ধর্ম ও জীবন

শরীয়া আইনের আদিকথা

মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান প্রকাশিত হয়েছে: ০৭-০৯-২০১৮ ইং ০০:৪১:৩৪ | সংবাদটি ১২২ বার পঠিত

রসূলুল্লাহর (স.) যুগে ইসলাম ‘জাযীরাতুল-আরব’ এর বাইরে শরিয়া আইন তেমন বিস্তার লাভ করেনি। সে সময় আরবদের সামাজিক জীবন ছিল অত্যন্ত সাদামাটা ও সহজ সরল। প্রয়োজন ছিল সীমিত। সমস্যা ও তার সামাধান ছিল সীমাবদ্ধ। যে সময় যাবতীয় ব্যাপার রসূলুল্লাহর (স.) সাথে সম্পৃক্ত ছিল। আইন প্রণয়ন, উদ্ভূত পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ও যথোপযুক্ত ফাতাওয়া-ফারাইয, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ইত্যাদি সবই মহানবী (স.) নিজেই সম্পাদন করতেন। সে সময় স্বতন্ত্রভাবে ইসলামী শরীয়া আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীতা দেখা দেয়নি।
হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলবী (র.) তাঁর ‘হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগায়’ লিখেছেন, ‘রসূলুল্লাহ (স.) এর মুবারক জামানায় ‘ফিকহ্’ শাস্ত্র যথারীতি সংকলিত হয়নি। সাহাবায়ে কিরাম (রা.) রসূলুল্লাহ (স.) কে যে কাজ যেভাবে করতে দেখতেন, তাঁর অনুসরণ করাকেই তাঁর দীন দুনিয়ার সৌভাগ্য হিসেবে মেনে নিতেন। তাঁদের নিকট এ ধরণের কোন প্রশ্নই ছিল না যে, রসূলের কোন কাজ, কোন মর্যাদার? কোন কাজ তিনি ‘আদত’ (স্বভাব) হিসেবে করেছেন এবং কোন কাজ করেছেন ‘ইবাদত’ হিসেবে। এসব কাজ করা জরুরী, না কি তার আবশ্যকতা নেই। যা কিছু তিনি যেভাবে করতেন, তাঁরা তাই করতেন। রসূল (স.) কে অনুসরণের এ ধরনটি তাঁদের নিকট জীবনের চেয়েও বেশী প্রিয় ছিল।’
মহানবীর (স.) পরে সাহাবায়ে কিরামের জামানায় যদি এমন কোন অবস্থার সৃষ্টি হতো, যে বিষয়ে রসূলুল্লাহর (স.) কোন কাজ বা আদেশ খুঁজে পাওয়া যেত না তখন যিনি অধিকরত জ্ঞানী, তাঁর কাছে জিজ্ঞাসা করে তা সম্পাদন করতেন। পবিত্র কুরআনের নির্দেশ হল, ‘তোমরা যদি না জানো, তবে জ্ঞানীদের নিকট থেকে জেনে নাও।’ (সূরা নাহলঃ ৪৩) পবিত্র কুরআনের এ বিধান মোতাবেক জ্ঞানীদের নিকট জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা পবিত্র কুরআন ও হাদীসের সরাসরি বিধানের সাথে তা মিলিয়ে উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করতেন। (ফাতাওয়া ও মাসাইল, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ১ম খন্ড, পৃঃ ১৪)। সুতরাং মহানবীর (স.) জামানায় পবিত্র কুরআন নাযিলের মাধ্যমে ও রসূলুল্লাহর (স.) হাদীসের মাধ্যমে যে শরীয়া আইনের গোড়াপত্তন হয়, চার খলীফার যুগে তার (১১-৪০ হিঃ) মজবুত ভিত্তি স্থাপিত হয়।
খোলাফায়ে রাশিদীন ও সাহাবায়ে কিরামের যুগে উদ্ভূদ যে সমস্যার সমাধান সরাসরি পবিত্র কুরআন ও হাদীসে পাওয়া যেত না, তার সমাধানের লক্ষে সাহাবায়ে কিরাম পরামর্শের ভিত্তিতে ঐকমত্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন। এটাকে ‘ইজমায়ে সাহাবা’ বলা হয়। পরবর্তীকালে ‘ইজমা’ ইসলামী শরীয়ার তৃতীয় উৎস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। আর যে সকল সমস্যার সমাধানে সাহাবায়ে কিরাম ঐক্যমত্যে কোন সিদ্ধান্ত নেননি, বিশিষ্ট সাহাবায়ে কিরাম এমন কিছু সমস্যার সমাধানে কুরআন ও হাদীসের আলোকে ‘ইজতিহাদের’ মাধ্যমে ব্যক্তিগত অভিমত দিয়েছেন, একে ‘কিয়াসের’ ভিত্তি বলা হয়। পরবর্তীতে এটিই ইসলামী আইনের চতুর্থ উৎস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
পরবর্তীকালে সাহাবায়ে কিরাম ও তাবিয়ীনে ইযামের যুগে ইসলামের আলোক রশ্মি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। মুসলমানগণও বিশ্বের বহু স্থানে ইসলামের দাওয়াত নিয়ে পৌঁছে যান। তখন দুনিয়ার নানা সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে তাদের পরিচয় ও সংমিশ্রণের ফলে সমাজে নতুন নতুন সমস্যা দেখা দেয়। এমন এক ঐতিহাসিক বিবর্তনকালে, তাবেয়ীনে ইযামের যুগে একদল কুরআন হাদীস বিশারদ এবং গভীর জ্ঞান ও মনীষার অধিকারী নিবেদিত প্রাণ উলামায়ে দীন উদ্ভূত সমস্যার সমাধানে আত্মনিয়োগ করেন। তাঁরা পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ এর আলোকে এবং মূলনীতি অবলম্বনে ইসলামী আইনের এমন এক সার্বজনীন মূলনীতি শাস্ত্র প্রণয়ন ও গ্রন্থনায় হাত দেন, যা সকল স্থান কাল, পাত্রের জন্য প্রযোজ্য এবং যে কোন সমস্যার সমাধানে সক্ষম। এ মূল নীতিই হলো, ‘উসূলে ফিকহ্’ আর এরি ভিত্তিতে সম্পাদিত আইন শাস্ত্রই শরীয়া আইন বা ফিকহ।
উমাইয়া (৪১-১৩২ হি.) ও আব্বাসী (১৩২-১৫৬ হি.) যুগে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণার মাধ্যমে ইসলামী আইনের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে। মহানবীর (স.) যুগ হতে পরবর্তী দেড় শত বছর ধরে সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে বিচার ব্যবস্থা পরিচালিত হতে থাকে। এ সময়ে পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ থেকে কোন ব্যাপারে সরাসরি কোন পথ নির্দেশ পাওয়া না গেলে খোলাফায়ে রাশেদীনের সিদ্ধান্ত সমূহ অনুসরণ করা হত। এক্ষেত্রেও কোন নির্দেশনা সহজ লভ্য না হলে বিচারক নিজের ইজতিহাদের মাধ্যমে মোকদ্দমার ফয়সালা করতেন। কিন্তু বিধিবদ্ধ আকারে কোন সংকলন না থাকায় দিন দিন মতভেদ বৃদ্ধি পেতে থাকে। উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে কিছু কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। ‘হুজাতুল্লাহিল বালিগায়’ উল্লেখিত হয়েছে যে, ‘হযরত সাঈদ ইব্নে মুসাইয়াব (ওফাত ৯৫ হি.) মদীনায় এবং একই সময়ে হযরত ইবরাহীম ইব্নে ইয়াযীদ নাখঈ র. ইরাকে ফিকহ্ ও শরয়ী আইনের কিছু অধ্যায় সংকলন করেছিলেন। (ফাতাওয়া ও আমল ই. ফা. বা ১ম খন্ড. পৃ: ১৪)। তবে এই মতানৈক্যের সমাধানের জন্য সর্বপ্রথম ইবনুল মুকাফ্ফা (মৃ. ১১৪ হি:/ ৭৬১ খৃ:) আব্বাসী খলীফা আবু জাফর মানসুরকে পত্র মারফত গোটা দেশের জন্য আইনের একটি প্রণয়নের প্রস্তাব দেন। তিনি তাঁর পুত্র একটি পূর্ণাঙ্গ সংকলন প্রণয়নের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করাতে সচেষ্ট হন। খলীফা এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলেও বিভিন্ন কারণে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।
হিজরী দ্বিতীয় শতকের চতুর্থ দশকে বিশাল আয়তনের ইসলামী বিশ্বে সরল সহজ ইসলামী তাহযীব-তমদ্দুনের মোকাবিলায় পৃথিবীর অন্যান্য সভ্যতা সংস্কৃতি ও জ্ঞান-বিজ্ঞান প্রতিদিন নতুন নতুন পরিস্থিতি ও সংকট সৃষ্টি করে চলছিল। ইসলামী শরীয়া আইন বিধিবদ্ধ করার চিন্তা হযরত ইমাম আবু হানিফার র. মানসপটে উদিত হয় তাঁর উস্তাদ ইমাম হাম্মাদের র. এর (১২০ হি.) ইনতিকালের পর। তখন ইসলামী রাষ্ট্রের সীমা ছিল পূর্বে সিন্ধু থেকে উত্তর-পশ্চিমে স্পেন এবং উত্তর আফ্রিকা থেকে এশিয়া মাইনর পর্যন্ত বিস্তৃত। ইসলামী রাষ্ট্রের নগর সভ্যাতা বিশাল পরিধিতে প্রসারিত হয়েছিল। স্বভাবতই তখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন নতুন প্রশ্ন ও এতো অধিক পরিমাণ সমস্যার উদ্ভদ হচ্ছিল যে, একটি সুবিন্যস্ত আইন ব্যবস্থা ছাড়া উদ্ভূত সমস্যাবলীর সুষ্ঠু সামাধান কঠিন হয়ে পড়ছিল। কাজেই সে সময়কার উলামায়ে কিরামের মনে এমন একটা চিন্তা উদিত হওয়াই স্বাভাবিক ছিল যে, ইসলামী শরীয়া আইন ও বিধি-বিধানের খুুঁটিনাটি এবং শাখা-প্রশাখাগুলোকে গবেষণা ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত ও বিন্যস্ত করা হোক এবং একে একটি স্বতন্ত্র বিষয়ের রূপ দিয়ে সে বিষয়ে গ্রন্থাদি রচিত, সংকলিত ও সম্পাদিত হোক।
ইমাম আবু হানীফা (র.) ছিলেন স্বাভাবজাত উদ্ভাবনী মনন এবং অসাধারণ আইন প্রণয়ন প্রতিভার অধিকারী। কালাম (দর্শন ও যুক্তি) শাস্ত্রীয় পর্যালোচনা তাঁর এ প্রতিভাকে আরও ধারালো ও পরিচ্ছন্ন করে তোলে। তাছাড়া তাঁর বাণিজ্য বিস্তৃতির কারণে লেনদেনের ক্ষেত্রে অনেক প্রয়োজনীয় বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ হয়। বিচার বিভাগের কাজীগণের সিদ্ধান্ত ও আদেশ নিষেধে ভ্রান্তিও এই প্রয়োজনের তীব্রতাকে আরও প্রকট করে তোলে। পরিস্থিতির এ তীব্রতার কারণে হযরত ইমাম আবু হানীফা (র.) ১৩২ হিজরীতে এ মহতি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি তাঁর সঙ্গী সাথী ও শাগরিদগণ সমন্বয়ে একটি মজলিস গঠন করেন। এরই মাধ্যমে তিনি ইসলামী শরীয়া আইন সংকলন ও বিধিবদ্ধকরণ এবং এর সম্পাদনার গুরু দায়িত্ব পালনে আত্মনিয়োগ করেন।
হিজরী দ্বিতীয় শতকে ইমাম আবু হানীফা (র.) ও তাঁর সহচরবৃন্দ ইসলামী শরীয়া আইন বিধিবদ্ধকরণ ও গবেষণার ভিত্তি স্থাপন করেন। তাঁরা কেবল সমকালে উদ্ভূত সমস্যার আইনগত সমাধান পেশ করেই ক্ষান্ত হননি, বরং ভবিষ্যতে কি ধরণের সমস্যার উদ্ভব হতে পারে এবং তার সমাধানই বা কি হতে পারে তাও তাঁরা গবেষণা করে স্থির করে তার আইনগত সমাধান নির্ণয় করেন। পরবর্তীকালের হানাফী ফকীহগণ তাকে আরও সম্প্রসারিত করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, আব্বাসী, উসমানী ও মুগল শাসনের দীর্ঘ সময়ে হানাফী ফিকহ্ অনুসৃত হলেও তার পূর্ণাঙ্গ ও সুসংহত কোন সংকলন তখন পর্যন্ত সংকলিত হতে পারেনি।
হিজরী ১১শ/খৃষ্টাব্দ ১৭শ শতকে সর্ব প্রথম মোগল সম্রাট আত্তরংগযেব আলমগীর সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর একটি রাজকীয় ফরমানের সাহায্যে ইসলামী আইনের একটি পূর্ণাঙ্গ সংকলন প্রণয়নের নির্দেশ জারী করেন। এ কাজ সফলভাবে সম্পাদনের জন্য তৎকালীন প্রখ্যাত ভারতীয় ফকীহগণের সমন্বয়ে এবং স্বনামধন্য আলেম নিজাম উদ্দিন বুরহানপরীর সভাপতিত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি আট বছরের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ইসলামী আইনের একটি সুবৃহৎ সংকলন প্রণয়ন করেন। এর নামকরণ করা হয়- “ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী”। আরবীতে একে ফাতাওয়ায়ে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার প্রণীত এটিই ইসলামী আইনের সর্বপ্রথম সংকলন।
আইনের পাশ্চত্র বিন্যাস অনুসরণ করে ইসলামী আইনকে ধারা-উপধারা ও ক্রমিক নম্বর অনুযায়ী সাজানোর জন্য তুর্কী উসমানী সরকার ১৮৬৯ সালে সা’আদাত পাশার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেন। এই কমিটি ১৮৫১টি ধারা সম্বলিত ইসলামী দেওয়ানী আইন প্রণয়ন করে; এটি ‘মাজাল্লাতুল আহকামিল আদালিয়্যাহ’ নামে পরিচিত।
এই সংকলনটি প্রধানত ‘ফাতাওয়া আলমগীরীকে’ ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে রচিত হয়েছে। ১৯২৬ সাল পর্যন্ত তুর্কী সাম্রাজ্যে এটি বলবৎ থাকে। এরপর আর কোন শাসনই ইসলামী আইনকে আধুকিন পদ্ধতিতে বিন্যাসের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। অবশ্য পাকিস্তানে ইসলামিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর অধীনে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় পাকিস্তান সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি ড. তানযীলুর রহমান ধারাবাহিকভাবে ইসলামী আইনের আধুনিক বিন্যাসে রত আছেন। যার নামকরণ করা হয়েছে ‘মজমুয়াহ কাওয়ানীনে ইসলামী’।
এখন পর্যন্ত সমগ্র মুসলিম বিশ্বের কোথাও পূর্ণাঙ্গ ইসলামী বিধান বিধিবদ্ধ করা হয়নি। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, বার্মা, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, তিউনিসিয়া ও মিসর প্রভৃতি দেশে খন্ডাকারে ইসলামী আইন বিধিবদ্ধ হয়েছে মাত্র। বাংলাদেশে মুসলিম পার্সোনাল ল’ নামে কয়েকটি বিষয়ে আইন বিদ্যমান। কিন্তু সেগুলোর প্রয়োগ পদ্ধতি ইসলামী আইন অনুসারী নয়। যেমন বাংলাদেশে বিবাহ বিচ্ছেদ মামলা অমুসলিম বিচারক বিচার করতে পারেন এবং সে বিচারে ইসলামী সাক্ষ্য আইনের ব্যবহার নেই।
উন্নত বিশ্বে আইন বিধিবদ্ধকরণের দুটি ধারা বিদ্যমান। একটি এ্যাংলো স্যাকশন কনটিনেন্টাল। ইংল্যান্ড, আমেরিকা, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া প্রভৃতি বিশ্বের বৃহত্তর এলাকার প্রথম ধারায় এবং ফ্রান্স. ইটালী প্রভৃতি ইউরোপীয় দেশে দ্বিতীয় ধারায় আইন বিধিবদ্ধ করা হয়। বাংলাদেশে ইসলামী আইনের বিধিবদ্ধকরণ প্রকল্পের সম্পাদনা পরিষদ অধিকতর উন্নত ও অধিক পরিচিত বিধায় তাদের বিধিবদ্ধকরণে প্রথম ধারার অনুসরণ করছে। তবে সরকারও রাষ্ট্রের যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া তা পূর্ণাঙ্গ হওয়া সম্ভব নয়। একটি বিধিবদ্ধ ইসলামী আইনের আধুনিক সংকলন প্রণয়নের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের সমন্বিত উদ্যোগ সময়ের অপরিহার্য দাবী। আমাদের তৌফিক দিন।

শেয়ার করুন
ধর্ম ও জীবন এর আরো সংবাদ
  • প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান (রাহ.) ও সাদাকায়ে জারিয়া
  • রাসূলের সাথে জান্নাত
  • মাতা-পিতার অবাধ্যতার শাস্তি
  •  তাফসিরুল কুরআন
  • বিশ্বনবীর কাব্যপ্রীতি
  • শতবর্ষের স্থাপত্য সিকন্দরপুর জামে মসজিদ
  • তাফসিরুল কুরআন
  •  আত্মার খাদ্য
  • মানব জীবনে আত্মশুদ্ধির প্রয়োজনীয়তা
  • সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ : ইসলাম কী বলে
  • মৃত্যুর আগে আখেরাতের পাথেয় সংগ্রহ করি
  •   তাফসীর
  • ইসলামে বিনোদনের গুরুত্ব
  • কুরআনে হাফিজের মর্যাদা
  • মদীনা রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকা-ের কেন্দ্র ছিল মসজিদ
  • তাফসিরুল কুরআন
  • এতিম শিশু
  • বার্মিংহামে আল কুরআনের হাতে লেখা প্রাচীন কপি
  • রাসুলের সমগ্র জীবন আমাদের জন্য অনুকরণীয়
  • মৌল কর্তব্য আল-কুরআনের বিধান
  • Developed by: Sparkle IT