স্বাস্থ্য কুশল

মেধাবী জাতি গঠনে পুষ্টিকর খাদ্য

এ.এইচ.এম ফিরোজ আলী প্রকাশিত হয়েছে: ১৯-০৩-২০১৮ ইং ০১:২০:২৭ | সংবাদটি ২০৭ বার পঠিত

 মানব জীবনের সূচনা হয় মাতৃগর্ভে। মায়ের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির সাথে শিশুর সু-স্বাস্থ্য ও বেড়ে ওঠা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমাদের দেশে অপুষ্টি এক জাতীয় স্বাস্থ্য সমস্যা। এ সমস্যার কারণে জাতীয় উন্নতি, অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একটি শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং মানসিক ও মেধার বিকাশে সুষম খাদ্য বা পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়। অপুষ্ট শিশু মেধাবী হতে পারে না। কিন্তু মেধাবী শিশু জাতির ভবিষ্যৎ সম্পদ। বিশ্ব জুড়ে প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ শিশু পাঁচ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই মারা যায় এবং ৪৫ শতাংশ শিশুরই অপুষ্টি জনিত কারণে মৃত্যু হয়। শিশু অপুষ্টির কারণে খর্বকায়, কৃশকায়, হাবাগোবা ও রোগাক্রান্ত হয়।
স্বাস্থ্য ও পুষ্টিখাতে উন্নয়ন, মা ও শিশু মৃত্যু রোধ, বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। প্রতিটি মানুষের শারীরিক মানসিক বৃদ্ধি ও মেধার বিকাশে পুষ্টির কোন বিকল্প নেই। পুষ্টিহীনতার জন্য শুধুমাত্র দারিদ্র্য, অপর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ একমাত্র দায়ী নয়। বরং প্রাপ্ত খাবারের সঠিক ব্যবহার, সাধারণ পুষ্টি জ্ঞানের অভাব, পুষ্টির গুণগত মান সম্পর্কে ভুল ধারণা, কুসংস্কার এবং অস্বাস্থ্য সম্মত অভ্যাস ও সচেতনতার অভাব অপুষ্টির জন্য দায়ী।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মা ও পরিবারের সদস্যদের পুষ্টি সম্পর্কে সঠিক কোন ধারণা নেই। যে কারণে ১৮ শতাংশ গর্ভবতী মা অপুষ্টির শিকার এবং ২৩ শতাংশ শিশু প্রয়োজনের চেয়ে কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে। ৭৩ শতাংশ শিশুর মা ও পরিবারের অন্যরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন না। যে কারণে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের উচ্চ মাত্রায় অপুষ্টি রয়েছে। এদের মধ্যে বয়সের তুলনায় ৩৬ শতাংশ উচ্চতা কম, ১৪ শতাংশ কৃশকায় এবং ২৩ শতকাংশ ওজন কম। জাতীয় পুষ্টি কর্ম পরিকল্পনায় (২০১৬-২০২৫) চূড়ান্ত খসড়ায় দেশের পুষ্টি পরিস্থিতির উপর এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। অপুষ্টির শিকার মেয়েরা বড় হয়ে অপুষ্টিতে আক্রান্ত নারীতে পরিণত হয় এবং এসব নারী অপুষ্ট সন্তান জন্ম দিয়ে থাকেন। এভাবে অপুষ্টি এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে চলে যাচ্ছে। বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে কিশোরী ও গর্ভবতী মহিলারা অপুষ্টির শিকার হন বেশি।
১৯৯৬-৯৭ সালে দেশে খর্বাকায় শিশু ছিল ৬০ শতাংশ এবং ২০১১ সালে ছিল ৪১ শতাংশ, খাদ্য ও পুষ্টিকে সরকার গুরুত্ব দেয়ায় এবং জনসাধারণের মধ্যে পুষ্টি সম্পর্কে কিছু সচেতনতা সৃষ্টি হওয়ায় এ উন্নতি হয়েছে। স্বাস্থ্য জরিপ ২০১১ অনুযায়ী শিশুর পুষ্টিহীনতা ৪১ শতাংশ থেকে কমে ৩৬ শতাংশ এবং মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর হার ৪৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এটা এক বড় সাফল্য। কিন্তু নবজাতক জন্মের এক ঘন্টার মধ্যে শাল দুধ খাওয়ানো ও দুই বছর পর্যন্ত শিশুদের মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি সুষম খাদ্য খাওয়ানোর হার আশানুরূপভাবে বাড়ছে না।
বাংলাদেশে প্রতি বছর ৬২ হাজার নবজাতকের মৃত্যু হয়, এর মধ্যে ৮৮ শতাংশ স্বল্প ওজন নিয়ে অপরিণত জন্ম, সংক্রামণ এবং শ্বাসজনিত সমস্যার কারণে। বাড়িতে প্রসবকালীন সময়ে ৫৫ শতাংশ মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটে। বছরে ৮৩ হাজার মৃত নবজাতক জন্ম নিচ্ছে। এসব মৃত্যুর ৬০ শতাংশ ঘটে প্রসবের সময়। হাসপাতাল ক্লিনিকে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর মত ঘটনা ঘটছে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চললে, বিশেষ করে প্রসবকালীন সময়ে শিশুকে সতর্কভাবে মুছানো, মায়ের শরীরের সাথে জড়ানো শাল দুধ খাওয়ানো সহ ছয় মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ালে ৭৫ শতাংশ নবজাতকের মৃত্যু কমানো সম্ভব। পুষ্টি বিজ্ঞানীরা সতর্কভাবে বলেছেন, জন্মের এক ঘন্টার মধ্যে প্রত্যেক শিশুকে মায়ের শাল দুধ খাওয়াতে হবে এবং কোনমতেই পানি, চিনি, মধু, তৈল, দুধ বা অন্য কোন তরল পানীয় খাওয়ানো যাবে না। শাল দুধ এন্টি বডি ও নবজাতকের রোগ প্রতিরোধের প্রথম টিকা। শাল দুধ সাধারণত একটু হলুদ, টক ও গাড় ঘন, এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘এ’ থাকে। মায়ের বুকের দুধ শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ ঘটায়। মারাত্বক ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, এলার্জী সহ নানা রোগ থেকে রক্ষা করে এবং হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। শিশু জন্মের পর মায়ের শাল দুধ খাওয়ালে মায়ের জরায়ূ ও স্তন ক্যান্সারের ঝুকি কমায়, মায়ের রক্তপাত কম হয় এবং জরায়ূ আগের অবস্থায় দ্রুত ফিরে আসে ।
গর্ভাবস্থা থেকে শিশুর দ্বিতীয় জন্মদিন পর্যন্ত এক হাজার দিন সময়ে পুষ্টিহীনতার কারণে, যে কোন ধরনের শারীরিক বৃদ্ধি মস্তিস্ক গঠন ব্যাহত হলে শিশুর জীবনব্যাপী অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। শিশুকে ৬ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াতে মায়েদের উৎসাহিত করার জন্য ২০১১ সালের ১০ জানুয়ারী সরকার ৬ মাস পর্যন্ত মাতৃত্বকালীন ছুটি ঘোষণা করেছেন। আমাদের দেশে মায়েদের বুকের দুধ খাওয়ানো নিয়ে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। অনেক আধুনিক মেয়েরা তাদের বেষ্ট লোজ হওয়ার আশংকায় দুই বছর পর্যন্ত তার সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে রাজি হন না। এমনকি শাল দুধের মত অতি গুরুত্বপূর্ণ শিশুর খাদ্যটি খাওয়াতে রাজি নন। অধিকাংশ মেয়েরা অজুহাত দেখান তার স্তনে দুধ কম এবং শিশু দুধ পায়না। ফলে ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই সরকার নিষিদ্ধ বাজারের গুড়ো দুধ খাওয়াতে শুরু করেন। মূলত প্রত্যেক মায়ের স্তনে পর্যাপ্ত পরিমাণে দুধ থাকে। দুধ খাওয়ানোর সময় মা ও শিশুর অবস্থান, মায়ের সাথে শিশুর সঠিক সংযোগ স্থাপন করে শিশুর মুখ বড় করে হা করে শিশুর থুতনী মায়ের স্তনের সাথে লাগিয়ে স্তনের কালো অংশ শিশুর মুখের ভিতরে দিতে হয়। শিশু দিনে রাতে যতবার দুধ খেতে চায়, ততবার মাকে দুধ খেতে দিতে হবে। প্রথমে একটি স্তনের দুধ খাওয়া শেষ হলে অন্য স্তনে দুধ খেতে দিতে হয়। মায়েরও ক্ষুধা-তৃষ্ণা মেটানোর জন্য পরিমিত খাবার ও পানীয় খাওয়াতে হবে। শিশু যদি দিনে ছয় থেকে আট বার প্রস্রাব করে তাহলে বুঝতে হবে শিশু পরিমিত দুধ পাচ্ছে। ৬মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র বুকের দুধ শিশুর একমাত্র পুষ্টিকর খাবার। এসময় শিশুকে এক ফোটা পানীও পান করানো যাবে না।
শিশুর বয়স যখন ছয় মাস পূর্ণ হবে অর্থাৎ ১৮১ দিন থেকে ঘরে বানানো বৈচিত্র ধরনের ২-৩ টেবিল চামচ নরম খাবার, ছয় থেকে আট মাস পূর্ণ বয়সী শিশুদের নরম ঘন চটকানো ২৫০ মি.লি বা একপোয়া বাটির আধাবাটি, দুইবার পুষ্টিকর নাস্তা, নয় থেকে এগারো মাস বয়সী শিশুদের ছোট টুকরো টুকরো করে একই পরিমাণ খাবার দিনে তিনবার এবং ১২ থেকে ২৩ মাস বয়সের শিশুদের খাবার ২৫০ মি.লি একবাটি দিনে তিন বার এবং পুষ্টিকর নাস্তা দিতে হবে।
শিশু খাদ্যে আমিষের অভাব দেখা দিলে মাংসপেশি গড়ে উঠে না। বরং দিন দিন ক্ষয় হতে থাকে এবং কোয়াশিওরকর রোগে আক্রান্ত হয়। শিশুর আমিষ শর্করা চর্বি প্রভৃতি প্রয়োজনীয় পরিমাণ ক্যালরির অভাবে মেরাসমাস রোগে আক্রান্ত হয়। লৌহ আমিষ ও অন্যান্য খাদ্য উপাদানের ঘাটতি থাকলে রক্ত স্বল্পতায় বা এ্যানিমিয়া এবং ভিটামিন সি এর অভাবে শিশুর রিকের্টস রোগ হয়। আয়োডিনের অভাবে গলগন্ড, ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। ভিটামিন সি এর অভাবে বেরি বেরি রোগ হয় এবং ঠোঁেট জিহব্বা ও মুখে গাঁ এবং স্কার্ভি রোগে আক্রান্ত হয় শিশু।
৬ থেকে ২৩ মাস পূর্ণ বয়সি শিশুদের মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি ডিম, মুরগি, মাংস, কলিজা, ভাত, রুটি আলু, ডাল, সিমের বীচি, মিষ্টি কুমড়া, গাজর, পাকা আম, পাকা কাচাঁ কলা, পাকা কাচাঁ পেপে, পেয়ারা আনারস, তরমুজ, বেগুন, টমেটো, ফুল কপি, বাঁধা কপি, জাম্বুরা আমলকি, দুধ ও দুধের খাবার রঙ্গিন শাক সবজি, ফল ফুলসহ ঘরের তৈরী খাবার খেতে দিতে হয়। ঘরের বাইরে তৈরী শিশুদের মুখ রোচক খাবার কোন ক্রমেই শিশুদের পুষ্টিকর খাবার নয়। শিশুর উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী ওজন কম বা বেশী হলে বুঝতে হবে শিশু পুষ্টিহীনতায় ভোগছে।
খাদ্যের উপাদান হচ্ছে ৬টি। আমিষ বা প্রোটিন দেহের বৃদ্ধি সাধন, ক্ষয়পূরণ ও দেহ গঠন করে। শর্করা বা শ্বেতসার শরীরের শক্তি, ¯েœহ বা চর্বি তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে, খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ, শক্তিবৃদ্ধি, বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক, বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়, খনিজ লবন বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় এবং পানি দেহের তাপের সমতা রক্ষা করে। আমিষ পাওয়া যায় মাছ, মাংস, ডিম, কলিজা, যকৃত (লিভার) পনির ছানা, ডাল, চিনা বাদাম, শিমের বীচি থেকে। শর্করা জাতীয় খাদ্য হচ্ছে, মূল কান্ড, পাতা, ফুল, ফল গম, আলু, চাল এবং বীজেও শর্করা থাকে। যকৃত (লিভার) মস্তিষ্ক, মাংস, সয়াবিন, সরিষা, তিল, বাদাম, সূর্যমুখি, চর্বি, ঘি, ডালডা এবং ভুট্টার তেলে ¯েœহ জাতীয় খাদ্য রয়েছে। খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যায় দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, পাকা পেপে, রঙ্গিন হলুদ, শাক সবজি, মলা ঢেলা বা ছোট মাছে। ভিটামিন বি পাওয়া যায় ঢেকি চাঁটা চাল, জাতার ভাঙ্গা আটা, লাল আটা, ছোলা, মোগডাল, মটর, ফুল কপি, চিনা বাদাম, শিমের বীচি, কলিজা, যকৃত, হৃদপিন্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাক সবজি ইত্যাদি।
পেয়ারা, বাতাবি লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া জাম্বুরা, টমেটো, আনারস, কাচা মরিছ, বাঁধা কপি, তাজা শাক সবজি ও টক জাতীয় ফলে ভিটামিন সি থাকে। ভিটামিন ডি পাওয়া যায় দুধ, ডিম, কলিজা, দুগ্ধ জাতদ্রব্য মাছের তৈল ও ভোজ্য তৈলে। ভিটামিন ই ও কে পাওয়া যায় উপরের সবগুলো খাবারে। আয়োডিনের মূল উৎস সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস, কলা, আলু, আপেল, বাদাম, ডাল, সবুজ শাক সবজি, ঢেড়স, লাল শাক, কচু শাক, কলিজা, ডিমের কুসুম, দই, দুধ, ছানা, ছোট মাছ মলা ঢেলা এবং নানা রকম ডালে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও সোডিয়াম থাকে।
বাংলাদেশ সামাজিক সকল সূচকে ভারত পাকিস্তান সহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। কিন্তু অপুষ্টিতে পিছিয়ে আছে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ। ২০১৪ সালের জরিপ মতে সিলেট বিভাগের খর্বাকৃতির সংখ্যা ৪৯.৬০ শতাংশ। ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউকে এইড এর আর্থিক সহায়তায় ও সেইভ দ্যা চিলড্রেনের ব্যবস্থাপনায় সূচনা প্রকল্পের মাধ্যমে শিশুর পুষ্টি কিশোরী ও মহিলাদের পুষ্টির গ্রোথ মনিটরিং এবং প্রমোশন দক্ষতা মূখি প্রশিক্ষণ নামে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং সুচনা প্রকল্পের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সিলেট ও মৌলভীবাজারের সকল উপজেলায় জনগণের মধ্যে পুষ্টি সম্পর্কে গণসচেনতার কাজ শুরু হয়েছে। দেশের উন্নতি অগ্রগতি এবং পুষ্টি অবস্থার সার্বিক উন্নয়ন সাধনে ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা সমূহ (ঝউএঝ) অর্জনে প্রত্যেক সচেতন নাগরিককে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। অন্যতায় জাতি হিসেবে আমরা পিছিয়ে যাব।

শেয়ার করুন
স্বাস্থ্য কুশল এর আরো সংবাদ
  •   নীরব ঘাতক রক্তচাপ
  • গর্ভাবস্থায় কী খাবেন
  •   মাতৃস্বাস্থ্য ও মাতৃমৃত্যু কিছু কথা
  • সচেতন হলেই প্রতিরোধ ৬০ শতাংশ কিডনী রোগ
  •   হৃদরোগীদের খাবার-দাবার
  • ঘামাচি থেকে মুক্তির উপায়
  • মুখে ঘা হলে করণীয়
  • পায়ের গোড়ালি ব্যথায় কী করবেন
  • নীরব রোগ হৃদরোগ
  • পরিচিত ভেষজের মাধ্যমে অর্শের চিকিৎসা
  • অনিদ্রার অন্যতম কারণ বিষন্নতা
  • রক্তশূন্যতায় করণীয়
  • চোখে যখন অ্যালার্জি
  • স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে বাঁচার ১০টি উপায়
  • রোগ প্রতিরোধে লেবু
  •  স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের যত্ন নিন
  • শিশুর উচ্চতা কমবেশি কেন হয়
  • গরমে পানি খাবেন কতটুকু ডা. তানজিয়া নাহার তিনা
  • অধূমপায়ীদের কি ফুসফুসের রোগ হয়?
  • বিষন্নতা একটি মানসিক রোগ
  • Developed by: Sparkle IT