্দ-শাস্ত্র অধ্যয়ন করতেন (পি.কে.হিট্টি)। এ সময় উচ্চশিক্ষার আগার ছিল রায়তুল হিকমাহ। খলীফা আল মামুন ৮৩০ খ্রিস্টাব্দে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এ প্রতিষ্ঠানে সৌরবিজ্ঞান, অনুবাদ বিশেষ করে প্রাচীন গ্রিক, সিরীয় ও ফার্সি সাহিত্যের অনুবাদ, সাহিত্যের ভিত্তিতে আওয়াল বিজ্ঞান শিক্ষাদানের মাধ্যমে ধর্ম, দর্শন ইত্যাদি শিক্ষা দেওয়া হতো। ইসলামের ইতিহাসে প্রকৃত অর্থে প্রথম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে দারসে নিজামিয়া। সেলজুক সুলতান আলপ আর-সালান ও মালিক শাহের আমলে তাঁদের পার্সি মন্ত্রী নিজামুল মুলক এ প্রতিষ্ঠানটির স্থাপয়িতা। ফাতিমীগণ তাঁদের পূর্ব পুরুষদের মতোই বিদ্যুৎসাহী ও জ্ঞানানুশীলনে মশগুল ছিলেন। এদের আমলে দারুল হিকমা বা বিজ্ঞান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছিল। জ্ঞানগর্ভ আলোচনার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ‘দহিউত দাওয়াত’ নামে বিরাট হল কক্ষ ও ‘মজলিসুল-হিকমত নামে দর্শনতত্ত্বের আলোচনারীতি। কায়রোতে মহিলাদের শিক্ষার প্রতিও বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়েছিল। মেয়েরা প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করার জন্যে মক্তবে যেত। উচ্চশিক্ষা প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে মহিলাদের জন্য একটি মাদরাসাও স্থাপন করা হয়েছিল। এ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মামলুক সুলতান তাহিরের কন্যা । ইহা ১২৩৭ খিষ্টাব্দে স্থাপিত হয়। তাদের সময়ের রাজকীয় খরনৎধৎু- তে এক লাখের মতো শোভন বাঁধাই গ্রন্থ ছিল। ছাত্রদিগকে অধ্যয়ন করার জন্যে বিনাচার্জে এসব গ্রন্থ ধার দেওয়া হতো। ইসলামী শিক্ষার মূল ভিত্তি :
হযরত আদম (আ.) থেকে রাসূল করীম (সা.) এমন কি আব্বাসীয় যুগের ধ্বংসলগ্ন পর্যন্ত ১. আল-কুরআন। ২. আল-হাদীস। ৩. ফিকহ শাস্ত্র। ৪. ইসলামের বিজয় ইতিহাস সবার জন্য আবশ্যকীয় পাঠ্যসূচি ছিল। ইসলামের বিশিষ্ট ইমাম, আলিম ও মুহাদ্দিসগণের শিক্ষাজীবনেও দেখা যায়, তারা প্রত্যেকেই প্রথম কিতাবুল্লাহ এবং সুন্নতে রাসূলুল্লাহ (সা.) অধ্যয়ন করেছেন এবং পরে আইন, দর্শন, সাহিত্য, ভূগোল ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞানার্জনে ব্যাপৃত হয়েছিলেন।
বাংলায় মাদরাসা শিক্ষা :
‘মাদরাসা’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে উৎসারিত। মূল আরবি অনুসরণ করলে শব্দটির প্রতিরূপ দাঁড়ায় ‘মাদরাসা’। এর অর্থ হচ্ছে পাঠের প্রতিষ্ঠান, বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়, গবেষণা কিংবা অধ্যাপনা ইত্যাদির স্থান বা কেন্দ্র। মুসলিম শাসনামলে বাংলায় মাদরাসাগুলো সাধারণত ইসলামী উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান ছিল। মাদরাসার নি¤œরুপ ‘মক্তব’ নামে পরিচিত ছিল এবং সেখানে ধর্মকেন্দ্রিক প্রাথমিক মানের শিক্ষা প্রদান করা হতো। সেই যুগে বাংলার মক্তব-মাদরাসাগুলো বেসরকারি ছিল। তখন প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষ জ্ঞান অর্জন করাকে ধর্মীয় কর্তব্য কিংবা স্রষ্টার সন্তুষ্টি লাভের পন্থা হিসেবে বিবেচনা করতেন। মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম সমাজ ইসলামের প্রাথমিক যুগের শিক্ষার আদর্শ অনুসরণ করেন। যদিও শিক্ষাক্ষেত্রে এদেশীয় মুসলমানদের সাফল্য তাদের পূর্বসূরীদের মতো ততোটা উল্লে¬খযোগ্য ছিল না, তথাপি তাঁরা তাঁদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে মূল্যবান মনে করতেন এবং তাঁদের জীবনে শিক্ষার গুরুত্ব¡ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন। বাংলার মুসলিম শাসক, আমির-ওমরাহ, সুফি, উলামা, জমিদার কিংবা বিত্ত্বশালীগণ শিক্ষার প্রতি অনুরাগী ছিলেন এবং সর্ব উপায়ে তাঁরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্নতি ও বিস্তারে আত্মনিয়োগ করেন। ফলে দেশের নানা স্থানে বহু সংখ্যক মক্তব-মাদরাসা, শিক্ষাকেন্দ্র ইত্যাদি গড়ে ওঠে। এসব মক্তব-মাদরাসা প্রধানত মুসলিম প্রার্থনাস্থল মসজিদকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠিত হতো। বাংলা তথা ভারত উপমহাদেশের মুসলমানগণ তাঁদের পূর্ববাসীদের শিক্ষার আদর্শ অনুসরণের প্রেক্ষিতে বাগদাদের আব্বাসীয়া খলিফাদের আমলে প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতি ও পাঠ্যতালিকা এখানের মাদরাসাগুলোতে প্রবর্তন করেন। ফলে মুসলিম আমলের শুরু থেকেই বাংলার মাদরাসা শিক্ষার পাঠ্যসূচিতে বাগদাদের দরসে নিযামিয়া সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিল। এই পাঠ্যসূচির প্রধান বৈশিষ্ট্য হল-এতে ধর্মীয় ও লৌকিক উভয় বিষয়ের জ্ঞান-বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই পাঠ্যক্রমের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে প্রগাঢ় ধর্মতত্ত্ব, হাদিস, ইসলামী আইন, তাফসির, যুক্তিবিদ্যা, মনোদর্শন, ইতিহাস, গণিত, জৌতির্বিদ্যা, ব্যাকরণ ইত্যাদি ছিল উল্লে¬খযোগ্য। সম্রাট আকবরের শিক্ষা বার্তায় এই সকল বিষয়ের সাথে আরও ধর্ম নিরপেক্ষ জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হতে দেখা যায়। তবে ধর্মীয় বিষয় অধ্যয়নের ক্ষেত্রে মুসলিম ছাত্র ব্যতীত হিন্দু ছাত্রদের জন্য নিজস্ব জাতীয় গ্রন্থ পাঠ্যভুক্ত ছিল। সপ্তদশ শতকে আব্দুর রহিমের মাদরাসা শিক্ষা এবং অষ্টাদশ শতকের প্রারম্ভে তাঁরই পুত্র শাহ ওয়ালিউল্ল¬াহর (১৭০২-১৭৬০) শিক্ষা পদ্ধতি ও লক্ষনৌত মোল্ল¬া নিযামুদ্দীনের (১৬৭৭-১৭৪৯) দরসে নিযামিয়ায় প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত উপমহাদেশে বাগদাদের দরসে নিযামিয়ার গভীর প্রভাব কার্যকর ছিল। মাওলানা শিবলী নু’ মানী (১৮৫১-১৯১৪) বাগদাদের দরসে নিযামিয়ার প্রভাব সম্পর্কে বলেন, নিযামিয়ার প্রাণ সঞ্চারক প্রভাব প্রত্যেকটি দেশকে অদ্ভূতভাবে প্রভাবিত করে। হিজরি ষষ্ঠ শতকের (খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতক) দিকে স্পেন ছাড়া আর কোনো দেশই এর প্রভার থেকে মুক্ত ও বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে নি।’ সুতরাং বলা যায়, ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় বাংলার মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থায়ও বাগদাদের দরসে নিযামিয়ার প্রভাব বিদ্যমান ছিল। মুসলিম আমলে বাংলার মাদরাসা শিক্ষার পাঠ্যক্রম শুধু জনপ্রিয়তাই অর্জন করেনি, মানের ক্ষেত্রেও উন্নতির শিখরে আরোহণ করেছিল। সমসাময়িক বর্ণনায় এর প্রমাণ পাওয়া যায়। উইলিয়াম অ্যাডাম বাংলার আরবি উচ্চ শিক্ষার মাদরাসা সমূহের পাঠ্যসূচির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন যে, আরবি বিদ্যালয়ে ব্যাকরণ পাঠ অনেক বেশি সুসংহত; দর্শনশাস্ত্র, তর্কশাস্ত্র এবং আইন নিয়মিত পঠিত হয়। ইসলাম সম্পর্কে এখানে সুগভীরভাবে আলোচনা হয়, ইউক্লিডের জ্যামিতি, টলেমির জ্যোতিষশাস্ত্র এবং প্রাকৃতিক দর্শন সম্পর্কেও চর্চা করা হয়। অর্থাৎ অধ্যয়নরত ছাত্রদের জ্ঞান অর্জনে সর্বোচ্চ সফলতা লাভের জন্য সমগ্র পাঠ্যসূচিটি পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে অধিবিদ্যার গবেষণামূলক গ্রন্থদ্বারা আবৃত ছিল। তিনি আরও বলেন যে, মুদ্রণযন্ত্র আবিস্কারের পূর্বে ভারতীয় মুসলমানদের জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ইউরোপীয়দের ন্যায় উন্নত ছিল। এই সকল উন্নত পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত মাদরাসাগুলোর বিখ্যাত পন্ডিতদের নিকট শিক্ষা লাভের জন্য ভারতের নানা স্থানের শিক্ষার্থীগণ আকৃষ্ট হয়েছিলেন। কোনো কোনো ঐতিহাসিকের মতে মুসলমানদের উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোতে হাজার হাজার ছাত্র অধ্যায়ন করত ও একজন অধ্যাপকের শত শত শ্রোতা ছিল। তবে বাংলায় ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার পর মুসলিম শাসক, আমির-ওমরা ও অভিজাত ব্যক্তিবর্গের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার বিলুপ্তি সাধন হলে এবং লর্ড কর্নওয়ালিস কর্তৃক লাখেরাজ সম্পত্তির বাজেয়াপ্তির কারণে দেশের অগণিত মাদরাসা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ব্রিটিশ সরকার নিউস্কিম মাদরাসা চালু করলে এর বিপরীতে উপমহাদেশের বিশিষ্ট আলেমরা দারুল উলূম দেওবন্দ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে উপমহাদেশে ইসলামী শিক্ষায় দেওবন্দ মাদরাসার পাঠ্যক্রম চালু রয়েছে।

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT