উপ সম্পাদকীয়

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বিশ্বব্যবস্থার ভবিষ্যৎ

এডভোকেট আনসার খান প্রকাশিত হয়েছে: ২৩-০৯-২০১৮ ইং ০০:৫৩:৫৫ | সংবাদটি ৭৯ বার পঠিত

ঘরে-বাইরে টালমাটাল অবস্থায় আছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে চলছে তদন্ত। অন্যদিকে, তাঁর হোয়াইট হাউজের কতিপয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও উপদেষ্টা প্রেসিডেন্টের সাথে ক্ষেত্র বিশেষে সহযোগিতা করছেন না বরং গোপনে গোপনে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হয়ে প্রেসিডেন্টের দ্বারা কৃত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধের জন্য কাজ করে চলেছেন বলে নানা সূত্র থেকে খবর প্রকাশিত হয়েছে এবং এমন কী, এ গ্রুপের পক্ষের নামবিহীন জনৈক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দ্য নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় উপসম্পাদকীয় লিখেছেন, যেখানে প্রেসিডেন্টের নানা কাজের সমালোচনা করা হয়েছে। এ উপসম্পাদকীয়টি বাংলায় ভাষান্তর করলে শিরোনামটি হয়,-‘আমি ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরের প্রতিরোধের অংশ।” কাজেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে দেশের অভ্যন্তরে এক প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলা করছেন-সেটি বলার অপেক্ষা রাখেনা।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের ঐ নিবন্ধের লেখক মনে করেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অযোগ্য এবং রাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী। তিনি এতোটাই অযোগ্য ও ক্ষতিকর যে তাঁর হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে এই প্রশাসনের ভেতরে থেকেই অনেকে তাঁর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করে যাচ্ছেন। ‘আমি এই প্রতিরোধের অংশ, ট্রাম্প ক্ষমতা থেকে সরে না যাওয়া পর্যন্ত এই প্রতিরোধ চলবে,-জানিয়েছেন এই নিবন্ধের লেখক। মার্কিন প্রেসিডেন্সী এবং প্রশাসনে কী ধরনের অস্থিরতা বিরাজমান সেটি বোঝা যাচ্ছে এই নিবন্ধ থেকে।
ট্রাম্পের রাজনৈতিক চিন্তাধারা দ্বন্দ্বপূর্ণ। তিনি ঘন ঘন তাঁর মতের পরিবর্তন করেন এমন অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। নির্বাচন পূর্ব ওয়াশিংটন পোস্টে (১৭.০৮.২০১৫) লিখিত এক নিবন্ধে সাংবাদিক ডেভিড এ ফাকরেনথহলড লিখেছিলেন, ‘জুন থেকে আগস্টের মধ্যবর্তী সময়কালে ট্রাম্প কমপক্ষে ২০ বার তাঁর মতের পরিবর্তন করেছিলেন।’ তার পরিবর্তনের অভ্যাসে কোনো পরিবর্তন হয়নি বর্তমান সময়কালেও। কারণ, দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের বেনামী লিখিত নিবন্ধেও একই কথা বলা হয়েছে। ঐ নিবন্ধের ভাষ্য-‘ওভাল অফিসে এক বৈঠকে এক সপ্তাহ আগে দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত থেকে প্রেসিডেন্ট সরে আসায় বিরক্ত এক শীর্ষ কর্মকর্তা সম্প্রতি আমার কাছে অভিযোগ করেন-‘আক্ষরিক অর্থেই বলার উপায় নেই তিনি এই মুহূর্তে থেকে অন্য মুহূর্তে মত পরিবর্তন করবেন কি-না।’
প্রেসিডেন্টের ঘন ঘন মত পরিবর্তন এবং অস্থিরতার প্রভাব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে এবং মার্কিন পররাষ্ট্র নীতিতেও এটি প্রবলভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাঁর গৃহীত পররাষ্ট্র নীতি টালমাটাল করে তুলেছে গোটা পৃথিবীকে। উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে তিনি দ্রুতই মত পরিবর্তন করেছেন। ইরানের ক্ষেত্রে বা তুরস্কের বেলায়ও তার মতের পরিবর্তন হতে দেখা গেছে। ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই তিনি যেভাবে রণহুঙ্কার দেওয়া শুরু করেছিলেন, তাতে সচেতন বিশ্ববাসী এটি ধরেই নিয়েছিলেন যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে ওঠেছে। আমেরিকা যেকোনো মুহূর্তে উত্তর কোরিয়ায় সামরিক অভিযান শুরু করে দিতে পারে। কিন্তু না সেটি আর হয়নি। বিশ্ববাসী কিছু বুঝে ওঠার আগেই আশ্চর্যজনকভাবে জানতে পারলেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম এর সাথে ট্রাম্প শিগগিরই বৈঠকে বসবেন এবং সে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো সিঙ্গাপুরে। দুই নেতা মুখোমুখি বৈঠক করলেন এবং ট্রাম্প জানালেন বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে। অথচ এই ক’দিন আগে উত্তর কোরিয়া প্রসঙ্গে তাঁর মত পরিবর্তন হতে দেখা গেলো। তিনি তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে ঐ দেশটিতে না যেতে বললেন। এটি ট্রাম্পের মধ্যে অস্থিরতার কারণেই ঘটছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। অর্থাৎ কোনো বিষয়ে তিনি বেশিদিন বা বেশিক্ষণ স্থির থাকতে পারেন না।
ট্রাম্প আসলে কী করতে চাইছেন, এ ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সর্বত্র। আমেরিকা বা বিশ্ব ব্যবস্থাকে কোথায় নিয়ে যেতে চাইছেন। নির্বাচনী প্রচার অভিযানকালীন সময় থেকে বর্তমানের প্রেসিডেন্সী কার্যক্রম বিশ্লেষণে যে বিষয়টি বোঝা যাচ্ছে, তাতে দেখা যায়, আমেরিকা ‘ফার্স্ট এগেইন’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের নামে আমেরিকাকেই সারা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে চাইছেন। যেমন-ডেরী-নিউ হাম্পশায়ারের টাউন হলেন প্রথম নির্বাচনী সভায় তিনি বলেছিলেন জয়ী হলে প্রথম কাজ হবে সকল অবৈধ অভিবাসীদের আমেরিকা থেকে বিতাড়ন করা। নির্বাচনী প্রচারণাকালীন অন্যান্য মূল ইস্যুগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিলো অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করা। ফ্রি বা মুক্ত বাণিজ্য নীতি গ্রহণ, সিরিয়া সহ সংঘাতপূর্ণ রাষ্ট্রে সামরিক হস্তক্ষেপ, মুসলমানদের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করা, মেক্সিকো সীমান্তে ওয়াল নির্মাণ করা এবং নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে তাঁর বিতর্কিত ইস্যুগুলো বাস্তবায়নে কাজ শুরু করায় বিশ্ব ব্যবস্থায় নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন প্রচালনাকালীন সময়েই দ্য ইকোনোমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) এক প্রতিবেদনে মন্তব্য করেছিলো, বিশ্ব ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ১০টি ঝুকির মধ্যে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া অন্যতম ঝুঁকি। (বিবিসি নিউজ বিজনেস, ১৭.৩.২০১৬)। তাঁর পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ করে মুসলমানদের প্রতি বৈরী মনোভাব এবং ৬টি মুসলিম রাষ্ট্রের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ, জেরুজালেমে আমেরিকান দূতাবাস সরিয়ে আনা, ইরান সম্পর্কে বিরূপ নীতি গ্রহণ করা, জাতিসংঘে ফিলিস্তিনী উদ্বাস্তুদের জন্য সহায়তা তহবিলে আমেরিকার চাঁদা প্রদান বন্ধ করে দেওয়া ইত্যাদি পদক্ষেপগুলো সুষ্পষ্টভাবে মুসলিম বিদ্বেষী এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ। এটি বিশ্বব্যবস্থাকে অস্থির করছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
একই প্রতিবেদনে ই.আই.ইউ আরো মন্তব্য করেছিলো যে, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি হুমকির মধ্যে পড়বে এবং বাণিজ্য যুদ্ধের আংশকা অনেক বেশি থাকবে বলে মন্তব্য করেছিলেন ই.আই.ইউ এর রিস্ক ম্যানেজার রবার্ট পাওয়েল। এটি যে কত সত্য প্রমাণিত হয়েছে তা এখন দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ট্রাম্প স্বেচ্ছামূলকভাবে চীন, তুরস্ক, কানাডা, মেক্সিকো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইরান প্রভৃতি রাষ্ট্রগুলোর সাথে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছে এবং এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি স্থবির হয়ে পড়ার শংকা রয়েছে।
পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণে ট্রাম্পের খেয়ালী আচরণ বিশ্ব ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে। মার্কিন সাংবাদিক ও বিশ্লেষক পল রন ট্রাম্পের পররাষ্ট্র নীতিকে অপরিপক্ষ বলে অভিহিত করেছেন। উদারনৈতিক আন্তর্জাতিকতাবাদ ও গণতন্ত্র ছিলো আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক আদর্শ ও ভিত্তি। কিন্তু ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সীতে এর বিপরীত অবস্থাই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতির অক্ষরেখাটি নিশ্চিতভাবেই বিচ্যুত হতে চলেছে ট্রাম্পের আমেরিকা ফার্স্ট নীতির প্রভাবে। উগ্র জাতীয়তাবাদের ধাক্কায় বিশ্ব ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার তীব্র আশংকা দেখা দিয়েছে এবং সে সাথে আমেরিকা যেন বিচ্ছিন্ন হতে চলেছে গোটা বিশ্ব থেকে।
ইতোমধ্যেই ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ন্যাটো, জাতিসংঘ ইত্যাদি বৈশ্বিক সংস্থার প্রতি অনীহা প্রকাশ করেছেন। তিনি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউ.টি.ও) কে দুর্দশা বলে অভিহিত করেছেন এবং এ সংস্থা থেকে আমেরিকাকে প্রত্যাহার করে নেবারও হুমকি দিয়েছেন। ট্রান্সপ্যাসিফিক পার্টনারশীপ, নর্থ আমেরিকান ফ্রি ট্রেন অগ্রিমেন্ট বা নাফটা চুক্তি সংশোধন করার কথা বলেছেন। ইতোমধ্যেই ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশীপ চুক্তি, প্যারিস জলবায়ু চুক্তি এবং ইরানের পারমাণবিক চুক্তি থেকে এককভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন আমেরিকাকে।
ট্রাম্পের নীতির ফলে বৈশ্বিক মানবাধিকার, গণতন্ত্র, উদারতাবাদ, বৈশ্বিক বাণিজ্য, বৈশ্বিক অভিবাসন নীতি সহ সমগ্র বৈশ্বিক ব্যবস্থায় ধস নামতে শুরু করেছে বলে পর্যবেক্ষকদের অভিমত। অন্যদিকে, বাড়ছে যুদ্ধভীতি। কারণ তাঁর নীতির মোকাবেলায় বিশ্বব্যাপী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নতুন মেরুকরণ ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এর আলামতও দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক রাজনীতির পর্যবেক্ষকদের মতে, আন্তর্জাতিক আইনের অবমাননা ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আইনের শাসনকে অবজ্ঞা করার চেষ্টা করা ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্র নীতির অন্যতম মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়ম নীতি ভিত্তিক বিশ্ব শৃঙ্খলা গড়ে তোলার অঙ্গীকার থেকে ক্রমেই সরে যাচ্ছে আমেরিকা এবং নিজের ইচ্ছে জোর করে চাপিয়ে দিতে চাইছে বিশ্ব ব্যবস্থার ওপর।
মূলত: প্যাক্ট্যা সান্ট সারভানদার মৌলিক নীতিমালার প্রতি অবমাননাকর অবজ্ঞা প্রদর্শনের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক নীতি ও বিশ্ব ব্যবস্থায় ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম শুরু করেছে। ‘প্যাক্ট্যা সান্ট সারভানদা’-হলো ল্যাটিন শব্দ-যার অর্থ হলো আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি, যা বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের জন্য পালন করা আবশ্যিক এবং এটি আন্তর্জাতিক আইনের অতি পুরানো একটি নীতি। পুরানো এ নীতি থেকে আমেরিকা ও ট্রাম্প প্রশাসন ক্রমেই সরে যাচ্ছে। এর উদাহরণ হলো, আন্তর্জাতিক সকল নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে আন্তর্জাতিক কতিপয় চুক্তি থেকে এককভাবে আমেরিকাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া। কয়েকটি আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে আমেরিকাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া এবং অন্য চুক্তিগুলোকে ধ্বংস করার চেষ্টা, এ দুটোই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা, যা দুর্ভাগ্যক্রমে বিশ্বের শৃঙ্খলাকে বিপদগ্রস্ত করার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এ অবস্থা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করবে। অন্যদিকে, এটিও আশঙ্কা যে, আমেরিকাও আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।
যদি এমনই অবস্থার সৃষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে বিশ্বব্যবস্থা কী পর্যায়ে যাবে বা কী অবস্থার মুখোমুখি হতে পারে সেটি নিয়ে চিন্তত বিশেষজ্ঞরা। কারণ কতকগুলো মৌলিক নীতি ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা হলো বিশ্ব ব্যবস্থার প্রাণ। এসবকে যদি অবজ্ঞা করা হয় একটি বিশ্বশক্তি রাষ্ট্র দ্বারা সেক্ষেত্রে বিশ্ব ব্যবস্থা সচল থাকতে পারবে না; অন্য রাষ্ট্রগুলোও অবজ্ঞা প্রদর্শন করতে উৎসাহিত হবে বিধায় গোটা বিশ্বে হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে বলে শংকা দেখা দিয়েছে।
লেখক : আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • প্রসঙ্গ : রিকসা ভাড়া
  • পেছন ফিরে দেখা-ক্ষণিকের তরে
  • অবাধ ও সুষ্ঠু নিবার্চনের প্রত্যশা
  • শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার
  • বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার
  • বাংলাদেশের উৎসব
  • ‘শান্তি জিতলে জিতবে দেশ’
  • মানবাধিকার মুক্তি পাক
  • অদম্য বাংলাদেশ
  • নারী আন্দোলনে বেগম রোকেয়া
  • আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জনমানস
  • অরিত্রী : অস্তমিত এক সূর্যের নাম
  • স্বপ্নহীন স্বপ্নের তরী
  • মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান
  • নয়া রাষ্ট্রদূত কী বার্তা নিয়ে এসেছেন?
  • ফেসবুক আসক্তি
  • কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পৌরসভা প্রসঙ্গে
  • শিক্ষার্থীদের শাস্তি এবং অরিত্রী প্রসঙ্গ
  • রাষ্ট্রায়ত্ত বৃহৎ শিল্প টিকিয়ে রাখা ও উন্নয়ন জরুরি
  • হাফিজ মোবাশ্বির আলী
  • Developed by: Sparkle IT