প্রথম পাতা

রাজীবের মৃত্যু : দুই বাস চালকের জামিন নাকচ

প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০৫-২০১৮ ইং ০৩:৪০:৩৪ | সংবাদটি ১৭ বার পঠিত

 

ডাক ডেস্ক : কারওয়ান বাজারে দুই বাসের রেষারেষিতে কলেজছাত্র রাজীব হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় আটক দুই বাস চালকের জামিন আবেদন নাকচ করেছে আদালত।

স্বজন বাসের চালক মো. খোরশেদ ও বিআরটিসির চালক মো. ওয়াহেদ আলীর জামিন আবেদন শুনে ঢাকার মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম গতকাল রোববার এই আদেশ দেন।

খোরশেদের পক্ষে আইনজীবী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী এবং ওয়াহেদের পক্ষে মোহাম্মদ ইউনুস জামিন শুনানি করেন।

এর আগে গত এপ্রিলেও একবার এ মামলায় দুই চালকের জামিন নাকচ করেছিল হাকিম আদালত। এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ১০ জুন দিন রাখা হয়েছে।

গত ৩ এপ্রিল কারওয়ান বাজারে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের রেষারেষিতে বিআরটিসির যাত্রী রাজীবের ডান কনুইয়ের ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার মাথার সামনে-পেছনের হাড় ভেঙে যাওয়া ছাড়াও মস্তিষ্কের সামনের দিকে আঘাত লাগে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৭ এপ্রিল রাতে সরকারি তিতুমীর কলেজের এই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।

ওই ঘটনায় বেপোরোয়া গাড়ি চালানো এবং গুরুতর আহত করার অভিযোগে দ-বিধির ২৭৯/ ৩৩৮ (ক) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় বিআরটিসি বাসের চালক ওয়াহিদ ও স্বজন বাসের চালক খোরশেদকে আসামি করা হয়।

রাজীবের মৃত্যুর পর মামলাটিতে দ-বিধির ৩০৪ (খ) ধারাও যুক্ত করা হয় বলে আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মাহমুদুর রহমান জানান।

এর মধ্যে ২৭৯ ধারার সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদ-, পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদ- বা উভয় দ- দেওয়া যায়। আর ৩৩৮(ক) ধারার দুই বছরের কারাদ-, অর্থদ- বা উভয় দ- হতে পারে। ৩০৪ (খ) ধারায় সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদ-, অর্থদ- অথবা উভয়দ-ের বিধান রয়েছে।

এ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতপাড়ার কয়েকজন আইনজীবী বলেছেন, তদন্ত কর্মকর্তার উচিৎ ছিল দ-বিধির ৩০৪ ধারা বা ৩০৪ (ক) ধারা যুক্ত করা। তা না করে তিনি লঘু শাস্তির ৩০৪ (খ) ধারা যুক্ত করেছেন।

এর মধ্যে ৩০৪ ধারায় দশ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদ- এবং ৩০৪(ক) সর্বোচ্চ ৫ বছরের সাজার বিধান রয়েছে।

হত্যার উদ্দেশ্য না থাকলেও দৈহিক জখম করার উদ্দেশ্য নিয়ে করা আঘাতে কারও মৃত্যুর ক্ষেত্রে ৩০৪ ধারা এবং বেপোরায় বা অবহেলাজনিত কারণে কারও মৃত্যু ঘটলে তা ৩০৪(ক) ধারার অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয় ফৌজদারি দ-বিধিতে। 

ঢাকা আইনজীবী সমিতির জ্যেষ্ঠ আইনজীবী দুলাল মিত্র রানা প্লাজা হত্যা মামলার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, সেখানে প্রথমে অবহেলায় মৃত্যর ধারায় এজাহার হলেও পরে তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। একই বিবেচনা রাজীবের মামলার ক্ষেত্রেও খাটে।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের চাপে পড়ে তদন্ত কর্মকর্তা তুলনামূলক লঘু শাস্তির ধারায় এজাহার করেছেন কি না- সেই প্রশ্ন তোলেন এই আইনজীবী।

অন্যদিকে স্বজন বাসের চালকের আইনজীবী এ জেড এম হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “৩০৪(ক) ধারায় বলা হয়েছ- খুন নয় এমন অপরাধজনক প্রাণহানির কথা , অবহেলার কারণে মৃত্যুর কথা। বেপোরোয়া গাড়ি চলানোর বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগের ধারাতেই মামলা হয়েছে, কোনো অনিয়ম হয়নি।”

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • গাজীপুরে খুলনার মতো হলে পরিণতি ভয়াবহ: মওদুদ
  • অক্টোবরের শেষদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল : ইসি সচিব
  • নবনির্মিত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
  • মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ব্যাপারে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • ম্যাচ প্রিভিউ পানামাকে হারোনো কঠিন হবে না ইংল্যান্ডের
  • সিসিক নির্বাচন-গতবারের চেয়ে এবার ভোটার বেড়েছে ৩০ হাজার ৬৮৬ জন
  • নৌকার মালিক শেখ হাসিনা
  • কাজিরবাজারে ছাত্রদলের মিছিলে পুলিশের ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল
  • দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো
  • তিউনিশিয়াকে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম
  • আওয়ামী লীগের নিজস্ব ভবন উদ্বোধন আজ
  • সত্তর বছরে পদার্পণ করলো আওয়ামী লীগ
  • খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে টানাহেঁচড়ার সমালোচনায় এরশাদ
  • গাজীপুরে ‘নীরব ডাকাতি’ ঠেকাতে বিএনপি প্রস্তুত: মোশাররফ
  • নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপিকে রাখার সুযোগ নেই : ওবায়দুল কাদের
  • বালাগঞ্জে ইমামের বেতন নিয়ে সংঘর্ষে ২০জন আহত
  • হুমায়ুন রশীদ চত্ত্বর থেকে ৪৭৪ পিস ইয়াবাসহ ১ জন গ্রেফতার
  • ম্যাচ জিততে ঘাম ঝরালো ব্রাজিল!
  • তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ
  • শিবগঞ্জে তাসিন হত্যা মামলার আরো ৩ আসামী গ্রেফতার
  • Developed by: Sparkle IT