প্রথম পাতা

রমযানুর মুবারক

শাহ নজরুল ইসলাম প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-০৬-২০১৮ ইং ২৩:১৭:০৫ | সংবাদটি ৩৩ বার পঠিত

আজ শনিবার, ২৩ রমযান, ১৪৩৯ হিজরী। নাজাতের দশকের তৃতীয় দিন । রমযানের সিয়াম সাধনা শেষে এর ঘাটতি পূরণে এবং অভাবগ্রস্ত মানুষকে ঈদের আনন্দে শরীক করার জন্য ইসলামী শরীয়তে স্বচ্ছল মানুষের পক্ষ থেকে দান খয়রাতের বিধান রাখা হয়েছে। একে বলা হয়, সাদকাতুল ফিতর বা যাকাতুল ফিতর। সাদাকাহ আরবী শব্দ । অর্থ দান। পরিভাষায় যে দান দ্বারা আল্লাহর নিকট সওয়াবের আশা করা যায়, তাকে সাদাকাহ বলে।
আল-ফিতর আরবী শব্দ । ফকীহদের পরিভাষায় তাহল রোযা না রাখা । এ অর্থেই ব্যবহৃত হয় ঈদুল ফিতর। (কাওয়াঈদুল ফিকহ)। পরিভাষায় সাদকাতুল ফিতর বলা হয় নিসাব পরিমাণ মালের মালিকের উপর ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের সময় যে দেয় ওয়াজিব হয়। আল্লামা যুবায়দী বলেন, যেহেতু সাদকাতুল ফিতর রমযান শেষে রোযা ভঙ্গের দরুন ওয়াজিব হয়। তাই, তাকে সাদাকাতুল ফিতর বলা হয়। এর অপর নাম যাকাতুল ফিতর মূলত পবিত্র মাহে রমজানের রোযা পালনের মাধ্যমে মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি যে অফুরন্ত নেয়ামত দান করেছেন তার শুকুর হিসেবে এবং রোযা পালনের মূল উদ্দেশ্য সাধনে যে সব ক্রটি বিচ্যুতি হয়েছে তার ক্ষতি পূরণ হিসেবে সাদকাতুল ফিতর ওয়াজিব করা হয়েছে।
ওয়াকী ইবনুল জাররাহ র. বলেন, সাদকাতুল ফিতর রমজানের সিয়ামের ক্ষতি পূরণকারী যেমন সিজদায়ে সাহু নামাযের ক্ষতি পূরণকারী।’ ইমাম আয’ম আবূ হানীফা রহ. এর মতে নিসাব পরিমাণ মালের মালিকের উপর সাদকায়ে ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। রাসূলুল্লাহ সা. এক খুৎবায় ইরশাদ করেছেন আযাদ গোলাম ছোট বড় প্রত্যেকের পক্ষ থেকে তোমরা আধা সা গম (১.৬৫০ গ্রাম) বা এক সা (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম ) যব বা খেজুর সাদাকাতুল ফিতর হিসেবে আদায় করবে। (সুনানে আবূ দাউদ ) আযাদ মুসলমান যিনি জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ যথা আবাস গৃহ পরিধেয় বস্ত্র, ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যদ্রব্য, যুদ্ধের বাহন অস্ত্র ও খিদমতের দাস দাসী ব্যতীত নিসাব পরিমাণ মালের মালিকের উপর সাদকাতুল ফিতর ওয়াজিব (হিদায়া)। সাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব হওয়ার জন্য নিসাব পরিমাণ মালের উপর এক বছর অতিবাহিত হওয়া শর্ত নয় বরং ঈদের দিনের সুবহি সাদিকের পূর্বে নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হলেই সাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব হবে। (নূরুল ইযাহ) সাদাকাতুল ফিতরের মাল-মালে নামী বা বর্ধনশীল হওয়া শর্ত নয়।
যদি কোন ব্যক্তি নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়ার পূর্বেই সাদকায়ে ফিতর আদায় করেন এবং পরে নিসাবের মালিক হন তবে তার ফিতরা আদায় হবে। (আলমগীরী ১ম খ-) সাদাকায়ে ফিতর নিজের পক্ষ থেকে এবং নিজের নাবালিক সন্তানের পক্ষ থেকে আদায় করা ওয়াজিব । তবে কোন ব্যক্তির উপর তার দাদা দাদী,নানা-নানী, মাতাপিতা ,প্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান ও স্ত্রীর পক্ষ থেকে সাদকা আদায় করা ওয়াজিব নয়।
(আলমগীরী -১ খ- )। একজনের সাদকায়ে ফিতর একজনকে অথবা কয়েক জনকে বন্টন করে দেয়া জায়িয আছে। যেমনিভাবে অনেকজনের সাদকা একজনকে দেয়া জায়েয আছে। তবে অনুমতি ছাড়া একজনের সাদকাতুল ফিতর অন্যজনের আদায় করা জায়েয নেই। (আলমগীরী ১ম খ- )।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • গাজীপুরে খুলনার মতো হলে পরিণতি ভয়াবহ: মওদুদ
  • অক্টোবরের শেষদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল : ইসি সচিব
  • নবনির্মিত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
  • মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ব্যাপারে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • ম্যাচ প্রিভিউ পানামাকে হারোনো কঠিন হবে না ইংল্যান্ডের
  • সিসিক নির্বাচন-গতবারের চেয়ে এবার ভোটার বেড়েছে ৩০ হাজার ৬৮৬ জন
  • নৌকার মালিক শেখ হাসিনা
  • কাজিরবাজারে ছাত্রদলের মিছিলে পুলিশের ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল
  • দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো
  • তিউনিশিয়াকে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম
  • আওয়ামী লীগের নিজস্ব ভবন উদ্বোধন আজ
  • সত্তর বছরে পদার্পণ করলো আওয়ামী লীগ
  • খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে টানাহেঁচড়ার সমালোচনায় এরশাদ
  • গাজীপুরে ‘নীরব ডাকাতি’ ঠেকাতে বিএনপি প্রস্তুত: মোশাররফ
  • নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপিকে রাখার সুযোগ নেই : ওবায়দুল কাদের
  • বালাগঞ্জে ইমামের বেতন নিয়ে সংঘর্ষে ২০জন আহত
  • হুমায়ুন রশীদ চত্ত্বর থেকে ৪৭৪ পিস ইয়াবাসহ ১ জন গ্রেফতার
  • ম্যাচ জিততে ঘাম ঝরালো ব্রাজিল!
  • তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ
  • শিবগঞ্জে তাসিন হত্যা মামলার আরো ৩ আসামী গ্রেফতার
  • Developed by: Sparkle IT