ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিভীষিকাময় একাত্তর

মুক্তিযোদ্ধা নজরুল এবং অন্যান্য

তাজুল মোহাম্মদ প্রকাশিত হয়েছে: ০৪-০৭-২০১৮ ইং ০৩:০১:৩৪ | সংবাদটি ২৫ বার পঠিত

গাইবান্ধা শহরের পাড়াগুলোর মধ্যে রয়েছে পূর্বপাড়া, পশ্চিমপাড়া, মধ্যপাড়া, মিশুপাড়া। শহরের পূর্বাংশে পূর্বপাড়ার অবস্থান। সেখানেই পোস্ট মাস্টার জিন্নাত আলী সরকারের বসতি। পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করেন তিনি। যৌবনে চাকুরি করতেন আসাম-বেঙ্গল রেলওয়েতে। সহকারি স্টেশন মাস্টার হিসেবে পোস্টিং ছিল সাপুটগ্রাম স্টেশনে। স্বাধীনচেতা, সৎ জিন্নাত আলী সরকার। প্রত্যক্ষ করেন দিনের পর দিন ইংরেজ কর্মচারীদের নির্যাতন। ভারতীয়দের কোনো রকম মর্যাদা ছিল না তাদের কাছে। তুচ্ছ তাচ্ছিল্ল করতো। প্রতিটি কাজে ঘুষ নিত সাধারণ মানুষের নিকট থেকে। এর প্রতিবাদ করতেন বলে প্রতিদিনই সমস্যা হতো জিন্নাত আলী সরকারের সঙ্গে। শেষাবধি চাকুরি ছেড়ে দিয়ে চলে আসেন গাইবান্ধায়। আবার সরকারি চাকুরি নেন পোস্ট মাস্টার হিসেবে।
রেলওয়ের চাকুরি ছেড়ে দেবার আরো অনেকগুলো কারণ ছিলো। জানাযায় ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাঁর সময় লন্ডভন্ড হয়ে যায় ভারতবর্ষের বহু জায়গা। সে সময় রেলওয়ের কর্মকর্তাদের স্ত্রীদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল স্টেশনে ট্রেন থামার পর মহিলা কম্পার্টমেন্টগুলো চেক করার। তা করতে গিয়েছেন জিন্নাত আলীর স্ত্রী হালিমা খাতুনও। একদিন একটি দ্বিতীয় শ্রেণির মহিলা কম্পার্টমেন্ট চেক করতে গিয়ে দেখেন অনেকগুলো সস্তকবিহীন দেহ। ওদেরকে জবেহ করে মস্তক ফেলে দেয়া হয়েছে। মাথা ঘুরে যায় তাঁর। অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান তিনি। বেঁধে যায় আরেকটি হৈ চৈ। ইংরেজ কর্মচারীরা আবার নানা রকম অশালীন, অভদ্র আচরণ করতো। যা মেনে নিতে পারতেন না জিন্নাত আলী। প্রতিবাদ করতেন সময়-সময়। ইংরেজ রাজত্বে বাস করে, ইংরেজদের অধীনে চাকুরি করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। এ যেন জলে বাস করে কুমিরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানো। ফলে, ইস্তফা দিয়ে চলে এসেছিলেন স্বদেশি জিন্নাত আলী। নির্ঝঞ্ঝাট এবং স্বল্প বেতনের চাকুরি ডাক বিভাগের। নিলেন সে কাজ। উত্তর বঙ্গেঁ নানা স্থান ঘুরে তিতু হলেন গাইবান্ধা শহরেই।
চাকুরি বিধি অনুযায়ী মেয়াদ পূর্ণ হয়নি অবসরে যাবার। কিন্তু এর আগেই প্যারালাইজড হয়ে যান জিন্নাত আলী সরকার। কি আর, করাÑ বাধ্য হয়েই নিতে হলো তাকে ইনভেলিড পেনশন। স্বপ্ন দেখতেন অবসর জীবনে সমবায় আন্দোলন গড়ে তুলবেন। আর তা হবে সোভিয়েত ইউনিয়নের আদলে। সোভিয়েতের সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা আকৃষ্ট করেছিল তাঁকে। একটি সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন লালন করতেন অন্তরে। বলতেন সোভিয়েত রাশিয়ার ন্যায় সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে সাধারণ মানুষের মুক্তি অর্জন সম্ভব নয়। কিন্তু তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে হোচট খেলেন ১৯৭০ সালে। স্ট্রোক করে তাঁর। হয়ে গেলেন প্যারালাইজড। সমবায় বা সমাজতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠার লড়াই নয়Ñ স্থান নির্ধারণ হলো দু’চাকার হুইল চেয়ারে। ছোট হয়ে আসলো তার পৃথিবী।
গাইবান্ধা শহর থেকে, পূর্বমুখি রাস্তা দিয়ে ১৮ কি. মিটার দূরত্ব অতিক্রম করলেই কালাসোমা গ্রাম। জিন্নাত আলী সরকারের জন্মভূমি। সেখানে ছিল তার পূর্ব পুরুষদের জমিদারি। এ বংশের শেষ জমিদার জিন্নাত আলীর পিতা রহিম বক্স সরকার ব্রম্মপুত্র নদের তীর ঘেষে ছিল তাঁর প্রজাদের বসতি। প্রচন্ড দাপট তাঁর। ভয়ে তটস্থ থাকতো প্রজা সাধারণ। ঘোড়ায় চড়ে বিচরণ করতেন পুরো জমিদারি জুড়ে। আর সে ঘোড়ার পায়ের শব্দ শুনেই কান খাঁড়া হয়ে যেতো সবার। জমিদারি উচ্ছেদ হলেও দাপট এতটুকু কমেনি তাঁর। ১৮ কি. মিটার অতিক্রম করে গাইবান্ধা শহরে প্রবেশ করতেন তিনি ঘোড়ার পিঠে চড়ে। পিচঢালা পথে ঘোড়ার পায়ের খট খট শব্দ শুনে অনেকেই অনুমান করে নিতেন এ যে কালাসোনা গ্রামের সাবেক জমিদার রহিম বক্স সরকার।
১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন। গোটা বাংলাদেশ তখন অচল। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ। জাতি পেয়ে যায় দিক নির্দেশনা। সবাই অনুমান করতে সমর্থ হলো বাঙালিরা একটি সশস্ত্র যুদ্ধের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। আর, দেশ জুড়ে চলছে এর প্রস্তুতি। গাইবান্ধাও কোনোক্রমেই বিচ্ছিন্ন নয় মহা সমরের প্রস্তুতিযজ্ঞ থেকে। একদিকে রাজপথের আন্দোলন। অন্যদিকে সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি। এই প্রস্তুতি হিসেবেই অন্যান্য শহরের ন্যায় গাইবান্ধাতে লুণ্ঠিত হয় ট্রেজারির অস্ত্র। এতে নেতৃত্বদেন জিন্নাত আলী সরকারের জেষ্ঠ্য পুত্র রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য অনার্স সমাপ্তকারি আব্দুল হাকিম খোকা এবং একই পাড়ার নজরুল ইসলাম। নজরুলও যুবক। তাঁর রক্তেও অনাদি অস্থি। আগুন ধরেছে উভয়ের যৌবনে। লুট করে নেয়া ৪০টি বন্দুক নিয়ে আসা হয় শহরের পূর্ব পাড়ায়। পলিথিনের পেপার দিয়ে পেছিয়ে ঢুকানো হলো পাটের ছালায়। তারপর পানির কুপের ভেতর রেখে দেয়া হয় প্রয়োজনে ব্যবহার করার তরে।
একাত্তরের ২৭ মার্চ। পাকিস্তানি হানাদার সৈন্য বাহিনী প্রবেশ করে শহরে। রংপুর থেকে এসে পাকি বাহিনী গাইবান্ধার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এর আগে প্রচুর ই.পি.আর. (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস। বাংলাদেশ হবার পর বি.ডি.আর। বর্তমানে নামকরণ হয়েছে বি.জি.বি) জোয়ান গাইবান্ধা শহরের উপর দিয়ে গিয়েছে ভারতে। তাদেরই একটি গ্রুপকে জানানো হলো এই অস্ত্র সম্ভারের কথা। গ্রুপে ছিলেন ৩৮ জন। প্রত্যেকেই একটি করে অতিরিক্ত রাইফেল হাতে তুলে নেন। কুয়া থেকে ৩৮টি রাইফেল চলে গেল যুদ্ধের মাঠে। আর দু’টি থেকে যায় কুয়াতেই। তারপরইতো পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রবেশ। শহরে প্রবেশকালে অঝোর ধারায় ঝরাচ্ছিল বুলেট। সামনে যাকে পাচ্ছে তার বুকই ঝাঝরা করে দিচ্ছে বুলেটে। ট্রিগার চাপছে টার্গেট করে। চাপছে টার্গেট বিহীন। আগুন দিচ্ছে বাড়ি-ঘরে। জ্বলে-পুড়ে ছাই ভস্মে পরিণত হচ্ছে চারদিক। গাইবান্ধা শহরে ছিল কিছু বিহারির বসবাস। সংখ্যায় খুব বেশি নয়। কিন্তু ২৫ মার্চের পর ওরা হয়েছে সশস্ত্র। পাকিস্তানি হানাদার সৈন্য বাহিনীর সমর্থনে ওরা হয়েছে প্রচন্ড ক্ষমতাশালী। নিজেরা হত্যা করছে বাঙালিদের। ওরা হত্যাকান্ড সংঘটিত করে চলেছে যত্রতত্র। বাংলাভাষীদের পেলেই চড়াও হচ্ছে যেখানে সেখানে। খুব দ্রুত সংযোগ ঘটে বিহারী এবং বাংলা মায়ের কুপুত্র জামায়াতের নেতা-কর্মিরা। উভয়েই বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে জেহাদে নেমেছে। হাত মিলিয়েছে মুসলিম লীগ, পি.ডি.পি. এবং নেজামে ইসলামও। স্বাগত জানায় ওরা রংপুর থেকে আসা পাকিস্তানি সৈন্যদের। শহরে প্রবেশ করে হায়না। ওরা হত্যা করছে মানুষ। পুড়াচ্ছে বাসা-বাড়ি, দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করছে অফিস আদালত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সবই। বিহারী আর জামায়াতদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী কিছু লোককে টার্গেটও করেছিলো। উনারা সবাই গাইবান্ধা শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তন্মধ্যে পূর্ব পাড়ারই স্বনামখ্যাত মজিবর ছিলেন অন্যতম।
গাইবান্ধা শহরে প্রথম দিন শহীদ হলেন মজিবর রহমান, করিমরা। তারপর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল হয়ে আরো কত শত। সে হিসেব নেই কারো কাছেই। সে হিসেব কষেণি কেউ। সে রকম গরজও যেন ছিলো না কারোর। এমন কি প্রথম দিন মোট কতজনকে হত্যা করেছিল, তাদের তালিকাও প্রণীত হয়নি আলাদা করে। তবে, শহরে এবং শহরের বাইরে বা দেশের অন্যান্য স্থানে গাইবান্ধা শহরের যাদের হত্যা করা হয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন :
১. বদিউল আলম চুনি। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র এবং ছাত্র ইউনিয়ন নেতা। শহরের বছির উদ্দিন আহমদের পুত্র চুনি তখন বুয়েটের আহসান উল্লাহ হল শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি। হলে অবস্থান করে করেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নানা কাজে ব্যাপৃত ছিলেন পুরো সময় জুড়ে। কিন্তু একেবারেই শেষের দিকে আসে আল বদর বাহিনী। তুলে নিয়ে যায় তাঁকে আলিয়া মাদরাসা মাঠে। তারপর আর জানা নেই কারো। কখন, কোথায়, কিভাবে হত্যা করেছে সে তথ্য দিতে পারেন নি কেউ। শহরের স্টেশন রোডে ছিল পিতার ঔষধের দোকান। সে ব্যবসায়েও সুনাম অর্জন করেছিলেন। বাস করতেন গোডাউন রোডে। ২. আবুল কাশেম খোকা শহরের পশ্চিম পাড়ার ইসমাইল হোসেনের পুত্র। ইসমাইল হোসেন একজন পুলিশ অফিসার। আর পুত্র আবুল কাশেম তখন গাইবান্ধা কলেজে ¯œাতক শ্রেণির ছাত্র। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বীরত্বের সঙ্গেঁ যুদ্ধ করেছেন ৫ নম্বর সেক্টরে। আর, যুদ্ধ করে করে জীবন উৎসর্গ করেছেন দোয়ারাবাজারে এক যুদ্ধে। এর আগে তাঁর বড় ভাইকে ধরে নিয়ে অমানসিক নির্যাতন করেছে পাকিস্তানি সৈন্যরা। ৩. আসাদুজ্জামান নবাব ছিলেন মুহুরিপাড়ার সন্তান। পিতা আজিজার রহমান। ৪. স্টেশন রোডের শহিদুল হক চৌধুরী। পিতার নাম আবু মোহাম্মদ ফজলুল করিম চৌধুরী। ৫. সৈয়দ আনোয়ার হোসেনকেও হত্যা করে গাইবান্ধা শহরে। তিনি সৈয়দ ইদ্রিস হোসেনের পুত্র এবং সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের ভাতিজা। বাস করতেন তারা এই শহরেই। পিতা ঔষধ ব্যবসায়ী। ছোট খাটো একটি ঔষধ কোম্পানির মালিক তিনি। আওয়ামী লীগ নেতা এবং সে সময় নির্বাচিত এমপি এ ওয়ালিউর রহমানের ঘনিষ্ট বন্ধু ছিলেন সৈয়দ ইদ্রিস হোসেন। শহীদ নজরুলসহ তাঁরা সবাই ছিলেন যোদ্ধা।
এছাড়াও নিজ নিজ বাড়িতে গিয়ে কিংবা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করেছে অসংখ্য অগণিত মানুষ। তাঁদের মধ্যেও কিছু কিছু নাম উল্লেখ করা যায় এভাবে :
১. ননী গোপাল সাহা, পিতা- মনোমোহন সাহা, থানাপাড়া পেশায় ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। ২. পরেশ নাথ প্রসাদ, পিতা-দ্বীপলাল প্রসাদ, থানাপাড়া। ৩. কেদারনাথ প্রসাদ, পিতা- রামহরণ প্রসাদ, থানাপাড়া। আসাদুজ্জামান স্কুলের শিক্ষক ছিলেন তিনি। ৪. দ্বীপলাল প্রসাদ, পিতা- রাজকলি প্রসাদ, চাকুরি করতেন গাইবান্ধা থেকে অনেক দূরে দিনাজপুরের কোথাও। সেখানেই হত্যা করেছিল তাঁকে। এই তিনজন ছিলেন একই পরিবারের সদস্য। এ পরিবারের অপর সদস্য গনেশ প্রসাদ ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির একজন নেতা। প্রকাশ্যে ন্যাপও করেছেন। এ কারণে হয়তো পাকিস্তানি সেনাদের কাছে অভিযোগ করে থাকতে পারে জামায়াত মুসলিম লীগাররা। ৫. বিজয় কুমার রায়। পিতা- গিরিষ রায়, ডেভিড কোম্পানী পাড়ায় বাস করতেন তারা। পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ৬. প্রকাশ চক্রবর্তী, পিতা-প্রমোদ কান্ত চক্রবর্তী, কালি বাড়ি রোড। ৭. জগৎ কর্মকার, পিতা- হারান কর্মকার, স্টেশন রোড। ৮. আব্দুল কুদ্দুছ, পিতা- মৌলভী এহসাহেন উদ্দিন। ওয়াপদা পাড়া। পুলিশ বিভাগে চাকুরি করতেন ময়মনসিংহে। সেখানেই হত্যা করে তাঁকে পাকি বাহিনী। ৯. আবু তৈয়ব, পিতা- কিসমত উল্লাহ মিয়া, পূর্ব কোমরলুইনে তাদের বাড়ি। আবু তৈয়বের চাচা ছিলেন শহরে আওয়ামী লীগের একজন বিশিষ্ট নেতা। আর তিনি চাকুরি করতেন সেতাবগঞ্জে। সেখানেই প্রাণ দিতে হয়েছে তাঁকে পাকিদের হাতে।
১০. উপেন্দ্র চন্দ্র রায়, পিতা- শম্ভুনাথ রায়। ১১. যোগেন্দ্র চন্দ্র রায়, পিতা- শম্ভুনাথ রায়। তাঁরা সহোদর ভাই। গাইবান্ধা শহরের নামকরা ব্যবসায়ী। মাতৃ ভান্ডার নামে একটি বিখ্যাত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন তারা। ১২. শ্যামাচরণ সাহা, পিতা- চাঁদ মোহন সাহা।

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার একটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম মিয়ারচর
  • বিভীষিকাময় একাত্তর শ্বাসরুদ্ধকর পাঁচঘণ্টা
  • সিলেটের প্রথম সংবাদপত্র এবং কবি প্যারীচরণ
  • সিলেটের প্রথম সাংবাদিক, প্রথম সংবাদপত্র
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • মুক্তিযোদ্ধা নজরুল এবং অন্যান্য
  • বানিয়াচং সাগরদিঘী
  • খুন ও ধর্ষণ করেছে চরমপন্থিরাও
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • গ্রামের নাম পুরন্দরপুর
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • জামালপুর একটি সমৃদ্ধ জনপদ
  • জীবন নিয়ে খেলছেন এডলিন মালাকারা
  • সিলেটের প্রাচীন ইতিহাস
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • মৃৎশিল্পের চিরকালীন মহিমা
  • পাক মিলিটারির ৭ ঘণ্টা ইন্টারগেশন
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • ঐতিহ্যবাহী গাজীর মোকাম
  • ইসলাম ও ইতিহাসে মুদ্রা ব্যবস্থা
  • Developed by: Sparkle IT