প্রথম পাতা

প্রাথমিকে এমসিকিউ বাদ নিয়ে নতুন প্রশ্ন কাঠামো

প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০৪-২০১৮ ইং ০৪:৩৬:০৬ | সংবাদটি ৪৬২ বার পঠিত

ডাক ডেস্ক : প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দিয়ে পরিমার্জিত প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজন করেছে সরকার।
ঢাকায় গত ১০ এপ্রিল জাতীয় কর্মশালায় পরিমার্জিত এই প্রশ্নপত্রের কাঠামো চূড়ান্ত করা হয় বলে গত বৃহস্পতিবার এক আদেশে জানিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।
প্রতিটি বিষয়ে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন বাদ দিয়ে সেখানে নতুন ধারার প্রশ্ন যুক্ত করে এবার থেকে প্রাথমিক সমাপনীর প্রশ্নপত্র তৈরি করা হবে। এমসিকিউ প্রশ্ন বাদ দেওয়া হলেও পরীক্ষার সময় আগের মত আড়াই ঘণ্টাই থাকবে।
গত বছর প্রাথমিক সমাপনী পারীক্ষার প্রায় সব বিষয়ের প্রশ্ন পরীক্ষার আগের রাতে বা পরীক্ষার সকালে ফাঁস হয়ে যায়। অল্প সময়ের মধ্যে তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার।
এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জেএসসি-জেডিসি এবং এবারের এসএসসি পারীক্ষাতেও। প্রশ্নফাঁস মহামারির আকার ধারণ করায় প্রশ্ন পদ্ধতি নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।
পরীক্ষার ঘণ্টাখানেক আগে প্রশ্ন ফাঁস হলে সেখান থেকে সহজেই বহু নির্বাচনী অংশের উত্তর দেওয়ার সুযোগ থাকে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিও প্রাথমিক স্তরের পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দেওয়ার সুপারিশ করে।
বাংলাদেশে এসএসসিতে এমসিকিউ প্রশ্ন প্রবর্তন করা হয়েছিল ১৯৯২ সালে। তখন মোট ৫০টি বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর দিতে হত; প্রতিটির জন্য বরাদ্দ ছিল ১ নম্বর করে।
দীর্ঘদিন ওই ব্যবস্থা চলার পর প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এখন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় এমসিকিউ অংশ কমিয়ে আনছে সরকার।
আর এবার থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা হবে শতভাগ যোগ্যতাভিত্তিক বা সৃজনশীল প্রশ্নে।
প্রাথমিক সমাপনীতে সৃজনশীল প্রশ্নের হার গত কয়েক বছর ধরেই ধাপে ধাপে বাড়নো হচ্ছিল। ২০১৬ সালে প্রতি বিষয়ে ৬৫ শতাংশ এবং ২০১৭ সালে ৮০ শতাংশ প্রশ্ন ছিল যোগ্যতাভিত্তিক, বাকি প্রশ্ন ছিল সনাতন ধরনের।
২০০৯ সালে সারা দেশে এক সঙ্গে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরুর পর ২০১২ সালে প্রথমবারের মত ১০ শতাংশ সৃজনশীল প্রশ্ন সংযোজন করা হয়।
এরপর ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ২০১৩ সালে ২৫ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৩৫ শতাংশ এবং ২০১৫ সালে ৫০ শতাংশ সৃজনশীল প্রশ্নে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা হয়।
যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নে শিক্ষার্থীদের উত্তর লিখতে হয় চিন্তা করে। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থীই দুই ঘণ্টায় পরীক্ষা শেষ করতে না পারায় ২০১৩ সালে এই পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট বাড়িয়ে আড়াই ঘণ্টা করা হয়।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম ভোট ৫ মে
  • এইচএসসি: ১ এপ্রিল থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ
  • স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের তাগিদ
  • মহান স্বাধীনতা দিবস আজ
  • মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিলেটে সমরাস্ত্র প্রদর্শনী শুরু
  • ওয়াসিম হত্যার ঘটনায় মৌলভীবাজার থানায় মামলা
  • সিলেটী বিমান যাত্রীদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে
  • এ এম এ মুহিত আহ্বায়ক, সদস্য সচিব আরিফ
  • দেশে শুধু দুর্নীতির উন্নয়ন হচ্ছে: ফখরুল
  • কালরাত স্মরণে ব্ল্যাকআউট
  • কমলগঞ্জে কলেজ ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
  • নন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কর্মসূচি স্থগিত
  • কূটনৈতিক জোনের নিরাপত্তা জোরদার
  • প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শাহনাজ রহমত উল্লাহর দাফন সম্পন্ন
  • যক্ষ্মা নির্মূলে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অঙ্গীকার
  • খুলে দেওয়া হয়েছে ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদ
  • যেভাবে হত্যা করা হয় ওয়াসিমকে-
  • প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চালক ও সহকারীর দায় স্বীকার
  • ভয়াল ২৫ মার্চ, জাতীয় গণহত্যা দিবস আজ
  • Developed by: Sparkle IT