উপ সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের সঠিক জনসংখ্যা কত?

নওরোজ জাহান মারুফ প্রকাশিত হয়েছে: ১৭-০৯-২০১৮ ইং ০০:৩৯:৩০ | সংবাদটি ১২২ বার পঠিত

দীর্ঘদিন থেকে বলা হচ্ছে বাংলাদেশের লোক সংখ্যা ১৬ কোটি। এ সংখ্যা যদি ভুল না হয়ে থাকে এবং মাঝে যে কতগুলি বছর পার হয়ে গেছে তাতে অবশ্যই বুঝা যায় এদেশে লোক সংখ্যার পরিধি অনেক বেড়ে গেছে।
বাংলাদেশে দ্রুতই জনসংখ্যা বাড়ছে। হু হু করে বাড়ছে। বাইরে বেরুলেই দেখা যায় মানুষের জটলা, দলাদলি আর কিলবিলি। শহর বন্দর নগরের চিত্র সর্বত্রই একই। রাস্তায় এতো মানুষের পদচারণা চোখে পড়ে- এত লোক, নারী-পুরুষ প্রতিদিন আসে কোত্থেকে? পথে-ঘাটে আগে এমন চিত্র দেখা যেত না। এখন সর্বত্র মানুষের ঠেলাঠেলি। খেয়াল করলে দেখবেন আপনি মসজিদে গেলে মনে হবে দেশের সবাই নামাজী এবং সবাই মসজিদে চলে এসেছে। অথচ বাইরে বেরুলে দেখবেন সেখানে আরো বেশী মানুষের চলাচল। বিয়ে বাড়ী গেলে মনে হবে সব মানুষ বিয়ে বাড়ি চলে এসেছে কিন্তু না পথে দেখবেন মানুষের গাদাগাদী। যদি যান হাসপাতালে সেখানে আরো ভয়াবহ অবস্থা দেখে মনে হয় দেশের সব মানুষ অসুস্থ কেউ সুস্থ নেই-অথচ বাইরের চিত্র ভিন্ন। ডাক্তারের চেম্বারেও তো একি রূপ। বাজারের অবস্থা আরো শোচনীয়। বাজারে মানুষের ঠাসাঠাসী দেখলে অবাকই লাগে- এতো পাবলিক আসে কোত্থেকে? এ কয় বছরে দেশে কয়েকগুণ মানুষ বেড়ে গেছে আশ্চর্য লাগে এসব দেখে। দেশের জনসংখ্যা অত্যাধিক বেড়ে যাওয়াটা সবারই চোখে লাগে। এরকম মানুষ বাড়লে বিস্ফোরণ ঘটে যাবে। যে আয়তনের বাংলাদেশ-এভাবে লোক সংখ্যা বাড়লে বনজঙ্গল নদ-নদী আর থাকবেনা দেশে। এমনিতেই পাহাড়ের গায়েও মানুষের বসবাস। পাহাড় ধসে বর্ষা মৌসুমে প্রতি বছর অনেক লোকের মৃত্যু হয়।
বর্তমানে সরকারী ও বেসরকারী ভাবেও বলা হয় দেশের জনসংখ্যা ষোলকোটি! আসলেও কি তাই? এটা কবেকার আদম শুমারী জানিনা। তবে সচেতন মহল মনে করেন এই সংখ্যার অনেক উপরে আছে বাংলাদেশের জনসংখ্যা। রাস্তায় বেরুলে মানুষের ঢল দেখলে আঁচ করা যায় এ সংখ্যা হয়তো আঠারো কোটিও ছাড়িয়ে যাবে। কোন কালেই কোন সরকারের আমলেই সঠিকভাবে জনসংখ্যার হিসেব মিলানো যায় না। সূক্ষ্মভাবে গণনা করাও কঠিন। দেশে মানুষের গমগম দেখে আমার মনে হয় আসলেই বিশ কোটির কাছাকাছি তো হবেই আমাদের লোক সংখ্যা! দেশে পরিবার পরিকল্পনার প্রচার-প্রসার নাই বললেই চলে। দেশ স্বাধীনের আগে পরিবার পরিকল্পনার প্রচার-প্রচারণা অনেক তুঙ্গে ছিল। রেডিও ছিল প্রচারণার প্রধান মাধ্যম। রেডিও/টিভিতে অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে চলতো বিজ্ঞাপন তাতে অধিকাংশ সময়ই থাকতো পরিবার পরিকল্পনার গান, নাটক জীবনতিকা। পরিবার পরিকল্পনার কমার্শিয়াল এতোই জোরালো ছিল। বিলবোর্ড, ব্যানার, লিফলেট ছিল প্রচারণার অন্যতম পণ্য। পরিবার পরিকল্পনার কর্মীবৃন্দ বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ সম্পর্কে নানা তথ্য দিতেন মানুষদের বুঝাতেন কিভাবে পরিবার ছোট রাখা যায়। ছোট পরিবারের সুবিধাগুলিও তারা নানাভাবে বর্ণনা করতেন। নবদম্পতিদের পরিবার ছোট রাখতে নানা কৌশলের দিক বুঝাতেন। তারা বিনামূল্যে পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী বিতরণ করতেন। সরকারীভাবে বেশ জোরালো ছিলো পরিবার পরিকল্পনার প্রচার প্রচারণা। মাঠ পর্যায়ে মহিলা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিবাহিত মহিলাদের এসব তথ্য দিতেন এবং বুঝাতেন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পরিবারের নানা সুবিধা-অসুবিধার দিক বা সুফল-কুফল সম্বন্ধে।
এখন সব ডিজিটাল হয়ে গেছে। এখন পরিবার পরিকল্পনার প্রচারের কথা শোনাই যায় না। রেডিও-টিভিতে এ সম্বন্ধে তেমন জোরালো কোন অনুষ্ঠান নাই। কদাচিত দেখা যায় দুই একটি টক-শোতে এ নিয়ে সামান্য আলোচনা। অথচ একটা রাষ্ট্রের জন্য পরিবার পরিকল্পনার ব্যাপারটা যে কত বড় ভূমিকা রাখে তা আর বলে বুঝানো যাবে না। পরিবার পরিকল্পনা বা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিষয়টি যে কত বড় প্রয়োজনীয় বিষয় একটা দেশের জন্য তা বোধ করি আর বিশ্লেষণ না করলেও চলবে।
আমরা ছোটবেলায় দেখেছি প্রজেকটারের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনার উপর আর্ট ফিল্ম তৈরী করে বাজারে বাজারে বা মোড়ে জনগণকে দেখানো হত। সে সময়ে মানুষ অত সচেতন ছিল না তারপরও পরিবার পরিকল্পনায় তাদের ঢের বেশী জ্ঞান ছিল বলেও তখনকার দিনে এত জনসংখ্যা ছিল না। ডিজিটাল জবানায় মানুষের চিন্তা চেতনা ও সব আধুনিকতা দেখা যায় তারপরও এখনকার যুগে জনসংখ্যার আধিক্য অনেক বেশী। অবাক হওয়ারই কথা। যদি এখনই সজাগ না হওয়া যায় তাহলে সরকারের সব সাফল্য ম্লান হয়ে যাবে, বিফলে যাবে শুধু শুধু বেশী জনসংখ্যার কারণে। সরকারকে অবশ্যই এ ব্যাপারে চারদিকে ফলাও করে প্রচারাভিযান চালাতে হবে। আগে বলা হতঃ ছোট পরিবার সুখী পরিবার। দু’টি সন্তানই যথেষ্ট একটি হলে আরো ভাল। আমরা দেখতাম বিলবোর্ড, পোষ্টার বা সিনেমার বিরতিতে দেখানো হত পরিবার ছোট রাখার নানা সব তথ্য। দেখানো হতো ছেলে হোক, মেয়ে হোক একটি সন্তানই যথেষ্ট। এসব ডায়লগ আর এখন কোথাও দেখি না। নিকাহ নামায় দেখা যেত লেখা- ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট। সরকারী রাজস্ব বা স্ট্যাম্পের মধ্যে উপরীভাগেও লিখা থাকতো ছোট পরিবার, সুখী পরিবার ইত্যাদি। দেশে শিক্ষিতের হার বাড়লেও এখনও নিরক্ষরই বেশী তাই প্রচারাভিযান খুবই জরুরী। পরিবার পরিকল্পনার উপর সর্বত্রই প্রচার চালাতে হবে। যদিও ধর্মীয় দিক দিয়ে এসব মানতে নারাজ এ দেশের আপামর জনগণ। এ দেশে কনজারভেটিব জনগোষ্ঠি এখনো অনেক বেশী কিন্তু সরকার তো তার রাষ্ট্রকে বাঁচাতে হবে। জনসংখ্যার ভারে নূব্জ্য রাষ্ট্র। এতো জনসংখ্যার ভার রাষ্ট্র ধরে রাখতে পারবে না। দেশের আয়তন খুবই ছোট বড় আয়তনের দেশ হলে একটা কথা ছিল। আমাদের ভাবতে হবে জনসংখ্যা কমাতে হবে। জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে রাষ্ট্রের সুবিধার্থে প্রায় বছর খানেক আগে আমি আমার একটি লিখা কাগজে দিলে সিলেটের একটি দৈনিকে নিবন্ধটি গুরুত্বের সাথে ছাপা হয়। আজ আবারও লিখলাম কেন জানি মনের মধ্যে এ বিষয়ে লিখার তাগিদ অনুভব করি।
বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনাময় একটি দেশ এটা সত্য। সাড়ে সাতকোটি বাঙালিকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের পঞ্চাশ বছরের আগেই এ দেশের জনসংখ্যা প্রায় তিনগুণ। ভাবলে অবাকই লাগে ৫৫ হাজার ৩৬০ বর্গমাইলের ক্ষুদ্র এ দেশ জনসংখ্যার ভারে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছে। সচেতনতা বিরাট বড় জিনিস। সবাই দেশকে নিয়ে ভাবলে সভা সমাবেশে বা আলোচনা করলে মানুষ সচেতন হবে সংসার ছোট হবে দেশ সমৃদ্ধশালী হবে।
এক সময় বিশ্বের অনেক দেশ বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ আখ্যা দিত। এখন সেসব দিন নেই। এখন বিশ্ব নেতারা, দেশের প্রধানরা বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী। বাংলাদেশের উন্নয়নে তারা এখন আশার বাণী উচ্চারণ করেন। বিশ্ব মোড়লেরাই বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রতিনিয়ত প্রশংসা করে চলেছেন। কিন্তু এসব অর্জন একেবারে থেমে যাবে যদি বর্তমান গতিতে দেশে জনসংখ্যা বাড়তে থাকে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের উপর গুরুত্বারোপ না করলে জনসংখ্যার চাপে ভারসাম্যহীন হয়ে হিতে বিপরীত হবে এ দেশ। দেশ স্বাধীনের দীর্ঘদিন পরে হলেও দেশের অর্থনীতির চাকা যে সচল হয়েছে তা অস্বীকার করার কোন কারণ নেই। কিন্তু উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রশংসার জোয়ার বইছে বিশ্বব্যাপী, তা ধরে রাখতে অচিরেই জোর দিতে হবে দেশের জনসংখ্যার নিয়ন্ত্রণের দিকে। বাড়াতে হবে বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনার উপর নজরদারী।
জন্মনিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিগুলো যেমন স্থায়ী এবং অস্থায়ী পদ্ধতি ব্যবহারের উপর জোর দিতে হবে। প্রচার প্রচারণা চালাতে হবে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে। ‘দু’টি সন্তানই যথেষ্ট। একটি হলে আরো ভাল’। ‘ছোট পরিবার, সুখি পরিবার’ এইসব পুরনো ও প্রয়োজনীয় স্লোগানগুলোকে আবারও সামনে নিয়ে এসে কাজে লাগাতে হবে। পত্র পত্রিকা ও টিভির টক-শো গুলোতে মাঝে মাঝে পরিবার পরিকল্পনা তথা জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপর আলোচনা হয় বটে কিন্তু তাতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গতি আসছে না। গত শতকের শেষের দিকে পরিবার পরিকল্পনার কার্যক্রমে যে গতি এসেছিল তা ক্রমশঃ দুর্বল হয়ে পড়েছে। অনেক মহিলা আছেন তারা পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে একেবারে অজ্ঞ। গত দুই দশকেরও বেশী সময় গেছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে কিছু শুনেছে, জেনেছে এমন নারীর সংখ্যা অপ্রতুল। বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত জনসংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে জনসংখ্যা বাড়ছে ৪ জন করে। সংবাদপত্র সূত্রে জানা গেছে- পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশের বেশী জনগণ বাস করে এশিয়া মহাদেশে। স্বাধীনতার বেশ আগ থেকে এ দেশে পরিবার পরিকল্পনা তথা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু হয়। বেসরকারীভাবে এই কার্যক্রম শুরু হলেও পরবর্তীতে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয় এটাকে। তখন পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রীয় ভাবে সফলতা আসে বেশ। কিন্তু আজকের বাস্তব অবস্থায় দেখা যায় সরকারীভাবে এ কার্যক্রম অত্যন্ত ঢিমে তালে চলছে। মাঠ পর্যায়ে গরিব ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মধ্যে এ ব্যাপারে সচেতনতার অভাব পরিলক্ষিত হয়। তাছাড়া সবশ্রেণীর মানুষের মাঝে তো ধর্মীয় গোঁড়ামী রয়েছেই। ইদানিং একটু খেয়াল করলে দেখবেন শিক্ষিত ধনী এবং সচেতন দম্পতিও আজকাল অধিক সন্তান গ্রহণ করছেন। আর অনাকাক্সিক্ষত সন্তানের জন্মের হারও নেহায়েত কম নয় এখন।
সাম্প্রতিক কালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালিত জরিপে আশাব্যঞ্জক তথ্য বেরিয়ে এসেছে- তাতে বলা হয়েছে, দেশের মানুষের প্রজনন হার কমেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে জনসংখ্যা হ্রাস পাবে। ফলে কলকারখানা, অফিস-আদালতে কর্মীর সংখ্যা কমে যাবে। কিন্তু বাস্তব চিত্রের সাথে এই তথ্যের সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া যায় না। জনসংখ্যা বর্তমানে যা রয়েছে তা আয়তনের তুলনায় অনেক বেশী। এই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে টেকসই অবস্থানে নিয়ে আসতে না পারলে আমাদের রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক জীবনের সর্বক্ষেত্রে বর্ধিত জনসংখ্যা ভবিষ্যতে নানামুখী সমস্যার সৃষ্টি করবে। তাই একে নিয়ন্ত্রণে আনতেই হবে। অবশ্য দুর্বল হয়ে পড়া পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে পরিবর্তন আনতে হবে সাথে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ওপর নজরদারী বাড়াতে হবে। জোর দিতে হবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের ওপর। যেখানে প্রতি মিনিটে জনসংখ্যা বাড়ছে ৪ জন করে এ সংখ্যা অব্যাহত থাকলে অচিরেই বাংলাদেশের জনসংখ্যা অবশ্যই ২০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রেও আশাবাদী। কিন্তু জনসংখ্যার উর্ধ্বগতি ও অন্যান্য নানাবিধ কারণে তা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দেখা গেছে সরকার জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করলেও তা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও মুদ্রাস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
কাজেই সরকারের উচিত হবে ঝিমিয়ে পড়া পরিবার পরিকল্পনার প্রচার প্রসার আগের অবস্থানে এনে একটা গ্রহণযোগ্য অবস্থানে নিয়ে আসা। কারণ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সরকারের সব অর্জন বিফলে যাবে।
লেখক : কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • রপ্তানিতে সুবাতাস, ইতিবাচক বাংলাদেশ
  • রপ্তানিতে সুবাতাস, ইতিবাচক বাংলাদেশ
  • ডিসেম্বর আমাদের অহংকারের মাস
  • পোশাক শিল্পের অগ্রগতি
  • উন্নয়ন, আদর্শ ও মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষিত
  • প্রসঙ্গ : রিকসা ভাড়া
  • পেছন ফিরে দেখা-ক্ষণিকের তরে
  • অবাধ ও সুষ্ঠু নিবার্চনের প্রত্যশা
  • শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার
  • বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার
  • বাংলাদেশের উৎসব
  • ‘শান্তি জিতলে জিতবে দেশ’
  • মানবাধিকার মুক্তি পাক
  • অদম্য বাংলাদেশ
  • নারী আন্দোলনে বেগম রোকেয়া
  • আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জনমানস
  • অরিত্রী : অস্তমিত এক সূর্যের নাম
  • স্বপ্নহীন স্বপ্নের তরী
  • মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান
  • নয়া রাষ্ট্রদূত কী বার্তা নিয়ে এসেছেন?
  • Developed by: Sparkle IT