প্রথম পাতা নির্বাচনের গণরায় মেনে নেবার অঙ্গীকার

জনগণের মুখোমুখি ৭ মেয়র প্রার্থী

প্রকাশিত হয়েছে: ১২-০৭-২০১৮ ইং ০৪:০৪:৪৫ | সংবাদটি ২৫২ বার পঠিত

কাউসার চৌধুরী : আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৭ মেয়র প্রার্থী নির্বাচিত হলে পারস্পরিক সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার পাশাপাশি তারা নির্বাচনী গণরায় মাথা পেতে নেবার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। আচরণবিধি মেনে চলারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। গতকাল বুধবার দুপুরে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে তারা এই অঙ্গীকার করেন। নগরীর রিকাবীবাজারস্থ মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতেই নাগরিকদের মধ্য থেকে মেয়র প্রার্থীদের নিকট ৪ জন নাগরিক তাদের প্রত্যাশা তুলে ধরেন। যাতে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই অবাধে ভোট দিতে পারেন, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, কালো টাকা মুক্ত নির্বাচন হয়, আচরণবিধি মেনে চলতে প্রার্থীদের কাছে তাদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন নাগরিকরা। ৭ প্রার্থী ১৩টি বিষয়ের উপর সুজনের অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন। মেয়র প্রার্থীরা প্রত্যেকে ৫ মিনিট করে সিটি কর্পোরেশন নিয়ে তাদের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। এ সময় প্রার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
সুজন সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।
অনুষ্ঠানে ৭ মেয়র প্রার্থী বিজয়ী হলে ফুটপাত দখলমুক্ত, জলাবদ্ধতা নিরসন, যানজট নিরসন, মাদক নির্মূলসহ ক্লিন সিলেট গড়ার ঘোষণা দেন।
আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান তার বক্তব্যে বলেন, স্বপ্ন দুই ধরনের। অনেক সময় ঘুমের ঘোরে আমরা স্বপ্ন দেখি। আরেকটা স্বপ্ন হলো যখন আমরা ঘুমে থাকি না, কোনো বিষয়কে নিয়ে যখন আমরা পরিকল্পনা করি সেটাকেও একটা স্বপ্নে পরিণত করি। সুতরাং স্বপ্নবিহীন মানুষ ভালো কিছু করতে পারে না। স্বপ্ন দেখাটা খুবই ভালো। এই পুণ্যভূমি সিলেট এক সময় একটা ছোট্ট শহর ছিল। ১৮৭৮ সালে সিলেট পৌরসভা সৃষ্টি হয়। ৫ ওয়ার্ড নিয়ে ছিল সিলেট পৌরসভা। কালের আবর্তনে সেই পৌরসভা সিটি কর্পোরেশনে পরিণত হয়েছে। এটা বিভাগীয় শহর। এই শহরের জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি। মেয়রের দায়িত্ব কেবলমাত্র রাস্তা, ড্রেন আর কালভার্টের উন্নয়ন নয়। সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব হলো ঐ নগরীর নাগরিকবৃন্দ ভোরে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে আবার গভীর রাতে ঘরে গিয়ে শোয়ার আগ পর্যন্ত নিরাপদে যাতে প্রত্যেকটি মানুষ তার নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছতে পারে তার আগ পর্যন্ত মেয়রের একটা দায়িত্ব থাকে।
তিনি বলেন, সিলেট আধ্যাত্মিক নগরী, পর্যটন নগরী, প্রবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল। সিলেট সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নগরী। সিলেটের মানুষের আবেগ অনুভূতিকে একত্রিত করে কাজ করতে পারলেই বাস্তবক্ষেত্রে তখন নগরবাসীর উন্নয়ন হবে। রাস্তাঘাট, কালভার্টের কাজ হলো রুটিন ওয়ার্ক। এসব প্রতিনিয়ত করতেই হয়। যুবসমাজ ও নারীদের উন্নয়নে পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
কামরান বলেন, নির্বাচন এলে আমরা হয়ে যাই রোগী, আর আপনারা (ভোটাররা) হয়ে যান ডাক্তার, বার বার আপনাদের কাছে আসি। নির্বাচনের পরে আমরা হয়ে যাই ডাক্তার আর আপনারা হয়ে যান রোগী। আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ- উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এটা কেবল নির্বাচন কমিশনেরই দায়িত্ব নয় আমরা যারা প্রার্থী, আমরা যদি নির্বাচন কমিশন, জনগণকে সহযোগিতা করি তাহলে নিশ্চয়ই ভালো নির্বাচন উপহার দিতে পারবো।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী তার বক্তব্যের শুরুতেই সুজন’র কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, সব আছে কিন্তু নির্বাচনে কারচুপি বন্ধ করার কোনো কৌশল তাদের এই অনুষ্ঠানে নেই। তিনি বলেন, বিগত দিন নগরবাসী আমাকে নির্বাচিত করেছিলেন। আমি তাদেরকে ৫ বছর সেবা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত ৫ বছরের মধ্যে ৩টি বছরই আমি কারাগারে ছিলাম। ২ বছর আমি নগরীর কাজ করেছি। বাস্তব অর্থে এই নগরী পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেনি বিধায় আমাদের অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। ২০১০ সালে একটি মাস্টার প্ল্যান হয়েছিল এবং সেটা গেজেটও হয়েছিল।
মাস্টার প্ল্যানের বর্ণনা দিয়ে সদ্য সাবেক মেয়র আরিফ বলেন, মাস্টার প্ল্যান হাতে নিয়ে দেখি, আজকে যেখানে নির্বাচন অফিস হয়েছে (মেন্দিবাগ) সেটা কিন্তু মাস্টার প্ল্যানে ছিল একটি পার্ক। মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নকারী সংস্থা শুধু সিলেট সিটি কর্পোরেশন নয়। এর সাথে সেবামূলক সকল প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত। এই মাস্টার প্ল্যান নিয়ে সিলেটে সেমিনার করেছিলাম। মাননীয় অর্থমন্ত্রী সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন। বাংলাদেশের খ্যাতনামা প্রকৌশলী, জাতীয় অধ্যাপক, প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরীসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসরগণ সেখানে ছিলেন। এই মাস্টার প্ল্যানকে তারা ‘অবাস্তব’ বলে মন্তব্য করেন। আমি সেটাকে রিভিউ এর জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছি।
২০১০ এর মাস্টার প্ল্যানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আম্বরখানা থেকে কোর্ট পয়েন্ট পর্যন্ত রাস্তা যদি ৮০ ফুট চওড়া করতে হয়, কাজলশাহ থেকে যদি কুমারপাড়া পয়েন্ট-নাইওরপুল পয়েন্ট পর্যন্ত ৮০ ফুট করতে হয়, লামাবাজার থেকে টিলাগড় পর্যন্ত যদি ৮০ ফুট করতে হয়, প্রত্যেকটা পয়েন্টে যদি ১২৫ ফুট করতে হয় তাহলে এই নগর আর নগর থাকবে না। এই ধরনের অবাস্তব একটা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কার্যক্রম করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন এ দেশের খ্যাতনামা প্রকৌশলীরা। এই শহরের বেসিক কিছু সমস্যা ছিল। যেমন জলাবদ্ধতা। তিনি বলেন, এই নগরে আমি যা করেছি তা দৃশ্যমান। যা করতে পারিনি যদি সুযোগ পাই তাহলে এর বাস্তবায়ন করবো। আমি যা স্বপ্ন দেখি তার বাস্তবায়ন করি। যা বলি তা করি।
সিলেটের রাজনীতির ঐতিহ্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, এখানে যেন কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফলে পবিত্র মাটির সুনাম নষ্ট না হয়। পবিত্র মাটির কেউ সেটাকে বরদাশত করবে না।
স্বতন্ত্র প্রার্থী এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের তার বক্তব্যে বলেন, ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতি বিজড়িত আধ্যাত্মিক রাজধানী খ্যাত এই সিলেট। সিলেট হলো পর্যটন নগরী। দেশ-বিদেশে সম্মানের চোঁখে দেখা হয় এই নগরকে। ২০০৩ সালে প্রথম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হয়েছে। ২০০৮ ও ২০১৩ সালে ২য় ও ৩য় নির্বাচন হয়েছে। এখন ৪র্থ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সিলেট নগরে প্রতিদিন হাজার মানুষ কেবল দেখতে আসেন। এই শহরকে পরিবেশবান্ধব, পর্যটনবান্ধব, ক্লিন শহর হিসেবে গড়ে তুলবো। এর জন্য প্রয়োজন একজন সাহসী, নীতিবান, কর্মক্ষম জনপ্রতিনিধি। ১৫ বছরে জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। স্বপ্নের শহর গড়তে হলে শহরের বিস্তৃতি বাড়াতে হবে। ২০০৬ সালে গেজেটে সিলেট সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নকে নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়। কিন্তু এখনো সেটির বাস্তবায়ন হয়নি। এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। শহর বর্ধিত না হলে কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের সমন্বয় নেই। একেকটি প্রতিষ্ঠান একেক সময় কাজ করে। এর জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা- বাস্তব ভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, ফুটপাত মুক্ত করবো। কিন্তু তাদেরকে কাজের সুযোগ করে দিতে হবে। স্বপ্নের নগর গড়তে তিনি সকলের সহযোগিতা চান।
বিএনপি’র বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম তার রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে বলেন, ৩৯ বছর ধরে আমার বুকে একটি প্রতীক দেখতাম। আজ আমি সিম্পুল। আমার মাথায় আল্লাহর ঘর কাবার চিহ্ন। আজ কিন্তু আমি ভালো নেই। আমি আহত। আহত অবস্থায় সিরিয়াস ইনজুরি নিয়ে আমাকে অনুষ্ঠানে আসতে হয়েছে। ৩৯ বছর পর আমি ‘কুল্লি খালাস-কুরবানী’। একটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে।
বদরুজ্জামান সেলিম বলেন, ১ বছর ধরে চেষ্টা করেও মনোনয়ন পাইনি। কারণ আল্লাহর হুকুম হয়নি। আমি বলেছিলাম নির্বাচন করবো-করছি। যা বলি তাই করি। দল থেকে বহিষ্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কুরবানী এসেছে- কুরবানীকে কবুল করে নিয়েছি কিন্তু নির্বাচন থেকে সরে যাইনি। হাসিমুখে সেই কুরবানী কবুল করে মেনে নিয়েছি। নগরবাসী আমাকে নির্বাচিত করলে সৌন্দর্য বর্ধনে যা করার দরকার তাই করবো। পরিকল্পিতভাবে সুন্দর নগরী- তিলোত্তেমা নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো।
মঞ্চে উপস্থিত সাবেক মেয়র আরিফ ও কামরানের দিকে ইঙ্গিত করে সেলিম বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক দুইজন মাননীয় মেয়র যে কাজ করছেন, যতই বাহাবা নেন না কেন- আমি মনে করি অপরিকল্পিত অনেক কাজ করেছেন। অনেক ফুটপাত আছে রাস্তা থেকে ৫ ফুট উঁচু।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় যে তরিকায় নির্বাচন করছে সেই তরিকায় না করে যদি শাহজালাল (রহঃ) ও শাহপরান (রহঃ) ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমিতে ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন হয় তাহলে সিলেটবাসী ইতিহাস সৃষ্টি করবেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী প্রফেসর ডাঃ মোয়াজ্জেম হোসেন খান বলেন, প্রতিটি মসজিদে সাবাহী মক্তব চালুসহ মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গীর্জায় মাসোহারা ভিত্তিতে বরাদ্দ দেয়া হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে মেটারনিটি সেন্টারসহ শিশুদের জন্য চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। মহিলা ও শিশুদের জন্য বিনোদনকেন্দ্র করা হবে যেখানে পুরুষের প্রবেশাধিকার থাকবে না। শরীয়ত বিরোধী কাজ প্রতিহত করবেন বলেও তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
সিপিবি-বাসদ সমন্বিত বাম জোটের প্রার্থী মোঃ আবু জাফর তার বক্তব্যে বলেন, এই নগরকে বসবাসযোগ্য-আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ফুটপাত হকার ও যানজটমুক্ত করাটা এই মুহূর্তে জরুরি। টাউন বাস সার্ভিস চালু করে যানজট নিরসন করা হবে। সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে গরিবের সন্তানদের পড়ালেখা নিশ্চিত করা হবে। দেশপ্রেমের চেতনায় যুবসমাজকে গড়তে পাড়ায় পাড়ায় পাঠাগার গড়তে চাই।
স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এহছানুল হক তাহের বলেন, নগরীর সমস্যা সমাধানের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ছিলাম। যুবসমাজের জন্য কাজ করেছি। মশা নিধনের জন্য কিছুদিন আগেও মশারি কর্মসূচি পালন করি। মানুষের জন্য কাজ করতেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। পরিকল্পিত নগরায়ন করা গেলে সিলেট নগরী অনেক এগিয়ে যাবে। সকলের মতামত নিয়ে পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলবেন বলে তিনি ঘোষণা দেন।
মেয়র প্রার্থীদের বক্তব্যের পর ‘জনগণের মুখোমুখি’ পর্বে ৭ মেয়র প্রার্থীকে দু’টি করে মোট ১৪ জন নাগরিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন। এ সময় মেয়র প্রার্থীরা নগরীর উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ছড়া উদ্ধার, মাদক নির্মূল, ফুটপাত হকারমুক্তকরণ, যানজট নিরসনসহ নানা বিষয়ের করা নাগরিকদের প্রশ্নের জবাব দেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সুজন সিলেটের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহ সাহেদা আক্তার। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

 

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • বিশ্বনাথে একই পরিবারের ৭ জন দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের
  • নবীগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
  • নবীগঞ্জের করগাঁওয়ে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
  • নবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী নিহত
  •   ম্যাচ প্রিভিউ ইন্ডিয়াকে হারাতে লড়তে হবে টাইগারদের
  • কানাইঘাট থানা পুলিশের অভিযানে ডাকাতি মামলার ২ আসামী গ্রেফতার
  • শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ সড়কে গাছ ফেলে গণডাকাতি
  • বিএনপি নেতৃবৃন্দের নিন্দা
  • হবিগঞ্জকে মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার করলেন নবাগত পুলিশ সুপার
  • দুই ছাত্র বহিষ্কার এসআইইউ শিক্ষার্থীরা ফের আন্দোলনে
  • ফলোআপ : বিশ্বনাথে কিশোরী রুমী হত্যাকান্ড ঘাতক শফিকসহ গ্রেফতারকৃত ৪ জনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি
  • কোটা বাতিলের সুপারিশে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন
  •   দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক ৯ কোটি ছাড়াল
  • দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন সমাপ্ত
  • প্রধানমন্ত্রী লন্ডন যাচ্ছেন আজ
  • বর্তমান সরকারের ১০ বছরে দেশের প্রতিটি সেক্টরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে
  • আফগানদের কাছে বাংলাদেশের ‘অসহায় আত্মসমর্পণ’
  • ভোলাগঞ্জের রূপ-সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে
  • হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর ভাটি এলাকায় ডুবন্ত বাঁধের দৈন্যদশা
  • আজ পবিত্র আশুরা
  • Developed by: Sparkle IT