উপ সম্পাদকীয়

এসো হে বৈশাখ

এডভোকেট কয়ছর আহমদ প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০৪-২০১৮ ইং ০০:৩০:৪২ | সংবাদটি ১৫ বার পঠিত

সময়ের খেয়া এপার-ওপার চলে নিরন্তন, নিভৃতে নিঃশব্দে। কাল সিন্ধুতে হারিয়ে গেল একটি বর্ষ। ফলে পঞ্জির ১৪২৪ বঙ্গাব্দ বিদায় হচ্ছে, একান্ত অনুবর্তী হয়ে চালু হচ্ছে ১৪২৫ সাল। নববর্ষ তথা নবীনের বরণে যেন সমগ্র জাতি উন্মুখ। পহেলা বৈশাখ আমাদের স্বকীয়তার প্রতীক। হাজার বছরের স্বপ্ন সাধনার পয়মন্ত সময়। মনের গভীর উচ্ছ্বাসে এ দিন আর মাসকে টেনে নেয় আবহমান বাংলার খেটে খাওয়া মানুষ। সূচনা হয় বাংলা সন গণনার। নববর্ষ আমাদের জনজীবনে দারুণ আনন্দক্ষণ, এক প্রত্যাশিত সময়ের শুভ উপস্থিতি। গত বর্ষের তিরোধান, নববর্ষ লগ্ন মুখোমুখি দাঁড় হয়। সদ্যগত বর্ষের হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, সফলতা-ব্যর্থতা। প্রিয়জন বিয়োগ, সোনামণিদের আগমন, কত হৃদয়গ্রাহী স্মৃতি, লোমহর্ষক ঘটনা, শিক্ষা, অভিজ্ঞতা রেখে যায়। দেখায় আশার স্বপ্ন। জনজীবনে জাগায় প্রেম, মানবতাবোধ, বিবেক, আর প্রকৃতির রাজ্যে ঘটে একটি বর্ষ, একটি ঋতু, একটি মাসের যবনিকা। প্রবেশ হয় নতুনত্বের। প্রকৃতি অঙ্গ প্রস্ফুুটিত হয় সৃষ্টির জোয়ারে, উজ্জীবিত করে নবপ্রেরণায়। এরই বহিঃপ্রকাশ ঘটে নানাভাবে, অনুষ্ঠান-আনুষ্ঠানিকতা দিয়ে। ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ স্বাগত বরণের মধ্য দিয়ে।
নববর্ষ উৎসব একটি প্রাচীন প্রথা। ফারসী বর্ষপঞ্জির প্রথম দিনে ইরানে পালিত হয় ‘নওরোজ’। নওরোজ ইরানী সভ্যতার দুই হাজার বছরের পুরানো নববর্ষ উৎসব। এর প্রভাব ইরান ও তার পার্শ্ববর্তীতে প্রবল এবং বিশ্বব্যাপী তার আবেদনে যেন কমতি নেই। ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বময় ১লা জানুয়ারী নববর্ষ স্বীকৃত। আমাদের সাওতাল, গারো, চাকমা, হাজং, রাজবংশী, মুরাং, খাসিয়া সহ অনেকেই নববর্ষ উদযাপন করে। বাংলা নববর্ষের ব্যাপ্তী আজ বাংলাভাষী থেকে ইউরোপ, আমেরিকা তথা বিশ্বময় ছড়িয়ে গেছে। নববর্ষ ব্যক্তি বা জাতীয় জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে, তা বলা যায় না। এটা একটা উপলক্ষ্য মাত্র। সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে লক্ষ্য স্থির আবশ্যক। যে মানুষ মানব প্রেমিক, দেশপ্রেমিক, কর্মঠ, সৎ, আদর্শবান। যাকে হিংসা, বিদ্বেষ, পরশ্রীকাতরতা, অর্থ, ক্ষমতার মোহ, দাপট অন্ধ করে না, এরূপ কর্মজীবী মানুষ প্রতিদিন অর্জনের মাধ্যমে ৩৬৫ দিন শেষ করে। অতীতের শিক্ষা অভিজ্ঞতায় সম্মুখে এগিয়ে যায়। তার অর্জন আছে ক্ষয় নেই, ক্ষমা আছে প্রতিশোধ নেই। ন¤্রতা আছে উগ্রতা নেই। নীতি আছে দুর্নীতি নেই। মতাদর্শ আছে তবে পরমতেও শ্রদ্ধাশীল। উপদেশ আছে ধমক নেই। নিজ থেকে অন্যকে বড় মনে করে, প্রাধান্য দেয়, তাদেরই আজ বাস্তবে বড়ই প্রয়োজন। খোঁজে খোঁজে সম্মুখে আনা দরকার নতুনত্বের সন্ধান।
বাংলার ভূমি রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে ১৫৫৬ সালে মোগল স¤্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলা সন চালু হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদ তসলিম ফতে উল্লাহ সিরাজীকে এর জনক বলা ও সুলতান হোসেন শাহের অবদান খাটো করার উপায় নেই। প্রথমে অগ্রহায়ণ মাসকে প্রথম মাস করা হলেও পরবর্তীতে বৈশাখ মাস যথার্থভাবে পুনঃ নির্ধারিত হয়ে স্বীকৃত ও সমাদৃত। কালপরিক্রমা, আধুনিকতা, সৌরসনের নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও বাংলার প্রকৃতি জলবায়ু ও মানব মানবীর হৃদয়ে তার স্থান চির অম্লান, চির জাগ্রত।
বাঙালিদের নিজস্ব অনন্য উৎসব বাংলা নববর্ষ। নানা আয়োজন, আমেজ, আনন্দ লক্ষ্যণীয়। গ্রাম- গঞ্জ, শহর-বন্দর উৎসব, মেলা, শুভাযাত্রা, খেলাধুলা, মিষ্টিমুখে ছেয়ে যায়। পত্র পত্রিকা, ম্যাগাজিন, মিডিয়া, সম্প্রচারে বিশেষ সংখ্যা, অনুষ্ঠান। ব্যবসায়ীরা ধরেন হালখাতা। নববর্ষকে উপলক্ষ্য করে স্বাগত জানিয়ে সমগ্র দেশ ও জাতি মেতে উঠে বর্ণাঢ্য, বর্ণিল আয়োজনের আনন্দধারায়। উৎসবে উৎসবে আর আনন্দধারায় নববর্ষে লোকজন বিভিন্ন উৎসব আনন্দে মেতে উঠে। ছেলেরা পাজামা পাঞ্জাবী, চটি সেন্ডেল, কেহবা গলে মেয়েদের ওড়না দিয়ে স্বত্বি নেয়। মেয়েরা লাল, হলদে বা সাদা শাড়ী, মিল করে অন্যান্য পোশাক, হাতভরা চুড়ি, খোপায় ও হাতের কব্জিতে বেলী ফুলের মালা, আঁকে নকসী মেহদী রং, সাজগোঁজ আর বাঙালি বাহারী রূপে সজ্জিত হয়। এক্ষেত্রে সোনামণিরাও আর পিছিয়ে নেই। আত্মীয়, বন্ধু, সহপাঠি, সহকর্মীসহ স্বীয় প্রিয়তম অথবা প্রিয়তমার সাথে মিলিত হয়। হয় শুভেচ্ছা, অভিবাদন, ভাব বিনিময়। রং বেরংয়ের কার্ড, শৈল্পিক ছাপ, চিত্তাকর্ষক উপহার, কবিতা, ছন্দে, ছড়া। আজ তো ফোন, মোবাইল, ম্যাসেঞ্জার, ইন্টারনেট আর ফেসবুক ব্যবহারে কমতি নেই। কখনও অপব্যবহার, অতিব্যবহার বিরক্তির কারণও বটে। তদুপরি সবকিছুর সমন্বয়ে দেশটা হয়ে উঠে উৎসবমুখর। পারস্পরিক সম্পর্ক হৃদ্যতা হয় জোরদার। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, পেশা নির্বিশেষে উৎসবে হয় জাতীয় ঐক্য। প্রাণের উচ্ছ্বাস ও হৃদয়ের আকুলতায় সত্যই নববর্ষের মত সার্বজনীন উৎসব পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। এ বাংলার মোরা ষোল কোটি মানব প্রাণ/মোরা গাই নববর্ষের জয়গান/দুঃখ-ব্যথা ভুলে যেয়ে/গাই মোরা ভালবাসার গান।
নববর্ষ নতুনকে সাদরে বরণতো বটেই। সে সাথে পরকে আপন, প্রিয়জনকে আরো আপন, আরো কাছে টানা, ভালোবাসার দিন। এরই সাথে সাজ সজ্জা, আপ্যায়ন সহজাত বটে। অতীতের শপথ স্মরণ, সাফল্য সুরক্ষা, কোন্দল ভুলভ্রান্তি, মনোমালিন্য দূর করে বৃহত্তর হৃদয়ে গভীর মমতার উপলব্ধি করার মধ্য দিয়ে সত্যিকার অর্থে সার্থক হয়ে ওঠে নববর্ষের মাহাত্ম্য। যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে কবি কন্ঠে। ‘নিশি অবসান, ওই পুরাতন/বর্ষ হয় গত/আমি আজি ধূলিতলে এ জীর্ণ জীবন/করিলাম নত/বন্ধু হও শত্রু হও যেখানে যে কেহ রও/ক্ষমা কর আজিকার মত/পুরাতন বর্ষের সাথে/পুরাতন অপরাধ যত।’
একথা দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমরা বড় বেশী আত্মকেন্দ্রীক হয়ে যাচ্ছি। আমাদের জীবন থেকে ধীরে ধীরে মানবিকতা সহমর্মিতা, আন্তরিকতা, শৃঙ্খলা, শুভবুদ্ধি, পারস্পরিক কল্যাণ, শ্রদ্ধাবোধ, নৈতিকতা, শালীনতা বোধ ব্যাপকভাবে হারিয়ে যাচ্ছে। উগ্রতা, ব্যক্তিস্বার্থ, দলীয়স্বার্থ, ক্ষমতা, পদের মোহ, বিভেদ, দুর্নীতি-মিথ্যাচার, স্বজনপ্রীতি, প্রতিহিংসা পরায়নতা, বিদ্বেষ আজ উঁচুস্তর থেকে নি¤œস্তর পর্যন্ত প্রকট আকার ধারণ করেছে। নেতৃবৃন্দ থেকে সকলই আজ কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে যাচ্ছে। প্রয়াত বাউল আব্দুল করিমের গানে, ‘লোক ছিল সরল, ছিল ধর্মবল। এখন সবাই পাগল বড়লোক অইতাম।’ বাস্তবে আমরা নিজেদের ভুলত্রুটি দেখা বা সংশোধনে নারাজ, তবে অন্যের সমালোচনায় ওস্তাদ। ফলশ্রুতিতে আমাদের সবকিছুতে ছাপ পড়ছে, অতিশয় ব্যক্তিস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্তসারশূন্য কৃত্রিম, এককথায় লোক দেখানো। আমরা বিলাসী পান্তাভাতের অনুষ্ঠান করি, কিন্তু পান্তা যাদের জুটে না, তাদের প্রতি সদয় হতে পারি না। নববর্ষ উদযাপন আজ অনেকটা এ পর্যায়ে চলে এসেছে। কখনও মহল বিশেষ বা রাজনৈতিক প্রভাব, কখনও অনুষ্ঠানে দলাদলি, বাড়াবাড়ি, নেতৃত্ব, কর্তৃত্বের মহড়া। কখনও অপ্রীতিকর, অশালীন, অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার সূত্রপাত ঘটায়। যা একান্তভাবে বর্জনীয় নিন্দনীয় ও দুঃখজনক বটে। সবাই এ ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক থাকা জরুরী। সুতরাং সব কিছু মাথায় রেখে, আসুন সবাই মিলে সমাগত নববর্ষ উদযাপনে সর্বপ্রকার কৃত্রিমতা, দলাদলী, উগ্রতা, অশালীনতা পরিহার করি। একের আনন্দ যেন অন্যের ক্ষতি বা বিরক্তির কারণ না হয়। সকলে একত্রে শৃঙ্খলতার সাথে আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্যের গর্বিত অংশীদার, পরিচ্ছন্ন ও পরিশীলিত সংস্কৃতি ধারার বিকাশ ঘটাই। স্বীয় ঐতিহ্য, বিবেক, শালীনতাবোধ আর প্রত্যাশার সমন্বয়ে সফল ও সার্থক হোক সমাগত বর্ষ বরণের সব আয়োজন। এরই সাথে পরিমিত বৃষ্টি বোরো নবান্নের ঘ্রাণ নববর্ষকে যেন বিকশিত করে তুলে। শিলাবৃষ্টি থেকে রক্ষা পাক ফসলাদি।
ঋতু ভিত্তিক বৈশাখ মাস গুরুত্বপূর্ণ। বৈশাখে আছে ধ্বংস, প্রলয়, ক্ষয়, গতি। এর পরক্ষণে আছে ভাঙ্গনের পর নব জাগৃতিক চেতনাবাহী এক নবপল্লবিত যৌবন দীপ্ত তারুণ্য। আছে ধ্বংসের বিপরীত সৃষ্টি, নব উত্থানের সবুজ সোনালী সম্ভাবনার হাতছানি। তাইতো জাতীয় কবি লিখেন-‘তোরা সব জয় ধ্বনি কর/তোরা সব জয় ধ্বনি কর/ঐ নূতনের কেতন ওড়ে/কাল বৈশাখী ঝড়’ এভাবে বৈশাখের পরিচিতি কারো অজানা নয়।
“বৈশাখে দিবা নিশি, যেন প্রলয়ের আঘাত,
শংকিত জীব জড়, অস্থির আকাশ।
পুরাতন ধ্বংসস্ত’পে গর্জে নবীনের ডাক,
মাঠে ঘাটে বহমান সোনালী সৃষ্টির বাতাস।
সে সৃষ্টির উল্লাসে একাকার মোরা,
সৃজনে সৃজনে হবে, রঙ্গিলা বসুন্ধরা।”
বিশ্বময় প্রধান দুটি বাংলাভাষী অঞ্চল স্বাধীন বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সহ ত্রিপুরা আসাম অঞ্চল। অপ্রিয় হলেও সত্য যে বাংলা নববর্ষ পালিত হয় দুটি আলাদা দিনে। একই দিনে পালনে দোষ কী? কে কার মূল্য দেবে। বাংলা মুল্লুকে তার আবেদন অনস্বীকার্য। সে আবেদনে যেন সাড়া হয় আজই।
নববর্ষ লগ্নে বিগত দিনের ভুল-ভ্রান্তি, ব্যর্থতা, বিভেদ, হতাশা ঝেড়ে ফেলে ঐক্য, শান্তি, কল্যাণ, সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাই। আগামী স্বর্ণালী অরুণোদয়ের পথে। প্রত্যাশিত স্বপ্নের স্বর্ণমুকুটের হাতছানিতে সাড়া দিয়ে তাকে ছিনিয়ে আনতে হবে। দুর্নিবার সম্ভাবনার যে সুর কবি কন্ঠে উচ্চারিত হয় ‘অতীতের চেয়ে নিশ্চয় ভাল হবেরে ভবিষ্যৎ’। এ দীক্ষা আত্মবিশ্বাসে আমরা যেন উজ্জীবিত হই। হই সত্যবাদী নীতি ও আদর্শবান দেশপ্রেমিক। সমাগত ১৪২৫ বঙ্গাব্দের প্রারম্ভে আমাদের ঐকান্তিক কামনা আর বিভেদ, প্রতিশোধ, উগ্রতা নয়, সন্ত্রাস, দাম্ভিকতা, রক্তপাত নয়। দেশ ও জনজীবনের প্রতিটি স্তরে আসুক শান্তি, স্থিতিশীলতা, ইনসাফ আর সফলতা। সবার জীবন হোক সুন্দর, নিরাপদ, শঙ্কা ও দুর্নীতিমুক্ত। এক সুখ শান্তির নীড়। বয়ে যাক আনন্দের ফল্গুধারা। মোরা এগিয়ে যাই ভালোবাসা আর সফলতা দিয়ে।
আমাদের জাতীয় চিন্তা-চেতনায় নববর্ষ চিরদিন প্রাণের সজীবতা ও প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। সমৃদ্ধ দেশ, ঐক্যবদ্ধ জাতি, যোগ্য জননেতৃত্ব, সততা, দায়িত্বশীল, ন¤্রতা, নিষ্ঠাবান করে তুলবে। আর ধ্বংস নয়, সংঘাত নয়, অবিচার নয়, বন্ধী কারাগার নয়, এবার আসুক ভালোবাসা, সহনশীলতা। সর্বত্র ভালোবাসার হোক জয়। তাতেইতো সফল আর সার্থক হবে নববর্ষের সব আয়োজন আর প্রত্যাশা। সবাইকে নববর্ষের বৈশাখী শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ। মঙ্গল হোক জাতির।
লেখক : কলামিস্ট।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • হাওরের হাসি চিরস্থায়ী হোক
  • আমাদের চিকিৎসা সেবা
  • মালদ্বীপকেন্দ্রিক চীন ভারতের শীতল যুদ্ধ
  • স্কুলে যেতে শিশুদের এত অনীহা কেন?
  • রুশ-মার্কিন দ্বন্দ্ব ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা
  • শিশুশ্রম : আমাদের করণীয়
  • সড়কে-মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল
  • পারিবারিক পেনশনারদের দাবি-দাওয়া প্রসঙ্গে
  • ডা: এবং নামের আগে-পরে উপাধি
  • বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা
  • আপন ভুবন, অচেনা আকাশ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি অর্থনীতি ও নৈতিকতা
  • হাওর রক্ষার বেড়ি বাঁধ
  • স্টিফেন হকিং
  • নৃশংসতা বাড়ছে সমাজে : অবক্ষয়ের অবসান চাই
  •  শুকিয়ে যাচ্ছে নদীগুলো
  • আসুন আমরা সকলেই ভাবি
  • সমাজে দুর্নীতি ও অসঙ্গতির কারণ
  • অবৈধ চালকদের হাতে যাত্রীদের প্রাণ
  • কোথায় নিরাপদ শিশুরা?
  • Developed by: Sparkle IT