উপ সম্পাদকীয়

উচ্চ মূল্যস্ফীতির শঙ্কায় দেশের অর্থনীতি

এম এ খালেক প্রকাশিত হয়েছে: ২৩-০৫-২০১৮ ইং ০০:৩৯:২২ | সংবাদটি ২২ বার পঠিত

পারিপার্শ্বিক অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, দেশের অর্থনীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতির আবর্তে নিক্ষিপ্ত হতে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও ইতিমধ্যেই তা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জানান দিচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি অচিরেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির কশাঘাতে জর্জরিত হতে পারে। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি, বিশেষ করে কয়েকটি নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি উচ্চ মূল্যস্ফীতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাংলাদেশ এককভাবে চেষ্টা করলেও সম্ভাব্য এই মূল্যস্ফীতির প্রভাবমুক্ত থাকতে পারবে না। কারণ, ইতিমধ্যেই বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির লক্ষণ দেখা দিয়েছে।
ইউরোপ-আমেরিকা, এমনকি নিকট প্রতিবেশী দেশ ভারত ও চীনের অর্থনীতিতেও উচ্চ মূল্যস্ফীতি সৃষ্টি হয়েছে। যেহেতু বাংলাদেশের অর্থনীতি, বিশেষ করে আমদানি বাণিজ্য এসব দেশ ও অঞ্চলের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল, তাই শঙ্কার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
চলতি অর্থবছরের জন্য মূল্যস্ফীতির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা প্রাক্কলন করা হয়েছিল ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। কিন্তু ইতিমধ্যেই এই লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে গেছে। আগামীতে এটা যে আরও বাড়বে, তা নিশ্চিত করেই বলা যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় রেখে সম্প্রতি মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। এখন বলা হচ্ছে, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৮ শতাংশে উন্নীত হতে পারে। অনেকেই মনে করছেন, শেষ পর্যন্ত এই লক্ষ্যমাত্রাও অতিক্রান্ত হবে।
উল্লেখ্য, মূল্যস্ফীতি সব সময় খারাপ কিছু নয়। মূল্যস্ফীতি হচ্ছে অনেকটা মানবদেহের ‘ব্লাড প্রেসারের’ মতো। ব্লাড প্রেসার যেমন অস্বাভাবিকভাবে কমে গেলে একজন মানুষের জন্য তা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। আবার মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেলেও মানুষের জন্য চরম বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই ব্লাড প্রেসারকে সব সময়ই সহনীয় পর্যায়ে নিয়ন্ত্রিত রাখতে হয়। ঠিক একই কথা বলা যায় মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে। একটি দেশের অর্থনীতির জন্য অতিমাত্রায় নি¤œ মূল্যস্ফীতি বা নেতিবাচক মূল্যস্ফীতি উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। কারণ কোনো কারণে মূল্যস্ফীতি অস্বাভাবিকভাবে কমে গেলে স্থানীয় উৎপাদক শ্রেণী নিদারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্যপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে পরবর্তী বছরে উৎপাদন কাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি যদি উচ্চমাত্রায় উন্নীত হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের জন্য তা বিপদ ডেকে আনতে পারে। কারণ একটি দেশের সব মানুষের একই রকম ক্রয়ক্ষমতা এবং আর্থিক সামর্থ্য থাকে না। ফলে মূল্যস্ফীতি উচ্চমাত্রায় উন্নীত হলে সাধারণ মানুষ, যাদের ক্রয়ক্ষমতা এবং আর্থিক সামর্থ্য কম তারা মারাত্মক সমস্যায় পতিত হন। যারা বিত্তবান এবং আর্থিকভাবে তুলনামূলক সামর্থ্যবান তারা চেষ্টা করলে আয় বাড়াতে পারেন। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে এটা সম্ভব হয় না। তাই উচ্চ মূল্যস্ফীতির অভিঘাত সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ফেলে দরিদ্র এবং বিত্তহীনদের। এমনকি একই পণ্যের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি সবার মধ্যে সমভাবে প্রভাব বিস্তার নাও করতে পারে। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে এর প্রভাব বিভিন্ন রকম হতে পারে।
সাধারণভাবে চালের মূল্যবৃদ্ধি পেলে সব শ্রেণী-পেশার মানুষ এর দ্বারা প্রভাবিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। কিন্তু সব ক্যাটাগরির চালের মূল্যবৃদ্ধি সবার জন্য একই রকম প্রভাব বিস্তার করবে না। যেমন, মোটা চালের মূল্য কোনো কারণে অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেলে দরিদ্র মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হবে। কারণ, তাদের প্রতিদিনই মোটা চাল খেতে হয়। কিন্তু পোলাওয়ের চালের মূল্যবৃদ্ধি হলে বিত্তবান মানুষ যতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বিত্তহীন মানুষ ততটা প্রভাবিত হবে না। কারণ, দরিদ্র মানুষ কালে-ভদ্রে পোলাও খেয়ে থাকেন। এমন মানুষও আছেন যারা বছরে একবারও পোলাও খান না। পোলাওয়ের চালের মূল্যবৃদ্ধি তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করবে না।
আমাদের দেশে সাধারণত মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করা ফুড আইটেম এবং নন ফুড আইটেম হিসেবে। কিন্তু এভাবে অতিমাত্রায় সরলীকরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। কারণ সব ফুড আইটেমের মূল্যবৃদ্ধি একইভাবে সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে প্রভাবিত করে না। বাজারে ঘি’-এর মূল্যবৃদ্ধি পেলে কেউ কেউ, বিশেষ করে যারা বিত্তবান তারা প্রভাবিত হতে পারেন। কিন্তু যারা বিত্তহীন তারা এর মাধ্যমে কোনোভাবেই প্রভাবিত হবেন না। কিন্তু বেগুনের মূল্যবৃদ্ধি পেলে সব শ্রেণীর মানুষই তার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
এছাড়া মূল্যস্ফীতির দ্বারা উৎপাদক এবং ভোক্তা উভয় শ্রেণী সমভাবে প্রভাবিত হবেন, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। বরং প্রান্তিক পর্যায়ের উৎপাদন শ্রেণী উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে খুশিই হবেন। কারণ, তারা উৎপাদিত পণ্যের ভালো দাম পাবেন। বরং মূল্যস্ফীতি কম থাকলে উৎপাদক শ্রেণী কিছুটা বিরক্তই হবেন। কারণ, তারা পণ্যের সঠিক মূল্য পাবেন না। কিছু কিছু পণ্য ও সেবা আছে যা পরিহার করেও চলা যেতে পারে। সে সব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পেলে তেমন একটা সমস্যা হয় না।
একজন মন্ত্রী কয়েকদিন আগে বলেছেন, বাজারে দু’একটি পণ্য ব্যতীত সব পণ্যের মূল্যই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। কারণ যারা প্রতিদিন বাজারে গমন করেন, তারাই বলতে পারেন কীভাবে প্রতিটি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণ মানুষ, যারা চাইলেই তাদের আয় বৃদ্ধি করতে পারেন না অথবা দুর্নীতির মাধ্যমে তাদের চাহিদা পূরণের মতো অর্থের সংকুলান করতে পারেন না, তারা খুব কষ্টের মধ্যে আছেন। ক’জন দরিদ্র মানুষ আছেন যিনি বাজারে গিয়ে ৭০ টাকা কেজি দরে এক কেজি বেগুন কিনতে পারেন? দুঃখজনক অভিজ্ঞতা হচ্ছে, সাধারণ দরিদ্র মানুষ যে সব পণ্য ব্যবহার করেন এবং খাদ্য খান, তার মূল্যই সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়। আমরা উচ্চ হারে অর্জিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে গর্ব করি। এমনকি মাথাপিছু গড় জাতীয় আয় নিয়েও আমরা উল্লসিত হই। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখি এই মাথাপিছু গড় জাতীয় আয় দেশের সাধারণ মানুষের আর্থিক অবস্থার প্রতিনিধিত্ব করে কিনা?
সরকারিভাবে বলা হয়েছে, আমাদের দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় জাতীয় আয় এখন ১ হাজার ৬১০ মার্কিন ডলার। কিন্তু এটা কি দেশের মানুষের প্রকৃত অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিফলক? এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যাদের প্রতি মিনিটের আয় ১ হাজার ৬১০ মার্কিন ডলারের বেশি। আবার এমন অনেকেই আছেন যাদের কয়েক বছরের আয়ও ঐ পরিমাণ নয়।
বাংলাদেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উচ্চ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করে চলেছে। বিশ্বের যে দশটি দেশ উচ্চমাত্রায় প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে, বাংলাদেশ তাদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু সেই প্রবৃদ্ধির সুফল কি সবাই ন্যায্যতার ভিত্তিতে ভোগ করতে পারছে? বিত্তবান এবং বিত্তহীনের আর্থিক ব্যবধান বা বৈষম্য দ্রুত বেড়ে চলেছে। স্বাধীনতার পর আর কখনই এখনকার মতো বিত্তবান এবং বিত্তহীনের বৈষম্য এতটা প্রকট আকার ধারণ করেনি। সমাজে একটি শ্রেণী নানাভাবে বৈধ-অবৈধ পথে বিত্তের পাহাড় গড়ে তুলছে। আর বৃহত্তম জনগোষ্ঠী দিন গুজরানের উপায় খুঁজে পাচ্ছে না। সমাজে ভোগব্যয় এবং ভোগ করার আকাঙ্ক্ষা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রশ্ন হল, হঠাৎ করেই বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা কেন সৃষ্টি হচ্ছে? নানাভাবে এর ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী কার্যত মুক্তবাজার অর্থনীতি অনুসৃত হচ্ছে। এমনকি এক সময়ের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোও এখন বাস্তবতার নিরিখে মুক্তবাজার অর্থনীতি অনুসরণ করছে। কিন্তু কোনো কোনো দেশ, যারা বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে তারা মুক্তবাজার অর্থনীতিকে সঠিকভাবে চলতে দিচ্ছে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পরই ঘোষণা করেছিলেন, চীনা পণ্যের ওপর ৪০ শতাংশ হারে শুল্কারোপ করবেন তিনি। ৪০ শতাংশ না হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট সংখ্যক চীনা পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক বসিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে চীন মার্কিন পণ্যের ওপর বর্ধিত শুল্ক আরোপ করেছে। চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই বাণিজ্য বিরোধ যত না অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হচ্ছে, তার চেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে এর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করুক আর না করুক, তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না। আমরা সযতেœ এই বিরোধ থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখতে পারতাম। কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে অন্যত্র। বাংলাদেশের প্রধান বাণিজ্য অংশীদার হচ্ছে চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কাজেই তাদের বিরোধের অনিবার্য প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতেও পড়ছে।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতির অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির পেছনে আরও একটি কারণ বিশেষ ভূমিকা রাখছে। এটা হল, আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়া। কয়েক বছর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা শুরু হয়। ২০১৭ সালে অপরিশোধিত প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের মূল্য ছিল ৫৩ মার্কিন ডলার। এ বছর তা ৬৫ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। জ্বালানি তেল এমনই এক উপকরণ যার বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। জ্বালানি তেল এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের সব সেক্টরকে প্রভাবিত করতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের খাদ্য পণ্যের মূল্য বেড়েছে। এটাও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। গত বছর দেশের হাওরাঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চলে অকাল বন্যার কারণে উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে খাদ্য উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশকে খাদ্যশস্য আমদানি করতে হয়েছে। ফলে এ বাবদ প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। আমাদের দেশের বাজার প্রবণতা হচ্ছে একবার কোনো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পেলে, তা আর কমার নাম করে না। বাজারের ওপর কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। পবিত্র রমজান উপলক্ষে সব ধরনের পণ্যের মূল্য আরেক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও সরকারি পর্যায় থেকে বলা হয়েছে, দেশে পণ্যের কোনো অভাব নেই। গুদামে প্রচুর পণ্য মজুদ আছে। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দও সরকারকে আশ্বস্ত করেছিল যে, রমজানে পণ্যের দাম বাড়বে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল উল্টো পরিস্থিতি।
লেখক : কলামিস্ট।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • তামাক : খাদ্যনিরাপত্তা ও উন্নয়নের পথে বাধা
  • প্রশাসনের দৃষ্টি চাই : শব্দদূষণ চাই না
  • যাতনার অবসান হোক
  • রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন জরুরি
  • যুবসমাজের অবক্ষয়ের কারণ ও প্রতিকার
  • বিশ্বকাপে অসহনীয় বিদ্যুৎ বিভ্রাট
  • মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই
  • মাদক থেকে দেশ উদ্ধারের অঙ্গীকার
  • পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগান
  • তোমাকে শ্রদ্ধা লেবুয়াত শেখ
  • সামাজিক অবক্ষয় এবং এর প্রতিকার
  • সোশ্যাল মিডিয়ার ভয়ঙ্কর রূপ
  • শিশুর জন্য চার সুরক্ষা
  • বিশ্ব ব্যবস্থায় গণতন্ত্রের সংকট ও প্রতিক্রিয়া
  • সম্ভাবনার অঞ্চল সিলেট
  • স্বপ্নের বাজেট : বাস্তবায়নই মূল চ্যালেঞ্জ
  • বাচ্চাটা একটা খেলনা ফোন চেয়েছিল
  • স্থানীয় সরকার প্রসঙ্গে কিছু প্রস্তাবনা
  • চাই দূষণমুক্ত পরিবেশ
  • সিরিয়ার আকাশে শকুনের ভীড়-সামাল দিবে কে!
  • Developed by: Sparkle IT