শেষের পাতা লাউড়ের গড়ে দুই ধর্মের মানুষের মিলনমেলা

আজ থেকে তাহিরপুরে পনতীর্থে গঙ্গা¯œান ও শাহ-আরফিনের ওরস

রমেন্দ্র নারায়ণ বৈশাখ, তাহিরপুর(সুনামগঞ্জ) থেকে ঃ প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০৩-২০১৮ ইং ০৩:১৩:৪৬ | সংবাদটি ৯৮ বার পঠিত

 তাহিরপুর উপজেলার লাউডের গড় সীমান্তবর্তী এলাকায় আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী হযরত শাহ্ আরেফিন (র)এর পবিত্র ওরস এবং শ্রী শ্রী অদ্বৈত মহাপ্রভুর জন্মধামে যাদুকাটা নদীতে গঙ্গাস্নান ও বারুনী মেলা। গঙ্গাস্নান বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, দুই ধর্মের অনুষ্ঠান উপলক্ষে তাহিরপুর উপজেলা জুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। ইতোমধ্যে দূর দূরান্ত থেকে আসতে শুরু করেছেন উভয় ধর্মের ভক্ত অনুরাগীরা। এতে মুসলিম ও হিন্দু ধর্মের মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে লাউড়ের গড়সহ পুরো তাহিরপুর উপজেলা।
প্রতিবছরের ন্যায় এবারও উৎসব দুটো ঘিরে শ্রীশ্রী অদ্বৈত প্রভুর মন্দির, সীমান্ত নদী যাদুকাটায় এবং সীমান্তঘেঁষা লাউড়ের গড় শাহ আরেফিন (র.) আস্তানায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। গঙ্গাস্নান ও ওরসকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক ভক্তবৃন্দ এ দুটি জায়গায় জমায়েত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা। এদিকে, একই সময়ে দুই সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবে আসা পূন্যার্থীরা প্রতি বছরই চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন পরিবহনের চালকগণের দ্বারা প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেকে। গঙ্গাস্নান এবং শাহ্ আরেফিন (র.) ওরস উপলক্ষে উৎসবের তিনদিন এবং আগে ও পরে ৫ দিন সুনামগঞ্জ থেকে যাদুকাটা নদীর পাড় ও লাউড়েরগড় পর্যন্ত, একইভাবে মধ্যনগর থেকে লাউড়েরগড় পর্যন্ত, সুরমা নদীর বিভিন্ন খেয়াঘাটে, তাহিরপুর উপজেলার সুলেমানপুরে একই নদীর দুই খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, বাদাঘাটের পাতারগাঁওয়ে সড়কের একটি অংশে এবং বীরেন্দ্রনগর থেকে বড়ছড়া পর্যন্ত বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামেও পূন্যার্থীদের নিকট থেকে টাকা আদায় করা হয়। কাউকান্দি বাজার এলাকায় কাঁচা রাস্তায় চাঁদা আদায়ের শিকার হন মোটর সাইকেল যাত্রীরা। সীমান্ত সড়ক দিয়ে আসা ময়মনসিংহ, নেত্রকোনার পূন্যার্থীরা চাঁদাবাজদের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দিয়েই গঙ্গাস্নান ও শাহ আরেফিন (র.) আস্তানায় ওরস এলাকায় পৌঁছান বলে অভিযোগ রয়েছে। পূন্যার্থীরা যাতে কোন ধরণের হয়রানির শিকার না হন, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এ ব্যাপারে তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নন্দন কান্তি ধর বলেন, ‘এ বছর মেলা ও গঙ্গাস্নান উৎসবে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্নেন্দু দেব জানান, বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি ও পরিবহন চালকদের হয়রানি রোধে প্রত্যেক এলাকার জন প্রতিনিধিদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়াও বিশেষ বিশেষ জায়গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।

শেয়ার করুন
শেষের পাতা এর আরো সংবাদ
  • বাংলাদেশ কাতারসহ ১৬ দেশকে পেছনে ফেলেছে
  • বেকার সমস্যা নিরসনে ৬ লাখ ১১ হাজার ১৮৪ পদ
  • এমপিওভুক্তির কার্যক্রম নিয়ে  সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
  • জুলাই থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করবে রাষ্ট্র
  • ১ জুলাই থেকে খুলছে সিকৃবি
  •   কটালপুর সেন বাজারে ‘অবৈধ’ অটো রিক্সা স্ট্যান্ড তীব্র যানজট পথচারীদের চরম দুর্ভোগ
  • জৈন্তাপুরে চা-শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন সম্পন্ন
  • সুনামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক পঙ্কজ আহত
  • রমজান শেষ হলেও কাঁচা বাজারের আগুন কমেনি
  • পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রদলের  শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
  • ছাতকে বিল থেকে নিখোঁজ আ’লীগ নেতার লাশ উদ্ধার শহরে বিক্ষোভ মিছিল
  • বিশ্বনাথে ব্যবসায়ীদের মালামাল ভিতরে রেখে মার্কেটে তালা
  • আমি সিলেট-২ আসনের মানুষের নতুন স্বপ্নের কারিগর হতে চাই
  • বন্যায় মৌলভীবাজারে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারে
  • মাছুদিঘীর পাড় এলাকায় সরকারি কর্মকর্তার বাসায় চুরি
  • মাছুদিঘীর পাড় এলাকায় সরকারি কর্মকর্তার বাসায় চুরি
  • ইউএনও বরাবরে অভিযোগ কানাইঘাটে মুক্তিযোদ্ধার দরিদ্র সন্তান ভিটে ছাড়া
  • ‘রোহিঙ্গা নির্মমতা সাধারণ মানুষকে ব্যথিত করেছে’
  • ১০ জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৭
  • কোম্পানীগঞ্জে ৩০ ঘণ্টা পর ভাসলো মাঝির লাশ উদ্ধার
  • Developed by: Sparkle IT