প্রথম পাতা হলফনামা বিশ্লেষণ ২০১৩-২০১৮ # ৭ কাউন্সিলরের আয় কমেছে # ৩ কাউন্সিলরের কোন আয় হয়নি

৫ বছরে ২৩ কাউন্সিলরের আয় বেড়েছে

প্রকাশিত হয়েছে: ১০-০৭-২০১৮ ইং ০৪:৩২:২৯ | সংবাদটি ১৮৪ বার পঠিত


কাউসার চৌধুরী : সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত ও সাধারণ ওয়ার্ডের ৩৬ কাউন্সিলরের মধ্যে গত ৫ বছরে ২৩ কাউন্সিলরের আয় বেড়েছে। সর্বোচ্চ ৪৪ লাখ টাকা আয় বেড়েছে মোখলেছুর রহমান কামরানের। আর ৭ কাউন্সিলরের আয় কমেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ লাখ টাকা কমেছে কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের। ৩ কাউন্সিলরের কোন আয় হয়নি। আরেক জনের আয় ৫ বছরে সমানে সমান। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত ও চলতি সিটি নির্বাচনে জমা দেয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে কাউন্সিলরদের আয়ের এমন চিত্র পাওয়া গেছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী এ বিষয়ে সিলেটের ডাককে বলেন, হলফনামায় দেয়া বর্ণনার চেয়ে বাস্তবে আয়ের পরিমাণ আরো বেশি। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি অনেকেই সঠিক হিসেব দেননি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে সরেজমিন অনুসন্ধান করা গেলে প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কোহিনুর ইয়াছমিন ঝর্ণার ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। চলতি নির্বাচনের হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেন তার আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। সে হিসেবে ৫ বছরে তার ২০ হাজার টাকা কমেছে।
সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহানারা খানম মিলনের ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ ছিল ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। ৫ বছরে তার আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। সে তুলনায় তার ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বেড়েছে।
সংরক্ষিত ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোছাঃ রেবেকা বেগমের ২০১৩ সালে আয় ছিল ২ লক্ষ ৮ হাজার ৮শ’ টাকা। ২০১৮ সালের হলফনামায় তার আয়ের পরিমাণ ১৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। এ হিসেবে ১১ লক্ষ ৬১ হাজার ২শ’ টাকা বেড়েছে।
সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমেনা বেগম রুমির ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ উল্লেখ করেননি। চলতি নির্বাচনে তিনি অংশ নেননি।
সংরক্ষিত ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দীবা রানী দে বাবলী ২০১৩ সালে উল্লেখ করেন তার কোনো আয় নেই। ৫ বছর পর ২০১৮ সালের হলফনামায় তিনি বলেছেন কোনো আয় নেই। তবে ৫ বছরে তিনি ৩ মামলার আসামী হলেও মামলাগুলো নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।
সংরক্ষিত ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহানারা বেগম ২০১৩ সালে উল্লেখ করেন আয়ের পরিমাণ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে এসে তার আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। সে হিসেবে তার ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
সংরক্ষিত ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামীমা স্বাধীন ২০১৩ সালে লিখেন কোনো আয় নেই। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। সে হিসেবে ৫ বছরে ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
সংরক্ষিত ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সালেহা কবীর সেপী ২০১৩ সালে উল্লেখ করেন আয়ের পরিমাণ ২ লক্ষ টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা। তার ২ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা বেড়েছে।
সংরক্ষিত ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ ২০১৩ সালে আয় করতেন ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তার ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা আয় বেড়েছে। ৫ বছরে ১ মামলার আসামী হলেও মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।
সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদীর ২০১৩ সালে আয় ছিল ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ১০ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। এ তুলনায় তার ৮ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা বেড়েছে।
২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ রাজিক মিয়ার ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ ছিল ১ লক্ষ টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৬৮২ টাকা। তার ৫ লক্ষ ২৬ হাজার ৬৮২ টাকা আয় বেড়েছে।
৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস.এম আবজাদ হোসেন আমজাদ ২০১৩ সালে ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা আয় করতেন। ২০১৮ সালে তার আয় ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ৫ বছরে তার ১ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা আয় কমেছে।
৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান লোদী কয়েস লোদীর ২০১৩ সালে আয় ছিল ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা। সে হিসেবে তার ২ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা বেড়েছে।
৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদের ২০১৩ সালে আয় ছিল ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮১৮ টাকা। ২০১৮ সালে তার আয় ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। তার ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮১৮ টাকা আয় কমেছে।
৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীমের ২০১৩ সালে আয় ছিল ৬ লক্ষ ৪২ হাজার ৬৬৭ টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ৫ বছরে তার ২ লক্ষ ২২ হাজার ৬৬৭ টাকা কমেছে।
৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফতাব হোসেন খানের ২০১৩ সালে আয় ছিল ১ লক্ষ টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ২ লক্ষ ৫৭ হাজার টাকা। তার ১ লক্ষ ৫৭ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমানের ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ উল্লেখ করেননি। এ বছরও উল্লেখ করেন তার আয় নেই।
৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোখলেছুর রহমান কামরানের ২০১৩ সাল আয় ছিল ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৪৬ লক্ষ ৬৪ হাজার ৮শ’ টাকা। ৫ বছরে তার ৪৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৮শ’ টাকা বেড়েছে।
১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এডভোকেট সালেহ আহমদ চৌধুরীর ২০১৩ সালে আয় ছিল ১ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫শ’ টাকা। তার ৩ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫শ’ টাকা বেড়েছে।
১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রকিবুল ইসলাম ঝলক ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ উল্লেখ করেননি ২০১৮ সালেও উল্লেখ করেন তার আয় নেই।
১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সিকন্দর আলীর ২০১৩ সালে আয় ছিল ৩ লক্ষ টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। তার ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা বেড়েছে।
১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শান্তনু দত্ত সনতুর আয় আয় ছিল ৪ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৮ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। তার ৩ লক্ষ ৮১ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মুনিমের আয় ছিল ৩ লক্ষ ২ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয় ৮ লক্ষ ৮০ হাজার ৯২১ টাকা। তার ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ৯২১ টাকা আয় বেড়েছে।
১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছয়ফুল আমীন বাকেরের আয় ছিল ৬০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তার ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মুহিত জাবেদের ২০১৩ সালের হলফনামা পাওয়া যায়নি। ২০১৮ সালে তার আয় ছিল ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।
১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন সজিবের ২০১৩ সালে আয় ছিল ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ৫ বছরে তার আয় যেমন বাড়েনি তেমনি ব্যয়ও বাড়েনি।
১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ.বি.এম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বলের আয় ছিল ৮ লক্ষ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ১১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৩১ টাকা। তার ৩ লক্ষ ৪ হাজার ১০৮ টাকা আয় বেড়েছে।
১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দিনার খান হাসুর আয় ছিল ৪ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৭ লক্ষ ৭১ হাজার ১৬২ টাকা। তার ৩ লক্ষ ৩ হাজার ১৬২ টাকা বেড়েছে।
২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের আয় ছিল ২০ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৭ লক্ষ ১১ হাজার টাকা। তার ১৩ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা আয় কমেছে।
২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুর রকিব তুহিনের আয় ছিল ২ লক্ষ ৫ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয় ৬ লক্ষ ৯২ হাজার ৫৩৩ টাকা। তার ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫৩৩ টাকা আয় বেড়েছে।
২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিনের আয় ছিল ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৩৫ হাজার টাকা। তার ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা আয় কমেছে।
২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাক আহমদের আয় ছিল ৮৩ হাজার ৬৭৯ টাকা। ২০১৮ সালে আয় ৫ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৩৬ টাকা। তার ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল আহমদ রিপনের আয় ছিল ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। তার ৩০ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাকবির ইসলাম পিন্টুর আয় ছিল ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা। তার ৪ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
২৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌফিক বকস লিপনের ২০১৩ সালে আয় ছিল ৬ লক্ষ ২ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয় ৩ লক্ষ ২৮ হাজার ১৬৭ টাকা। তার ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮৩৩ টাকা আয় কমেছে।
২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল জলিল নজরুলের ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ উল্লেখ করেন ৭ লক্ষ ৭০ হাজার ৫শ’ টাকা। সে তুলনায় ৫ বছরে তার ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার ৫শ’ টাকা আয় বেড়েছে।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • সারাদেশে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান শুরু: আইজিপি
  • ‘রুটিন চেকআপের জন্য’ সিএমএইচে এরশাদ -------জাতীয় পার্টি
  • থার্টিফার্স্টে কোনো উদযাপন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দেওয়ান ফরিদ গাজীর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • কলকাতার যাদবপুর থেকে নিখোঁজ সাংবাদিক সৈয়দ হারুন-অর রশীদের
  • সিলেটের ১৮ আসনে নতুন ভোটার ৮ লাখ ৪০ হাজার ১৯২ জন
  • খালেদা জিয়াকে নিয়ে বই প্রকাশ
  • শরিকদের ‘৬৫ থেকে ৭০ আসন’ ছাড়বে আ. লীগ
  • নির্বাচনে সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে: সেনাপ্রধান
  • আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে ইসিতে আ.লীগ
  • কাদেরের বক্তব্যের জবাবে ফখরুল তারেক রহমানের ভিডিও কনফারেন্স বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয়
  • তারেক কীভাবে সাক্ষাৎকারে, ইসিকে প্রশ্ন কাদেরের
  • ভিডিও কনফারেন্সে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন তারেক
  • তারেকের বিষয়ে কী করার আছে, দেখবে ইসি
  • সিইসিকে মামলার তালিকা দিল বিএনপি
  • সিলেটে অনুপস্থিত ১৩ হাজার ১শ ৪৪ পরীক্ষার্থী
  • ৫ম দিনে আদায় সোয়া ৭ কোটি টাকা
  • হবিগঞ্জ-১ আসনে ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচন করছেন ড. রেজা কিবরিয়া
  • আলোচনায় ইলিয়াসপুত্র আবরার
  • জাতিসংঘে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের টেকসই পুনর্বাসনে রেজুলেশন গৃহীত
  • Developed by: Sparkle IT