উপ সম্পাদকীয়

কামরুল আহমদ শেরগুল

তৈয়বুর রহমান প্রকাশিত হয়েছে: ১২-০৩-২০১৮ ইং ০১:০১:৩৯ | সংবাদটি ৮৪০ বার পঠিত

এম. তৈয়বুর রহমান গোয়াইনঘাট উপজেলার পিয়াইনগুল পরগনার নন্দিরগাঁও ইউনিয়নের পূর্ণাছগাম গ্রামে ১৯৫৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন (বর্তমানে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা)। তাঁর পিতা আলহাজ্ব কলিম উল্লাহ ছিলেন জৈন্তিয়া অঞ্চলের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ও নন্দিরগাঁও ইউনিয়নের প্রথম চেয়ারম্যান। জৈন্তিয়া অঞ্চলে তিনি কলিম হাজী নামে সুপরিচিত ছিলেন। এম. তৈয়বুর রহমানের মায়ের নাম আবিজান বিবি।
এম. তৈয়বুর রহমানের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে। এরপর দি এইডেড হাইস্কুল, রাজারগাঁও হাইস্কুল, তোয়াকুল জুনিয়র হাইস্কুলে লেখাপড়া করে হরিপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় হতে মেট্রিক পাশ করেন। মদন মোহন কলেজে অধ্যয়নকালীন সময়ে ব্যবসায়ী পিতার উৎসাহে তিনি স্থানীয় রাজনীতি লেখালেখিতে জড়িয়ে পড়েন।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করে অনগ্রসর জৈন্তিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন দাবি দাওয়া ও সমস্যার কথা স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় তুলে ধরতেন এবং এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য পত্রিকা কাটিংসহ সংশ্লিষ্ট অফিসে আবেদন পাঠাতেন। ১৯৭৮ইং সনে তিনি ‘গ্রামবাংলা সমাজ কল্যাণ সংসদ’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। যার সভাপতি তিনি নিজে আর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন নোয়াগাঁও নিবাসী মোঃ তৈয়বুর রহমান (বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের জয়েন্ট ডাইরেক্টর)। এ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি এলাকার বিভিন্ন দাবি সম্বলিত আবেদন প্রশাসনের বিভিন্ন কর্তা ব্যক্তির কাছে পাঠাতেন। জৈন্তিয়া অঞ্চলের প্রধান দাবি দাওয়া আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। সিলেট শহরের হোটেলে অবস্থান করেই তিনি এলাকার দাবি দাওয়ার ব্যাপারে আবেদন ও লেখালেখি করতেন। ঐ সময় বৃহত্তর জৈন্তার ছাত্রদেরকে এলাকার দাবি আদায়ে সোচ্চার হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করতেন এবং ১৯৮০ইং সনের ১৭ই মার্চ ছাত্রনেতা আব্দুর রহমান বাবুকে আহ্বায়ক এবং এ.টি.এম বদরুল ইসলাম ও গোলাম কিবরিয়া হেলালকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে গঠন করা হয় জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্র পরিষদ। ১৯৮৬ইং সনে জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্র পরিষদের তৎকালীন সভাপতি খছরুজ্জামান খছরু এমসি কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ইং সনে এ সংগঠনের সম্মেলনে জৈন্তিয়া অঞ্চলে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপন করা হয় এবং এ সংগঠনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় জৈন্তিয়া অঞ্চলের প্রথম কলেজ ‘জৈন্তিয়া কলেজ’। ১৯৮৭ইং সনের সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন মোঃ খছরুজ্জামান খছরু, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মোঃ জামাল উদ্দিন। ঐ সংগঠনের অনুকরণে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত হয় গোয়াইনঘাট ছাত্র পরিষদ, কানাইঘাট ছাত্রকল্যাণ পরিষদ ও কোম্পানীগঞ্জ ছাত্র পরিষদ। তিনি ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ ছাত্র পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক।
স্বাধীনতার পর তিনি জৈন্তিয়া অঞ্চলের প্রাণের দাবি ৬ দফা উপস্থাপন করেন এবং এর স্বপক্ষে অনেক লেখালেখি করেন। এ সমস্ত দাবি সম্বলিত পুস্তিকা ‘তেজপাতা’ ছাপিয়ে বিভিন্ন এলাকার জনপ্রতিনিধিদের হাতে তুলে দিতেন। তাঁর ৬ দফা ছিল- (১) সালুটিকর-গোয়াইনঘাট রাস্তা পাকাকরণ, (২) পিয়াইন নদী খনন, (৩) তোয়াকুল থানা বাস্তবায়ন (৪) জৈন্তা মহকুমা বাস্তবায়ন, (৫) গাছবাড়ী থানা বাস্তবায়ন, (৬) হরিপুর-গোয়াইনঘাট রাস্তা পাকাকরণ। উক্ত দাবি নিয়ে তিনি কবিতা ও গান রচনা করতেন ও সুরারোপ করে বিভিন্ন বাজারে নিজে গেয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেন। তিনি ছিলেন জৈন্তা মহকুমা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি।
তোয়াকুল থানা প্রতিষ্ঠার জন্য অনেক চেষ্টা তদবিরের পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জোরালো ভূমিকা না থাকায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানা প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপন করেন। ১৯৭৬ইং সনে সিলেট সদর, ছাতক ও গোয়াইনঘাট থানার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয় কোম্পানীগঞ্জ থানা, যা ১৯৮৩ইং সনে ১৪ সেপ্টেম্বর উপজেলায় উন্নীত হয়। উপজেলা হিসেবে উদ্বোধনের দিন ‘বঞ্চিত জনপদ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা’ শীর্ষক স্মরণিকা প্রকাশ করেন। এরপর হতে শুরু হয় কোম্পানীগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে তাঁর পথচলা। কিভাবে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট করা যায়, কিভাবে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে উন্নয়নের ছোয়া পৌঁছানো যায় তা নিয়ে তিনি দিনরাত ব্যস্ত থাকতেন।
১৯৮৫ইং সনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ কোম্পানীগঞ্জে এলে তিনি অবহেলিত কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন দাবি দাওয়া জোরালোভাবে তুলে ধরে জ্বালাময়ী বক্তব্য রাখেন এবং পিয়াইন ধলাই নদী খনন ও ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। যার প্রেক্ষিতে কোম্পানীগঞ্জসহ সারাদেশের কৃষকের ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়। ঐ সভার পর থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। যার মাধ্যমে তিনি কোম্পানীগঞ্জের অনেক উন্নয়ন কাজ করেন। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সাহেবের স্মৃতি রক্ষার্থে তিনি রণিখাই ইউনিয়নের মাঝেরগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠা করেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়।
এম. তৈয়বুর রহমান বলতেন চিনের দুঃখ হোয়াংহো নদী হলে গোয়াইনঘাট কোম্পানীগঞ্জের দুঃখ হলো পিয়াইন- ধলাই নদী। এই দুই পাহাড়ী নদী ভরাট হওয়ায় সর্বনাশা বন্যায় অত্র অঞ্চলের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। বন্যার হাত হতে ফসলি জমি রক্ষার জন্য এই নদী খনন গুরুত্ব বহন করে। তাই তিনি ১৯৭৪ইং সনে তৎকালীন বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রী আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের নিকট প্রথম পিয়াইন নদী খননের যৌক্তিকতা তুলে ধরে আবেদন করেন। বিভিন্ন সভা সমাবেশ ও সাংবাদিক সম্মেলনে এ নদী খননের উপকারিতা তুলে ধরতেন। পত্রিকায় পিয়াইন নদী খননের উপর প্রতিবেদন ও প্রবন্ধ লেখতেন এবং অন্যকে দিয়ে লেখাতেন। পত্রিকা কাটিং সহ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে রেজি: ডাকে পত্র ছাড়তেন ও মাঝে মাঝে টেলিগ্রাম পাঠাতেন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর হতে বৃষ্টি বহুল চেরাপুঞ্জির পাদদেশে অবস্থিত ধলাই নদী খননের দাবি জানান এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনেক আবেদন নিবেদন পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠান।
আশির দশকে তিনি দৈনিক যুগভেরী, দৈনিক জালালাবাদী ও সাপ্তাহিক সিলেট সমাচারে নিয়মিত লিখতেন। বিভিন্ন ম্যাগাজিনে তিনি তথ্য সমৃদ্ধ প্রবন্ধ লিখতেন।
এম. তৈয়বুর রহমান প্রচুর বই পড়তেন, বই কিনতেন, বই উপহার দিতেন এবং সবাইকে বই পড়তে উৎসাহিত করতেন। তাঁর গ্রামের বাড়িতে ছিল বিশাল পাঠাগার। এ পাঠাগারে সিলেটের প্রাচীন ইতিহাস, গৌড়, লাউড়, জৈন্তিয়া রাজ্যের ইতিহাসসহ অনেক মূল্যবান পুস্তক সংরক্ষিত রয়েছে।
এম. তৈয়বুর রহমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ডিগ্রি অর্জন না থাকলেও শিক্ষার প্রতি বিশেষ দরদ ছিল। তিনি উপলব্ধি করতেন এলাকার প্রকৃত উন্নয়নের জন্য শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তাই নতুন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ও পুরাতনগুলোর সংস্কার ও উন্নয়নে অনেক অবদান রেখেছেন। উপজেলা পরিষদ হতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিতেন। ১৯৮৩ইং সনে গোয়াইনঘাট উপজেলার বঙ্গবীর হাইস্কুল প্রতিষ্ঠালগ্নে নাম নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতা ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা দিলে তিনি এ স্কুলের নাম মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের নামে ‘বঙ্গবীর এম.এ.জি ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয়’ নামকরণের প্রস্তাব করেছিলেন- এলাকাবাসী তা সানন্দে গ্রহণ করে। এ বিদ্যালয়ই ছিল ওসমানী সাহেবের জীবদ্দশায় তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র প্রতিষ্ঠান। এম. তৈয়বুর রহমান তাঁর পিতার নামে কলিম উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং কিছু দিন অবৈতনিক শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রণিখাই ইউনিয়নের মাঝেরগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠা করেন হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়। এছাড়া খাগাইল মাদ্রাসা, হায়দরী বাজার ইবতেদায়ী মাদ্রাসা, পুটামারা হাইস্কুল, ছনবাড়ী হাইস্কুল, কোম্পানীগঞ্জ থানা সদর হাইস্কুল, বর্ণি হাইস্কুল, পূর্ণাছগাম হাইস্কুল প্রতিষ্ঠায় ও উন্নয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ভাটরাই উচ্চ বিদ্যালয়ে কলেজ শাখা চালু করা, সালুটিকর কলেজে ডিগ্রি (পাস) কোর্স খোলা ও ভবন নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সালুটিকর কলেজে তিনি নিজে তাঁর পিতার নামে হাজী কলিম উল্লাহ ভবন নির্মাণ করে দেন। রুস্তুমপুর কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে সিলেট শহরের পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয়ে কলেজের এক সভায় উপস্থিত হয়ে নগদ অনুদান প্রদান করেন এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তাঁর এ সহযোগিতা ও উৎসাহ রুস্তুমপুর কলেজকে এগিয়ে নিতে প্রেরণা যুগিয়েছে।
এম তৈয়বুর রহমান ছিলেন বার বার নির্বাচিত জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি। ১৯৮৪ইং সনে তিনি প্রথম ও পরপর তিন বার বৃহত্তর রণিখাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সনে প্রথম ও ২০০৯ সনে তিনি দ্বিতীয়বার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। দ্বিতীয়বার উপজেলা চেয়ারম্যান হয়ে শপথের দুই দিন পর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বপ্রথম আর্থিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে সকল উপজেলা চেয়ারম্যানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ও সংবাদপত্রে শিরোনাম হন। জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু সর্বদা এলাকার উন্নয়নের কাজে ব্যস্ত থাকতেন, তারপরও যেকোনো সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাঁর সরব উপস্থিতি সবাইকে অনুপ্রাণিত করত। এলাকার মানুষও তাঁকে যথাযথ মূল্যায়ন করে বার বার জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করে কৃতজ্ঞতা দেখিয়েছে। ২০১৩ সালের ১০ মার্চ এই গুণী মানুষটি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।
তাঁর মৃত্যুতে যে শূণ্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হবার নয়। তাঁর আয়ুষ্কাল দীর্ঘ না হলেও কর্মগুণে তিনি কোম্পানীগঞ্জ তথা উত্তর সিলেটের জনগণের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন যুগ যুগান্তর। মৃত্যুকালে তাঁর স্বপ্ন ছিল আলোকিত সমৃদ্ধশালী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলা, পিয়াইন ও ধলাই নদী খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন। সিলেট কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ সড়ক আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত করা। এম. তৈয়বুর রহমানের অবর্তমানে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা তথা জৈন্তিয়ার প্রধান প্রধান দাবিগুলো যেন ছাইচাপা না পড়ে। ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধারসাথে স্মরণ করি এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।
লেখক: উপাধ্যক্ষ, জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রি কলেজ

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • প্রসঙ্গ : রিকসা ভাড়া
  • পেছন ফিরে দেখা-ক্ষণিকের তরে
  • অবাধ ও সুষ্ঠু নিবার্চনের প্রত্যশা
  • শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার
  • বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার
  • বাংলাদেশের উৎসব
  • ‘শান্তি জিতলে জিতবে দেশ’
  • মানবাধিকার মুক্তি পাক
  • অদম্য বাংলাদেশ
  • নারী আন্দোলনে বেগম রোকেয়া
  • আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জনমানস
  • অরিত্রী : অস্তমিত এক সূর্যের নাম
  • স্বপ্নহীন স্বপ্নের তরী
  • মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান
  • নয়া রাষ্ট্রদূত কী বার্তা নিয়ে এসেছেন?
  • ফেসবুক আসক্তি
  • কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পৌরসভা প্রসঙ্গে
  • শিক্ষার্থীদের শাস্তি এবং অরিত্রী প্রসঙ্গ
  • রাষ্ট্রায়ত্ত বৃহৎ শিল্প টিকিয়ে রাখা ও উন্নয়ন জরুরি
  • হাফিজ মোবাশ্বির আলী
  • Developed by: Sparkle IT