ইতিহাস ও ঐতিহ্য

ইতিহাস গবেষক দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী

রুহুল ফারুক প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-০৫-২০১৮ ইং ০২:০৮:০৫ | সংবাদটি ১৩৪ বার পঠিত

দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী যখন ৮০ বর্ষ পাড়ি দিচ্ছেন; এই মুহূর্তে উনার জীবনের সাধনা ও অর্জন নিয়ে আলোচনা হতে পারে, পর্যালোচনা হতে পারে; এরই আলোকে আমার এই প্রবন্ধ।
আমরা এই গুনীব্যক্তির ৮০ বৎসরের জীবন কালকে কয়েকটি অধ্যায়ে ভাগ করতে পারি; (১) পরিচিতি, (২) শিক্ষাজীবন, (৩) আইন পেশা, (৪) সরকারী চাকুরী, (৫) সামাজিক সেবা, (৬) লেখা, গবেষণা ও প্রকাশিত বই, (৭) ইতিহাস গবেষণা ও অবদান, (৮) হযরত শাহজালাল (রহ:) সম্পর্কে গবেষণা ও অবদান, (৯) অর্জন সমূহ, (১০) আমাদের প্রত্যাশা।
দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ২৮ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯ খৃষ্টাব্দে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার দিনারপুর পরগণার সদরঘাট গ্রামে ঐতিহ্যবাহী, খানদানী মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। উনার পূর্ব-পুরুষ হযরত শাহজালাল (রহ:) সঙ্গী হযরত শাহ তাজউদ্দীন কুরায়শী (রহ:)। দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর পিতা-দেওয়ান আলী গওহর চৌধুরী (মৃত্যু ৭ জানুয়ারী ১৯৪৬ খৃষ্টাব্দে); মাতা কুলসুম আখতার চৌধুরী (মৃত্যু ২৬ জানুয়ারী ১৯৮৪ খৃষ্টাব্দ)।
দ্বীনী শিক্ষা বাড়ীর মন্তবে। প্রাথমিক শিক্ষা নিজ গ্রামের পাঠশালায় এবং সেখান থেকে ১৯৪৭ খৃষ্টাব্দে তৃতীয় মান প্রাইমারী বৃত্তি পরীক্ষা দেন। ১৯৫০ খৃষ্টাব্দে দিনারপুর এম,ই মাদ্রাসায় ভর্তি হন। ১৯৫৩ খৃষ্টাব্দে দিনারপুর জুনিয়র হাই স্কুলে ক্লাস সেভেনে ভর্তি হন। ১৯৫৪ খৃষ্টাব্দে মেট্রিক পাশ করেন। ১৯৫৯ খৃষ্টাব্দে মৌলভীবাজার কলেজ থেকে আই কম। ১৯৬২ খৃষ্টাব্দে ঢাকা সলিমুল্লাহ কলেজ (ঢা:বি: অধীন) থেকে বি.এ. পাশ করেন। ১৯৬৫ খৃষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল এল বি পাশ করেন।
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করে পেশা জীবনে যোগ দেন। প্রথমেই তিনি আইন পেশাকে গ্রহণ করেন। ১৯৬৬ খৃষ্টাব্দে মার্চ থেকে ঢাকা জজ কোর্টে যোগদান করেন। সিলেট জেলা দায়রা জজ আদালত ও অন্যান্য আদালত মার্চ ১৯৬৬, ডিসেম্বর ১৯৬৭ খৃষ্টাব্দ। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট এন্ড ডেপুটি কালেক্টার (ল’ইয়ার ম্যাজিস্ট্রেট থেকে), চট্টগ্রাম (সদর উত্তর) ৩১-১২-১৯৬৯ থেকে ০২-১০-১৯৭৩ খৃষ্টাব্দে (প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, কলাবরেটার আইন ও অন্যান্য বিশেষ আইনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত)। এভাবে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে শেষ দিকে যুগ্ম-সচিব, সংস্থাপন মন্ত্রণালয়, ১০-১০-১৯৯৫ থেকে ২৬-০২-১৯৯৭ খৃষ্টাব্দ। ০৮-০২-১৯৯২ থেকে সিনিয়রিটি দান। অবসর গ্রহণ ২৭-০২-১৯৯৭ খৃষ্টাব্দ। এডমিনিস্ট্রেটিব ডাইরেক্টার, গ্রামীণ কোর্ট প্রজেক্ট, আইন মন্ত্রণালয়, ১১-০৬-১৯৯৭ থেকে ৩০-০৪-১৯৯৯ খৃষ্টাব্দ।
দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী স্কুল জীবনেই লেখালেখি শুরু করেন। ০৫-০৭-১৯৫৬ খৃষ্টাব্দে তার প্রথম লেখা-‘খাদ্য সমস্যা ও সমাধান’ সিলেটের সাপ্তাহিক আওয়াজ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তিনি সাপ্তাহিক যুগভেরী ও নওবেলাল পত্রিকার কোর্ট প্রতিনিধি ছিলেন। তিনি ষাটের দশকে আঞ্চলিক ও জাতীয় পত্রপত্রিকায় গণদাবি নিয়ে প্রচুর লেখালেখি করেন; তন্মধ্যে মনু নদীর ভাঙ্গনে বাঁধ নির্মাণ, শেরপুর-মিরপুর সড়ক প্রসঙ্গ, প্রবাসিদের সমস্যা উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও তাঁর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত কুরআনুল করিমের বঙ্গানুবাদ ও শবেবরাতের বেদাত দুরীকরণ প্রভৃতি বিষয়গুলো বিশেষ ভাবে পাঠক সমাদৃত হয়। বিশেষকরে কষ্টসাধ্য দীর্ঘ গবেণষণার ফসল ও সফলতা হিসাবে প্রকাশিত বইগুলি হল:-
১. কাশফুল আসরার (১৯৭৯) (গবেষণা), ২. সীরাতুন্নবী (সাঃ) ও আন্তর্জাতিক ইসলামিক সম্মেলন ১৯৮০ সংকলন গ্রস্থ (গবেষণা), ৩. হযরত শাহজালাল (রঃ) (১৯৮১) (গবেষণা), ৪. জালালাবাদের কথা। (গবেষণা), ৫. হযরত শাহজালাল (রঃ), ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ, ঢাকা গবেষণা, ৬. স্বাধীনতা সংগ্রামে সিলেট। (১৯৯৬) (গবেষণা), ৭. আমাদের সুফীয়ায়ে কিরাম (১৯৯৭) ২য় সংস্করণ, ২০০৪ (গবেষণা), ৮. আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিস্মৃত ইতিহাস-২য় খন্ড (গবেষণা), ৯. মাওলানা সৈয়দ নজির উদ্দিন আহমদ। জীবন ও কর্ম। (১৯৯৭) (গবেষণা), ১০. বিচারপতি সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন ঃ জীবন ও কর্ম (গবেষণা), ১১. হযরত শাহ দাউদ কুরায়শী ও তার বংশধরগণ (গবেষণা), ১২. হযরত শাহজালাল (র) : দলিল ও ভাষ্য, (গবেষণা), ১৩. শিকড়ের সন্ধানে : শিলালিপি ও সনদে আমাদের সমাজচিত্র (গবেষণা), ১৪. আমাদের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা : উত্তরাধিকার ও মুসলমানী নগরী (গবেষণা), ১৫. আল কুরআনে মুহাম্মদ (সা:) (গবেষণা), ১৬. হযরত শাহজালাল (র:) ও ৩৬০ আউলিয়া সিলেট-জালালাবাদ ঐতিহাসিক রূপরেখা (গবেষণা), ১৭. সিলেট বিভাগের ইতিহাস, বাংলা একাডেমী, ঢাকা (গবেষণা)।
হযরত শাহজালাল (রঃ) সম্পর্কিত দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। এই গ্রন্থের মূল্যায়ন করে পাবনার তৎকালীন সাবজজ জনাব মোঃ ওবায়দুল হক লিখেছেন, “আমি জনাব দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী লিখিত হযরত শাহজালাল (রঃ) বইখানি পড়ে অত্যন্ত মুগ্ধ হয়েছি। বিশেষ করে হযরত শাহজালালের (রঃ) এদেশে আগমন, ইসলাম প্রচার এবং তিরোধান সম্বন্ধে অত্যন্ত সাধনার সাথে বিভিন্ন গ্রন্থাদি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। বইটি রচনা করতে গিয়ে লেখক যে সমস্ত যুক্তি ও প্রমাণাদি সন্নিবেশিত করেছেন তা অখন্ডনীয় এবং অকাট্য।” (০৯/০৯/১৯৮১)।
বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিচালক (যুগ্ম সচিব) জনাব জিয়া উদ্দিন আহমেদ লিখেছেন, “মহান সাধক ইসলাম প্রচারকারী শাহ জালাল (রঃ) এর জীবন আলোচনা করতে গিয়ে লেখক অনেকটা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিকে আশ্রয় করেছেন। তার লেখার উল্লেখযোগ্য দিক হলো, তার লেখনীতে সমালোচনামূলক জীবনী লেখা প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। ... সমগ্র দৃষ্টিভঙ্গির পর্যালোচনা সাপেক্ষে বলা যায়, হযরত শাহজালাল (রঃ) জীবনের ধারাকে আমাদের সামনে তুলে ধরতে লেখকের প্রচেষ্টা সার্থক হয়েছে।”
এই পুস্তক সম্পর্কে বরিশাল নিবাসী বহু গ্রন্থ প্রণেতা মুঃ মুসলিম আলী আখন্দ সাহিত্যবিনোদ বলেন, “পুস্তকখানা লেখকের বহু পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের ফল। ... এই পুস্তক জীবনী পুস্তক হলেও ইহার চরিত্র ঐতিহাসিক। ইহা বিশ্ব ইতিহাসেরই অংশ বিশেষ। আউলিয়া দরবেশদের চরিত্র, ইসলামের অনুপম মহানুভবতা ও উদার্য্য এদেশের অত্যাচারিত, বঞ্চিত ও পথহারা মানুষদের আকর্ষণ করেছিল চুম্ভকের মত। তাই তারা দলে দলে ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেছিল। ... হযরত শাহ জালালের (রঃ) অন্যতম সঙ্গী শাহ তাজ উদ্দীন কুরায়শী (রঃ) ছিলেন গ্রস্থকারের পূর্বপুরুষ। সুযোগ্য বংশধরের পক্ষেই শিকড়ের সন্ধানে আত্মনিয়োগ করার প্রেরণা লাভ করা সম্ভব। এরূপ সৃজনশীলতার কাজ ব্যক্তি, সমাজ ও জাতির জন্য গৌরবের ও গর্বের।”
জনাব সৈয়দ মোস্তফা কামাল বলেন, “জনাব দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী দীর্ঘদিন কঠোর গবেষণা কর্মে নিয়োজিত থেকে হযরত শাহ জালালের জীবনীভিত্তিক রচিত এক শত একাত্তরটি রেফারেন্স গ্রন্থের আলোকে সুর্বহৎ গ্রস্থটি আমাদের উপহার দিয়ে দেশ ও জাতির দীর্ঘদিনের একটি দাবীই পূর্ণ করেছেন। গ্রন্থটি পাঠ করে মনে হয়েছে, লেখক যেন একজন বিজ্ঞ বিচারকের মঞ্চেও সমাসীন, এভাবেই গ্রন্থের প্রত্যেকটি অধ্যায় রচিত হয়েছে। সৈয়দ মোস্তফা কামাল হবিগঞ্জের মুসলিম মানস সহ বিভিন্ন গ্রন্থে হযরত শাহজালাল (রঃ) গ্রন্থের ইতিবাচক মূল্যায়ন করেছেন।
জনাব নজমুল হক চৌধুরী, এডভোকেট বলেন, “বইখানি শুধুমাত্র একটি জীবনী গ্রস্থ হিসেবে সমাদৃত হবার কথা নয় বরং একটি অনুসন্ধানী গ্রন্থ আকারে স্বমহিমায় মহীয়ান। ‘ডক্টরেট’ প্রাপ্তির থিসিস হিসেবে বইটির অবদান অতুলনীয়। আমি আশা করবো, এ বই জ্ঞানের প্রসারে, হযরত শাহ জালালকে জানার অভিলাষে স্বয়ং সম্পূর্ণ বিবেচিত হবে।”
মহাকাশ বিজ্ঞানী স্বাধীনতা পুরষ্কারে ভূষিত ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোছাব্বের চৌধুরী বলেন, “বইটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ইহা সম্পূর্ণ ঐতিহাসিক দৃষ্টিভংগি নিয়ে লেখা হয়েছে। হযরত শাহ জালাল (রঃ) এর এ আগমনের সঠিক তারিখ, তাঁর জন্ম, মৃত্যু এবং অন্যান্য সমসাময়িক ঘটনা নির্ণয় কল্পে লেখক ঐতিহাসিক দলিলপত্রের সাহায্য নিয়েছেন এবং তাঁকে এজন্য প্রচুর প্রমাণ পঞ্জী সংগ্রহ করতে হয়েছে। তাই এটি একটি গবেষণামূলক পুস্থক। ... তিনি শাহ জালাল (রঃ) এবং তাঁর অনুষঙ্গিগণ শুধু সিলেটেই ইসলাম প্রচার করেননি, তাঁদের কর্মকা- সমগ্র বাংলাদেশব্যাপী বিস্তৃত। ... বইটি বিশ্ব সমাজে আমাদের স্থান এবং আমাদের জাতীয়তাবাদ সম্ভন্ধে সম্যক উপলব্ধি করতে সহায়ক হবে।”
দেশের বরেণ্য আলিম আলহাজ্ব মাওলানা আমিনুল ইসলাম বলেন, হযরত শাহজালাল (রঃ) “গ্রন্থটি যেমন বিস্তারিত, তেমনি প্রামাণ্য। এ সম্পর্কে এমনি কোন বই রচিত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রাক্তন মহাপরিচালক সৈয়দ আশরাফ আলী বলেন যে-“হযরত শাহ জালাল (রঃ) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আউলিয়া। এতদাঞ্চলের ইসলামী আন্দোলনের তিনি পথিকৃৎ। মুকুটহীন রাজা। বর্তমান বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারে তাঁর জীবন ও কর্মকান্ড সম্বন্ধে বস্তুনিষ্ঠ, সত্যসন্ধ আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা সাধিত হয়েছে নিতান্তই স্বল্প। দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী প্রণীত ‘হযরত শাহজালাল (রঃ)’, শিরোনামীয় গ্রন্থটি এ বিষয়ে নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
জাতীয় অধ্যাপক দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ হযরত শাহজালাল (রঃ) গ্রন্থের মূল্যায়ন পূর্বক বলেনঃ দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর মতানুসারে “হযরত শাহজালালের প্রকৃত নাম শাহ জালাল এমনী (রঃ)। তিনি তাবরিজে বাস করেছিলেন (?) বলে তাকে তাবরিজী নামেও অভিহিত করা হয়। তিনি তার এসব বক্তব্যের পরিপোষকতায় নানাবিধ তথ্য ও দলিল পেশ করেছেন। এক্ষেত্রে কোন তথ্যগত ভুল ধরা পড়েনি। ভাষাশৈলী ও বিষয়ানুগ ভাষা সম্পূর্ণভাবে উন্নত মানের।”
এ ছাড়া আরো অনেক গুণীজন লিখিতভাবে তাঁর মূল্যায়ন করেছেন।
আমাদের প্রত্যাশা- আল্লাহপাক উনাকে সুস্থ রাখুন, হায়াত দরাজ করুন এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ৮০ বৎসরের জীবনের অর্জীত অভিজ্ঞতার চুম্বক কথা ও বাণীগুলী লিপিবদ্ধ করবেন। আল্লাহ তৌফিক দান করুন।-আমিন।

 

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • বিপ্লবী লীলা নাগ ও সিলেটের কয়েকজন সম্পাদিকা
  • গ্রামের নাম আনোয়ারপুর
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • বিবি রহিমার মাজার
  • তিন সন্তানের বিনিময়ে বঙ্গবন্ধুর স্বীকৃতি
  • হারিয়ে যাচ্ছে পুকুর ও দীঘি
  • শিক্ষা বিস্তারে গহরপুরের ছমিরুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • বিলুপ্তির পথে সার্কাস
  • জাতীয় স্মৃতিসৌধ
  • বাংলাদেশের লোকশিল্প
  • উৎলারপাড়ের পোড়া পাহাড় আর বুদ বুদ কূপ
  • চেলা নদী ও খাসিয়ামারা মোহনা
  • সিলেটে মুসলমান সম্পাদিত প্রথম সাহিত্য সাময়িকী
  • মুহররমের দাঙ্গাঁ নয় ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা যুদ্ধ
  • দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিচিতি
  • সিলেটের প্রথম মুসলমান সম্পাদক
  • কালের সাক্ষী পানাইল জমিদার বাড়ি
  • জনশক্তি : সিলেটের একটি দীর্ঘজীবী পত্রিকা
  • ঋতুপরিক্রমায় শরৎ
  • Developed by: Sparkle IT