মহিলা সমাজ

অগ্নিকন্যা প্রীতিলতা

সৈয়দা মানছুরা হাছান (মিরা) প্রকাশিত হয়েছে: ১৫-০৫-২০১৮ ইং ০১:৫৭:২৬ | সংবাদটি ১০২ বার পঠিত

‘কুকুর এবং ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ’ -হ্যাঁ, এই লাইনটিই লেখা ছিল একটি সাইনবোর্ডে। সেটা ছিলো চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাবের সাইনবোর্ড। তখন এতোটাই অবহেলা আর তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের মধ্যে ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ। সেই ইউরোপিয়ান ক্লাবটি দখল করতেই শহিদ হন আমাদের ভগ্নি প্রীতিলতা। ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম বিপ্লবী মহিলা শহিদ প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। চট্টগ্রামের একপ্রান্তে, শহরতলীর মতো এক পাড়ায় ১৯১১ সালের ৫ মে মধ্যবিত্ত এক হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। বাবা জগবন্ধু ওয়াদ্দেদার, মা প্রতিভা দেবী। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন প্রীতিলতা।
শহরের ডা. খাস্তগীর ইংরেজি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি করানো হয়ে প্রীতিকে। তৃতীয় শ্রেণিতে উঠবার পর থেকে প্রীতির মেধা শক্তির উচ্চতা প্রকাশ পায়। প্রতিটি শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার সময়ে প্রথম তিনটি স্থানের ফলাফলে থেকে পড়াশোনায় এগিয়ে যেতে থাকেন প্রীতি।
বাড়ির সামনের রাস্তা ধরে এগিয়ে আসা এলাকার ছেলে-বুড়ো, সকলের সঙ্গে অসীম কৌতূহলের কথা বলা; ছোট বেলাতেই ইংরেজ পুলিশের অত্যাচারী চেহারা সম্পর্কে ধারণা জন্মে তাঁর। লোকজনের ক্রোধ দেখে দেখে প্রীতিও ক্রোধান্বিত হয়ে মনে মনে ঠিক করেন- বড় হলে তিনি ইংরেজদের ওপর প্রতিশোধ নিবেন। ১৯২৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাটালি পাহাড়, চট্টগ্রামে অনন্ত সিংহের নেতৃত্বে নির্মল সেন, রাজেন্দ্র লাহিড়ী, উপেন, অবনী ভট্টাচার্য এবং খোকা মনোরঞ্জন দাশগুপ্ত আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের ১৭ হাজার টাকা লুট করে। এ ঘটনা প্রীতির বাল্যমনে প্রথম ভারী দাগ কাটে, যা পরবর্তী সময়ে আরো গতিশীল হয়ে ওঠে।
১৯২৪ সালে ৮ম শ্রেণিতে পড়ার সময় প্রীতির সঙ্গে তাঁর স্কুলের উষা নামের এক শিক্ষিকার খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উষাদির কাছ থেকে শোনা কথা, আলাপ-আড্ডা ক্লাসের ইতিহাস পাঠ থেকেই প্রীতির দেশ প্রেমের তীব্র বোধের উপলব্ধি ঘটে। প্রীতি বুঝে ফেলেন পরাধীনতার কষ্ট। উষা ম্যাডামের দেয়া ‘স্বদেশ স্বাধীনতা’ (ঝাঁসীর রাণী লক্ষ্মীবাঈয়ের জীবনী গ্রন্থ) পড়ে বিপ্লবী চেতনার সূত্রপাত। পরবর্তী সময়ে ঘটনাচক্রে মাসতুতো দাদার হাত দিয়ে প্রীতি পড়ে ফেলেন আরো চারটি বিপ্লবী চেতনার বই। উল্লেখ্য যে, ১৭৫৭ তে রাজশাহীর রাণী ভবানী আর তার একশত বছর পরে রাণী লক্ষ্মীবাঈ। এরা দু’জনেই ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন, কেননা তাদের সংগ্রামও ছিল ইংরেজ ও তাদের দোসরদের হাত থেকে বাংলার স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য।
১৯২৮ সালে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন প্রীতি। ঢাকার ইডেন কলেজে আইএসসিতে ভর্তি হন এবং হোস্টেলের সিটে ওঠেন। এর মধ্যে পেলেন লীলা নাগের সহযোগিতা। যোগ দিলেন তাঁর দিপালী সংঘে। পরবর্তীতে প্রীতির দাদা পূর্নেন্দু দস্তিদারের মাধ্যমে মাস্টার দা সূর্যসেন প্রীতিকে ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মি, চট্টগ্রাম শাখার সদস্য করে নেন।
১৯৩০ সালে ঢাকা ইডেন কলেজ থেকে প্রীতি আই এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এই পরীক্ষায় তিনি মেয়েদের মধ্যে প্রথম এবং ঢাকা বোর্ডের সকল পরীক্ষার্থীদের মধ্যে হলেন পঞ্চম। ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে সংঘটিত ‘চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখল টেলিগ্রাফ ও টেলিগ্রাম অফিস ধ্বংস-রিজার্ভ পুলিশ লাইন অধিকার’ হলে সারা বাংলা তথা গোটা ভারতবর্ষে অত্যাচারিত, শোষিত, মুক্তির আকাক্সক্ষালালিত জনগণ উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। ১৯ এপ্রিল ‘দৈনিক নায়ক’ পত্রিকায় সন্ধ্যাকালীন বিশেষ সংস্করণে প্রকাশিত বিপ্লবের খবরে ইডেন কলেজের হোস্টেলে থাকা প্রীতি ও সহপাঠী ছাত্রীরা আনন্দ ভয়ে অবিভূত বিস্মিত হয়ে পড়ে। প্রীতিকে বিপ্লবের প্রতি আরও উৎসাহী করে তোলে।
১৯৩০ সালের ৭ জুলাই প্রীতি ভর্তি হলেন কলকাতার বেথুন কলেজে দর্শনে অনার্সে। উঠলেন কলেজের হোস্টেলে এবং আবিষ্কার করেন তারই মতো বিপ্লবীকাক্সক্ষা ধারিত কয়েকজনকে, যারা বৈপ্লবিক কর্মকান্ডে জড়িত। দেখা পেলেন তাঁর খাস্তগীর স্কুলের সহপাঠী কল্পনা দত্তের। কল্পনা নিজেও বিপ্লবী কর্মে জড়িত বলে জানালেন।
দেখতে দেখতে দুর্গাপূজা এসে যায়। কলেজ ছুটি হয়ে যাবে দু’এক দিনের মধ্যে, এমন সময় তাদের দেওয়া হলো এক রোমাঞ্চকর, সাহসী দায়িত্ব। কলকাতার এক গোপন কারখানায় তৈরি হতো বোমার খোল। এ রকম কিছু খোল নিয়ে যেতে হবে চট্টগ্রামে। তারা সে দায়িত্ব পালন করেন। চড়ে বসেন ট্রেনে। ট্রেন ছুটে চলে-পথের দু’পাশের ক্ষেত-বাড়ি, গাছপালা সবকিছু যেন দৌড়ে চলে যাচ্ছে বিপরীত দিকে। কয়েক দিন পরেই পূজো...। শরৎ মহাশয় হেসে যাচ্ছে আকাশের সাদা মেঘে, নদীর ধারের কাশফুল...। প্রীতি ট্রেনের জানালা দিয়ে এসবই উপভোগ করেন। পাশে গল্পরত, হাস্যরত চারজন কল্পনা দত্ত, সরোজিনী, নলিনী পাল ও কুমুদিনী রক্ষিত। প্রত্যেকের সুটকেস, ট্রাংকে রয়েছে চারটি করে বোমার খোল। চোখে-মুখে নির্বিকার ঢঙ-যেন বাড়ি ফিরাবার আনন্দে উচ্ছল পাঁচটি মেয়ে শুধুই মেয়েলি কথা-বার্তায় মশগুল। উল্লেখ্য যে, বোমার এই খোলগুলো বিভিন্ন অপারেশনে ব্যবহার করা হবে। মেয়েদের কাছ থেকে এই খোলগুলো নিয়ে যায় অমৃতসূদন ওয়াদ্দেদার, পূর্নেন্দু দস্তিদার ও নারায়ন সিংহ।
এভাবেই প্রীতি বিপ্লবী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজে তিনি আস্থা লাভ করেন। দায়িত্ব দেয়া হয় দলের জন্য অর্থ সংগ্রহের, কলেজ এবং দলের মেয়েদের সু-সংঘটিত করবার কাজে। তাঁর জীবনে এ এক সূবর্ণ সময়। অনাবিল মুগ্ধতাবোধে, শান্তি অনুভবে কেটে যাচ্ছে যেন জীবন। নিষ্ঠা, আনুগত্য আর বিশ্বাস এর অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে ওঠে দেশাত্মবোধ এ জীবন শুধুই উৎসর্গের-দেশের জন্য মানুষের জন্য। দেশমাতৃকার জন্য প্রেম! হৃদয়কে আবেগাপ্লুত করে তোলে প্রীতির। মন উদাস হলে হাতে তুলে নেন বাঁশি। ভালো বাঁশিও বাজাতেন। তাঁর বাঁশির সুরে ধ্বনিত হতো যেন- সশস্ত্র বিপ্লব- ধর হাতে হাত- আনবো স্বাধীনতা- আমি মুক্তির সৈনিক।
১৯৩২ সালে প্রীতি (অনার্স পরীক্ষার বদলে দেওয়া বিএ পরীক্ষায়) ডিসটিংশনসহ বিএ পাশ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এর পরপরই প্রীতি চট্টগ্রামের নন্দনকানন স্কুলে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে যোগদেন। প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কাজের মধ্যে থাকলেও প্রীতি হয়ে ওঠেন বিপ্লবী প্রাণ। সব সময় মগ্ন থাকেন, অপেক্ষারত থাকেন, কখন বিপ্লবী অপারেশনে যোগ দিবেন।
১৯৩২ সালের ১২ জুন সন্ধ্যায় ধলঘাটের সাবিত্রী দেবীর বাড়িতে তরুণ বিপ্লবী ভোলার উপস্থিতিতে মাস্টার দা সূর্যসেন, নির্মল সেনের সঙ্গে প্রীতির সাক্ষাৎ ঘটে (আন্তরিক) এবং সাবিত্রী দেবীর বাড়ির পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনের বিশ্বাসঘাতকতায় পুলিশের মুখোমুখি হলে নির্মল সেনের গুলিতে ক্যাপ্টেন ক্যামারন গুলিবিদ্ধ হয়, গুলি লাগে নির্মল সেনের বুকেও। প্রীতিলতা, অপূর্ব সেনকে নিয়ে মাস্টারদা নিরাপদে বের হয়ে গেলেও বাইরে ওৎ পেতে থাকা ব্রিটিশ সৈন্যের গুলিতে অপূর্ব সেন মারা যান।
ধলঘাট থেকে মনিলাল দত্তের আশ্রয় হয়ে প্রীতি বাড়ি ফিরে এসে স্বাভাবিক কর্মে (স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে, স্বাভাবিক জীবনযাপন) লিপ্ত হয়ে পড়লেও হঠাৎ করে মনে পড়ে-ধলঘাটে নিয়ে যাওয়া তাঁর রিপোর্ট নথি (যাতে ফাঁসির আসামি রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের সঙ্গে দেখা করার ও কথাবার্তার বিবরণ লেখা ছিল) ধলঘাটেই ফেলে এসেছেন! বাধ্য হয়েই আত্মগোপনে যেতে হলো তাঁকে। পুলিশ সে রিপোর্ট নথি হাতে পায়। আর চট্টগ্রামের সংবাদপত্রে ছাপা হলো- ‘প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার গত ৫ জুলাই, মঙ্গলবার, চট্টগ্রাম শহর হইতে অন্তর্ধান করিয়াছেন। তাঁহার বয়স ১৯ বছর। পুলিশ তাঁহার সন্ধানের জন্য ব্যস্ত।’ প্রায় কুড়ি দিন চট্টগ্রাম শহরেই তিনি ছিলেন। পুলিশ তাকে ধরতে পারেনি। প্রীতিকে ধরিয়ে দেবার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হলো। আড়াইশ টাকা থেকে বাড়িয়ে দেওয়া হলো টাকার পরিমাণও। কিন্তু পুুলিশ সফল হলো না তাতে।
১৯৩২ সালের ১০ আগস্ট তরুণ কর্মী শৈলেশ্বর চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পাঁচজনের একটি দল ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নেয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এ প্ল্যান সফল না হলে শৈলেশ্বর রিভলবারের গুলিতে আত্মহত্যা করেন। এর আগে বিপ্লবী নরেশ রায়ও গুড ফ্রাইডে উপলক্ষে ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আক্রমণে গিয়েও ফিরে আসতে বাধ্য হন। পরবর্তী সময়ে প্রীতিলতা সফল হন।
১৯৩২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মাস্টারদা সূর্য সেনের নির্দেশে প্রীতিলতার নেতৃত্বে ৭ জন বিপ্লবী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে যায়। এই দলে প্রীতি ছাড়া আরো যারা ছিলেন তারা হলেন-বীরেশ্বর রায়, প্রফুল্ল দাস, কালী কিংকর দে, শান্তি চক্রবর্তী, সুশীল দে ও মহেন্দ্র চৌধুরী। আক্রমণের ভয়াবহতায় প্রচুর সংখ্যক ইংরেজ নর-নারী হতাহত হলেও এ পক্ষে শুধু প্রীতিলতা মারা যান। অজ্ঞাত পুলিশের গুলি এসে লাগে প্রীতির প্রস্থানের সময়। প্রীতি আর ফেরেন না, বাংলার প্রেমে নিজেকে উৎসর্গ করলেন।
উল্লেখ্য, প্রীতিলতার মৃত্যু আকষ্মিক নাকি আত্মহত্যা এই বিষয়টি নিয়েও তর্ক-বিতর্কের অবতারণায় একটা বিষয় মোটা দাগে পরিষ্কার হয়ে থাকছে সেটা হলো-প্রীতির জীবন উৎসর্গ যেভাবেই হোক, সেটা স্বাধীন দেশের জন্যই উৎসর্গিত।
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর হলো বঙ্গভঙ্গ। চট্টগ্রাম, ঢাকা ও রাজশাহী ডিভিশন, পার্বত্য ত্রিপুরা, মালদা ও আসাম নিয়ে হলো নতুন দু’টি প্রদেশ ‘পূর্ববঙ্গ’ ও ‘আসাম’। কিন্তু বাংলার জনগণ ব্যাপকভাবে গণআন্দোলনে বিস্ফোরণ উন্মুখ হয়ে পড়ল। শুরু হলো স্বদেশী আন্দোলন- আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হলো- ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল/ বাংলার বায়ু, বাংলার ফল/ পূর্ণ হউক, পুণ্য হউক/ পুণ্য হউক হে ভগবান।’ কাব্য সংগীত উপন্যাস সব ক্ষেত্রেই উঠে এলো স্বদেশের অখন্ডতা। বিদেশী বর্জন শুরু হলো। ‘স্বদেশী’ মানে দাঁড়াল দেশীয় শিল্প বিকাশ, দেশজ পণ্য ব্যবহার, ইংরেজ বিতাড়ন, সর্বোপরি ভারতবর্ষ তথা বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম। প্রফুল্ল চাকী, ক্ষুদিরাম বসুর পথ ধরে প্রীতিও স্বদেশী আন্দোলনের বিপ্লবীদের কাতারে চলে এলেন তাঁর বিপ্লবী কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে। ২১ বছর ৪ মাস ১৯ দিনের জীবনকালের পরিসমাপ্তি ঘটে প্রীতিলতার বিপ্লবী চেতনার বহিঃপ্রকাশের মাধ্যমে দেশের তরে আত্মাহুতি দিয়ে। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার! একটি বিপ্লবী নাম। প্রীতিলতার সংগ্রামমুখর জীবনগল্প নতুন, সুখী-সুন্দর সাম্যবাদী জীবন প্রতিষ্ঠার ধারায় এক আশ্চর্য উজ্জীবনী গল্প হিসেবে বিবেচিত হবে। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বন্ধনে নারীর অংশগ্রহণ প্রশ্নে প্রীতিলতার শৌর্য, সাহস তার চারিত্রিক আদর্শের দৃঢ়দৃপ্ততা আমাদের এই বাংলার, এই বাংলাদেশের নারী সমাজের চিন্তা-চেতনা পথ উদ্দেশ্যের সম্মুখে এক আশাময় সঞ্জীবনী হয়ে রইল চিরকালের ঝঞ্ঝামুখর পথে। জয় হোক এমন আত্মদানের, জয় হোক এমন বিপ্লবের।

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT