উপ সম্পাদকীয়

পাহাড় বিষয়ে সচেতনতা দুর্ঘটনা রোধ করতে পারে

জিবলু রহমান প্রকাশিত হয়েছে: ১৩-০৭-২০১৮ ইং ০০:৩৭:৫৮ | সংবাদটি ৭২ বার পঠিত

‘আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমায় ওই...’-বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর গানে পাহাড় আর আকাশের মিতালির এই উপমা ব্যবহার করেছিলেন। পরিবেশ বিজ্ঞানীগণ কোন এলাকার পরিবেশ রক্ষার জন্য সে স্থানের মোট আয়তনের কমপক্ষে শতকরা পঁচিশভাগ গাছপালা রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সেটি গ্রামাঞ্চলের জন্য যেমন প্রয়োজন, তেমনি দরকার নগর-মহানগরের জন্যও। আমাদের অবস্থান কোথায়? আমরা নদী ধ্বংস করেছি। ঐতিহ্যবাহী বুড়িগঙ্গাকে এখন আর নদী বলা যায় না। আমরা পাহাড় কেটে সমতল বানিয়ে ফেলছি।
বিভিন্ন গবেষণায় বলা হচ্ছে, পাহাড়ের গাছপালা কেটে ফেলা, মাটি কেটে ফেলা, প্রাকৃতিক খাল বা ঝরণার গতি পরিবর্তন এবং পাহাড়ের ঢালুতে অতিরিক্ত ভার দেয়া পাহাড় ধসের অন্যতম কারণ হচ্ছে। ১৯৮৯, ২০০৩ ও ২০১৫ সালে ভূ-উপগ্রহ থেকে তোলা পার্বত্য চট্টগ্রামের চিত্রতে ওই সময়ে বনভূমি ও কৃষিজমি বদলের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। চিত্রের গাঢ় সবুজ অংশ গভীর বনভূমি, হালকা সবুজ মাঝারি বন এবং হলুদ রং দিয়ে বনভূমি কৃষিজমিতে রূপান্তর বোঝানো হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামসহ পাঁচ জেলায় সাম্প্রতিক পাহাড়ধসের ঘটনা একাধারে মানবিক, রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক বিপর্যয়। চৈত্র, বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ-বাংলার এ মাসগুলো কালবৈশাখী ঝড়, ঘূর্ণিঝড়, তুফান, টর্নেডো ইত্যাদির মৌসুম। সে সময় মাত্র কয়েক মিনিটের তুফানে রাস্তার উপর গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে চলাচলেও অসুবিধার সৃষ্টি করে থাকে। পাহাড়তো ভালোভাবে পানির সন্ধান পেলেই ধ্বসে পড়ে।
২০০৭ সালে কেবল চট্টগ্রামেই পাহাড়ধসে ১২৭ জন মারা গিয়েছিল। এরপর ২০১৬ ছাড়া প্রতিবছরই কমবেশি মানুষ মারা গেছে। এর বাইরে কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড়ধসে অনেক প্রাণহানি ঘটেছে। ১৫ জুন ২০১০ ভোরে কক্সবাজার ও বান্দরবানে পাহাড়ধসে প্রায় অর্ধশত মানুষ নিহত হন। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার টুইন্যা পাহাড়ধসে পাঁচজন মারা যায়। ২০০৮ সালের ৬ জুলাইও এখানে পাহাড়ধসে চারজন মারা যায়। পাশাপাশি কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণ কাজে নিয়োজিত সেনাসদস্যদেরও করুণ মৃত্যু ঘটেছে তখন।
১৭ জুন ২০১৭ দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে টানা বর্ষণের সময় মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার মধ্য ডিমাই গ্রামে পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে আফিয়া বেগম ও তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে ফাহমিদা বেগমের মৃত্যু হয়। নিহতরা বড়লেখা সদর ইউনিয়নের মধ্যডিমাই গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী ও মেয়ে। ফাহমিদা স্থানীয় কেছরিগুল উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। (সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক ১৯ জুন ২০১৭)
১৮ জুন ২০১৭ খাগড়াছড়ির রামগড়ের ভুদুংছড়া এলাকায় পাহাড় ধসে মাটির তৈরি একটি বাড়ি চাপা পড়লে সেখানে ঘুমিয়ে থাকা নুর নবী (১৪) ও মোঃ নূর হোসেন সোহেল (৮) নামে দুই ভাই প্রাণ হারায়। তাদের বড় ভাই বিল্লাল হোসেন (১৬) আহত হয়। তারা ঐ এলাকার মোঃ মোস্তফার ছেলে। এ সময় গোয়ালঘরে থাকা ৫টি গরু-ছাগল ও অন্তত ৫০ মুরগিও মারা যায়। এদিকে জেলার দুর্গম লক্ষীছড়ি উপজেলার লক্ষীছড়ি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রাজেন্দ্র কার্বারি পাড়ায় পাহাড় ধসে মাটি চাপায় ইথন চাকমা (৭) নামে এক শিশু নিহত হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ জুলাই পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করে। ২৪ আগস্ট ২০১৭ পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থাপিত পার্বত্য অঞ্চলে ১৩টি কারণে ২০১৭ সালের পাহাড়ধস ঘটেছে বলে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই কারণগুলোর মধ্যে আটটি মানবসৃষ্ট এবং পাঁচটি প্রাকৃতিক। তদন্ত কমিটি পাহাড়ধস ঠেকাতে ১১টি সুপারিশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবসৃষ্ট কারণগুলোর মধ্যে আছে নির্বিচারে বন ও গাছপালা ধ্বংস করা। আরেকটি কারণ হলো পরিকল্পনার অভাব। অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন, রাস্তা ও সড়ক নির্মাণ এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক স্থাপনা নির্মাণে বিল্ডিং কোড না মানা। উন্নয়নমূলক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। পাহাড়ে উন্নয়নের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার অভাব। মাটি পরীক্ষার ফলাফল যথাযথভাবে অনুসরণ না করে পুরোনো অ্যালাইনমেন্টের ওপর কাজ করা।
অপরিকল্পিত জুমচাষ, জুমচাষে আগাছানাশক ওষুধ ব্যবহার করার ফলে পাহাড়ের মাটি দুর্বল হয়ে যায়। এ ছাড়া পাহাড়ের পরিবেশ-প্রতিবেশ অনুযায়ী ফসলাদি চাষ না করে আদা, হলুদের চাষ করায় প্রচুর মাটি ক্ষয় হয়। মানবসৃষ্ট অন্যান্য কারণের মধ্যে আছে পাহাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ না লাগিয়ে বেশি লাভের আশায় অধিক হারে সেগুনগাছ লাগানো। পানিনিষ্কাশনের সুযোগ না রেখে উন্নয়নমূলক কাজ করা। পাহাড় থেকে বালু ও পাথর উত্তোলন। মন্ত্রণালয়ের তদন্তে বলা হয়েছে, পাহাড়ধসের পেছনে তারা পাঁচটি প্রাকৃতিক কারণ পেয়েছে। সেগুলো হলো অতিবৃষ্টি, রাঙামাটিতে গত ১০ থেকে ১৫ জুন সময়ে ৯৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়; যা গত ১০ বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ডের প্রায় নয় গুণ বেশি।
আরেকটি প্রাকৃতিক কারণ হলো মাটির প্রকৃতি। ওই অঞ্চলের বেলে-দোআঁশ মাটি বৃষ্টির পানিতে সহজে নরম হয়ে যায়। এ ছাড়া দীর্ঘ খরার পর একটানা বৃষ্টি, ভূমিকম্পে পাহাড়ে ফাটল সৃষ্টি হওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পাহাড়ধসের পেছনে কাজ করেছে।
পাহাড়ধস ঠেকাতে ১১টি সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে। এর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক বনভূমি সংরক্ষণ, নির্বিচারে গাছ ও বন কাটা বন্ধ, জুমচাষে আগাছানাশক ওষুধ ব্যবহার বন্ধ, ভূমিকম্প প্রতিরোধে তাল ও সুপারিগাছ লাগানো, পরিবেশ আইন মেনে পাহাড়ের উপযোগী অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা ইত্যাদি। (সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো ২৫ আগস্ট ২০১৭)
পাহাড় ধসে মৃত্যু এড়াতে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন কর্মসূচী পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সহায়তা দেয়ার জন্য কাজ করছে জাতিসংঘ। ১৫ জুন ২০১৭ ঢাকার জাতিসংঘ তথ্যকেন্দ্র হতে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকার মোট ৫ জেলায় পাহাড় ধসে ইতোমধ্যেই দেড় শতাধিক লোকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এসব মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় জাতিসংঘ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কয়েকদিন আগে মোরা ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই চট্টগ্রামে এই দুর্যোগ দেখা দেয়। ভারি বৃষ্টিপাত ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বনভূমি উজাড় ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি। এসব মিলিয়েই এই দুর্যোগ ঘটেছে।
জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এই দুর্যোগ মোকাবেলায় অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়া পাবর্ত্য চট্টগ্রাম এলাকায় জাতিসংঘের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচীও চলমান রয়েছে। পাহাড় ধসে মৃত্যু এড়াতে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন কর্মসূচী পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সহায়তা দেবে জাতিসংঘ। বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জাতিসংঘ এ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন পরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে।
পাহাড় ধসে নিহতের ঘটনায় ঢাকায় জাতিসংঘ আবাসিক অফিসের সমন্বয়কারী রবার্ট ডি. ওয়াটকিন্স গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। এই দুর্যোগ মোকাবেলায় জাতিসংঘ বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন। (সূত্র : দৈনিক জনকন্ঠ ১৬ জুন ২০১৭)
আমরা বন উজাড় করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করেছি। আমরাই আমাদের হস্তারক। পরিতাপের বিষয় হলো, আইনের বিধানাবলি সত্ত্বেও চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলায় গত তিন দশকে সাফ করা হয়েছে শতাধিক পাহাড়। আরেক পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৫ বছরে শুধু চট্টগ্রামেই ১১০টি পাহাড় নিশ্চিহ্ন হয়েছে। (সূত্র : দৈনিক কালের কন্ঠ ১৯ জুন ২০১৭)
চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড় থাকছে না আর পাহাড়ের জায়গায় কৃত্রিম সমতলের উপর অপরিকল্পিত ও যথেচ্ছ বাড়িঘর তৈরি করে নিম্নআয়ের মানুষ বসবাস করছে। কিন্তু সেসব বসতি মোটেও টেকসই বলা যাবে না। বরং বসবাসের ক্ষেত্রে এমনকি প্রাণহানির মতো ঝুঁকি সৃষ্টি করে আছে।
কোনো প্রকার নিয়মের তোয়াক্কা না করে পাহাড় জ্বালিয়ে ন্যাড়া করে জুম চাষ করছে পাহাড়ীরা। একশ্রেণীর সুবিধাভোগীরা পাহাড়ের মাটি ও গাছপালা কেটে নিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করছে। আর সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে না। দিনের পর দিন পাহাড়ের উপর এ ধরনের পরিবেশ বিরোধী অত্যাচারের কারণে আজ পাহাড় ধসে পড়ছে। নিহত হচ্ছে নারী, পুরুষ, শিশু।
পাহাড় ধসের কারণ নিয়ে গবেষণাকারী ও পার্বত্য এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, পাহাড়ের গায়ের ঘাস পাহাড়কে বাঁচিয়ে রাখে। সে সব ঘাস ছেটে ফেলে মানুষের বসবাসের উপযোগী করতে গিয়েই এধরনের ঘটনার সূচনা হয়েছে। বৃষ্টিপাত হলেই পাহাড় ধস হতো না, যদি না মানবসৃষ্ট কারণগুলো প্রভাবক না হতো।
পরিবেশ আইনে পাহাড় কাটা-ছাঁটা নিষিদ্ধ। আইন লঙ্ঘনের দায়ে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদ-, এক কোটি টাকা অর্থদ-, পাহাড় কাটলে হাতেনাতে আটক যন্ত্র-সামগ্রী জব্দ, নিষেধাজ্ঞা, পাহাড়কে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিধি-বিধান রয়েছে। তবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে সীমিত ও পরিকল্পিতভাবে পাহাড় কাটার সুযোগ রয়েছে। আর সেই সুবাদে পাহাড়খেকো ভূমিগ্রাসীরা কাটছে পাহাড়। দেখা গেছে, কোথাও একটি পাহাড়ের কিছু অংশ কাটার অনুমতি থাকলে তাকে পুঁজি করে আরও ৮-১০টি পাহাড়-টিলা কেটে-ছেঁটে ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। বিশেষত একশ্রেণির ঠিকাদার তাই করছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন (১৯৯৫) ও (সংশোধিত) ২০১০-এর ৪ নম্বর ধারার ৬-খ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরকারি বা আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন বা দখলাধীন বা ব্যক্তিমালিকানাধীন পাহাড় ও টিলা কর্তন বা মোচন করা যাইবে না।’
রাষ্ট্রীয় আইনে পাহাড় কাটার জন্য দুই বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকার জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু পাহাড় কাটা বা ধসের কারণে শত শত মানুষের জীবন গেলেও এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কোনো নজির নেই।
২০১২ সালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের ২(১১) ধারায় পাহাড়ধসকে দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এ আইনের ২(১৩)(ই) ধারায় যেকোনো দুর্যোগ বিষয়ে আগাম সতর্কতা, হুঁশিয়ারি, বিপদ বা মহাবিপদ সংকেত প্রদান ও প্রচারের বাধ্যবাধকতা আছে। অন্যথায় ৪৪ ধারাবলে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার জন্য শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা যাবে এবং বিভাগীয় কার্যক্রম রুজু করা যাবে। পাহাড়ধসে শত শত প্রাণহানি হলেও কোনো সরকারি কর্মকর্তার অভিযুক্ত হওয়ার দৃষ্টান্ত আমাদের জানা নেই।
২০১১ সালের পর চট্টগ্রামের ১২টি পাহাড়কে ভূমিধসের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সরকারিভাবে গঠিত তিনটি বিশেষজ্ঞ কমিটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও কক্সবাজার পৌরসভার ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়গুলোতে বসবাসকারী প্রায় ১০ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সুপারিশ করেছিল। কিন্তু সেই সুপারিশ কার্যকর হয়নি পাঁচ বা ছয় বছরেও।
লেখক : গ্রন্থকার, প্রাবন্ধিক

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • বিদেশে কর্মসংস্থান : সমস্যা ও সম্ভাবনা
  • সাম্প্রতিক কথকতা
  • শিশুর সুরক্ষা ও গণমাধ্যম
  • উন্নয়নের অভিযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ
  • ডাক বিভাগ ফিরে পাচ্ছে প্রাণ
  • আমরা সবাই ভালো হলে দেশ ভালো হবে
  • ‘জাতীয় বীর’ কৃষকদের নিয়ে কিছু কথা
  • ভর্তিযুদ্ধে লাঘব হোক ভোগান্তি
  • মানব সম্পদ উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা
  • ভোটের মাঠে তারকার মেলা
  • আয় বৈষম্য ও সামাজিক অসমতা
  • সামাজিক আন্দোলন : নিরাপদ সড়ক চাই
  • আলী হোসেন খান
  • মৃত্যুই দিয়েছে তাঁরে চিরমুক্তি!
  • আমেরিকা : ট্রাম্প শাসনে মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব
  • ইলেকট্রনিক ও প্লাস্টিক বর্জ্যরে ক্ষতিকর প্রভাব
  • পরিবহন নৈরাজ্য
  • মাদকবিরোধী অভিযান : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ
  • ছড়াকার বদরুল আলম খান
  • একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিগত দশটি নির্বাচন
  • Developed by: Sparkle IT