উপ সম্পাদকীয়

বাংলা সন ও পঞ্জিকা বৃত্তান্ত

মাজেদা বেগম মাজু প্রকাশিত হয়েছে: ১২-০৪-২০১৮ ইং ০১:৩৯:৩৬ | সংবাদটি ৩৪৪ বার পঠিত

পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন, বাংলা নববর্ষ। বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরাসহ বিশ্বের সকল বাঙালি দিনটি বিশেষ উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করে। সে হিসেবে এটি বাঙালিদের একটি সর্বজনীন উৎসব। এই পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির ধারক এবং বাহক। ‘সংস্কৃতি’ হলো একটি দেশ বা সমাজের মানুষের জীবনাচরণ, একটি জাতি বা জনগোষ্ঠীর পরিচয়-জ্ঞাপক বৈশিষ্ট্য। অধ্যাপক লাস্কির ভাষায় ‘ডযধঃ বি ধৎব’ অর্থাৎ আমরা যা তা-ই আমাদের ‘সংস্কৃতি’। ব্যাপকতর অর্থে সংস্কৃতি হচ্ছে একটি জাতির অথবা সামাজিক গোত্রের বিশিষ্টার্থক আত্মিক, বস্তুগত, বুদ্ধিগত এবং আবেগগত চিন্তা ও কর্মধারার প্রকাশ। মানুষের অধিকার, মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, বিশ্বাস এবং জীবনধারাও সংস্কৃতির অঙ্গ। আমাদের বাঙালিদেরও রয়েছে এক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। আর এই পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরই একটি অংশ। উৎসবের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেয়া হয় বাংলা সনকে।
বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ কবে শুরু কিভাবে এর বিস্তার লাভ করে তা আজও সঠিকভাবে জানা যায়নি। অনেকেই মনে করেন, স¤্রাট আকবরের আমলে বাংলা সনের উৎপত্তি। আবার কেউ কেউ বলেন স্বাধীন বাংলার সুলতানরা এর সূচনা ঘটান। আবার কারো মতে শশাংক বা আরো পুরনো কোনো নৃপতির কীর্তি এ বাংলা সন। তবে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞদের মতানুসারে স¤্রাট আকবরের শাসনামলেই বাংলা সন প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বাংলা সনের মূল নাম ছিল ‘তারিখ-এ-এলাহী’। মোগল স¤্রাট আকবর ১৫৮৫ সালে তাঁর রাজত্বকালের ২৯ তম বর্ষের ১০ কিংবা ১১ মার্চ তারিখে ‘তারিখ-এ এলাহী’ প্রবর্তন করেন। তারিখ-এ-এলাহীর বারো মাসের নাম ছিল- কারবাদিন, আর্দি, বিসুয়া, কোর্দাদ, তীর, আমার্দাদ, শাহরিয়ার, আবান, আজুর, বাহাম, ইস্কান্দার, মিজ। পরবর্তীতে তাঁরই রাজস্বমন্ত্রী টোডরমলের নেতৃত্বে গঠিত সংস্কার কমিটির সদস্য রাজ দরবারের পন্ডিত ও অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা আমীর ফতেহউল্লাহ সিরাজী বাংলা সন প্রতিষ্ঠা করেন। তৎকালীন কৃষকদের নিকট থেকে রাজস্ব সংগ্রহ ও রাজস্ব আদায়ের প্রতিবন্ধকতা এড়ানোর জন্য বাংলা সনের প্রবর্তন করা হয়। এ সন প্রবর্তনের সময় হিজরী সনকে এর উৎস সন হিসেবে গণনা করা হয়। স¤্রাটের সিংহাসন আরোহণের (১৫৫৬ সালের ১১ এপ্রিল) স্মারক ৯৬৩ হিজরী হতে এ সন গণনা করা হয়। বাংলা সনের সাথে ৫৯৩ বছর ৩ মাস ১৩ দিন যোগে ইংরেজি সাল পাওয়া যায়। ফতেহউল্লাহ সিরাজী হিজরীকে উৎস হিসেবে গণনা করলেও বাংলা সনের নামগুলো নিয়েছিলেন শকাব্দ থেকে। ফলে সনটি হিন্দু-মুসলিম উভয়ের নিকট গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। ৭৮ খ্রিস্টাব্দ হতে শকাব্দ চালু হয়। স¤্রাট কনিষ্ক এটির প্রচলন করেন। বাংলা সনের ৫১৫ বছর পূর্বে এর যাত্রা শুরু। বিভিন্ন দেশে যেমন বিভিন্ন অব্দের প্রচলন দেখা যায় তেমনি ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন অব্দের উদ্ভব হয়। যেমন-মল্লাব্দ, শকাব্দ, লক্ষণাব্দ, পালাব্দ, নশরত, শাহী সন, চৈতন্যাব্দ ইত্যাদি। এসব অব্দ প্রচলনের পেছনে রয়েছে রাজ-রাজড়াদের নাম। বঙ্গাব্দ বা বাংলা সনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বাঙালি জাতির নাম। বাংলা মাসগুলোর নামকরণ হয়েছে একেকটা নক্ষত্রের নামে। যেমন-বিশাখা, জ্যেষ্ঠা, পূর্বাষাঢ়া, শ্রাবণা, পূর্ব ভাদ্রপদ, অশ্বিনী, কৃত্তিকা, মৃগশিরা, পূষ্যা, মঘা, পূর্ব ফাল্গুনী এবং চিত্রা থেকে এসেছে বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন ও চৈত্র। সাত দিনের নামের মধ্যে রবি ও সোম হলো সূর্য ও চাঁদের নামে। মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি এই পাঁচটি বারের নাম রাখা হয়েছে পাঁচটি গ্রহের নামে।
তিথি, নক্ষত্র, তারিখ, শুভাশুভ, কাল প্রভৃতি জ্ঞাপক পুস্তকের নাম পঞ্জি বা পঞ্জিকা বা পাঁজি- ইংরেজি অষসধহধপ, অষসধহধপশ (অ্যাল্ম্যান্যাক) -যার সাথে রয়েছে বাংলা সনের সম্পৃক্ততা। এটি এক ধরণের ক্যালেন্ডার। ক্যালেন্ডার শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষায় এসেছে। এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হিসাবের বই। ‘পঞ্জিকা’ শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে সংস্কৃত থেকে। আর ধারণা করা হয় ‘ অ্যাল্ম্যান্যাক’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে। সময়ের হিসাব রাখতেই বৃহৎ পরিসরে দরকার হয় পঞ্জিকার। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিজস্ব সংস্কৃতি, ধর্ম, আচার ভেদে রয়েছে নিজস্ব পঞ্জিকা বা ক্যালেন্ডার। বার, তিথি, নক্ষত্র, করণ ও যোগ এই পাঁচ ‘অঙ্গ’ বা বিষয়ে ব্যাখ্যা পাওয়া যায় বলে বাংলাভাষী অঞ্চলের বাইরে পঞ্জিকাকে সংস্কৃত নামের ‘পঞ্চাঙ্গ’ বলা হয়ে থাকে।
প্রাচীন মিশরে জ্যোতির্বিজ্ঞানের অগ্রগতি এবং নীল নদের জলে কৃষি সভ্যতার বিকাশের ফলে পঞ্জিকার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ধারণা করা হয় প্রায় তিন হাজার বছর আগে প্রাচীন কৃষি সভ্যতার দেশ মিশরেই প্রথম পঞ্জিকা সংকলিত হয়। লাল ও কালো কালিতে শুভ-অশুভ এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের দিন, ক্ষণ, লগ্ন ইত্যাদিতে বেশ পরিপূর্ণ এ রকম একটি প্রাচীন পঞ্জিকা ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে। ইউরোপে প্রথম পঞ্জিকা ছাপা হয় ১৪৫৭ সালে। ইংল্যান্ডে প্রথম মুদ্রিত পঞ্জিকার সন্ধান পাওয়া যায় ১৪৯৭ সালে।
বাংলায় পঞ্জিকা প্রকাশের ইতিহাস বেশ সুপ্রাচীন। বঙ্গদেশে পঞ্জিকার সূচনা অষ্টাদশ শতকে। বাংলা পঞ্জিকা পূর্বে জ্যোতির্বিদ্যার গ্রন্থ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। প্রথম প্রকাশিত মুদ্রিত বাংলা পঞ্জিকা কোনটি এ নিয়ে রয়েছে মতবিরোধ। কারো কারো মতে, জনৈক পঞ্জিকা প্রেমিক শ্রী রামহরি কর্তৃক প্রায় ১৩৫ পৃষ্ঠা সম্বলিত মুদ্রিত বাংলা পঞ্জিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮১৮ খ্রীস্টাব্দে। আর অ্যালম্যান্যাক ধর্মী পঞ্জিকা প্রকাশিত হয় ১৮২৫ খ্রীস্টাব্দে। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা মতে কলকাতা জাতীয় গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত জোড়াসাঁকো নিবাসী জনৈক দুর্গাপ্রসাদ বিদ্যাভূষণ নামের এক ব্যক্তির সংকলিত ১২২৫ বঙ্গাব্দের পঞ্জিকাটি এ যাবৎ পর্যন্ত প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন বাংলা পঞ্জিকা। বাংলা ১২৯৯ সনে মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ কর্তৃক প্রথম প্রকাশিত হয় বৃহৎ মুসলমান পঞ্জিকা মোহাম্মদীয় পঞ্জিকা। ১৮৬৯ খ্রীস্টাব্দে প্রথম মুদ্রিত হয় গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা। পরবর্তীতে ১৮৯০ খ্রীস্টাব্দে পঞ্জিকা সংস্কার করে মাধবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা। ১৯৫৭ সালে ভারত সরকারের অধীনে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহার সভাপতিত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে পঞ্জিকার সংস্কার হয় এবং এই সংস্কারপ্রাপ্ত পঞ্জিকা বা বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকাই ভারতের রাষ্ট্রীয় পঞ্চাঙ্গ হিসেবে স্বীকৃত হয়।
পূর্ববঙ্গ গবেষকদের অনুসন্ধান থেকে জানা যায় যে, উনিশ শতকে পূর্ববঙ্গে তথা আজকের বাংলাদেশে প্রকাশনার মূল কেন্দ্র ঢাকা শহর থেকে মাত্র দুটি পঞ্জিকা প্রকাশিত হয়েছিল। এগুলোর মধ্যে ১২৮৭ বঙ্গাব্দে নবীনচন্দ্র দে কর্তৃক ইস্ট বেঙ্গল প্রেস থেকে প্রকাশিত একটির নাম ‘নবপঞ্জিকা’। এটি প্রকাশের ঠিক দশ বছর পর ১২৯৭ সনে মদনমোহন বিদ্যাভূষণ সংকলিত ‘ফতেজঙ্গ পুরিয়া পঞ্জিকা’ নামে আরেকটি পঞ্জিকা প্রকাশিত হয়। এগুলো ছাড়া ১৩২৭ বঙ্গাব্দে বরিশাল থেকে ‘বরিশালের পঞ্জিকা’ শিরোনামে একটি পঞ্জিকা প্রকাশিত হয়েছিল।
মুদ্রণযন্ত্র আসার আগে পঞ্জিকা সংকলনের কাজটি করতেন পন্ডিতেরা। তাঁদের হাতে লেখা পঞ্জিকা তখন বিক্রি হতো দুই আনা থেকে এক টাকা পর্যন্ত। ধারণা করা হয় রঘুনন্দন প্রথম পঞ্জিকা গণনা শুরু করেন। এরপর নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আমলে পঞ্জিকা গণনা আরও প্রসারিত হয়। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র পন্ডিতদের সভায় পঞ্জিকার জন্য একটি সর্বসম্মত বিধি স্থির করে দেয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় পঞ্জিকা সংকলন।
গবেষকদের অনুসন্ধানে পাওয়া যায় বার, তিথি, নক্ষত্র, শুভ-অশুভ, ভাগ্য ও পরিণাম ফল, সময়ের হিসাব ছাড়াও তখনকার কিছু কিছু পঞ্জিকা বিজ্ঞাপন, বিচিত্র-সংবাদ ও ছবি, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত টোটকা, পদ্য ইত্যাদিতে ভরপুর ছিল। ১২৯৮ বঙ্গাব্দের নৃত্যলাল শীলের পঞ্জিকায় বেলুনের একটি কাঠ খোদাইয়ের চিত্রসহ প্রথম বাঙালি হিসেবে রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বেলুনে চড়ার সংবাদটি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ পেয়েছিল। ১৩২০ বঙ্গাব্দের বৃহৎ মোহাম্মদীয় পঞ্জিকায় পাওয়া যায় বারো মাসের প্রতিটিকে নিয়ে চমৎকার একটি পদ্য যার কিছুটা এ রকম-‘বাংলা বর্ষের মাস বৈশাখ প্রথম/সর্বত্র গ্রীষ্মের বটে পূর্ণ পরাক্রম/সুখদ বৈশাখ মাস যাহার সৃজন/মজরে তাঁহার প্রেমে ওরে মূঢ় মন/কার্তিকে হেমান্ত গত দুরন্ত শিশির/বঙ্গের সর্বত্র হয় প্রকোপ ব্যাধির/না গর্জ্জে আকাশে মেঘ, নাহি বারিপাত/ডাকহ আল্লাকে যিনি অনাথের নাথ।’
ধারণা করা হয়, বিজ্ঞাপন সংবলিত পঞ্জিকার প্রথম প্রকাশ ১৮৬৯ সালে। কবিরাজি ভেষজ ঔষধপত্রের বিজ্ঞাপন উনিশ শতকের পঞ্জিকায় বেশি দেখতে পাওয়া যায়। যেমন ‘বাতবিজয়ী তৈল ঃ সর্বপ্রকার বাতনাশক পরীক্ষিত অব্যর্থ তৈল’ ‘সুবাসিত দন্তরক্ষকচূর্ণ ঃ দন্ত শক্ত রাখিবার অব্যর্থ মহৌষধ’, ‘নেত্রসখা ঃ চক্ষুরোগের মহৌষধ’ ইত্যাদি। রূপচর্চায় ব্যবহৃত সামগ্রীর চটকদার বিজ্ঞাপনের মধ্যে ‘ললনা সোহাগ কেশ তৈল’, ‘পাউডার ডি জেসমিন’ বা ‘লোমনাশক চূর্ণ’ উল্লেখযোগ্য। উল্লেখ্য সেকালের দুই ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘বটকৃষ্ণ পাল অ্যান্ড কোং’ ও ‘ডি গুপ্ত অ্যান্ড কোং’ নিজেদের পণ্যের প্রচারের বাহন হিসেবে পেশাদার প্রকাশকদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিজ্ঞাপনময় পঞ্জিকা ছাপানো শুরু করেছিলেন।
বাংলা পঞ্জিকা সংস্কারের মধ্য দিয়ে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ নির্ধারিত হয়। বাংলা একাডেমি ১৯৬৩ সালে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে সুদক্ষ ও খ্যাতনামা পন্ডিত ও জ্যোতির্বিদদের সমন্বয়ে ‘বাংলা পঞ্জিকা সংস্কার কমিটি’ গঠন করে। সংশোধিত বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে ইংরেজি প্রতি বছরের ১৪ এপ্রিল তারিখে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয়। ১৪০২ সালের ১ বৈশাখ থেকে অর্থাৎ ১৯৯৫ খ্রীঃ ১৪ এপ্রিল থেকে এটি কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত হয়। এভাবেই প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
বাংলা পঞ্জিকা মুদ্রিতরূপে প্রকাশের প্রায় দু’শ বছর (আনুমানিক) পূর্ণ হতে চলেছে। কাল পরিক্রমায় সংস্কার, পরিবর্ধন, পরিমার্জন করার পরও পঞ্জিকা তার আপন মহিমায় এখনও টিকে আছে বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্যে। বাংলা, বাঙালি, বাংলাসন ও নববর্ষের সাথে এখনো রয়েছে পঞ্জিকার নিগূঢ় সম্পর্ক। পঞ্জিকা বা পাঁজি বাঙালির কৃষ্টি সভ্যতারই একটি অভিন্ন অংশ। প্রতিবারের মতো নতুন পঞ্জিকা দিয়ে এবারও সূচনা হোক নতুন দিনের, নতুন বছরের। মঙ্গলময় হোক সবার জীবন। শুভ বাংলা নববর্ষ।
লেখক : প্রাবন্ধিক

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • শিক্ষা হোক শিশুদের জন্য আনন্দময়
  • ফরমালিনমুক্ত খাবার সুস্থ জীবনের বুনিয়াদ
  • জামাল খাসোগী হত্যাকান্ড ও সৌদি আরব
  • শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য কী হওয়া উচিত
  • ব্যবহারিক সাক্ষরতা ও বয়স্ক শিক্ষা
  • সুষ্ঠু নির্বাচন ও যোগ্য নেতৃত্ব
  • জেএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে
  • অন্ধকারে ভূত
  • আর্থিক সেবা ও আর্থিক শিক্ষা
  • প্রসঙ্গ : আইপিও লটারী
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন
  • মূর্তিতেই দুর্গা : বিশ্বাসের বিষয় তর্কের নয়
  • শিক্ষার্থীর মনোজগৎ বিকাশে কার কী ভূমিকা
  • দুর্গের কর্তা দেবী দুর্গা
  • রাশিয়ার কাছে কি যুক্তরাষ্ট্র হেরে যাচ্ছে
  • দারিদ্র বিমোচনে সাফল্যের পথে বাংলাদেশ
  • বাংলাদেশ-সম্প্রীতি সমাবেশ ও কিছু কথা
  • পর্যটন নীতিমালার বাস্তবায়ন কত দূর
  • ওসমানীর দন্তরোগ বিভাগ
  • দুর্গার আগমন শুভ হোক
  • Developed by: Sparkle IT