উপ সম্পাদকীয়

বজ্রপাত শনাক্তকরণ সেন্সর এবং কৃষকের সেন্স

ড. এম. এ. ফারুখ প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-০৬-২০১৮ ইং ০১:১১:৪৩ | সংবাদটি ১৬৪ বার পঠিত

শেষ হলো বজ্রপাতে ব্যাপক বজ্রমৃত্যুর মে মাস। দেশের অভ্যন্তরে আসতে শুরু করেছে মৌসুমি বায়ু এবং যথারীতি বর্ষা আসন্ন। প্রাক-মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে মাতৃসম প্রকৃতির কোনো ব্যাকরণ না মানার আচরণ থেকেই এবছর আমরা বৈশাখ আসার দুসপ্তাহ আগেই কালবৈশাখী প্রত্যক্ষ করেছি। গত ৩০ মার্চ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদেশে ৪৫টি জেলায় কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টি আঘাত হানে। এই আগাম কালবৈশাখী যেমন অনাকাঙ্খিত তেমনই অদ্যাবধি কোনো তাপপ্রবাহ না আসাটাও অস্বাভাবিক। একইসাথে অনিয়মিত প্রচুর বৃষ্টি এবং ক্রমবর্ধমান বজ্রপাতের সংখ্যাও অনভিপ্রেত। এ বছরটিতে সারা পৃথিবীব্যপী বজ্রঘণ্টা যেন একটু অধিক হারেই বাজছে। গত ২৬ মে ২০১৮ যুক্তরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে চার ঘণ্টার মধ্যে ১৫ হাজারের বেশি বজ্রপাত ঘটে। বিবিসি'লন্ডন এই ঘটনাকে "সকল বজ্রঝড়ের জননী" বলে আখ্যায়িত করেছে। গত ২৮ মে ভারতের বিহারে ১১ জন, উত্তর প্রদেশে ১৫ জন, ঝাড়খন্ডে ১৩ জন বজ্রপাতে মারা গেছে। যদিও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত বজ্রপাতে আহত বা নিহতের পরিসংখ্যানে তারতম্য রয়েছে তথাপি বাংলাদেশের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টার’এর দূর্যোগ সংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জানুয়ারী হতে ৩০ মে ২০১৮ পর্যন্ত বজ্রপাতে ২১১ জন নিহত এবং ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। আমাদের প্রাপ্ত ও সংরক্ষিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, শুধুমাত্র মে মাসেই প্রাণ হারিয়েছে ১৪১ জন যেখানে ৯ মে সর্বাধিক ২৯ জন মারা যায় এবং ১৫ জন আহত হয়। মোট মৃত্যুর শতকরা ১৯ জন মহিলা এবং শতকরা ৭৭ জন বিভিন্নপ্রকার কৃষিকাজ, মাছ ধরা, গরু চরানো বা ঘাস কর্তনরত অবস্থায় ছিলেন। আবার কৃষিকাজরত হতভাগ্যদের শতকরা ৬৩ জনই শুধুমাত্র ধান ফসলের মাঠে কর্মরত ছিলেন। যাহোক, মৃতের পরিবারগুলো সরকারের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পাবে বিধায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনটিকেই প্রণিধানযোগ্য ধরে নেয়া যেতে পারে যা তাঁরা নিয়মিত ওয়েবসাইটে আপডেট করছেন। তবে পরিসংখ্যানগত তারতম্য ব্যতিরেখেও কিছু মৌলিক তথ্যে বিভ্রান্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যেমন, গত ৬ মে ২০১৮ তারিখে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয়তে ২০১৬ সালে বজ্রপাতে প্রায় ৩৫০ জনের মৃত্যুর পর সরকার বজ্রপাতকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে বলে বিবৃত হয়েছে। বস্তুত, সরকার বজ্রপাতকে দূর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে ২০১৬ এর ১৭ মে তারিখে, যার মূল পটভূমি ছিল ১১-১২ মে'তে প্রায় ৫৭ জনের মৃত্যু। মোট ৩৫০ জনের মৃত্যু ২০১৬ সালের বছর শেষের একটি পরিসংখ্যান।
বজ্রপাতের ঝুঁকি কমানো ও প্রাণহানি রোধে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হয়েছে বজ্রপাত শনাক্তকরণ সেন্সর যা চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, ঢাকা, নওগাঁ, সিলেট, পটুয়াখালী ও পঞ্চগড়ে বসানো হয়েছে। এই সেন্সর থেকে আপাতত পরীক্ষামূলক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং পূর্বাভাস ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরই কেবল তা দিয়ে মানুষকে আগাম সতর্কতা জানানো সম্ভব হবে। অথচ বিএমডি ওয়েদার অ্যাপ ব্যবহার করে এন্ড্রয়েডভিত্তিক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বজ্রপাতের ১৫ মিনিট আগেই সেন্সর হতে ২৫০ কিলোমিটার পরিধি পর্যন্ত পূর্বাভাসের তথ্য পাওয়া যাবে বলেই আমাদের জানা ছিল, যদিও কুমুলাস বা কুমুলোনিমব্যাস নামের বজ্রমেঘগুলো খুবই অস্থিতিশীল এবং বাতাসের গতিপ্রবাহের উপর নির্ভর করে খুব স্বল্পসময়ে তা স্থান পরিবর্তন করতে পারে। এছাড়া সেন্সর দ্বারা কোথায় বজ্রপাত হচ্ছে বা হবে, মেঘ থেকে মাটিতে আঘাত করা বজ্রপাতের সংখ্যা, মেঘের স্ট্যাটিক চার্জ ইত্যাদি জানা সম্ভব। প্রায় ৮ মাস আগেই ১টি বজ্রপাত শনাক্তকরণ সেন্সর ঢাকায় আবহাওয়া অধিদপ্তরে বসানো হয়েছে কিন্তু তা বজ্রপাতে মৃত্যু কমাতে কতটুকু কাজে এসেছে আমাদের? জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ, বজ্রপাতের বিষয়ে সতর্কতায় সারাদেশে ২০০টি স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার স্থাপন করা হচ্ছে। অধিকন্তু, বজ্রপাতের পুর্বাভাস পেতে সারাদেশে ৪টি রাডার ষ্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার, যার একটি বসবে সিলেট বিমানবন্দরে। এছাড়া সিলেটে ১৮টি স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার বসানো হবে। কিন্তু এগুলো কি শুধুমাত্র বজ্রপাত পর্যবেক্ষনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ? প্রসঙ্গক্রমে, ময়মনসিংহের সুতিয়াখালি ইউনিয়নের ২০০ জন কৃষকের উপর পরিচালিত এক সমীক্ষার ফলাফল টানছি যেখানে দেখা গেছে, প্রায় ৯৭ শতাংশ কৃষক মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন যাদের প্রায় ৯২ শতাংশেরই ফোন সনাতন প্রযুক্তির অর্থাৎ এন্ড্রয়েড সিস্টেম নয়। বাকিদের ফোন এন্ড্রয়েড হলেও তাঁদের বেশিরভাগই কল ধরা এবং করা ছাড়া অন্য কোন অ্যাপের ব্যবহার জানেন না। ইন্টারনেট সংযোগ নির্ভর ওয়েদার অ্যাপ ব্যবহার করে হাইটেক সেন্সরের ভাষা বোঝার সেন্স আমাদের দেশের কৃষক-জেলেদের এখনও হয়নি। তাছাড়া ধানের পরিচর্যা ও ধান কাটার মৌসুমে এবং জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে আবহাওয়া যত খারাপই হোক না কেন পরিবারের উপার্জনক্ষম কৃষক-শ্রমিক-জেলে পরিবারের ব্যক্তিটির মাঠে-জলাভূমি-হাওড়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়। কাজেই বজ্রপাত শনাক্তকরণ সেন্সর প্রকৃত অর্থেই কতটুকু কাজে আসবে আমাদের কৃষক ও জেলে শ্রেণীর মানুষদের মৃত্যুসংখ্যা কমাতে? উপরোন্তু, এইসকল প্রযুক্তিগুলোর সফল ব্যবহারের জন্য প্রযুক্তি পরিচালনায় যথেষ্ট কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োজন। জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, সেন্সর থেকে সংগ্রহ করা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আগামী সেপ্টেম্বরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের একটি প্রতিনিধিদল নরওয়ে যাবেন এবং সেখান থেকে কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়ে আসবেন। এরপর একটি বিশেষজ্ঞ টিম গড়ে উঠবে এবং সেন্সরগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা যাবে। এটাই যদি উত্তম হয়, তবে প্রাণহানি কমানোর বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আগে প্রশিক্ষণ নিয়ে তারপর সেন্সরগুলো স্থাপন করলে তা হয়ত ব্যবস্থাটি আরোও বেশি কার্যকর হতো।
বজ্রপাতের সংখ্যা বৃদ্ধিতে অন্যান্য অনেক নিয়ামকের সাথে বায়ূর দূষণ একটি প্রধানতম কারণ। গত ২ মে ২০১৮ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সারা বিশ্বে বায়ুদূষণে আমাদের প্রিয় রাজধানী শহর ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। ঢাকার প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্র বস্তুকণা পিএম ১০ এর পরিমান ১৪৭, যা সহনীয় মাত্রা ৫০ এর চেয়ে অনেক বেশি। পরিবেশ অধিদপ্তরের 'বায়ুমান মনিটরিং স্টেশন' এবং 'নির্মল বায়ু ও টেকসই পরিবেশ' প্রকল্পের পর্যবেক্ষণকৃত উপাত্ত থেকে দেখা যায়, ঢাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী, গাজীপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রামের বাতাসে ক্ষুদ্র বস্তুকণা পিএম ১০ ও পিএম ২.৫ এর মাত্রা সহনীয় পর্যায়ের চাইতে অনেক বেশি। উল্লেখ্য যে, ঢাকার বাতাসে পিএম ২.৫ সহনীয় মাত্রার চেয়ে প্রায় ৬ গুন বেশি। নারায়ণগঞ্জের অবস্থা ঢাকার চেয়েও খারাপ। এগুলোর বাইরে ওজোন, সালফার ও নাইট্রোজেনের অক্সাইডস্গুলোও বায়ুদূষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বৃষ্টিহীন নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত মূলতঃ এই দূষণগুলো বেশি ঘটছে। ইটভাটা, গাড়ী ও কলকারখানার ধোঁয়া, ইমারত ও রাস্তা নির্মানকাজ, পাহাড়ের ঢালে গাছ পুড়িয়ে চাষের জমি তৈরি ইত্যাদি এই দূষণে ভুমিকা রেখে চলেছে। উল্লেখিত দূষণের সাথে শীতকাল চলে যাবার অব্যবহিত পরেই বজ্রপাত বাড়ার একটি সম্পর্ক আছে বলেই প্রতিয়মান হয়। বাতাসে দূষণ বাড়ার সাথে মেঘ থেকে ভূমিতে পতনযোগ্য বজ্রপাতের সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি পৃথিবীর অনেক দেশেই একটি প্রমাণিত বিষয়।
দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গত ১ মের প্রেস ব্রিফিংএ সারাদেশে প্রায় ৩২ লক্ষ তালবীজ রোপন করা হয়েছে বলে জানান হয়। প্রায় শতফুট উচ্চতার শাখাবিহীন শতবর্ষী উদ্ভিদ তালগাছের অঙ্কুরোদগম হতে প্রথম ৭ বছর বয়স পর্যন্ত বাড়ার গতি অত্যন্ত ক্ষীণ, পরবর্তী ১০ বছরে প্রায় ২০-২২ ফুট বাড়ে এবং তৎপরবর্তীতে প্রতি বছরে প্রায় ১-৩ ইঞ্চি করে বাড়ে। একবার একটি তালগাছ বজ্রবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তাঁর আর বেঁচে উঠার সম্ভাবনা থাকে না অর্থাৎ সেখানে পুনরায় একটি নতুন গাছ লাগাবার প্রয়োজন হয়। এহেন অবস্থায় উচ্চতায় বজ্রপাতের ঝুঁকিহ্রাসের উপযোগী হতে একটি তালগাছের যত সময় প্রয়োজন হবে ততটা সময়ে, অথবা সেন্সর বা রাডার পূর্বাভাসে প্রশিক্ষিত, দক্ষ ও কার্যকরী একটি ব্যবস্থা গড়ে উঠবার মধ্যবর্তী সময়ে বজ্রাঘাতে অনেক মানুষের জীবন চলে যাবার আশংকা রয়েছে। তাই প্রয়োজন সস্তা, সুলভ, স্বল্প সময়ে ও সহজে স্থাপন-প্রতিস্থাপন-পূনঃস্থাপনযোগ্য প্রযুক্তি যা কৃষক নিজেই তাঁর মাঠে ব্যবহারের মাধ্যমে নিজেকে বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের একটি টীম আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করছে, প্রয়োজন কিছুটা পৃষ্ঠপোষকতার। পাশাপাশি, প্রায় ৩৬ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে স্থান করে নেয়া ৩৭০০ কেজি ওজনের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ আমাদের জন্য অনেক গবেষণার দূয়ার খুলে দেবে আশা করা যায়। মূলতঃ ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনে স্যাটেলাইট ট্রান্সপন্ডার বিক্রির পাশাপাশি সি-ব্যান্ডের ১৪টি ট্রান্সপন্ডারের মধ্যে অন্ততঃ ১টি হলেও আমাদের দেশের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কাজে বিশেষ করে বজ্রঝড়, বজ্রমেঘ ও বজ্রপাত বিষয়ক তথ্যাদি সংরক্ষণ ও প্রেরণের কাজে ব্যবহার করা হবে অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী। পরিশেষে, যদিও বর্ষা আসন্ন বা শুরু হয়ে গেছে, অন্ততঃ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চললেও তীব্র বজ্রঝড় আপাতদৃষ্টিতে কমেছে কিন্তু এটা নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা বা অন্যান্য করণীয়গুলো নিয়ে কথা বলা না থামিয়ে পরবর্তী বছরে মৃত্যুসংখ্যা কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং প্রযুক্তির উৎপত্তি, তাঁর বিকাশ ও কার্যকরী ব্যবহার নিশ্চিত করা আবশ্যক। সেন্সর, রাডার বা স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার থেকে স্থানীয় পর্যায়ে বজ্রপাতের পূর্বাভাস মূল দুটি বজ্রপাত আক্রান্ত শ্রেণীর মানুষদের জন্য কতবেশি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায় তার বিষদ পর্যালোচনা ও কর্মপরিকল্পনা এখনই প্রয়োজন।
লেখক : প্রফেসর ও প্রধান, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • যুব সমাজের অবক্ষয় রোধে যা করণীয়
  • জাতিসংঘ দিবস আজ
  • নির্বাচনী ইশতেহার এবং ভোটারদের করণীয়
  • ইয়েমেন সংকট : কে কার সঙ্গে লড়াই করছে?
  • বৃটিশ আমলে সিলেটের প্রথম আইসিএস গুরুসদয় দত্ত
  • ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব
  • প্রবীণদের যথাযথ মূল্যায়ন কাম্য
  • ইতিহাসের একটি অধ্যায় : প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমান
  • সড়কে মৃত্যুর মিছিল কি থামানো যাবে না?
  • স্বাস্থ্যসেবা : আমাদের নাগরিক অধিকার
  • কে. আর কাসেমী
  • আইনজীবী সহকারী কাউন্সিল আইন প্রসঙ্গ
  • শিক্ষা হোক শিশুদের জন্য আনন্দময়
  • ফরমালিনমুক্ত খাবার সুস্থ জীবনের বুনিয়াদ
  • জামাল খাসোগী হত্যাকান্ড ও সৌদি আরব
  • শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য কী হওয়া উচিত
  • ব্যবহারিক সাক্ষরতা ও বয়স্ক শিক্ষা
  • সুষ্ঠু নির্বাচন ও যোগ্য নেতৃত্ব
  • জেএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে
  • অন্ধকারে ভূত
  • Developed by: Sparkle IT