স্বাস্থ্য কুশল

শিশুর জন্য পরিবারের হেলথ টিপস

মোঃ দিলশাদ মিয়া প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-০৪-২০১৮ ইং ০২:৩২:২৬ | সংবাদটি ১২৬ বার পঠিত

আজকের শিশু হচ্ছে আগামী দিনের নাগরিক। এই আগামী দিনের নাগরিকটি যাতে সুস্থ দেহ-মন নিয়ে সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে পারে। জন্মের পরপরই আপনার শিশুকে মধু, চিনির পানি, মিশ্রির পানি, পানি খেতে দেবেন না।
জন্মের প্রথম তিন দিন গোসল দেবেন না। শিশুকে জোর করে খাওয়াবেন না। শিশুকে গোসলের পর কখনোই তেল ব্যবহার করবেন না। ঘুমের মধ্যে বোতল দিয়ে দুধ খাওয়াবেন। ঘুমন্ত অবস্থায় ঘেমে গেলে শরীর মুছে দিন। শিশুকে কোলে নিয়ে ধীরে ধীরে হাটুন।
শিশুকে কখনোই উঁচু স্থানে একা রেখে যাবেন না। বার বার শিশুর এক্স-রে করাবেন না। আপনার শিশুকে শান্ত রাখার জন্য চুষনী ব্যবহার করবেন না। জ্বর হলে মোটা কাপড় বা কাঁথা-কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখবেন না। শিশুকে টিনজাত খাবার দিবেন না। ঠান্ডা লাগবে বলে অতিরিক্ত কাপড় দিয়ে শিশুকে ঢেকে রাখবেন না। নবজাতকের ২৮ দিন বয়স পর্যন্ত কখনো হাম হয় না। ফলজাতীয় খাবার না ধুয়ে খাওয়াবেন না।
কলা, কমলা ও অন্যান্য ফল-মূল খেলে হাঁপানি হয় না বা বাড়ে না। শিশুর সামনে ধূমপান করবেন না। শিশুকে মারধর করবেন না। সমস্যা হলে বুঝিয়ে বলবেন। শিশুকে নিয়ে টিভিতে ভয়ের ছবি বা অশ্লীল ছবি দেখবেন না। শাসকষ্টের জন্য ঘুমের ব্যঘাত ঘটলে কখনোই ঘুমের ওষুধ খাওয়াবেন না। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সর্দি-কাশির জন্য অপ্রয়োজনীয় ওষুধ খাওয়াবেন না। প্রথম ছয় মাস বয়স পর্যন্ত বুকের দুধ ছাড়া অন্য কিছু, এমনকি কৌটার দুধ, পানিও খেতে দেবেন না। না খেলে বা দুষ্টুমি করলে কখনো আপনার শিশুকে ভয় দেখাবেন না।
রান্নাঘর বা টয়লেটে আপনার শিশুকে একা ছাড়বেন না। শিশুকে বাইরের খোলা খাবার, বাসি খাবার বা দীর্ঘ দিন ফ্রিজে রেখে দেয়া খাবার দিবেন না। বছরপূর্ণ হওয়ার আগে কখনোই আপনার শিশুকে ওয়াকার দিনে হাঁটতে দেবেন না। ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে খাবার বন্ধ করবেন না। সুঁই, কাঁচি, দিয়াশলাই, ছুরি, ধারালো অস্ত্র এবং সব ধরনের ওষুধ শিশুর নাগালের মধ্যে রাখবেন না। শিশুর কানের কাছে মৃদুস্বরে কথা বলুন। প্রতি রাতে একই বিছানায় এবং একই রুমে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। ভেজা কাঁথা-কাপড় সময়মতো পাল্টে দিন। শিশু স্বাদের মাধ্যমে ১%, স্পর্শের মাধ্যমে ১.৫%, গন্ধের মাধ্যমে ৩.৫%, শোনার মাধ্যমে ১১% এবং দেখার মাধ্যমে ৮৩% শেখে থাকে তা লক্ষ রাখতে হবে।
শিশুর সামনে কখনোই ঝগড়াঝাঁটি বা চেঁচামেচি করা উচিত নয়। শিশুকে বুঝিয়ে দিন, ওর জন্য আপনারা রয়েছেন। শিশু যেন কখনোই নিরাপত্তার অভাববোধ না করে। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, শিশুর বড় হয়ে ওঠার পেছনে বিনোদন একটি বড় উৎস। মাথায় বিদ্যার বোঝা বেশি চাপলেও পিঠে ব্যাগের বোঝা যেন বেশি হয়ে না যায়। শিশুকে বাড়তি চাপ দিবেন না।
শিশুর জন্মের পর থেকেই পিতা-মাতার ভাবনার অন্ত থাকে না। তার শিশু কখন হাসবে? কখন কাঁদবে? কখন খাবে, কখন কথা বলবে? কখন হাটবে। এসব কথা বিশেষভাবে মায়েরা ভাবেন। শিশুর বিকাশের প্রতি নজর রাখুন। আর এ কাজটি করতে পারেন সুচারুরূপে শিশুর জন্মদাত্রী ‘মা’। আপনার শিশু সুন্দর, সুস্থ ও সুঠাম হয়ে গড়ে উঠুক।

শেয়ার করুন
স্বাস্থ্য কুশল এর আরো সংবাদ
  • থাইরয়েড সমস্যা ও সমাধান
  • আমের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যগুণ
  • এলোভেরা ও প্রপোলিস : দাঁতের যতেœ চমৎকার এক জুটি
  • অর্জুনের এত্তো গুণ
  • রোগ প্রতিরোধে আমলকী
  • ঔষধি গুণের ইলিশ
  • ওমেগা-থ্রি : মানবদেহে এর গুরুত্ব
  • নিরাপদ মাতৃত্ব রক্ষায় প্রয়োজন প্রশিক্ষিত ও দক্ষ মিডওয়াইফ
  • রক্ত স্বল্পতা : জনস্বাস্থ্যের প্রধান সমস্যা
  •  তাফসিরুল কুরআন
  • দেশে দেশে রোজা
  • যাকাত দারিদ্র বিমোচনের হাতিয়ার
  • এতেকাফ ঈমানি তারবিয়াতের পাঠশালা
  • এলার্জির চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা
  • রোগ প্রতিরোধে তেঁতুল
  •  শিশুর প্রস্রাবে ইনফেকশন
  • ত্বকের সোরিয়াসিস
  • হেঁচকি উঠলে কী করবেন
  • কানে পানি জমে গেলে
  • গরমে ত্বকে র‌্যাশ উঠলে করণীয়
  • Developed by: Sparkle IT