ইতিহাস ও ঐতিহ্য

স্মৃতিতে এমসি কলেজ

প্রফেসর মো. আজিজুর রহমান লস্কর প্রকাশিত হয়েছে: ০৪-০৪-২০১৮ ইং ০০:১৬:৩৮ | সংবাদটি ১৫৪ বার পঠিত

বিগত পঞ্চাশ দশকের গোড়ার দিকের কথা। তখন আমি স্কুলের নিচের দিকের কোন এক শ্রেণীতে পড়ি। পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে কর্মরত দুলাভাই ছুটিতে করাচি থেকে সিলেট এসেছেন। এক বিকেলে দুলাভাই ও বড় ভাইর সাথে বেড়াতে বেরুলাম। গন্তব্য এম.সি. কলেজ। শৈশব থেকে সিলেটের দু’টি স্থাপনা আমার কাছে তীর্থস্থান রূপে বিবেচিত হয়ে আসছে। একটি হযরত শাহজালাল রহঃ-এর দরগা শরীফ এবং অপরটি ঐতিহ্যবাহী এম.সি. কলেজ।
তখনকার ছোট আকারের সিলেট নগর থেকে এম.সি. কলেজের অবস্থান অনেক দূরে ছিল। শহর ছেড়ে জনমানবহীন নীরব তামাবিল সড়ক ধরে তিন মাইল দূরে আমার দীর্ঘ দিনের কাঙ্খিত এম.সি. কলেজ পৌঁছলাম। পরিপাটি ক’টি টিলা নিয়ে বহু বছরের ঐতিহ্য ধারণ করে আপন মহিমা ম-িত এম.সি. কলেজ ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। দেশী-বিদেশী গাছের সুবিন্যস্ত ও নান্দনিক উপস্থিতি লক্ষ করে আমার মনপ্রাণ এক অনাবিল আনন্দে ভরে উঠল। উল্লেখ্য, বর্তমানে এম.সি. কলেজে অনেক বৃক্ষ রয়েছে; কিন্তু সুপরিকল্পিত লে-আউট অনুযায়ী বৃক্ষগুলো রোপন করা হয়নি। ফলে সেই সৌন্দর্য আর নেই। তখন ক্যাম্পাসের এখানে ওখানে কেয়ারী করে লাগানো নানা রকমের মৌসুমী ফুল বিচিত্র রঙের ডালি নিয়ে দর্শকদের আনন্দ দিত। উপমহাদেশের অন্যতম রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এম.সি. কলেজের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে অভিভূত হয়ে একে বলেছিলেন “ঞযব ভষড়বিৎ ড়ভ ঃযব ঊধংঃ!”.
অতঃপর কিছু কাল কেটে গেছে। শীতের এক সকালে সেকেন্ড পিরিওডের পর ঢং ঢং ঘণ্টা বেজে হঠাৎ স্কুল ছুটি হয়ে গেল। ব্যাপার কি? পরে জানতে পারলাম, এম.সি. কলেজে এন্যুয়াল স্পোর্টস-এর নিমন্ত্রণ এসেছে। তাই স্কুল ছুটি। আমরা বেশ ক’জন সহপাঠী দল বেঁধে পায়ে হেঁটে শিবগঞ্জ এলাকার মধ্য দিয়ে ফাঁড়ি পথে ঝুপঝাড় পেরিয়ে অবশেষে এম.সি. কলেজ মাঠে পৌঁছলাম। নানা বর্ণের রঙিন কাগজে সজ্জিত বিরাট মাঠটি বিপুল সংখ্যক ছাত্র, ক্রীড়াবিদ ও মেহমানদের উপস্থিতিতে জমজমাট। ইংরেজি ভাষায় ধারা বর্ণনায় একজন ভাষ্যকারের একটি বাক্য এখনো স্মরণে আছে, “ও ধস ঃরৎবফ ড়ভ ঢ়ৎড়হড়ঁহপরহম ঃযব হধসব ড়ভ জধযরস!” উল্লেখ্য, রহিম নামে একজন এ্যাথলেট অনেকগুলো ইভেন্টে প্রথম স্থান অর্জন করে চলছিলেন। ভাষ্যকার কৌতুক করে বলছেন, রহিমের নাম উচ্চারণ করতে করতে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি!
১৯৬৩ সাল। এস.এস.সি পরীক্ষার ফল বেরুল। স্বভাবতই সাফল্যের খবরে আনন্দিত। সবচেয়ে বেশী আনন্দ লাগছে, এবার তীর্থ প্রতিম এম.সি. কলেজে ভর্তি হবার দ্বার উন্মুক্ত। আব্বার হাত ধরে একদিন এম.সি. কলেজে গিয়ে উপস্থিত হলাম। অফিস থেকে ভর্তি ফরম নিয়ে তা পূরণ করে কিংবদন্তির প্রিন্সিপাল জনাব সলমান চৌধুরীর কক্ষে ঢোকে দুরু দুরু বক্ষে তাঁর দিকে ফরমটি এগিয়ে দিলাম। যদ্দুর জানি তিনিই সর্বাধিক কাল (১৯৫৪-১৯৬৮) ব্যাপী অত্যন্ত বলিষ্ঠ হাতে সুশৃঙ্খলভাবে এম.সি. কলেজ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালন করে গেছেন। উল্লেখ্য, আমার পূরণকৃত ভর্তি ফরমের সাথে স্কুলের হেড মাস্টার জনাব আব্দুল গফুর সাহেবের টেস্টিমোনিয়াল সংযুক্ত ছিল। টেস্টিমোনিয়ালে এস.এস.সি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর উল্লেখ ছিল। তা বিবেচনা করে প্রিন্সিপাল মহোদয় আমাকে এইচ.এস.সি. বিজ্ঞান শ্রেণীতে ভর্তির অনুমতি দান করলেন। কথা প্রসঙ্গে প্রিন্সিপাল স্যার আমার নাম/স্কুলের নাম বা অন্য কোন বিষয়ে সাধারণ একটি প্রশ্ন করেছিলেন মাত্র। উল্লেখ্য, তখন কলেজে ভর্তির জন্য লিখিত পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা ইত্যাদির প্রয়োজন ছিল না। অতঃপর ভর্তি ফি বাবত সামান্য ক’টি টাকা অফিসে জমা দিয়ে আমি এম.সি. কলেজের ছাত্র হয়ে গেলাম। তখন পরিতৃপ্ত মনে সেকি আনন্দ! উল্লেখ্য, এইচ.এস.সি. ক্লাসে তখন মাসিক টিউশন ফি ছিল মাত্র সাত টাকা।
ক’দিন পর খবর পেলাম একাদশ শ্রেণীর ক্লাস শুরুর তারিখ ঘোষিত হয়েছে। অতঃপর ক্লাস রুটিন সংগ্রহের জন্য একদিন সহপাঠী হেলাল, এমরান, আমি এবং আরো কে একজন কলেজে গিয়ে হাজির হলাম। আটত্রিশটি সিঁড়ি মেড়ে টিলার উপর অবস্থিত প্রিন্সিপাল মহোদয়ের অফিসে গিয়ে জানতে পারলাম যে, আর্টস বিল্ডিং-এ অবস্থিত নোটিশ বোর্ডে রুটিন টাঙানো রয়েছে। অগত্যা ওখান থেকে রুটিন সংগ্রহ করতে হলো।
নানা হাস্য-কৌতুকের মধ্য দিয়ে আমরা কলেজ ক্যাম্পাসে হাঁটছিলাম। বলা নেই, কওয়া নেই হঠাৎ বেরসিকের মতো টিপ টিপ বৃষ্টি শুরু হলো। আমার কাছে একটি ছাতা ছিল। কিন্তু সঙ্গের আর কারো নিকট কোন ছাতা ছিল না। এতগুলো মানুষ! আর একটি মাত্র ছাতা! সবার বিষয় সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করে আমি আর ছাতা মেলে ধরি নাই। তখন এমরান আমাকে ধমকের স্বরে বললো, “ছাতা টাঙ্গা! ছাতা টাঙ্গা!” প্রত্যুত্তরে আমি রসিকতা করে বললাম, “ছাতা টাঙ্গালে বৃষ্টিতে ভিজে যাবে। ছাতা টাঙ্গাব না।” শুনে সবাই হাসল। ইতোমধ্যে বৃষ্টিও থেমে গেল।
কলেজে প্রথম ক্লাস ছিল কেমিস্ট্রি বিভাগে অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন সাহেবের সাথে। তখন কেমিস্ট্রি বিভাগ ছিল কলেজে প্রধান গেইট দিয়ে প্রবেশ করেই ডান দিকের পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত লম্বা দু’টি টিন শেড ভবনের উত্তর দিকের ভবনটিতে; দক্ষিণ দিকের ভবনে ফিজিক্স বিভাগ অবস্থান করছিল। মনে পড়ে এইচ.এস.সি. ব্যাবহারিক মৌখিক পরীক্ষায় তদানীন্তন বিভাগীয় প্রধান ডঃ আব্দুল হাফিজ সাহেব আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “তোমার কলেজ জীবনের প্রথম ক্লাসটি কে নিয়েছিলেন?”
Ñ “মোসলেহ উদ্দিন সাহেব।” আমার জবাব।
Ñ “মোসলেহ উদ্দিন সাহেব।” জানি না কেন পুনরুক্তি করলেন ডঃ আব্দুল হাফিজ স্যার।
কলেজে এসে সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক ও বৈচিত্র্যময় ব্যাপার রূপে পাই প্রতি পিরিওড শেষে শ্রেণীকক্ষ পরিবর্তন ও প্রতি পিরিওডের প্রারম্ভে শিক্ষক কর্তৃক রোল-কল করণ। শ্রেণীকক্ষ পরিবর্তনের সময় অনেক হাস্যকৌতুক ঘটত। এরকম সময় একদিন এক ছাত্র ভিড়ের মধ্যে প্রাণ খোলে গান ধরেছিল! হঠাৎ দেখে সম্মুখে সবার প্রিয় মোফাজ্জল করিম স্যার। সম্ভবত মোফাজ্জল করিম স্যার বলেই ছাত্রটি সাহস করে বলেছিল, “স্যার! ভাব উঠে গেছিল।” স্যার মৃদু হেসেছিলেন মাত্র।
তখন এম.সি. কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান, কলা ও বাণিজ্য বিভাগগুলো ছিল। কিন্তু ডিগ্রীতে বাণিজ্য ছিল না। সহশিক্ষা ছিল কেবল বিজ্ঞান বিভাগে। তবে কলা অনুষদের অনার্স শ্রেণীতে ক’জন ছাত্রী ছিলেন। ছাত্রীদের উপস্থিতি সংশ্লিষ্ট শ্রেণীর জন্য বিশেষ মাত্রা হিসেবে গণ্য হতো। সহশিক্ষার কারণে কখনো কখনো মুখরোচক গল্পের উৎপত্তি হতো।
তখন এম.সি. কলেজের অধিকাংশ ছাত্র সাইকেল চড়ে যাওয়া-আসা করত। ইংল্যান্ডের তৈরী রেলি, হারকিউলিক্স, ফিনিক্স ইত্যাদি নামের সাইকেল মাত্র দুইশত টাকায় পাওয়া যেত। ছাত্রদের সাইকেল রাখার জন্য কলেজে একাধিক শেড ছিল। সকালে কলেজে উপস্থিত হওয়ার পথে এবং বিকালে কলেজ ছুটি হলে পর এক ঝাক সাইকেল আরোহী ছাত্র সড়ক জোড়ে মহাদর্পে এগিয়ে যেত। তা ছাত্রদের কাছে কেবল আনন্দময় নয়, গর্বেরও বিষয় ছিল। তখন জনসাধারণের কাছে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মর্যাদা ছিল আকাশচুম্বী। কারণ তখন ছাত্রদের মধ্যে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি ছিল না। তখন বেশ ক’জন অধ্যাপকও সাইকেল চড়ে আসা-যাওয়া করতেন। তাদের মধ্যে তরুণ অধ্যাপকদের সংখ্যা ছিল বেশী। প্রাণ চঞ্চল মোফাজ্জল করিম স্যার তো সড়কে ছাত্রদের সাথে সাইকেল প্রতিযোগিতা শুরু করে দিতেন এবং প্রায়ই ছাত্রদের পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতেন।
বাংলার অধ্যাপক সুধীর চন্দ্র পাল মাঝে মাঝে বলতেন, সাইকেলের গতি দেখেই তিনি আন্দাজ করতে পারতেন ছাত্রটি কোন শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। তাঁর বিবেচনায় সবচেয়ে বেশী গতির সাইকেল আরোহী ছাত্র একাদশ শ্রেণীর, সে কলেজে নবীন, তাই তেজ বেশী; এর চেয়ে কম গতির ছাত্র দ্বাদশ শ্রেণীর, তার সামনে এইচ.এস.সি. পরীক্ষার চিন্তা, তাই গতি অনেকটা কম; মোটামুটি মধ্যম গতির সাইকেল আরোহী ছাত্র ১ম বর্ষ ডিগ্রী শ্রেণীর; এবং সবচেয়ে শ্লথ গতির সাইকেল আরোহী শেষ বর্ষ ডিগ্রীর ছাত্র, তার মনোজগতে বাস্তব জীবনের অনেক ভাবনা-চিন্তা, ছাত্র জীবনের শেষ, সামনে ডিগ্রী ফাইনেল পরীক্ষা, পরীক্ষা পাশের চিন্তা, জীবিকার চিন্তা ইত্যাদি নানা ভাবনায় সে ক্লান্ত; তাই গতি শ্লথ!
এইচ.এস.সি টেস্ট পরীক্ষায় স্বাভাবিকভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পর অফিসে ফরম পূরণ করতে গিয়ে জানতে পারলাম যে, আমি কেমেস্ট্রি বিষয়ে নন-কলেজিয়েট অর্থাৎ কেমেস্ট্রির রেজিস্টারে আমার উপস্থিতি শতকরা ৭৫-এর কম। তা শুনে বিস্মিত হলাম। কারণ প্রতিকুল পরিস্থিতিতে কদাচিৎ অনুপস্থিত থাকলেও আমি সর্বদা একনিষ্ঠভাবে ক্লাস এটেন্ড করতাম। তখন আমার দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছিল, অধ্যাপক বা প্রদর্শক কর্তৃক উপস্থিতি মার্কিং-এ কোন ভুল হয়ে থাকবে! যা হোক। নন-কলেজিয়েট হবার সনদ প্রাপ্তিতে আমাকে সম্ভবত দশ টাকা অর্থদ- দিয়ে পরীক্ষা ফরম পূরণ করতে হয়েছিল। উল্লেখ্য, উপস্থিতি ৭৫% ও এর উপর হলে কলেজিয়েট, ৬০% ও এর উপর হলে নন-কলেজিয়েট এবং ৬০%-এর নিচে হলে ডিসকলেজিয়েট হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তবে আজকাল কলেজগুলোয় এ নিয়ম-নীতি অচল!
এম.সি. কলেজে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষকের পদে আমি যোগদান করি ১৯৮২ সালে। তখন প্রিন্সিপাল হিসাবে পাই আমার অন্যতম প্রিয় শিক্ষক প্রফেসর গোলাম রসুল সাহেবকে। তিনি ১৯৮৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর বিদায় সংবর্ধনায় আমার অংকিত এম.সি. কলেজের একটি ল্যান্ডস্ক্যাপ স্যারকে উপহার দিয়েছিলাম। স্যার খুব খুশী হয়েছিলেন। তাঁর আত্মজীবনীতে এ উপহারের কথা স্যার লিপিবদ্ধ করেছেন। প্রফেসর গোলাম রসুল সাহেবের পর প্রিন্সিপালের দায়িত্ব গ্রহণ করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর আব্দুল মতিন চৌধুরী সাহেব। উল্লেখ্য, তাঁর পিতা খান বাহাদুর আব্দুর রব চৌধুরী সাহেবও এম.সি. কলেজে প্রিন্সিপালের দায়িত্বে (১৯৪৮-১৯৫০) নিয়োজিত ছিলেন।
১৯৮৩ সালের অগাস্ট মাসে সরকারী চাকুরীতে লিয়েন রেখে আমি সুদূর নাইজেরিয়া সরকারের অধীন শিক্ষকতায় চলে যাই। মনে পড়ে শিক্ষক পরিষদে আমার বিদায় অনুষ্ঠানে প্রিন্সিপাল আব্দুল মতিন চৌধুরী সাহেব অনেক মূল্যবান উপদেশমূলক বক্তব্য প্রদান করেছিলেন। চার বছর পর দেশে ফিরে পটিয়া সরকারী কলেজে নিয়োজিত হই। অতঃপর ১৯৮৯ সালে এম.সি. কলেজে যোগদান করি। মাঝে কিছু কাল ১৯৯৬ সালে মৌলভীবাজার সরকারী কলেজে ও ২০০৪ সালে পটুয়াখালী সরকারী কলেজে দায়িত্ব পালন করি। আমার কর্ম জীবনের সবচেয়ে অধিক কাল এম.সি. কলেজে অতিবাহিত করে ২০০৭ সালে আমি সরকারী চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করি।
এম.সি. কলেজের ছাত্র ও শিক্ষক হিসেবে আমার স্মৃতির ভা-ার বিশাল। ইতোমধ্যে ছাত্রজীবনের কিছু ঘটনা লিখেছি। বাংলাদেশে সকল ক্ষেত্রে মূলমানের গতি অবরোহী। তাই অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের বলতে শোনা যায়, কি ছিল! আর কি হলো!
নব্বই দশকের গোড়ার দিকের কথা। পরীক্ষা হলে দায়িত্ব পালন কালে একজন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্রে স্বাক্ষর করছিলাম। পরীক্ষার্থী আমাকে জিজ্ঞেস করল,
Ñ স্যার! আপনি কি আমাকে চিনতে পারেননি?
Ñ তুমি কে?
Ñ আমি ‘অমুক’ সংগঠনের কলেজ শাখার সভাপতি।
Ñ বেশ! বেশ! আমার নির্লিপ্ত উচ্চারণ।

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • মুহররমের দাঙ্গাঁ নয় ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা যুদ্ধ
  • দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিচিতি
  • সিলেটের প্রথম মুসলমান সম্পাদক
  • কালের সাক্ষী পানাইল জমিদার বাড়ি
  • জনশক্তি : সিলেটের একটি দীর্ঘজীবী পত্রিকা
  • ঋতুপরিক্রমায় শরৎ
  • সৌন্দর্যের লীলাভূমি বরাকমোহনা
  • যে এলাকা পর্যটকদের হৃদয় জোড়ায়
  • উনিশ শতকে সিলেটের সংবাদপত্র
  • হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশঝাড় চাষের নেই উদ্যোগ
  • হারিয়ে যাচ্ছে বেদে সম্প্রদায়ের চিকিৎসা ও ঐতিহ্য
  • একটি হাওরের অতীত ঐতিহ্য
  • বদর বাহিনীর হাতে শহীদ হন সাদেক
  • বানিয়াচংয়ের ভূপর্যটক রামনাথ
  • সিলেটের দ্বিতীয় সংবাদপত্র এবং বাগ্মী বিপিন
  • সিলেটের গৌরব : কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ
  • প্রকৃতিকন্যা সিলেট
  • ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রথম ক্ষেত্র
  • ইতিহাস সমৃদ্ধ জনপদ জামালপুর
  • সুনামগঞ্জের প্রথম নারী সলিসিটর
  • Developed by: Sparkle IT