উপ সম্পাদকীয়

আসুন, আমরা মাদককে না বলি

মোহাম্মদ কামরুল আনাম চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ০৮-০৬-২০১৮ ইং ০১:১৭:০০ | সংবাদটি ২৮ বার পঠিত

ছোট্ট একটি পরিসংখ্যান দিয়ে লেখাটি শুরু করি তাহলে পাঠক কিছুটা হলেও বুঝতে পারবেন মাদকের ভয়াবহতা। ২০১৭ সালের জানুয়ারী থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে কেবল ইয়াবা আটক করা হয়েছে ২ শত কোটি টাকার। অন্যান্য মাদক দ্রব্য তো বাকী রইলো। এখন পাঠক বুঝেন, সব মাদক দ্রব্যের হিসাব করলে কত শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর এটা শুধু আটকের চিত্র, যে সব মাদক দ্রব্য আটক করা সম্ভব হয়নি সেগুলো হিসাব করলে প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টাকার মাদক দ্রব্য কেনা বেচা হচ্ছে দেশের ভিতরে। চিত্রটি অবশ্যই ভয়াবহ এবং পিলে চমকানোর মতো। মাদক অনেক অপরাধের জন্ম দেয়। মাদক মানুষকে অমানুষে রূপান্তর করে। মাদকাসক্ত লোকের হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। মাদকাসক্ত লোককে কখনও স্বাভাবিক বলা যায় না। মাদকাসক্ত লোক সমাজ ও পরিবারের বোঝা স্বরূপ। মাদক অনেক অপরাধের সূতিকাগারও বটে। আর এ মাদকের বিরুদ্ধে সরকার বিশেষ অভিযান শুরু করেছে বলা যায় যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। প্রতিদিনই এ বিশেষ অভিযানে দেশের কোথাও না কোথাও মাদক কারবারিরা গ্রেফতার বা বন্দুক যুদ্ধে নিহত হচ্ছে।
এক সময় ফেনসিডিল ছিলো মাদক দ্রব্য হিসেবে বহুল ব্যবহৃত। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে চোরাই পথে খুব সহজে ঢুকে পড়তো দেশের অভ্যন্তরে। আর ছিলো গাজা, হেরোইন, আফিম ও সস্তা মদ জাতীয় কিছু মাদক দ্রব্য। আর আমাদের যুব সমাজ ছিলো এর প্রধান ক্রেতা। এখন দিন বদলেছে, আমাদের যুবা তরুণ তরুণিরা ফেনসিডিল বাদ দিয়ে নতুন মাদক দ্রব্যের সন্ধান পেয়ে গেছে। আর সে জায়গা দখল করেছে এখন ইয়াবা নামক ভয়ঙ্কর ও সর্বনাশা মাদক দ্রব্য। আমাদের যুব সমাজ, আমাদের তরুন সমাজ আজ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে। ইয়াবা সেবনকারীর সংখ্যা যে ভাবে দিন দিন বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে যা আমাদের পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্যে ভয়ানক বিপদ ডেকে আনছে। মাদক দ্রব্য পুরো সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। কোনো কোনো পরিবার মাদকের নীল ধ্বংসনে তছনছ হয়ে গেছে। মাদকাশক্ত সন্তান নিজ মা বাবাকে হত্যা পর্যন্ত করেছে এমন উদাহরণও রয়েছে। আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে ঐশির কথা যে তার মা-বাবাকে হত্যা করেছিল মাদকের টাকা না পেয়ে। মাদকের জন্যে টাকা না পেয়ে চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি, হত্যা, ধর্ষণ সহ সমাজবিরোধী অনেক কাজে জড়িয়ে পরছে মাদক সেবনকারীরা। সামাজিক আর পারিবারিক বন্ধন ভেঙ্গে পাচ্ছে এ সর্বনাশা মাদকের করাল গ্রাসে। আর এসব বিবেচনা করেই সরকার মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রী দেশ থেকে মাদক নির্মূলে কঠোর হওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, আমরা যেমন জঙ্গিবাদ দমন করেছি, তেমনি মাদক থেকেও দেশকে উদ্ধার করব। জঙ্গির পর এবার লক্ষ্য মাদকচক্র। জঙ্গিরা যেভাবে দেশ ও জাতির শত্রু সেভাবে মাদক কারবারীরাও দেশ ও জাতির শত্রু। জঙ্গিদের হাতে দেশের নিরীহ মানুষ মারা যায় আর মাদক কারবারীরাও দেশের মেধাবী আর তরুণ প্রজন্মকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়। আর প্রধানমন্ত্রীর এমন দৃঢ় ঘোষণার পর শুরু হয়েছে মাদক বিরোধী অ্যাকশন বলা যায় অল আউট ডাইরেক্ট অ্যাকশন। আশা করা যায় সরকারের চলমান এ মাদক বিরোধী অভিযান সফল হবে। জঙ্গিবাদ যেভাবে সরকার দমন করতে সফল হয়েছে সেভাবে দেশে মাদক চক্রের মূলোৎপাটনেও সরকার সফল হবে। ২১ মে তারিখের একটি জাতীয় দৈনিকের পিছনের পাতার নিউজ ছিলো এরকম, বন্দুক যুদ্ধে নিহত ছয়। পুলিশের দাবি-নিহতদের চারজন মাদক ব্যবসায়ী। ঠিক পরের দিন আবার ঐ পত্রিকাটির প্রথম পাতার নিউজ ছিলো এরকম-বন্দুক যুদ্ধে এক রাতে ৯ জন নিহত। এরা সবাই চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন। রাজধানী ঢাকা থেকে ১০০ জনকে গ্রেফতারও করা হয় ঐ অভিযান চলাকালে। আর এ অভিযানে ৭ হাজার ৫ শত ৮১ পিস ইয়াবা, ৩৭২ গ্রাম ও ২১০ পুরিয়া হেরোইন, ১০৫ কেজি ৫৮০ গ্রাম ও ১৯০ পুরিয়া গাজা এবং ২০টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন জব্দ করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ২৩ মে তারিখের সমকাল পত্রিকার রিপোর্ট হলো বন্দুক যুদ্ধে নিহত আরও ১১ জন। ২৪ মে তারিখের পত্রিকার খবর অনুযায়ী বন্দুক যুদ্ধে আরও ৮ জন নিহতের খবর প্রকাশিত হয়। এরা সবাই চলমান মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে নিহত হয়েছে। এ পর্যন্ত মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে নিহত হয়েছে ৪২ জন। হয়তো এ সংখ্যা আরও বাড়বে। কিন্তু এ ভাবে নিহতের সংখ্যা বাড়িয়ে মূল সমস্যার সমাধান হবে কি? উদ্ধার করা হয়েছে ৭ হাজার ২২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৬৯৯ গ্রামের ৫১৫ পুরিয়া হেরোইন, ৯ কেজি ৫২ গ্রামের ১০ পুরিয়া গাজা, ১০০ বোতল ফেনসিডিল, ১৫ লিটার দেশি মদ ও ১১৫টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন। এছাড়া পত্রিকাটি ইয়াবা পরিবার নিয়েও ভয়ঙ্কর খবর দিয়েছে। শাহজাহান মিয়া ছিলেন পুলিশের কনস্টেবল। স্বল্প বেতনে চাকরি করতেন। নুন আনতে পান্তা ফুরায় এরকম অবস্থায় কষ্ট করে সংসার চালিয়েছেন। কিন্তু তার মৃত্যুর পর পরিবারটি জড়িয়ে পড়ে ইয়াবা ব্যবসায়। অল্প দিনেই ঢাকা শহরে বাড়ি গাড়ির মালিক হয়ে গেছে পরিবারটি। ব্যাংকে আছে কোটি কোটি টাকা। শাহজাহান মিয়ার অবর্তমানে তার পুরো পরিবার আজ ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, পুত্রবধু, জামাতাসহ ৮ জন ইয়াবা বিক্রির সাথে জড়িত। তারা আজ ইয়াবা পরিবার হিসেবে পরিচিত সবার কাছে। এদের কয়েক জন আছে জেল হাজতে আর কয়েক জন জামিনে মুক্ত। তাদের ছবি সহ নামও পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু তারপর? মনে হচ্ছে সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স/শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণ করেছে। আর রাজধানী ঢাকায় মাদক বাণিজ্য চালায় এমন সংখ্যা হচ্ছে ৮২ জন যা ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকা সমকাল লীড নিউজ করে।
তরুণ প্রজন্ম আজ বিপথে পরিচালিত হচ্ছে এ মরণ নেশা ইয়াবা সহ অন্যান্য মাদক দ্রব্য সেবন করে। তাই সরকার ও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে ধন্যবাদ মাদকের বিরুদ্ধে এ সময় বিশেষ অভিযান শুরু করায়। আমাদের পবিত্র ইসলাম ধর্মেও মাদকের ব্যবহার কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মাদকের ব্যবসা, ব্যবহার ও সেবন দুটুই ইসলাম ধর্মের পরিপন্থী কাজ। পবিত্র রমজান মাসে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করায় সরকার ও আইন শৃঙ্খলাবাহিনী বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশবাসির পক্ষ থেকে আবারও ধন্যবাদ। আমাদের তরুণ ও যুব সমাজ আজ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে চলে যাচ্ছে। কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখতে হবে শুধু মাত্র চুনো পুটিদের গ্রেফতার আর ক্রসফায়ার বা বন্দুক যুদ্ধে ফেলে দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বন্দুক যুদ্ধ কোন স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না। এই যে ২০০ জন গ্রেফতার আর ৪০/৪৫ জন বন্দুক যুদ্ধে নিহত হলো, প্রকৃতপক্ষে এরা কারা? খুজ নিলে দেখা যাবে এরা মাদক ব্যবসার একেবারে নিচু পর্যায়ের লোক। সুতরাং এদেরকে গ্রেফতার বা মেরে ফেলে দিলে মাদক ব্যবসা বন্ধ হবেনা। সমস্যা যে তিমিরে ছিলো সেখানেই রয়ে যাবে। হয়তো সাময়িক ভাবে দু’একদিন মাদক ব্যবসা বন্ধ থাকতে পারে, তা কোন অবস্থায় মাদক বিরোধী অভিযানকে সাফল্য মন্ডিত করবে না। যেতে হবে সমস্যার মূলে/গভীরে।
বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মায়ানমারের স্থল সীমান্ত রয়েছে। সাধারণত এসব স্থল পথ ব্যবহার করেই মাদক দ্রব্য চলে আসে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। ভারত থেকে ফেনসিডিল আর মায়ানমার হতে চোরাই পথে আসে ইয়াবা নামক ভয়ঙ্কর জীবন বিধ্বংসী মাদক। এখন এসব স্থল সীমান্ত সঠিক ভাবে পাহারা দিলে আর ঐ সব পথ ব্যবহার করে বাংলাদেশের ভিতরে ঐ সব মাদক দ্রব্য প্রবেশ করতে পারবে না। সুতরাং সরকার ও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে এ ব্যবপারে সতর্ক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যোগান (ঝঁঢ়ঢ়ষু ঝরফব) সাইড বন্ধ করে দিতে পারলে মাদকের রমরমা ব্যবসা আপনা আপনি বন্ধ হয়ে আসবে। সীমান্ত/বর্ডার আরও জোরদার করতে হবে। বাংলাদেশের সীমান্ত পাহারা দিয়ে থাকে বিজিবি। তাই তাদেরকেও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। কীভাবে তাদের চোখকে ফাকি দিয়ে এসব মাদক দ্রব্য দেশের অভ্যন্তরে ঢুকে এ প্রশ্ন আসতেই পারে। এছাড়া মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ করে এরকম বড় গডফাদার রয়েছে ২/১ জন যাদের নাম বিভিন্ন সময় পত্রপত্রিকায়ও এসেছে, আমি আর তাদের নাম এখানে উল্লেখ করতে চাই না। সুতরাং ঐসব গডফাদাররা যদি থাকে ধরা ছোয়ার বাহিরে তাহলে এ সব বিশেষ অভিযান খুব বেশি উপকারে আসবে বলে মনে হয় না। তবে আশার কথা হলো সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে গডফাদাররাও রেহাই পাবে না। আর মাদকের সুবিধাভোগী একটি দুষ্ট চক্র রয়েছে। আঘাত হানতে হবে ঐসব দুষ্ট চক্রে। সর্বনাশা মাদকচক্র ভেঙ্গে দিতে হলে সবার আগে এর উৎসস্থল নির্মূল করতে হবে। উৎসস্থল বন্ধ করতে না পারলে আসল সমস্যার কোনো সমাধান হবে না, এটা প্রায় শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যায়। পারিবারিক ও সামাজিক অনুশাসন আর ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে সবার মনে। মাদককে না বলুন এমন স্লোগান প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে বহুল ভাবে প্রচার করতে হবে। মাদক সেবনের কূফল তোলে ধরতে হবে আজকের প্রজন্মের কাছে যাতে তারা নিজেই মাদককে না বলে। বেশি বেশি করে মাদক বিরোধী র‌্যালী, সেমিনার, আলোচনা সভা এবং স্কুল কলেজে মাদক বিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি কল্পে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। বেকারত্ব, পারিবারিক কলহ, খারাপ বন্ধুর সঙ্গে মিলে মিশে, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে, হতাশা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে একজন তরুণ তরুণী মাদকাশক্ত হয়ে পড়তে পারে। তাই আমাদের পরিবারের সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে, আমার সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কি করছে, কার সাথে চলা ফেরা করছে। মাদক বিরোধী অভিযানে সমাজের প্রতিটি শ্রেণী পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তবেই মাদক বিরোধী অভিযানের সফলতা আসবে আর তা দীর্ঘস্থায়ীও হবে।
আসুন আমরা সবাই মাদককে না বলি। আমাদের সমাজ ও পরিবারকে মাদকের মরণনেশা থেকে রক্ষা করি। দেশ থেকে নির্মূল হউক মাদকের কারবার। মাদক নিপাত যাক, সুস্থ জীবন মুক্তি পাক। সবাই সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিয়ে বাস করার পরিবেশ পাক। কেবল চুনোপুটি নয়, মাদকের গডফাদারদের দ্রুত আইনের আওতায় নিতে হবে। তবেই সফলতা আসবে। আসুন জীবনকে ভালোবসি, মাদক থেকে দূরে থাকি। মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান সফল হউক।
লেখক : প্রভাষক

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • বাচ্চাটা একটা খেলনা ফোন চেয়েছিল
  • স্থানীয় সরকার প্রসঙ্গে কিছু প্রস্তাবনা
  • চাই দূষণমুক্ত পরিবেশ
  • সিরিয়ার আকাশে শকুনের ভীড়-সামাল দিবে কে!
  • টের পাওয়া যাচ্ছে বিশ্বকাপ প্রলয়
  • মাছের পোনা দেশের সোনা
  • শিক্ষা ব্যবস্থার হালচাল
  • যৌতুক, ইফতারি, আমকাঁঠলি বনাম নারী নির্যাতন প্রসঙ্গ
  • ঈদযাত্রায় ভোগান্তি রোধে ব্যবস্থা জরুরি
  • বজ্রপাত শনাক্তকরণ সেন্সর এবং কৃষকের সেন্স
  • মাদক সমস্যার প্রতিকার
  • শিক্ষা খাত ও জাতীয় বাজেট
  • ফুটবল বিশ্বকাপ ছড়িয়ে দিক সম্প্রীতির বার্তা
  • আসুন, আমরা মাদককে না বলি
  • মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন
  • ইতিকাফ
  • ট্রাম্পইজম, কর্তৃত্ববাদ : আমেরিকান উদারনৈতিক গণতন্ত্রের বিপদ
  • রমজানের তাৎপর্য ও রোজার উপকারিতা
  • একটি তাৎক্ষণিক মিথস্ক্রিয়া
  • অর্থ বছরে দুটি প্রত্যাশা
  • Developed by: Sparkle IT