উপ সম্পাদকীয়

বয়স্কদের নিয়ে কিছু কথা

রায়হান আহমেদ তপাদার প্রকাশিত হয়েছে: ০৮-০৭-২০১৮ ইং ০৩:০৭:১৮ | সংবাদটি ৩৬ বার পঠিত

ইউরোপের দেশসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে আগ্রহী কর্মক্ষম অবসরপ্রাপ্তদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের সুযোগ দেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন কর্মে নিয়োজিত অবসরপ্রাপ্তরা সময় ব্যয় করেন। আয়-উপার্জন হয়, আবার দেশ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন তারা। অবসর জীবন তথা বৃদ্ধ বয়সেও কাজ করা যায় এবং কাজের মাধ্যমে সম্মান অর্জন সম্ভব। এক্ষেত্রে আমাদের দেশের চিত্রটা ভিন্ন। অনুন্নত দেশে বয়স্ক মানুষের গুরুত্ব অতি সামান্য। সারা জীবন যে লোকটি নিজ পরিবার তথা দেশের জন্য এত শ্রম দিলেন, এত ইমারত তৈরি করলেন, মানুষকে এত সেবা দিলেন, বয়োবৃদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন তার সবই মুছে গেল! একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষের পক্ষে এ দেশে পাবলিক বাসে ওঠা হয়রানির নামান্তর। বয়স্ক মানুষটি অর্থাৎ জ্যেষ্ঠ নাগরিক যদিও অতি কষ্টে বাসে উঠলেন, তাঁর জন্য কোনো সিট মিলল না। জোয়ান মানুষের ঠেলাঠেলিতে তিনি ঘর্মাক্ত হয়ে পিষ্ট হলেও তাঁকে দরদ দেখানোর মতো কোনো হৃদয়বান মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না। শারীরিক অসুস্থতা ও উচ্চরক্তচাপের কারণে যদি তিনি অনুযোগে চিৎকার করেন কিংবা একটু রাগ প্রদর্শন করেন, এর জন্য তাঁকে যে অমর্যাদার সম্মুখীন হতে হবে, তার বর্ণনা দেওয়া কঠিন। এ দেশে জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য কোনো যানবাহনে নির্ধারিত আসন নেই, কোনো চিকিৎসার সুব্যবস্থা নেই, ক্ষুধায় আহারের কোনো ব্যবস্থা নেই। অথচ বৃদ্ধ বয়সের এই দুঃসহ জীবন প্রায় সবাইকে পাড়ি দিতে হয়।
পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে জ্যেষ্ঠ নাগরিক (সিনিয়র সিটিজেন) বলে একটা কথা আছে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাঁদের গুরুত্ব স্বীকৃত। বিশেষ করে ৬৫ বছর বয়স হলে তাঁর জন্য পাবলিক কিংবা প্রাইভেট বাসে অথবা ট্রেনে আসনের অগ্রাধিকার রয়েছে। নামমাত্র ভাড়ায় কিংবা কোনো কোনো দেশে বিনা ভাড়ায় ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। অসুস্থ হলে ৯১১-এ টেলিফোন করলে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা হয়। প্রয়োজনে হাসপাতালে চিকিৎসার নিমিত্তে যাতায়াতের জন্য যানবাহনের নিয়মিত ব্যবস্থা করা হয়। আহার ও বাসস্থানের সমস্যা হলে গুরুত্বের সঙ্গে তা মেটানো হয়। বৃদ্ধ বয়সে সম্মানের সঙ্গে এমন সেবা এ দেশে এখনো অচিন্তনীয়।এইতো সেদিন একজন জ্যেষ্ঠ পেনশন ভোগী কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা। তিনি ২১ বছর আগে অবসরে গেছেন। সে সময় পে-স্কেল কম থাকার কারণে তিনি মাত্র দুই হাজার টাকা পেনশন পান। টাকার অঙ্কটি শুনে কিছুক্ষণ তাঁর ক্ষয়িষ্ণু দেহখানির দিকে তাকিয়ে রইলাম। জীবনসংগ্রামের ছাপ তাঁর মুখে দেখতে পেলাম আর ভাবলাম, যদি ২১ বছর আগে অবসর না হয়ে বর্তমান সময়ে অবসর হতো, তাহলে তাঁর পেনশনের পরিমাণ দুই হাজার টাকা না হয়ে একই পদে আট থেকে দশ হাজার টাকা হতো। তখনকার মূল্যস্ফীতির তুলনায় বর্তমানে মূল্যস্ফীতি অন্তত চার-পাঁচ গুণ বেশি তো হবেই! এমন যাতনা নিত্যদিন তাঁরা চোখ-মুখ বুজে সয়ে চলেছেন কিন্তু জ্যেষ্ঠ পেনশন ভোগীদের সপক্ষে কেউ কোনো পদক্ষেপ নিলেন না। এতকাল আগে অবসরে যাওয়ার অপরাধে আমরা তাঁদের ভুলে গেছি। এসব কারণে পেনশন তহবিলে জমা অঙ্কও যেন অবহেলিতভাবে অবমূল্যায়িত হয়ে চলেছে। যারা আগে অবসরে গিয়েছেন এবং বড় অংকের পেনশন পাননি তাঁদের অনেকে শেষ বয়সে এসে পেনশন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভরশীল।
বর্তমানে পেনশন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমিয়ে দেওয়ায় অনেক অবসরভোগীর পথে বসার উপক্রম হয়েছে। কেননা জীবন সায়াহ্নে এসে অন্য কেনো আয় বা ভরণপোষণের বিকল্প ব্যবস্থা তাঁদের অধিকাংশেরই নেই। বর্তমানে বাজারদর ঊর্ধ্বমুখী। তাছাড়া অনেকেই বাসা ভাড়া করে থাকেন।বৈবাহিক সূত্রে ও কর্মজীবনে র নানাবিধ পারিবারিক কারণে ছেলেমেয়েরা বয়স্ক বাবা-মা ও পরিবার-পরিজনের ভরণপোষণ ও অন্যান্য ব্যয়ভার নির্বাহ করা থেকে বিরত থাকে। তাছাড়া যাঁদের পুত্রসন্তান নেই তাঁরা সম্পূর্ণভাবে পেনশন ও সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপরই নির্ভরশীল। এ অবস্থায়, ৩/৪ জন বা ততোধিক সদস্য নিয়ে অবসরপ্রাপ্তদের খুবই সমস্যা সঙ্কুল দিন পার করতে হচ্ছে। চাকরিতে বয়স বৃদ্ধি তথা জ্যেষ্ঠতার সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটে, দক্ষতা বাড়ে, অর্জিত হয় নতুন নতুন অভিজ্ঞতা এবং অভিজ্ঞতার ভান্ডার হয় সমৃদ্ধ। জ্ঞানতো সীমাহীন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জ্ঞান অর্জন করলেও বলা যাবে না জ্ঞানার্জন শেষ হয়েছে- কোনো কিছুই অজানা নেই। তবে যিনি সাফল্যের সঙ্গে চাকরিজীবন শেষ করে অবসরে চলে গেছেন, তার জ্ঞানের পরিধি বেড়েছে বলা যাবে। চাকরি জীবনে তাকে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করতে হয়েছে এবং তিনি ধাপে ধাপে অর্জন করেছেন অভিজ্ঞতা। আর এই অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত হয়েছে জ্ঞান। অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানের ব্যাপারটিতো আলাদা কারণ এটি শুধু অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই অর্জিত হয়। জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করার বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই কাজটিতো সহজ নয়। জনসম্পদে পরিণত করার কাজটি দীর্ঘমেয়াদী, ব্যয়বহুল ও কঠিন। বিভিন্ন পদে চাকরি শেষে আজ যারা অবসরে আছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ দেশের সম্পদ। তারা প্রশিক্ষিত, দক্ষ এবং সর্বোপরি অভিজ্ঞ। অভিজ্ঞ সেবার বিকল্প নেই। অবসর গ্রহণের পর পুনরায় কাজে আগ্রহী কর্মক্ষম অবসরপ্রাপ্তরা ঘরে বসে সময় কাটাতে চান না। তাদের কাজের সুযোগ দিলে অবসর জীবন হয়ে উঠবে কর্মমুখর। জাতীয় উন্নয়নে আরও অবদান রাখতে পারবেন তারা। পুনরায় কাজে আগ্রহী কর্মক্ষম অভিজ্ঞ অবসরভোগী দের সংখ্যা খুব বেশি নেই আমাদের দেশে। সদিচ্ছা থাকলে তাদের সেবাদানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।
কিন্তু সেই সুযোগের তো বড়ই অভাব! চুক্তি ভিত্তিতে হোক আর যে ভিত্তিতেই হোক, খুব কম সংখ্যক লোক অভিজ্ঞ সেবাদানের সুযোগ পান আমাদের এখানে। আবার নিয়োগ বা কাজের সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি ও দলীয়করণের দৌরাত্ম্যটাই থাকে বেশি। চাকরির মেয়াদ শেষ হলে চাকরিজীবীদের অবসরে যেতে হয়। চাকরির সময়সীমা শেষ হলেও কেউ কেউ কর্মক্ষম ও কাজে আগ্রহী থাকেন, তারপরেও অবসরে যেতে হয় কারণ বিধি পরিপন্থী কাজ করা যায় না। যার শুরু আছে তার শেষও থাকবে এটাই বাস্তবতা। তাই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে মেয়াদ শেষে চাকরি থেকে অবসরগ্রহণ একটি স্বাভাবিক ঘটনা এবং বিধি অনুযায়ী এটি বাধ্যতামূলক।আমাদের এই গণতান্ত্রিক দেশে প্রতিবছর বিধিমোতাবেক শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এটা অনস্বীকার্য, আজ যারা অবসরজীবনে আছেন, তারা তাদের কার্যকালে স্ব-স্ব অবস্থানে কর্মরত থেকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন এবং দেশ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রেখে গেছেন। তারা বয়োজ্যেষ্ঠ। বয়স বৃদ্ধির কারণে চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ায় অবসর গ্রহণ করতে হয়েছে তাদের। তারা সকলের শ্রদ্ধা-ভালোবাসার যোগ্য। অবসর জীবনে মানুষের সাহচর্য-সহানুভূতি-সহমর্মিতা এবং সৌজন্যমূলক আচরণের প্রত্যাশা তাদের থাকবে। তাদের প্রতি ক্ষমতাসীন সরকারের সুদৃষ্টির প্রত্যাশা থাকাটাও স্বাভাবিক। কিন্তু কতটুকু মিলছে অবসর ভোগীদের প্রাপ্তি আর অবসর জীবনে তারা কেমন আছেন-এসব নিয়ে কেউ কি একটু ভাবেন? উত্তরটি আমার জানা নেই।তবে মূল্যবোধ তথা অবসরপ্রাপ্তদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী ও মানসিকতার বিষয়টি আজ প্রশ্নবিদ্ধ।
তাছাড়া তাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে ব্যবধান এবং এই ব্যবধান বাড়ছে বৈ কমছে না। শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আগের মতো আর নেই। এটাতো হৃদয়ের ব্যাপার। শ্রদ্ধা-ভালোবাসার আধার মানুষের হৃদয় ভুবনটি ক্রমান্বয়ে সংকুচিত হয়ে আসছে। ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে শ্রদ্ধা-ভালোবাসা। প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে এর অভাব বা ঘাটতি যা মোটেই সুখকর নয়। ভদ্রতা, সৌজন্যবোধ ও সৌজন্যমূলক আচরণও যেন হারিয়ে যাচ্ছে। সৌজন্যমূলক আচরণের পরিবর্তে কখনো কখনো করা হচ্ছে অসৌজন্যমূলক আচরণ যা মনোবেদনার কারণ ঘটাচ্ছে। আজ যারা কর্মরত আছেন, তারাও একদিন চাকরি শেষে অবসরে যাবেন। কিন্তু কেউ কেউ যেন ভুলেই যান এই সত্যটি। তাদের আচরণ ও কর্মকান্ড দেখে মনে হয় তারা আমৃত্যু চাকরিতে বহাল থাকবেন-অবসরে যাবেন না কখনো। এ দেশে অবসরভোগী ও বৃদ্ধদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী-মানসিকতা তেমন ইতিবাচক নয়। এখানে তাদের দিকে দৃষ্টিই দিতে চান না কেউ কেউ। তাই অভিজ্ঞ সেবাদানের সুযোগ পাওয়া লোকের সংখ্যা অতি নগণ্য। যতই কর্মক্ষম, দক্ষ আর অভিজ্ঞ হোক, অবসরপ্রাপ্তদের কোনো কাজে নিয়োগ নয়, সেবাদানের সুযোগ নয়’-এই নীতিটাই লক্ষ্য করা যায় যার মধ্য দিয়ে প্রতিফলন ঘটে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির। অবসর গ্রহণের কারণে শুধু সেবাদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত নয়, অন্যান্য সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হন অবসরভোগীরা। এমনকি সকল শর্ত পূরণ সাপেক্ষে গৃহনির্মাণ কার্যে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের সুযোগ পান না তারা। গৃহনির্মাণ খাতে ব্যাংকের ঋণদান কর্মসূচির আওতায় ঋণ না পাওয়ার একমাত্র কারণ চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ। অর্থাৎ অবসরভোগীদের জন্যই ব্যাংকের দরজা বন্ধ! সরকার অবসরপ্রাপ্তদের কোন্ দৃষ্টিতে দেখেন সে বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অপরিমেয় ত্যাগের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছিলাম আমাদের স্বাধীনতা। স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে এ পর্যন্ত সুদীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়েছে। সরকার পরিবর্তন ঘটেছে বারবার।
বর্তমানে সমাজকাঠামো দ্রুত ভাঙছে, বড় পরিবার ছোট হচ্ছে। বৃদ্ধদের দেখার প্রায়ই কেউই থাকে না। কাজেই অক্ষম, বয়োজ্যেষ্ঠ, পঙ্গু ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী, বিধবাদের জন্য আরও বেশি বরাদ্দ রাখার জন্য আবেদন রাখছি। সরকারি পর্যায়ে অধিক হারে সারা দেশে পঙ্গু, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধাশ্রম ও অনাথ শিশু আশ্রম নির্মাণ করা প্রয়োজন। বেসরকারি পর্যায়ে যাতে করে এসব আশ্রম অধিক হারে তৈরি হয়, সে জন্য করের সুবিধা প্রদান এবং আর্থিক অনুদান বৃদ্ধির মাধ্যমে উৎসাহিত করা যেতে পারে। এ উদ্দেশ্যে বর্তমান বাজেট থেকে ২-৩ শতাংশ পরিমাণ টাকা স্থানান্তর করলে কোনোরূপ অকল্যাণ বা অবিচার হবে না বলে মনে করি। এ দেশে শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হোক, বৃদ্ধ বয়সের ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ হোক, মানুষের জন্য খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হোক এবং সর্বোপরি বাজেট জনকল্যাণমুখী হোক। পরিশেষে বলব, মূল্যবোধের বিষয়টি উপেক্ষা করার মতো নয়। মূল্যবোধ আক্রান্ত হয় এমন কাজ হতে বিরত থেকে ভালো আচরণ ও কর্মকান্ডের দ্বারা মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকা উত্তম। শ্রদ্ধা-ভালোবাসা একতরফা হয় না। এটি পারস্পরিক ব্যাপার। শ্রদ্ধায় শ্রদ্ধালাভ আর ভালোবাসার বিনিময়ে পাওয়া যায় ভালোবাসা। আজ যারা বিভিন্ন পদে কর্মরত আছেন, তারাও একদিন অবসরে যাবেন। শ্রদ্ধা-ভালোবাসার প্রত্যাশা তাদের থাকবে। প্রত্যাশা থাকবে সাহচর্য-সহানুভূতি-সহমর্মিতা এবং সৌজন্যমূলক আচরণের।
লেখক : কলামিস্ট।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম নেয়া হোক
  • সিলেটের ডাক
  • নারীর প্রতি সহিংসতা প্রসঙ্গে
  • সিলেটের ডাকের শিশুমেলা
  • সবুজ প্রবৃদ্ধির কৌশল : পরিবেশ-প্রতিবেশ
  • এরদোগানের শাসনে তুরস্কের ভবিষ্যৎ
  • বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং নদী রÿার্থে করণীয়
  • পয়ত্রিশ বছরে সিলেটের ডাক
  • আমরা কি কেবল দর্শক হয়েই থাকব?
  • কাবিনবিহীন বিয়ে, প্রতারণা ও আমাদের আইন
  • স্মার্টফোনে বন্দি জীবন
  • দৃষ্টিপাত নেশার নাম ড্যান্ডি!
  • আইনজীবী-সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম চৌধুরী
  • সড়ক দুর্ঘটনায় লাশের মিছিল কবে শেষ হবে?
  • রাস্তাটির সংস্কার চাই
  • প্রযুক্তি ব্যবহারে সচেতনতা জরুরি
  • শিক্ষা ব্যবস্থা
  • আবর্জনা সমস্যা : উৎপাদনের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে
  • উচ্চশিক্ষায় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা প্রয়োজন
  • সিটি নির্বাচন : কাকে ভোট দেব?
  • Developed by: Sparkle IT