ইতিহাস ও ঐতিহ্য

হত্যাকারির নাম বলা যাবে না

তাজুল মোহাম্মদ প্রকাশিত হয়েছে: ১৮-০৪-২০১৮ ইং ০২:৩৫:৪৬ | সংবাদটি ১২৪ বার পঠিত

১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে, সিলেটে, খুলনায়, ঢাকায়, বরিশালে, ঝিনাইদাহে গণহত্যা হয়েছে। গণহত্যা সংঘটিত করেছে গোটা দেশে। হত্যা করেছে মানুষ। হত্যা করেছে মানবতা, এমনকি পশু-পাখিকেও। পুড়েছে বসতবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষায়তন, দোকানপাট-হাটবাজার, বস্তি, বাগান, বৃক্ষরাজি। পুড়ে ছারখার করেছে সবুজ শ্যামল বাংলাকে। লাশের পাহাড় সৃষ্টি করেছে সমগ্র বাংলা জুড়ে। মানুষের-বাঙালির লাশ ছিল জমিনে, পাহাড়ে, সাগর, নদীতে। শবদেহ স্তুপাকারে জমে জমে দ্বীপ সৃষ্টি করে জলাশয়ে। পানিতে ভেসেছে বাঙালির লাশ। জমিতে গলেছে লাশ। উদর পুর্তি হয়েছে কুকুর-শিয়াল-শকুনের। রক্তের ঝরনা সেদিন প্রত্যক্ষ করেছে বাঙালিরা। তপ্ত শোনিতের শ্রোতধারা গড়িয়ে গেছে সাগর অভিমুখে সে রকম ¯্রােত সৃষ্টি হয়েছিল ঝালকাটিতে। গড়িয়ে গড়িয়ে পড়েছে সুগন্ধা নদীতে। রক্তবর্ণ ধারণ করেছিল সুগন্ধা। লাল হয়েছে কীর্তনখোলা পদ্মা, মেঘনা, যমুনা।
হত্যা, গণহত্যা, নারী নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নি সংযোগ- সবই হয়েছে বাংলাদেশে। রক্ত ঝরেছে ৩০ লাখ মানুষের দেহ থেকে। গোটা দেশটাই পরিণত হয়েছে বধ্যভূমিতে। আর, এই জঘন্য পাপাচার সংঘটিত করেছে পাকিস্তানী সেনা বাহিনী। সহযোগী তাদের জামায়াতে ইসলামি, মুসলীম লীগ, নেজামে ইসলাম, পিডিপি, প্রভৃতি রাজনৈতিক দল। জামায়াত গঠিত সশস্ত্র বাহিনী রাজাকার, আল বদর, আল শামস এবং শান্তি কমিটি। এই রাজনৈতিক দলগুলো এবং আধা সামরিক বাহিনীগুলোই সমস্ত মানবতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধমূলক কর্মকান্ডে সহায়তা দিয়েছে-পাকিস্তানী বাহিনীকে। নিজেরাও পরিকল্পনা প্রণয়ন করে করে হত্যাকান্ড সংঘটিত করেছে। নারী ধর্ষণ করেছে। পাকিস্তানী সেনা ক্যাম্পে নারী সরবরাহ করেছে। লুঠতরাজ করেছে দেশব্যাপী-ওরা নিজ উদ্যোগে।
ঝালকাঠি! সেখানেও ব্যতিক্রম ছিল না এতটুকুও। হাজার মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে আসা পাকিস্তানী সৈন্যরা নিশ্চয়ই জানতো না বাংলার ৬৮ হাজার গ্রামের অবস্থান। রামপুর নামক গ্রামের অবস্থান, সে গ্রামে পাকিস্তান বিরোধী হিন্দুস্তানের চর, কিংবা মুক্তি নামক আতঙ্ক কারা? তাদের পরিচিতি কি কিছুই জানার কথা নয় ওদের। তাই বলে ওদেরতো সমস্যাও হবে না। জামায়াত-মুসলিম লীগ নামক পা চাটা দালাল আছে না এ দেশে। ওরাইতো গঠন করেছে শান্তি কমিটি। ওরাই নিয়ে যাচ্ছে গ্রামে গ্রামে। তালিকা প্রস্তুত করছে ওরা নাম উল্লেখ করে করে। কে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী, কারা আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়েছে, কে কে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে কোন লোকটি জড়িত। প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনার ধারক বাহক কে সব নাম পরিচয় ওঠে আসতো সে সব তালিকায়। তারপর এই লোকগুলোর শাস্তির বিধান করতে পরামর্শ দিতো পাকিস্তানী সৈন্যদের। উদ্বুদ্ধ করতো অকুস্থলে যাবার-পরিকল্পনা প্রণয়নে। আর, যাবার কালে পথ প্রদর্শক হিসেবে থাকতো তারা। তালিকাবদ্ধ লোকগুলোকে সরেজমিনে পরিচয়ও করিয়ে দিতো। এভাবেই ওরা নিয়ে গেছে গ্রামে। পাকিস্তানী সেনা বাহিনীর হত্যা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করেছে-মিলিটারি এবং রাজাকার জামায়াত মিলে।
রাজাকাররাই গ্রামের সুন্দরী ললনাদের তুলে এনে উপটৌকন হিসেবে হস্তান্তর করতো পাকি নর পশুদের কাছে। ওরাইতো আগুন ধরিয়ে দিতো বাড়ি-ঘর, দোকানে, অফিসে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। পেট্রোলের টিন বহন করতো রাজাকাররা। আর লুটপাটে ওদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। এ ঘটনাগুলো যেমন ছিল সুনামগঞ্জে- তেমনি ঠাকুরগাঁও মেহেরপুরে কিংবা নারায়ণগঞ্জে। কিন্তু রামপুরে?
রামপুর বর্তমান ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন একটি গ্রাম। আর, ১৯৭১ সালে ঝালকাঠি জেলাতো নয়ই মহকুমার মর্যাদাও লাভ করেনি। বরিশাল জেলার অধীনে ঝালকাঠি তখন একটি থানা মাত্র। কিন্তু সেখানে ছিল বিরাট নদী বন্দর এবং দক্ষিণ বঙ্গেঁর অন্যতম বৃহৎ ব্যবসাকেন্দ্র। সে কারণে একটি থানা হয়েও অনেক জেলার মতো গুরুত্ব বহন করতো ঝালকাঠি। প্রগতিশীল রাজনীতির চর্চা ছিল সেখানে। স্বাধীনতার পক্ষে ওঠে গণ-জোয়ার। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত গোটা থানা। সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি অনেক অনেক আগে থেকে। আর, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর থেকে প্রতিরোধ যুদ্ধে সম্পৃক্ত হয়েছেন অনেকে। ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং নিচ্ছেন বহু ছাত্র-যুবক। কেউ কেউ যুবকদের রিক্রুট করে করে পাঠাচ্ছেন সীমান্তের ওপারে। আবার দেশের ভেতরে সুন্দরবনের নানা অংশে, আটঘর-কুড়িয়ানার পেয়ারা বাগানে অবস্থান করে করেও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করছেন। কারো কারো সম্পৃক্তি পরবর্তীতে সরাসরি ১১ নম্বর সেক্টরে। পাকিস্তানী মিলিটারিরাও হাত-পা গুটিয়ে নেই। বরিশাল নিয়েছে তাদের নিয়ন্ত্রনে। অন্তত জেলা শহর। তারপর একদিন অগ্রসর হলো সুগন্ধা নদী দিয়ে। পদার্পণ করলো ঝালকাঠি। সেখানেও বিস্তৃত হয়ে গেল পাকিদের বিচরণ ক্ষেত্র।
এক সুন্দর সকালে পিরোজপুর এবং ঝালকাঠি দু’জায়গা থেকে এক সাথে আসে বেশ ক’টি জলযান। বেসামরিক জলযান হলেও যাত্রীরা সামরিক বাহিনীর সদস্য। তাদের গায়ে জলপাই রংয়ের উর্দি। পায়ে ভারি বুট। চকচকে রং। মাথায় বুলেট প্রুফ হ্যাট। হাতে ভারি আগ্নেয়াস্ত্র। মার্কিন মুল্লুকের একেবারে প্যান্টাগনে তৈরি। কোনো কোনোটি আবার পার্শ্ববর্তী দেশ চীনের মারণাস্ত্র কারখানায় উৎপাদিত। প্রচুর গোলাবারুদ সঙ্গে নিয়ে এসেছে ওরা। দেখে মনে হয় যুদ্ধ যাত্রা তাদের। তবে, বাদামী চামড়া ওয়ালা নয় সবাই। সাথে রয়েছে কালো চামড়ার রাজাকার। ওদের মুখে বাংলা জবানী। কিন্তু তখন যেন ভুলেই গেছে মাতৃভাষা। কষ্ট করে হলেও উর্দুতে কথা বলছে ওরা। ওদের পোশাক আবার খাকি রংয়ের। হাতের আগ্নেয়াস্ত্রগুলো অপেক্ষাকৃত হালকা। ওগুলো নাকি বেইজিংয়ে নির্মিত। তবে, হাক-তাক তাদেরই বেশি। সেই যে দাদা বলে কিসের ভাই, আনন্দের আর সীমা নাই।
বাংলার মাটিতে জন্ম নিলেও ওরা যে বেজন্মা। ওরা জাতির কলঙ্ক। এদের কেউ কেউ জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। কেউ হয়তো জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র সংঘের সদস্য কর্মি নেতা। আছে মুসলিম লীগ, পিডিপি, নেজামে ইসলাম এবং অন্যান্য প্রতিক্রিয়াশীল, মৌলবাদী দলের কর্মি সমর্থক। জামায়াত গঠিত এবং নিয়ন্ত্রিত আধা সামরিক বাহিনী রাজাকারের সশস্ত্র সৈনিক। পাকিস্তানী সৈন্যদের চেয়ে অধিক পাকিস্তানী। খুনি, ধর্ষক, লুটেরা। জলযানের যাত্রী ওরাও। পথ নির্দেশ করে করে নিয়ে যাচ্ছে নির্দিষ্ট স্থানে। রাজাকার-জামায়াতীদের নির্দেশিত স্থানেই নোঙ্গর করে জলযান। নামলো হায়না সদৃশ আরোহীরা। ধূলো ধূসোরিত মেঠো পথেও খট খট শব্দ করে এগিয়ে গেল নির্দিষ্ট পথে। বুটের আওয়াজ ছড়িয়ে যাচ্ছে বহুদূর অবধি। সে শব্দেই সম্বিত ফিরে পায় গ্রামবাসি। পালিয়ে যাবার চেষ্টা করেন গ্রামের আবাল বৃদ্ধ বণিতা। পালিয়ে গেলেন অনেকে অনেক দূরে। প্রাণ রক্ষা করলেও সম্পদ রক্ষা হয়নি কারোর-ই। আবার ইচ্ছে থাকলেই কি সবাই পালিয়ে যেতে পারেন? না, পারেন নি অনেকেই। আর, যারা পালাতে পারেন নি তাদের অধিকাংশই প্রাণ দিতে হয়েছে আমেরিকায় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্রের বুলেটে।
এই যে গ্রামবাসিদের বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ করলো। গ্রামবাসিদের মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার আশ্রয়দাতা, আওয়ামী লীগ, পাকিস্তান বিরোধী, হিন্দু, ভারতের চর সহ নানা বিশেষণে বিশেষায়িত করেছে। এই লোকগুলোকে হত্যা করার পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা দিয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যে পাকিস্তানি সেনা সদস্যদের পথ প্রদর্শন করে নিয়ে গেছে। হত্যাকান্ডে ছিল ওরা সহযোগী। আবার, অগ্নি সংযোগ এবং লুটপাটে পালন করেছে মুখ্য ভূমিকা। তারা সবাই ছিল স্থানীয় লোক। এই গ্রাম- ঐ পাড়ার লোক। চিনেন তারা একে অন্যকে। তা হলে সে লোকগুলো কে কে? এ প্রশ্নের জবাব দেবেন না গ্রামের মানুষ। তবে কি কোনো রাজাকার ছিলো না পাকি বাহিনীর সঙ্গে। উত্তরে বলেন, ‘অবশ্যিই ছিলো। ওরাই পাকি সৈন্যদের, নিয়ে এসেছে। ওদের নির্দেশনায়ই হত্যা করেছে শতাধিক লোক। তা হলে ঐ রাজাকারের নাম পরিচয় কি জানে না তারা? হ্যা, জানেন, চিনেন প্রত্যেকটি রাজাকারকে। কিন্তু বলবেন না ওদের নাম। ওদের কারোরই নাম মুখে আনবেন না তারা।
এই যেমন মতিলাল দেউড়ি। সেদিনই হয়েছেন তিনি পিতৃহারা। অথচ পিতৃ হন্তারকদের নাম উচ্চারণ করবেন না কোনো ক্রমেই। বার বার বললেন, তিনি চিনেন সবাইকে। জানতেন ওদের অতীত। জানেন বর্তমান। দেখছেন সবকিছু। কিন্তু বলবেন না ওদের নাম। দিবেন না কোনো পরিচয়। ১৯৭১ সালের ন্যায় আবার একটি রক্তক্ষয়ী অবস্থার সৃষ্টি হোক-তা চান না তিনি। মতিলাল দেউডির গ্রাম- রামপুর। সদর উপজেলা, ঝালকাঠি। তাঁর পিতা মনোহর চন্দ্র দেউড়ি ছিলেন একজন কৃষক। বয়স তখন ষাট অতিক্রম করছিল। বাড়ির লোকেরা পাকি সৈন্য আগমনের সংবাদ পেয়ে পালিয়ে গেছেন আগেই। কিন্তু বয়সের ভারে তা করতে পারেন নি তিনি ত্বরিৎ। তাই অনেকটাই পেছনে পড়ে যান দেউড়ি। দেখে ফেলে পাকিস্তানী সৈন্যরা। ওরা পিছু নেয় তাঁর। শতদল কাঠির রাধানাথ হালদারের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। ততোটুকু গিয়েছে মিলিটারিরা এবং পেছন থেকে গুলি ছুড়ে তাঁকে লক্ষ্য করে। চার চারটে বুলেট বিদ্ধ হলো দেউড়ির গায়ে। প্রাণ ত্যাগ করেন তিনি সেখানেই। মনোহর চন্দ্র দেউড়ির পিতার নাম ছিল রাখাল চন্দ্র দেউড়ি। এই যে শতদল কাঠির রাধানাথ হালদার। তিনি ছিলেন পেয়ারা চাষী। তাঁর বয়সও ৬০ বছর। হালদার বাড়িতে এর আগেই ধরিয়ে দিয়েছে আগুন। আর, সেই পুড়ো ভিটাতেই গুলিতে ঝাঝরা করে দিয়েছে রাধানাথ হালদারের বক্ষ।
কৃষ্ণকান্ত দেউড়িও ছিলেন কৃষক। বয়স তার ৩৫ বছর। আর পিতার নাম ছিল সতীশ দেউড়ি। ঝালকাঠি সদর থানার ঠিক পাশেই কছা নদীর তীরে হত্যা করে তাঁকে পাকিস্তানী মিলিটারিরা। রামপুর গ্রামেরই সন্তান ব্রজেন্দ্রনাথ দেউড়ি। পিতা যদুরাম দেউড়ি। ষাট বছর পার করে দিয়েছেন তিনি ইতঃমধ্যেই। তাঁকেও হত্যা করেছে বাইরে-মিরাঘাটিতে। দেউড়িরা সবাই ছিলেন একই পরিবারের লোক।
ভোলানাথ হালদার একজন কৃষক। বাসিন্দা তিনি রামপুরের। ৫০ এর কোটায় তার বয়স। শহীদ হলেন তিনি স্বাধীনতার বেদিমূলে। ৪৮ বছর বয়স ছিল কার্তিক চন্দ্র নাটোয়ার। বাসিন্দা তিনি রামপুরেরই। পেশায় একজন কৃষক। পিতা- বিশ্বম্ভর পাটোয়ার। জগদীশপুরে হত্যা করে শ্রীনাথ কয়াতিকে। ৬০ বছর ছুঁই ছুঁই করছিল বয়স। দুর্গাচরণ কয়াতির পুত্র শ্রীনাথ কয়াতি পেশায় ছিলেন কৃষক। যোগেশ কয়াতিও একজন কৃষক ছিলেন। বয়স ৪২ বছর। গ্রামেই হত্যা করে তাঁকে। সবাই হয়ে যান স্বাধীনতার শহীদ।
ওরা হত্যা করে দেউড়িদের, হত্যা করে হালদারদের, কয়াতিদেরও হত্যা করেছে। হত্যা করেছে হিন্দু, হত্যা করেছে আওয়ামী লীগ, হত্যা করেছে স্বাধীনতাকামিদের। ওদের লক্ষ্য বাঙালি। তাদের লক্ষ্য মানুষ আর মানবতা। হত্যাকান্ড পরিচালনা করেছে সমস্ত দেশ জুড়ে। আর এই রামপুর গ্রামে মনোহরচন্দ্র দেউড়ি থেকে শুরু করে হত্যা করেছে শতাধিক লোক। কিন্তু নাটের গুরুদের নামটি উচ্চারণ করতে ভয় করেন শহীদ পরিবারের সদস্যরাও। কি দুর্ভাগ্য আমাদের-খুনিদের নামও উচ্চারণ করতে ভয় করেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • বিবি রহিমার মাজার
  • তিন সন্তানের বিনিময়ে বঙ্গবন্ধুর স্বীকৃতি
  • হারিয়ে যাচ্ছে পুকুর ও দীঘি
  • শিক্ষা বিস্তারে গহরপুরের ছমিরুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • বিলুপ্তির পথে সার্কাস
  • জাতীয় স্মৃতিসৌধ
  • বাংলাদেশের লোকশিল্প
  • উৎলারপাড়ের পোড়া পাহাড় আর বুদ বুদ কূপ
  • চেলা নদী ও খাসিয়ামারা মোহনা
  • সিলেটে মুসলমান সম্পাদিত প্রথম সাহিত্য সাময়িকী
  • মুহররমের দাঙ্গাঁ নয় ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা যুদ্ধ
  • দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিচিতি
  • সিলেটের প্রথম মুসলমান সম্পাদক
  • কালের সাক্ষী পানাইল জমিদার বাড়ি
  • জনশক্তি : সিলেটের একটি দীর্ঘজীবী পত্রিকা
  • ঋতুপরিক্রমায় শরৎ
  • সৌন্দর্যের লীলাভূমি বরাকমোহনা
  • যে এলাকা পর্যটকদের হৃদয় জোড়ায়
  • Developed by: Sparkle IT