প্রথম পাতা

রমযানুর মুবারক

শাহ নজরুল ইসলাম প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-০৬-২০১৮ ইং ২৩:১৭:০৫ | সংবাদটি ৯৬ বার পঠিত

আজ শনিবার, ২৩ রমযান, ১৪৩৯ হিজরী। নাজাতের দশকের তৃতীয় দিন । রমযানের সিয়াম সাধনা শেষে এর ঘাটতি পূরণে এবং অভাবগ্রস্ত মানুষকে ঈদের আনন্দে শরীক করার জন্য ইসলামী শরীয়তে স্বচ্ছল মানুষের পক্ষ থেকে দান খয়রাতের বিধান রাখা হয়েছে। একে বলা হয়, সাদকাতুল ফিতর বা যাকাতুল ফিতর। সাদাকাহ আরবী শব্দ । অর্থ দান। পরিভাষায় যে দান দ্বারা আল্লাহর নিকট সওয়াবের আশা করা যায়, তাকে সাদাকাহ বলে।
আল-ফিতর আরবী শব্দ । ফকীহদের পরিভাষায় তাহল রোযা না রাখা । এ অর্থেই ব্যবহৃত হয় ঈদুল ফিতর। (কাওয়াঈদুল ফিকহ)। পরিভাষায় সাদকাতুল ফিতর বলা হয় নিসাব পরিমাণ মালের মালিকের উপর ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের সময় যে দেয় ওয়াজিব হয়। আল্লামা যুবায়দী বলেন, যেহেতু সাদকাতুল ফিতর রমযান শেষে রোযা ভঙ্গের দরুন ওয়াজিব হয়। তাই, তাকে সাদাকাতুল ফিতর বলা হয়। এর অপর নাম যাকাতুল ফিতর মূলত পবিত্র মাহে রমজানের রোযা পালনের মাধ্যমে মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি যে অফুরন্ত নেয়ামত দান করেছেন তার শুকুর হিসেবে এবং রোযা পালনের মূল উদ্দেশ্য সাধনে যে সব ক্রটি বিচ্যুতি হয়েছে তার ক্ষতি পূরণ হিসেবে সাদকাতুল ফিতর ওয়াজিব করা হয়েছে।
ওয়াকী ইবনুল জাররাহ র. বলেন, সাদকাতুল ফিতর রমজানের সিয়ামের ক্ষতি পূরণকারী যেমন সিজদায়ে সাহু নামাযের ক্ষতি পূরণকারী।’ ইমাম আয’ম আবূ হানীফা রহ. এর মতে নিসাব পরিমাণ মালের মালিকের উপর সাদকায়ে ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। রাসূলুল্লাহ সা. এক খুৎবায় ইরশাদ করেছেন আযাদ গোলাম ছোট বড় প্রত্যেকের পক্ষ থেকে তোমরা আধা সা গম (১.৬৫০ গ্রাম) বা এক সা (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম ) যব বা খেজুর সাদাকাতুল ফিতর হিসেবে আদায় করবে। (সুনানে আবূ দাউদ ) আযাদ মুসলমান যিনি জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ যথা আবাস গৃহ পরিধেয় বস্ত্র, ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যদ্রব্য, যুদ্ধের বাহন অস্ত্র ও খিদমতের দাস দাসী ব্যতীত নিসাব পরিমাণ মালের মালিকের উপর সাদকাতুল ফিতর ওয়াজিব (হিদায়া)। সাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব হওয়ার জন্য নিসাব পরিমাণ মালের উপর এক বছর অতিবাহিত হওয়া শর্ত নয় বরং ঈদের দিনের সুবহি সাদিকের পূর্বে নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হলেই সাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব হবে। (নূরুল ইযাহ) সাদাকাতুল ফিতরের মাল-মালে নামী বা বর্ধনশীল হওয়া শর্ত নয়।
যদি কোন ব্যক্তি নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়ার পূর্বেই সাদকায়ে ফিতর আদায় করেন এবং পরে নিসাবের মালিক হন তবে তার ফিতরা আদায় হবে। (আলমগীরী ১ম খ-) সাদাকায়ে ফিতর নিজের পক্ষ থেকে এবং নিজের নাবালিক সন্তানের পক্ষ থেকে আদায় করা ওয়াজিব । তবে কোন ব্যক্তির উপর তার দাদা দাদী,নানা-নানী, মাতাপিতা ,প্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান ও স্ত্রীর পক্ষ থেকে সাদকা আদায় করা ওয়াজিব নয়।
(আলমগীরী -১ খ- )। একজনের সাদকায়ে ফিতর একজনকে অথবা কয়েক জনকে বন্টন করে দেয়া জায়িয আছে। যেমনিভাবে অনেকজনের সাদকা একজনকে দেয়া জায়েয আছে। তবে অনুমতি ছাড়া একজনের সাদকাতুল ফিতর অন্যজনের আদায় করা জায়েয নেই। (আলমগীরী ১ম খ- )।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • তালতলায় অগ্নিকান্ড ॥ বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা
  • খালেদা জিয়ার মুক্তি যৌক্তিক-ন্যায়সংগত দাবি: ড. কামাল
  • বিছনাকান্দিতে পানিতে ডুবে পর্যটকের মৃত্যু
  • আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে স্কাউটের বিকল্প নেই ---------------- পরিবেশ ও বনমন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন
  • অগ্নিকান্ডের কারণ খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি
  • চকবাজারে আগুনে হতাহতদের জন্য দোয়ায় রাষ্ট্রপতির অংশগ্রহণ
  • জনগণের আস্থার মর্যাদা আমাদের দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
  • চকবাজারে ট্র্যাজেডি হয়তো এড়ানো যেত : কাদের
  • চকবাজারে অগ্নিকান্ডে ৬৭ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু
  • বিশ্বনাথে গাড়ি দুর্ঘটনায় যুবক নিহত
  • সিলেটবাসীর স্বাস্থ্যসেবার প্রত্যাশা পূরণ করবে এ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ---স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
  • ভাষা আন্দোলনের চেতনায় উন্নতির উঁচু শিখরে আরোহণ করতে হবে
  • নিহত ৪৬ জনের পরিচয় শনাক্ত
  • একুশের প্রথম প্রহরে
  • স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার জন্য জামায়াতের ক্ষমা চাওয়া উচিত : বিএনপি
  • ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সুরক্ষা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
  • চতুর্থ ধাপে ১২২ উপজেলায় ভোট ৩১ মার্চ
  • যুক্ত হলো আরেকটি স্প্যান ১২শ মিটারে পদ্মা সেতু
  • নাইকো: খালেদা হাজির না হওয়ায় পিছিয়েছে শুনানি
  • সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৪৯ জন শপথ নিয়েছেন
  • Developed by: Sparkle IT