প্রথম পাতা হলফনামা বিশ্লেষণ ২০১৩-২০১৮ # ৭ কাউন্সিলরের আয় কমেছে # ৩ কাউন্সিলরের কোন আয় হয়নি

৫ বছরে ২৩ কাউন্সিলরের আয় বেড়েছে

প্রকাশিত হয়েছে: ১০-০৭-২০১৮ ইং ০৪:৩২:২৯ | সংবাদটি ১৫৯ বার পঠিত


কাউসার চৌধুরী : সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত ও সাধারণ ওয়ার্ডের ৩৬ কাউন্সিলরের মধ্যে গত ৫ বছরে ২৩ কাউন্সিলরের আয় বেড়েছে। সর্বোচ্চ ৪৪ লাখ টাকা আয় বেড়েছে মোখলেছুর রহমান কামরানের। আর ৭ কাউন্সিলরের আয় কমেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ লাখ টাকা কমেছে কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের। ৩ কাউন্সিলরের কোন আয় হয়নি। আরেক জনের আয় ৫ বছরে সমানে সমান। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত ও চলতি সিটি নির্বাচনে জমা দেয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে কাউন্সিলরদের আয়ের এমন চিত্র পাওয়া গেছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী এ বিষয়ে সিলেটের ডাককে বলেন, হলফনামায় দেয়া বর্ণনার চেয়ে বাস্তবে আয়ের পরিমাণ আরো বেশি। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি অনেকেই সঠিক হিসেব দেননি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে সরেজমিন অনুসন্ধান করা গেলে প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কোহিনুর ইয়াছমিন ঝর্ণার ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। চলতি নির্বাচনের হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেন তার আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। সে হিসেবে ৫ বছরে তার ২০ হাজার টাকা কমেছে।
সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহানারা খানম মিলনের ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ ছিল ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। ৫ বছরে তার আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। সে তুলনায় তার ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বেড়েছে।
সংরক্ষিত ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোছাঃ রেবেকা বেগমের ২০১৩ সালে আয় ছিল ২ লক্ষ ৮ হাজার ৮শ’ টাকা। ২০১৮ সালের হলফনামায় তার আয়ের পরিমাণ ১৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। এ হিসেবে ১১ লক্ষ ৬১ হাজার ২শ’ টাকা বেড়েছে।
সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমেনা বেগম রুমির ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ উল্লেখ করেননি। চলতি নির্বাচনে তিনি অংশ নেননি।
সংরক্ষিত ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দীবা রানী দে বাবলী ২০১৩ সালে উল্লেখ করেন তার কোনো আয় নেই। ৫ বছর পর ২০১৮ সালের হলফনামায় তিনি বলেছেন কোনো আয় নেই। তবে ৫ বছরে তিনি ৩ মামলার আসামী হলেও মামলাগুলো নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।
সংরক্ষিত ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহানারা বেগম ২০১৩ সালে উল্লেখ করেন আয়ের পরিমাণ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে এসে তার আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। সে হিসেবে তার ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
সংরক্ষিত ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামীমা স্বাধীন ২০১৩ সালে লিখেন কোনো আয় নেই। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। সে হিসেবে ৫ বছরে ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
সংরক্ষিত ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সালেহা কবীর সেপী ২০১৩ সালে উল্লেখ করেন আয়ের পরিমাণ ২ লক্ষ টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা। তার ২ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা বেড়েছে।
সংরক্ষিত ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ ২০১৩ সালে আয় করতেন ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তার ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা আয় বেড়েছে। ৫ বছরে ১ মামলার আসামী হলেও মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।
সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদীর ২০১৩ সালে আয় ছিল ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ১০ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। এ তুলনায় তার ৮ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা বেড়েছে।
২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ রাজিক মিয়ার ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ ছিল ১ লক্ষ টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৬৮২ টাকা। তার ৫ লক্ষ ২৬ হাজার ৬৮২ টাকা আয় বেড়েছে।
৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস.এম আবজাদ হোসেন আমজাদ ২০১৩ সালে ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা আয় করতেন। ২০১৮ সালে তার আয় ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ৫ বছরে তার ১ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা আয় কমেছে।
৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান লোদী কয়েস লোদীর ২০১৩ সালে আয় ছিল ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা। সে হিসেবে তার ২ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা বেড়েছে।
৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদের ২০১৩ সালে আয় ছিল ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮১৮ টাকা। ২০১৮ সালে তার আয় ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। তার ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮১৮ টাকা আয় কমেছে।
৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীমের ২০১৩ সালে আয় ছিল ৬ লক্ষ ৪২ হাজার ৬৬৭ টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ৫ বছরে তার ২ লক্ষ ২২ হাজার ৬৬৭ টাকা কমেছে।
৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফতাব হোসেন খানের ২০১৩ সালে আয় ছিল ১ লক্ষ টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ২ লক্ষ ৫৭ হাজার টাকা। তার ১ লক্ষ ৫৭ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমানের ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ উল্লেখ করেননি। এ বছরও উল্লেখ করেন তার আয় নেই।
৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোখলেছুর রহমান কামরানের ২০১৩ সাল আয় ছিল ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৪৬ লক্ষ ৬৪ হাজার ৮শ’ টাকা। ৫ বছরে তার ৪৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৮শ’ টাকা বেড়েছে।
১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এডভোকেট সালেহ আহমদ চৌধুরীর ২০১৩ সালে আয় ছিল ১ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫শ’ টাকা। তার ৩ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫শ’ টাকা বেড়েছে।
১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রকিবুল ইসলাম ঝলক ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ উল্লেখ করেননি ২০১৮ সালেও উল্লেখ করেন তার আয় নেই।
১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সিকন্দর আলীর ২০১৩ সালে আয় ছিল ৩ লক্ষ টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। তার ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা বেড়েছে।
১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শান্তনু দত্ত সনতুর আয় আয় ছিল ৪ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৮ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। তার ৩ লক্ষ ৮১ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মুনিমের আয় ছিল ৩ লক্ষ ২ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয় ৮ লক্ষ ৮০ হাজার ৯২১ টাকা। তার ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ৯২১ টাকা আয় বেড়েছে।
১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছয়ফুল আমীন বাকেরের আয় ছিল ৬০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তার ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মুহিত জাবেদের ২০১৩ সালের হলফনামা পাওয়া যায়নি। ২০১৮ সালে তার আয় ছিল ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।
১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন সজিবের ২০১৩ সালে আয় ছিল ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ৫ বছরে তার আয় যেমন বাড়েনি তেমনি ব্যয়ও বাড়েনি।
১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ.বি.এম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বলের আয় ছিল ৮ লক্ষ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ১১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৩১ টাকা। তার ৩ লক্ষ ৪ হাজার ১০৮ টাকা আয় বেড়েছে।
১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দিনার খান হাসুর আয় ছিল ৪ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৭ লক্ষ ৭১ হাজার ১৬২ টাকা। তার ৩ লক্ষ ৩ হাজার ১৬২ টাকা বেড়েছে।
২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের আয় ছিল ২০ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৭ লক্ষ ১১ হাজার টাকা। তার ১৩ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা আয় কমেছে।
২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুর রকিব তুহিনের আয় ছিল ২ লক্ষ ৫ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয় ৬ লক্ষ ৯২ হাজার ৫৩৩ টাকা। তার ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫৩৩ টাকা আয় বেড়েছে।
২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিনের আয় ছিল ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৩৫ হাজার টাকা। তার ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা আয় কমেছে।
২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাক আহমদের আয় ছিল ৮৩ হাজার ৬৭৯ টাকা। ২০১৮ সালে আয় ৫ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৩৬ টাকা। তার ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল আহমদ রিপনের আয় ছিল ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। তার ৩০ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাকবির ইসলাম পিন্টুর আয় ছিল ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা। তার ৪ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা আয় বেড়েছে।
২৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌফিক বকস লিপনের ২০১৩ সালে আয় ছিল ৬ লক্ষ ২ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে আয় ৩ লক্ষ ২৮ হাজার ১৬৭ টাকা। তার ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮৩৩ টাকা আয় কমেছে।
২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল জলিল নজরুলের ২০১৩ সালে আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তার আয়ের পরিমাণ উল্লেখ করেন ৭ লক্ষ ৭০ হাজার ৫শ’ টাকা। সে তুলনায় ৫ বছরে তার ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার ৫শ’ টাকা আয় বেড়েছে।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • জাতিসংঘ বলেছে, দেখবে: ফখরুল
  • জাতিসংঘ মহাসচিবের নামেও প্রতারণা বিএনপি’র: কাদের
  • মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মৌলভীবাজারে অর্ধ দিবস হরতাল কাল
  • রাজনগরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদন্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক আসামীর মৃত্যু
  • গোলাপগঞ্জ পৌরসভার উপনির্বাচন : মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ আজ
  • টিলাগড়ে সিএনজি অটোরিক্সা চালকদের সড়ক অবরোধ
  • আসামী বিএনপি’র আড়াই শতাধিক নেতাকর্মী
  • ১ম ও ২য় শ্রেণির চাকরিতে কোটা না রাখার সুপারিশ
  • হাসিনা-মোদি বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপ লাইন নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন আজ
  • প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রতিবেদন সংসদে
  • কোটা নিয়ে সরকারের পদক্ষেপ ইতিবাচক, তবে আন্দোলন চলবে
  • শিশু আইনে সিলেটে ৬৫৬ মামলা বিচারাধীন
  • বৃষ্টির পর ফের ভ্যাপসা গরম অতিষ্ঠ জনজীবন
  • ক্ষমতার পালাবদল নয়,পরিবর্তন চাই
  • সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন ১৪২ বন্দী
  • আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের কিংবদন্তী সাবেক এমপি মুক্তিযোদ্ধা শাহ আজিজুর রহমান আর নেই
  • সিলেটে বিএনপি সভাপতির বাসায় পুলিশের অভিযান ॥ আটক ৬
  • শান্তি-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা একটি দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত : প্রধানমন্ত্রী
  • সিলেটে তিন আ’লীগ নেতা- নেত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের জন্যে প্রধানমন্ত্রীর ১০ লাখ টাকা অনুদান
  • খালেদার মেডিকেল বোর্ড নিয়ে বিএনপির সংশয়
  • Developed by: Sparkle IT