শেষের পাতা

কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ডাক ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে: ১৯-০৭-২০১৮ ইং ০৩:৫১:৪৪ | সংবাদটি ৩৪১ বার পঠিত

আজ বাংলাদেশের কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১২ সালের এই দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। বাংলাদেশে নানা অনুষ্ঠানে তার ভক্ত-শুভার্থীরা কামনা করেছিলেন তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন প্রিয় বাংলাদেশে। মানুষের সেই প্রার্থনা পূরণ হয়নি। তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে।
হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক। উপন্যাসে নিজের প্রতিভার বিস্তার ঘটলেও তার শুরুটা ছিল কবিতা দিয়ে। এরপর নাটক, শিশুসাহিত্য, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, চলচ্চিত্র পরিচালনা থেকে শিল্প-সাহিত্যের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি রেখে গেছেন নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর। হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর জনকও বটে। ১৯৭২ সালে প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ প্রকাশের পর পরই তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। উপন্যাসে ও নাটকে তার সৃষ্ট চরিত্রগুলো বিশেষ করে ‘হিমু’, ‘মিসির আলী’, ‘শুভ্র’ তরুণ-তরুণীদের কাছে হয়ে ওঠে অনুকরণীয়। বলা হয়, তার লেখা পছন্দ করেন না এমন মানুষও তার নতুন লেখাটি ‘গোপনে’ পড়ে ফেলেন। দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুব বেশি নয়, যারা তার অন্তত একটি নাটক দেখেননি কিংবা তার কোনো বই পড়েননি। জনপ্রিয়তার জগতে তিনি একক ও অনন্য। তিনিই তরুণ-তরুণীদের করেছেন বইমুখী। প্রত্যেক বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় হুমায়ূন আহমেদের বই কিনতে হামলে পড়ে তার ভক্ত-অনুরাগীরা।
হুমায়ূন আহমেদের শরীরে ২০১১ সালের সেপ্টেস্বর মাসে মরণব্যাধি ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান। সেখানে ২০১২ সালের জুলাই মাসের ১৬ তারিখ তিনি চলে যান লাইফ সাপোর্টে। সে অবস্থাতেই ১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে এগারোটায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আকাশচুম্বী জনপ্রিয় এ লেখকের মৃত্যুতে পুরো দেশে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিউইয়র্ক থেকে ২০১২ সালের ২৩ জুলাই দেশে ফিরিয়ে আনা হয় হুমায়ূন আহমেদের মরদেহ। বিমানবন্দর থেকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে। সেখানে লাখো মানুষের অশ্রু-পুষ্পতে সিক্ত হন তিনি। এরপরের দিন তাকে সমাহিত করা হয় তার গড়ে তোলা নন্দনকানন নুহাশ পল্লীর লিচুতলায়। সেখানেই অসীম ঘুমে শায়িত হয়ে আছেন হুমায়ূন আহমেদ।
হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন। ডাক নাম কাজল। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা, আর মা ছিলেন গৃহিণী। তিন ভাই দুই বোনের মাঝে তিনি সবার বড়। খ্যাতিমান কম্পিউটার বিজ্ঞানী, শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক জাফর ইকবাল তার ছোটভাই। সবার ছোট ভাই আহসান হাবীব নামকরা কার্টুনিস্ট ও রম্যলেখক।

শেয়ার করুন
শেষের পাতা এর আরো সংবাদ
  • কুলাউড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শাফাত উদ্দিন আর নেই
  • বিশ্বাস ঘাতকদের ঠাঁই বিএনপিতে হবে না -------- আরিফুল হক চৌধুরী
  • এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাফল্য আমাকে সমাজসেবায় অনুপ্রাণিত করে
  • দক্ষিণ সুরমার সিলামের একটি বাড়িতে হামলা
  • ঢাকা ফিরে গেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত
  • আওয়ামী লীগ নেতা ছানাউর ছানা ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ
  • জাতীয় লোকনাট্যোৎসবের উদ্বোধন আজ
  • বাংলাদেশের মানুষের মাঝে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা সবসময় উজ্জ্বল
  • নগরীতে রাস্তার ডিভাইডারের উপর মাইক্রোবাস !
  • শিশুদের বিকাশের জন্য বিদ্যালয়ই আদর্শ স্থান
  • শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান
  • সংযোগ সড়কের অভাবে ৫ বছর আগে নির্মিত ব্রিজের সুফল পাচ্ছে না এলাকাবাসী
  • আইনজীবীদের সততা-দক্ষতায় সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ন্যায় বিচার --------রুহুল আনাম মিন্টু
  • জাউয়ায় ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল’র ইন্তেকাল
  • ছাতকে দুর্বৃত্তদের লাঠি পেটায় বিলের পাহারাদার আহত
  • শাবি শিক্ষার্থী প্রতীকের জন্য দোয়া মাহফিল
  • বিত্তশালীদের সাহায্য ও সহানুভূতির হাত সম্প্রসারিত করা প্রয়োজন
  • নবীগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ভারতীয় নাসির বিড়িসহ গ্রেফতার ১
  • সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে সশস্ত্র হামলায় ৪ শিক্ষার্থী আহত
  • মৌলভীবাজারে শীতে কাবু চা শ্রমিকরা
  • Developed by: Sparkle IT