প্রথম পাতা

রাজীবের মৃত্যু : দুই বাস চালকের জামিন নাকচ

প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০৫-২০১৮ ইং ০৩:৪০:৩৪ | সংবাদটি ৪৩ বার পঠিত

 

ডাক ডেস্ক : কারওয়ান বাজারে দুই বাসের রেষারেষিতে কলেজছাত্র রাজীব হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় আটক দুই বাস চালকের জামিন আবেদন নাকচ করেছে আদালত।

স্বজন বাসের চালক মো. খোরশেদ ও বিআরটিসির চালক মো. ওয়াহেদ আলীর জামিন আবেদন শুনে ঢাকার মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম গতকাল রোববার এই আদেশ দেন।

খোরশেদের পক্ষে আইনজীবী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী এবং ওয়াহেদের পক্ষে মোহাম্মদ ইউনুস জামিন শুনানি করেন।

এর আগে গত এপ্রিলেও একবার এ মামলায় দুই চালকের জামিন নাকচ করেছিল হাকিম আদালত। এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ১০ জুন দিন রাখা হয়েছে।

গত ৩ এপ্রিল কারওয়ান বাজারে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের রেষারেষিতে বিআরটিসির যাত্রী রাজীবের ডান কনুইয়ের ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার মাথার সামনে-পেছনের হাড় ভেঙে যাওয়া ছাড়াও মস্তিষ্কের সামনের দিকে আঘাত লাগে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৭ এপ্রিল রাতে সরকারি তিতুমীর কলেজের এই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।

ওই ঘটনায় বেপোরোয়া গাড়ি চালানো এবং গুরুতর আহত করার অভিযোগে দ-বিধির ২৭৯/ ৩৩৮ (ক) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় বিআরটিসি বাসের চালক ওয়াহিদ ও স্বজন বাসের চালক খোরশেদকে আসামি করা হয়।

রাজীবের মৃত্যুর পর মামলাটিতে দ-বিধির ৩০৪ (খ) ধারাও যুক্ত করা হয় বলে আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মাহমুদুর রহমান জানান।

এর মধ্যে ২৭৯ ধারার সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদ-, পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদ- বা উভয় দ- দেওয়া যায়। আর ৩৩৮(ক) ধারার দুই বছরের কারাদ-, অর্থদ- বা উভয় দ- হতে পারে। ৩০৪ (খ) ধারায় সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদ-, অর্থদ- অথবা উভয়দ-ের বিধান রয়েছে।

এ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতপাড়ার কয়েকজন আইনজীবী বলেছেন, তদন্ত কর্মকর্তার উচিৎ ছিল দ-বিধির ৩০৪ ধারা বা ৩০৪ (ক) ধারা যুক্ত করা। তা না করে তিনি লঘু শাস্তির ৩০৪ (খ) ধারা যুক্ত করেছেন।

এর মধ্যে ৩০৪ ধারায় দশ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদ- এবং ৩০৪(ক) সর্বোচ্চ ৫ বছরের সাজার বিধান রয়েছে।

হত্যার উদ্দেশ্য না থাকলেও দৈহিক জখম করার উদ্দেশ্য নিয়ে করা আঘাতে কারও মৃত্যুর ক্ষেত্রে ৩০৪ ধারা এবং বেপোরায় বা অবহেলাজনিত কারণে কারও মৃত্যু ঘটলে তা ৩০৪(ক) ধারার অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয় ফৌজদারি দ-বিধিতে। 

ঢাকা আইনজীবী সমিতির জ্যেষ্ঠ আইনজীবী দুলাল মিত্র রানা প্লাজা হত্যা মামলার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, সেখানে প্রথমে অবহেলায় মৃত্যর ধারায় এজাহার হলেও পরে তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। একই বিবেচনা রাজীবের মামলার ক্ষেত্রেও খাটে।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের চাপে পড়ে তদন্ত কর্মকর্তা তুলনামূলক লঘু শাস্তির ধারায় এজাহার করেছেন কি না- সেই প্রশ্ন তোলেন এই আইনজীবী।

অন্যদিকে স্বজন বাসের চালকের আইনজীবী এ জেড এম হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “৩০৪(ক) ধারায় বলা হয়েছ- খুন নয় এমন অপরাধজনক প্রাণহানির কথা , অবহেলার কারণে মৃত্যুর কথা। বেপোরোয়া গাড়ি চলানোর বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগের ধারাতেই মামলা হয়েছে, কোনো অনিয়ম হয়নি।”

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • সিলেটে মাজার জিয়ারতে স্পিকার
  • নয়াপল্টনে হেলমেট পরা লোকজন ছাত্রলীগের: ফখরুল
  • দলের সিদ্ধান্ত না মানলে আজীবন বহিষ্কার
  • কুয়াশার আঁচল উড়িয়ে, নতুন ধানের ঘ্রানে হবে নবান্ন
  • সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ডা. মোর্শেদ
  • মেজরটিলায় গ্রেফতার এড়াতে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আসামীর মৃত্যু
  • প্রফেসর এরহাসুজ্জামানের জানাজা আজ
  • সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সিইসির নির্দেশ
  • ডিসেম্বরের পর সংসদ নির্বাচন অসম্ভব: এইচ টি ইমাম
  • বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে দেখে ভারত আনন্দিত ---------শ্রিংলা
  • ৩ সপ্তাহ ভোট পেছানোর দাবি ঐক্যফ্রন্টের
  • ভিডিও দেখে হামলাকারীদের ধরা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে পুলিশের উপর হামলা: ওবায়দুল কাদের
  • নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ
  • সিলেট বিভাগে এবার পরীক্ষার্থী ২ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ জন
  • তরুণদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ‘লেটস টক’ স্থগিত
  • জাপার নির্বাচন মহাজোট থেকে
  • এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না অর্থমন্ত্রী
  • ভোট পেছানোর দাবি নিয়ে ইসিতে যাবে ঐক্যফ্রন্ট
  • সিলেটে প্রথম শ্রেষ্ঠ প্রতিবন্ধী কণ্ঠশিল্পী প্রতিযোগিতার বাছাইয়ে ইয়েস কার্ড পেয়েছে ১৮ জন
  • Developed by: Sparkle IT