উপ সম্পাদকীয়

কর্মবীর ওসমানী

দিলওয়ার হোসেন বাবর প্রকাশিত হয়েছে: ১২-০৯-২০১৮ ইং ০১:৪৩:৩৫ | সংবাদটি ২৯ বার পঠিত

বাঙালি জাতির হাজার বছরের সংগ্রাম ও সাধনার ফসল লাল-সবুজের পতাকা ও সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ। সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা আমাদের এই গৌরবের মাতৃভূমি সৃষ্টির এক গৌরবময় অধ্যায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। এই ঐতিহাসিক, রক্তক্ষয়ী ও গৌরবময় যুদ্ধের সংগঠন ও পরিচালনায় স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে যাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে তিনি হলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী। তাঁর সুদক্ষ রণকৌশল ও অসাধারণ সামরিক নেতৃত্বের কারণেই মাত্র নয় মাসের সংগ্রামে বাঙালি জাতি পশ্চিম পাকিস্তানের সুদক্ষ বাহিনীকে পরাজিত করে বিশ্বের মানচিত্রে অংকন করে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র আমাদের এই বাংলাদেশের।
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি বঙ্গবীর আতাউল গণি ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বর্তমান সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাঁর পৈতৃক বাড়ি সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলার দয়ামির নামক গ্রামে। তাঁর পিতার নাম খান বাহাদুর মফিজুর রহমান এবং মাতার নাম জুবেদা খাতুন।
খান বাহাদুর, মফিজুর রহমান ছিলেন একজন পদস্ত সরকারি কর্মকর্তা। খান বাহাদুর মফিজুর রহমান তৎকালীন সুনামগঞ্জ মহকুমার হাকিম ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সৎ ও অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ব্যক্তি। তাঁর সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার জন্যই তিনি তৎকালীন সময়ে ‘খান বাহাদুর’ উপাধিতে ভূসিত হয়েছিলেন। মাতা জুবেদা খাতুনও ছিলেন একজন বিদূষী মহিলা এবং গরীব ও দুঃখী মানুষের প্রতি ছিলেন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। বঙ্গবীর এম.এ.জি ওসমানীর মাতামহ ছিলেন রায়খালীর বিখ্যাত জমিদার মোঃ আকিল চৌধুরী। তাই পিতৃ ও মাতৃ উভয় কুলেই ওসমানী ছিলেন সম্ভ্রান্ত পরিবারের একজন সদস্য।
শৈশব কালে বঙ্গবীর আতাউল গণি ওসমানীকে তাঁর মাতা আদর করে ‘আতা’ বলেই ডাকতেন। মাতা জুবেদা খাতুন ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ মহিলা। তিনি ছিলেন হযরত ওসমান শাহ (র.) এর অত্যন্ত ভক্ত অনুরাগী। আর তাই সন্তানের মঙ্গল কামনায় আতাউল গণি নামের শেষে তিনি ‘ওসমানী’ শব্দটি জুড়ে দেন। এভাবেই মায়ের আগ্রহ ও অনুপ্রেরণায় পরবর্তীকালে ‘ওসমানী’ নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।
কর্ণেল ওসমানী ছিলেন জাতীয় চেতনা বোধে উদ্দীপ্ত এক সেনানায়ক। তাই তিনি তাঁর সৈনিক জীবনের দীর্ঘ পরিসরেও নানা ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গেছেন। কর্নেল ওসমানী সেনাবাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বাঙালির সংখ্যা ২% থেকে ১০% এর অধিক করার ব্যবস্থা করেন। তাছাড়াও সংখ্যা অনুপাতে বাঙালিদের জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার পদসহ সর্বস্তরে বাঙালি সৈনিকদের জন্য পদ সংরক্ষণে আইন পাশ করার ব্যবস্থা করেন। তিনি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত মার্চ সংগীত-‘চল, চল, চল, ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল’ কে বেঙ্গল রেজিমেন্টের মার্চ সংগীত হিসেবে, বাদ্য যন্ত্রে, ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা’ ও ‘গ্রামছাড়া ঐ রাঙামাটির পথ’ প্রভৃতি বাংলা গানের প্রচলনের জন্য সরকারিভাবে অনুমোদনের ব্যবস্থা করেন। কর্নেল ওসমানী ১৯৬৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। আর এইভাবেই তাঁর দীর্ঘ সামরিক জীবনের অবসান ঘটে।
১৯৭০ সাল। দেশে তখন বঙ্গবন্ধু প্রণীত ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাঁর নেতৃত্বে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে এক নব জাগরণের সৃষ্টি হয়েছে। এমনি এক সুবর্ণ সময়ে জুলাই মাস রাজধানীর মীরপুরের এক বাসায় কর্নেল ওসমানীর সাথে পরিচয় ঘটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। বঙ্গবন্ধু দেশের তৎকালীন রাজনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে ওসমানীর মত একজন সাহাসী দক্ষ রণকৌশলী, চৌকষ সেনা কর্মকর্তা ও দেশ প্রেমিক ব্যক্তির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে তাকে রাজনীতিতে আমন্ত্রণ জানালে কর্নেল ওসমানী ঐ সময় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে যোগদান করেন।
১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয় পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন। কর্ণেল ওসমানী ঐ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেন। তিনি তৎকালীন পাকিস্তানের অন্যতম সর্ববৃহৎ নির্বাচনী এলাকা গোলাপগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ-ফেঞ্চুগঞ্জ থানা নিয়ে গঠিত নির্বাচনী আসন থেকে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে পাকিস্তানের গণপরিষদের সদস্য (এম.এন.এ) নির্বাচিত হন। কিন্তু পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী তখন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করার পরিবর্তে এক পর্যায়ে বাঙালিদের উপর চরম নিপীড়িন ও নির্যাতন চালায়। এতে কর্নেল ওসমানী সিংহের ন্যায় গর্জে ওঠেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশব্যাপী অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে কর্নেল ওসমানী তাঁর হাতে গড়া বঙ্গ শার্দুলদের নিয়ে গড়ে তোলেন প্রাক্তন সৈনিক সংস্থা। শুরু হয় প্রতিবাদ, প্রতিরোধ আর অসহযোগ আন্দোলন।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাত্রে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ নামে রাতের অন্ধকারে ঢাকা শহরে ঘুমন্ত, নিরীহ ও নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অস্ত্র হাতে ঝাপিয়ে পড়লে শুরু হয় ইতিহাসের জঘন্যতম নরহত্যা। কর্নেল ওসমানী তখন ঢাকা শহরের ইস্কাটনের একটি বাড়িতে আত্মগোপন করেন। পরে অনেক কষ্টে অতি গোপনে ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়া চা-বাগানের ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের যুদ্ধরত ইউনিট কমান্ডারদের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন। উক্ত বৈঠকে উপস্থিত সামরিক কর্মকর্তাগণ বিদ্রোহী ইউনিটের সমন্বয়ে সম্মিলিত মুক্তিফৌজ গঠন করেন এবং কর্নেল ওসমানীর উপর তার পরিচালনার ভার অর্পণ করেন। ঐ সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার ভার কর্নেল ওসমানীর উপর অর্পিত হয়। আর এভাবেই তারই সামরিক নতৃত্বে ও সামরিক নির্দেশনায় শুরু হয় বাঙালি জাতিসত্তার অভ্যুদয়ের মহল স্বাধীনতা যুদ্ধ, পৃথিবীর সামরিক ইতহাস অন্যতম গণযুদ্ধ।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে জাতীয় নেতা তাজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে অস্থায়ী গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে ঐ সরকার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তখন আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে ওসমানীর উপর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের মত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পিত হয়।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিলের পরেই ওসমানী পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে বিদ্রোহ করে দেশের টানে চলে আসা বাঙালি সেনাদের উপর ভিত্তি করে এবং নতুন করে বাঙালি যুবকদের সংগ্রহ করে ভারতের সাহায্যে স্বল্পকালীন গেরিলা ট্রেনিং দিয়ে ভিয়েতনামের আদলে একটি দুর্দান্ত গেরিলা বাহিনী গঠন করেন। যুদ্ধের সুবিধার্থে এবং কৌশলগত কারণে ওসমানী সমগ্র বাংলাদেশকে এগারটি সেক্টরে বিভক্ত করেন এবং প্রত্যেক সেক্টরের জন্য একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করেন। তিনি ১১টি সেক্টরকে আবার ৩টি বিগ্রেডে বিভক্ত করেন এবং তদানীন্তন ৩ জন সিনিয়র মেজরের নামে ৩টি বিগ্রেডের নামকরণ করেন। তাছাড়াও তাঁকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য এবং মুক্তিযুদ্ধকে সুষ্ঠ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য কর্নেল ওসমানী হবিগঞ্জের আওয়ামীলীগ নেতা ও সংসদ সদস্য কর্নেল এম.এ রবকে মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার এবং সিলেটের মেজর এ.আর চৌধুরীকে মুক্তিবাহিনীর সহকারি কমান্ডারের দায়িত্ব দেন। তৎকালীন মুজিবনগর সরকারের সুযোগ্য প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সুদক্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সুচারু কুটনৈতিক কৌশল, কর্নেল ওসমানীর সুদক্ষ ও সময় উপযোগী রণ কৌশল, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর আন্তরিকতা ও সার্বিক সহযোগিতায় মাত্র নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালি জাতি তাদের কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয় এবং লাভ করে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত কর্নেল ওসমানী মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু সরকার কর্ণেল ওসমানীকে তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ কর্ণেল থেকে পূর্ণাঙ্গ জেনারেল র‌্যাংক-এ উন্নীত করেন। একমাত্র বাঙালি হওয়ার কারণে পাকিস্তান সরকার ওসমানীকে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও যে সম্মান দেয় নাই, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁকে সেই সম্মানে ভূষিত করেন।
১৯৭২ সালের ১২ ও ১৩ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু তাঁর সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রী সভা গঠন করলে তিনি জেনারেল ওসমানীকে তাঁর সরকারের জাহাজ চলাচল মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিযুক্ত করেন। এরপর হতে জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী সমর নায়ক থেকে একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ পুনর্গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন।
বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতন্ত্রের পূজারী জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী ১৯৭৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর একটি আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক দল গঠন করে নামকরণ করেন ‘জাতীয় জনতা’ পার্টি এবং তিনি নিজেই হন এই দলের আহবায়ক। তার এই রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহত রাখা। সামাজিক ন্যায় বিচার ও শোষণ মুক্ত সমাজ এবং সাম্যভিত্তিক আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ে তোলে, জনগণের সকল অধিকার নিশ্চিত করে প্রকৃত গণতন্ত্র কায়েম করা।
১৯৭৮ সালে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সমর্থনে ‘জাতীয় জনতা পার্টি’ এর পক্ষ থেকে জেনারেল জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেন। তিনি জানতেন এই নির্বাচনে তার পরাজয় নিশ্চিত। এর পরও সামরিক স্বৈরশাসকের হাত থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নিশ্চিত পরাজয় জেনেও তিনি রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আর এভাবেই তিনি দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়াসে গণতান্ত্রিক শক্তিকে, গণতন্ত্রকামী সংগ্রামী জনতাকে পুনরায় মাঠে এনে কথা বলার সুযোগ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন।
১৯৮১ সালে পুনরায় বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে বার্ধক্যে উপনীত গণতন্ত্রে বিশ্বাসী জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঐ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে একজন গণতন্ত্রমনা, জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাসী একজন দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেতার পরিচয় দেন। এই সময় তিনি সিলেটেই তাঁর নিজ বাসভবন ‘নূর মঞ্জিল’ এ অবস্থান করতেন। এখানে বসেই তিনি সর্বদা দেশ ও জাতির কথা ভাবতেন এবং বিভিন্ন জাতীয় বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ দিতেন। ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এই মহান সেনানায়ক, মহান যোদ্ধা, গণতন্ত্রমনা দেশপ্রেমিক নির্ভীক, স্বাধীনচেতা রাজনীতিবিদ লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে তাঁর মৃতদেহ বাংলাদেশে এনে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ:) এর মাজার সংলগ্ন কবর স্থানে দাফন করা হয়।
লেখক : শিক্ষক, গোয়াইনঘাট কলেজ।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • ডা. দেওয়ান নূরুল হোসেন চঞ্চল
  • দেশীয় চ্যানেল দর্শক হারাচ্ছে কেন?
  • বিশ্ব বরেণ্যদের রম্য উপাখ্যান
  • আশুরা ও কারবালার চেতনা
  • জলবায়ু পরিবর্তন ও সংকটাপন্ন বন্যপ্রাণী
  • অধ্যাপক ডাক্তার এম.এ রকিব
  • শিশু নির্যাতন ও পাশবিকতা
  • প্রবীণদের প্রতি নবীনদের কর্তব্য
  • রাজনৈতিক বাস্তবতার নিরিখে আগস্টের শোকাবহ ঘটনাবলী
  • সংযোগ সেতু চাই
  • টিবি গেইট ও বালুচরে ব্যাংকিং সুবিধা চাই
  • হাসান মার্কেট জেল রোডে স্থানান্তর হোক
  • ২৭নং ওয়ার্ডের কিষণপুর-ঘোষপাড়ার রাস্তা মেরামত প্রসঙ্গে
  • প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ
  • দেশীয় রাবার শিল্প বাঁচান
  • পরিবর্তিত হও : ছকের বাইরে ভাবো
  • শিক্ষা ও চিকিৎসায় প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর পরিবেশ
  • কতটা ভালোবাসি দেশ?
  • রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান আন্তর্জাতিক চাপেই সম্ভব
  • শুধু একবার বলুন : আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি
  • Developed by: Sparkle IT