প্রথম পাতা

প্রাথমিকে এমসিকিউ বাদ নিয়ে নতুন প্রশ্ন কাঠামো

প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০৪-২০১৮ ইং ০৪:৩৬:০৬ | সংবাদটি ৫০ বার পঠিত

ডাক ডেস্ক : প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দিয়ে পরিমার্জিত প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজন করেছে সরকার।
ঢাকায় গত ১০ এপ্রিল জাতীয় কর্মশালায় পরিমার্জিত এই প্রশ্নপত্রের কাঠামো চূড়ান্ত করা হয় বলে গত বৃহস্পতিবার এক আদেশে জানিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।
প্রতিটি বিষয়ে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন বাদ দিয়ে সেখানে নতুন ধারার প্রশ্ন যুক্ত করে এবার থেকে প্রাথমিক সমাপনীর প্রশ্নপত্র তৈরি করা হবে। এমসিকিউ প্রশ্ন বাদ দেওয়া হলেও পরীক্ষার সময় আগের মত আড়াই ঘণ্টাই থাকবে।
গত বছর প্রাথমিক সমাপনী পারীক্ষার প্রায় সব বিষয়ের প্রশ্ন পরীক্ষার আগের রাতে বা পরীক্ষার সকালে ফাঁস হয়ে যায়। অল্প সময়ের মধ্যে তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার।
এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জেএসসি-জেডিসি এবং এবারের এসএসসি পারীক্ষাতেও। প্রশ্নফাঁস মহামারির আকার ধারণ করায় প্রশ্ন পদ্ধতি নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।
পরীক্ষার ঘণ্টাখানেক আগে প্রশ্ন ফাঁস হলে সেখান থেকে সহজেই বহু নির্বাচনী অংশের উত্তর দেওয়ার সুযোগ থাকে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিও প্রাথমিক স্তরের পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দেওয়ার সুপারিশ করে।
বাংলাদেশে এসএসসিতে এমসিকিউ প্রশ্ন প্রবর্তন করা হয়েছিল ১৯৯২ সালে। তখন মোট ৫০টি বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর দিতে হত; প্রতিটির জন্য বরাদ্দ ছিল ১ নম্বর করে।
দীর্ঘদিন ওই ব্যবস্থা চলার পর প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এখন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় এমসিকিউ অংশ কমিয়ে আনছে সরকার।
আর এবার থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা হবে শতভাগ যোগ্যতাভিত্তিক বা সৃজনশীল প্রশ্নে।
প্রাথমিক সমাপনীতে সৃজনশীল প্রশ্নের হার গত কয়েক বছর ধরেই ধাপে ধাপে বাড়নো হচ্ছিল। ২০১৬ সালে প্রতি বিষয়ে ৬৫ শতাংশ এবং ২০১৭ সালে ৮০ শতাংশ প্রশ্ন ছিল যোগ্যতাভিত্তিক, বাকি প্রশ্ন ছিল সনাতন ধরনের।
২০০৯ সালে সারা দেশে এক সঙ্গে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরুর পর ২০১২ সালে প্রথমবারের মত ১০ শতাংশ সৃজনশীল প্রশ্ন সংযোজন করা হয়।
এরপর ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ২০১৩ সালে ২৫ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৩৫ শতাংশ এবং ২০১৫ সালে ৫০ শতাংশ সৃজনশীল প্রশ্নে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা হয়।
যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নে শিক্ষার্থীদের উত্তর লিখতে হয় চিন্তা করে। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থীই দুই ঘণ্টায় পরীক্ষা শেষ করতে না পারায় ২০১৩ সালে এই পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট বাড়িয়ে আড়াই ঘণ্টা করা হয়।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু করলেন রাস্ট্রপতি
  • প্রধানমন্ত্রী তিন দিনের সরকারী সফরে আজ অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন
  • সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এখনো চালু হয়নি নগর ডিজিটাল সেন্টার
  • চাঁদাবাজের হামলায় শাবি কর্মকর্তা আহত
  • বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ৭ মে : মোস্তফা জব্বার
  • ধর্ষণ মামলায় তারাপুর চা-বাগানের আলোচিত সেবায়েত পংকজের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
  • এস কে সিনহার ব্যাংক হিসাবে ৪ কোটি টাকা জমা, দুই ব্যবসায়ীকে দুদকে তলব
  • তাহিরপুর সীমান্তে ৪ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় রিজার্ভ ফোর্স
  • রাজস্ব ফাঁকির মামলায় সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা আ’লীগ সভাপতি জেলে
  • শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে ------শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ এমপি
  • বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস পালিত
  • ময়মনসিংহে ৫ জনের নামে যুদ্ধাপরাধের মামলা
  • সিলেটে ঐতিহ্যবাহী বাংলা লোকনাটক হাদামিয়া-মাদামিয়ার পালার সফল মঞ্চায়ন
  • ছাত্রলীগ কর্মী হত্যা মামলা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক রায়হানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
  • সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে জন্ম নিচ্ছে ‘অপুষ্টি’ শিশু
  • ঢাকায় বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে সীমান্ত সম্মেলন শুরু
  • রাজনৈতিক আশ্রয় নিতে তারেকের পাসপোর্ট জমা: বিএনপি
  • গ্লোবাল উইমেন’স লিডারশিপ এওয়ার্ড পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • যুদ্ধাপরাধ মামলায় এনএসআইয়ের সাবেক ডিজি গ্রেপ্তার
  • জনগণ ঠিক করবে কে ক্ষমতায় থাকবে : কাদের
  • Developed by: Sparkle IT