উপ সম্পাদকীয়

অনুভবে অনুরাগে স্মরণ করি তোমাদের

রফিকুর রহমান লজু প্রকাশিত হয়েছে: ০৬-১০-২০১৮ ইং ০১:০৮:৩৮ | সংবাদটি ৮৬ বার পঠিত

একটা সুন্দর দিন, সুন্দর সময় কাটালাম প্রেসক্লাবে। প্রায় চার ঘণ্টা সময় কেমনে কেমনে নিমিষে চলে গেলো, বুঝতেই পারলাম না। অনুষ্ঠানটি ছিলো প্রাণবন্ত ও আবেগাপ্লুত। সিলেট প্রেসক্লাবের প্রয়াত সাতাশ জন সদস্যের জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রণীত ‘অনুভবে অনুরাগে’ স্মারক গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান। প্রেসক্লাব মিলনায়তনটি পূর্ণ ছিলো সাংবাদিকদের পদচারণায়। প্রয়াতদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি প্রয়াতদের নিয়ে হলেও এটি শোক সভা ছিলো না। ছিলো স্মৃতিচারণ সভা। হৃদয়ে সহকর্মীদের জন্য শোক অবশ্যই ছিলো যেটা অন্য সময়েও থাকে। কিন্তু আজকে শোককে জয় করে তাদের কর্ম ও সাফল্য গাথাই আলোচনার বিষয়বস্তু। ছিলো সামনে এগিয়ে চলার প্রত্যয়, ছিলো সাংবাদিকতাকে সমৃদ্ধ করে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার অভিপ্রায়। অপসাংবাদিকতা ও তথ্য বিকৃতির বিরুদ্ধে ছিলো কঠোর উচ্চারণ। সাংবাদিকতা পেশা যেমন জীবন-জীবিকা নির্বাহের একটা উপায়, তেমনি পেশাটি অন্য পেশা থেকে অন্য রকমের এবং পুতপবিত্র। বক্তব্যে, আলোচনায়, স্মৃতি চারণে এসব কথাই ধ্বনিত হয়েছে বার বার। অনুষ্ঠানটি গত ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮ সিলেট প্রেসক্লাব ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘অনুভবে অনুরাগে’ যাদের আমরা সেদিন স্মরণ করলাম তারা জগৎ সংসার থেকে হারিয়ে গেলে ও মনের মুকুরে হৃদয়ের গহীনে তারা মধুর মমতায় চুপে চুপে কানে কানে কথা বলেন প্রিয়জনের সঙ্গেঁ। তাই সতত তারা ‘অনুভবে অনুরাগে’ আছেন আমাদের চেতনায়। আমরা যাদের স্মরণ করলাম সেই সাতাশজন ক্ষণজন্মা প্রেরণাদাতা হলেন আমীনূর রশীদ চৌধূরী, হিমাংশু শেখর ধর ঝর্ণা বাবু, সুধীন্দ্র বিজয় দাশ সলু বাবু, জাহিরুল হক চৌধুরী, এম. এ. রব, জিতেন সেন, মহিউদ্দিন শীরু, এহিয়া রেজা চৌধুরী, এম. এ. গাফফার, মাহমুদ হক, আবু খালেদ চৌধুরী, আব্দুল মুমিন চৌধুরী, শামসুল হোসেইন কামাল, আজির উদ্দিন, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, সিরাজ উদ্দিন আহমদ, মনির উদ্দিন চৌধুরী, রশীদ হেলালী, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, শারিক শামসুল কিবরিয়া, সৈয়দ মোহাম্মদ আতহার, ফতেহ ওসমানী, সিএম মারুফ, আব্দুর রহমান, ইকবাল মনসুর, খয়রুল আমীন লস্কর মনজু ও এমরান আহমদ। এদের মধ্যে ফতেহ ওসমানীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয় নি। ঘাতকরা নৃসংসহ ভাবে তাকে হত্যা করেছে। হিমাংশু শেখর ধর ঝর্ণা বাবু প্রবাসে সুদূর কানাডায় মৃত্যুবরণ করেন।
এই সাতাশ জনের প্রায় সকলের সঙ্গে আমার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা ছিলো। আমীনূর রশীদ চৌধূরীর সঙ্গে সাংবাদিকতার বাইরেও সম্পর্ক ছিলো। তার বাসায় সব সময় একটা সাংস্কৃতিক আবহ বা পরিবেশ বিরাজ করতো। তার ঘরের খোলা বারান্দায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে সঙ্গীতের আসর বসতো। আমি সব সময় আমন্ত্রণ পেতাম। কবি সুফিয়া কামালের সঙ্গে রশীদ সাহেবের আত্মীয়তার মতো সম্পর্ক ছিলো। কবি যখনই সিলেটে আসতেন, অবশ্যই আম্বরখানার জ্যোতি মঞ্জিলেও পদার্পণ করতেন। এ উপলক্ষেও আমি আহূত হতাম। তার ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে মূল্যবান গ্রন্থের সমাবেশ ছিলো। আমি তার বই নাড়াচাড়া করতে পারতাম।
ঝর্ণাদা ও সলুদা দু’জন সন্ধ্যা পরে ঝর্ণাদার প্রেসের অফিসে বসতেন। গল্প-রসালাপ হতো। আসতেন বাহাউদ্দিন আহমদ। খুব সুন্দর এবং শিক্ষণীয় কথাবার্তা। আমিও হাজির হতাম। আসতো উপাদেয় নাস্তা চা। তিন জনের সঙ্গে আমার হৃদ্যতা। সুলুদা ঝর্ণাদা তো আমার অপেক্ষা করে থাকতেন। এই নির্মল আড্ডায় আমরা বিশেষ করে আমি খুবই উপকৃত হয়েছি। ঝর্ণাদার টেলিফোন (অকাজের টেলিফোন) আসলে বলতেন : আমরা কয়েকজন সাংবাদিক একত্রে বসেছি। আমি পরে রিং করবো আপনাকে।
জাহিরুল হক চৌধুরী তো আত্মীয়ই ছিলেন। ’৬৫ সালে প্রেসক্লাব গঠনে এম.এ রব আমার সঙ্গে ছিলেন। মহিউদ্দিন শীরু আমার ছাত্র এবং অত্যন্ত ¯েœহভাজন। মাহমুদ হক, সিরাজ উদ্দিন আহমদ, মনির উদ্দিন চৌধুরী, এহিয়া রেজা চৌধুরীর সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে নিত্য যোগাযোগ হতো। ফতেহ ওসমানী ও মনজু দুজনই ছিলো ছোট ভাইয়ের মতো। অন্যরাও আমার প্রিয়জন ছিলেন।
‘অনুভবে অনুরাগে’র অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আন্তর্জাতিক সভাপতি (এমেরিটাস) হাসান শাহরিয়ার। তিনি তার ভাষণে উল্লেখ করেন : সিলেটের সাংবাদিকতার ইতিহাস যেমন সমৃদ্ধ, তেমনি এই পেশার বিকাশ সাধনে সিলেট প্রেসক্লাবের ভূমিকাও অনন্য। সিলেট প্রেসক্লাবের প্রয়াত সাংবাদিকগণ ছিলেন আলোকবর্তিকা। তাদের চিন্তা-চেতনা ও অনুসৃত পথই সিলেট প্রেসক্লাবের প্রেরণার উৎস। তাদের কথা স্মরণ করে, তাদের অঙ্গীকার, পেশার মান উন্নয়নে আপোষহীন সংগ্রাম, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা, সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতার স্বীকৃতি দিয়ে এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে সিলেট প্রেসক্লাব ঋণের ভার কিছুটা হলেও লাঘব করেছে। তিনি আরো বলেন, সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা হিসেবে প্রকাশ করাই সাংবাদিকদের স্বাধীনতা।
হাসান শাহরিয়ারের সঙ্গে এই আমার প্রথম সাক্ষাৎ, প্রথম পরিচয়, প্রথম আলাপ। তিনি খুব দিলখোলা মানুষ এবং মুহূর্তেই আমাকে আপন করে নিলেন। মঞ্চের সামনে থেকে আমাকে কাছে টেনে নিলেন, হাত চেপে ধরে ছবি তুললেন, খাবার টেবিলে নিয়ে গেলেন, নিজ হাতে প্লেইটে তুলে দিলেন ভাত-মাছ-সবজি-ডাল। খাওয়া শেষে আমাকে ওয়াশ রুমে আগে ঢুকিয়ে দিলেন। আজই যে এই অনুষ্ঠানে আমাদের প্রথম পরিচয়, কেউ এমনটা অনুমান করার সুযোগই পেলেন না। মনে হলো অনেক অনেক দিনের পরিচয় আমাদের। বিকেল চারটার দিকে বিদায় নেবার সময় আর কার্ড তুলে দিলেন আমার হাতে এবং বললেন মাঝে মাঝে ফোন করলে খুশি হবো। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবারক হোসেইন সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে নিয়ে অনুমান নির্ভর সংবাদ প্রকাশ কারোরই কাম্য নয়। মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত সংবাদ সমাজের জন্য অনেক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবিরের সভাপতিত্বে ‘অনুভবে অনুরাগে’র অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন সাবেক সভাপতি আব্দুল মালীক চৌধুরী ও ইকবাল সিদ্দিকী, প্রখ্যাত সাংবাদিক সুনমাগঞ্জ থেকে আগত হোসেন তওফিক চৌধুরী, সিলেটের ডাকের নির্বাহী সম্পাদক আবদুল হামিদ মানিক, সিলেট সংলাপের সম্পাদক ফজলুর রহমান এবং আরো অনেকে। আমারও ডাক পড়েছিলো বক্তৃতা দেবার জন্য।
হোসেন তৌফিক চৌধুরীর সঙ্গে আমার বেশি পরিচয় বা ঘনিষ্ঠতা নেই। কারণ তিনি থাকেন সুনামগঞ্জে আর আমি সিলেটে। আগে যখন পার্টির সাংগঠনিক কাজে সুনামগঞ্জ গিয়েছি, তখন তার সঙ্গে দেখা সাক্ষাত হয়েছে। আমার মনে পড়ছে আলী ইউনুস এডভোকেট, সুরেশ দাস এডভোকেট ও বজলুল মজিদ খসরু এডভোকেটের সঙ্গে সুনামগঞ্জ বার লাইব্রেরিতে দেখা করতে গেলে হোসেন তৌফিক চৌধুরীর সঙ্গেও দেখা-সাক্ষাত হয়েছে। দীর্ঘ গ্যাপের পর আজ তার সঙ্গে দেখা হতেই তিনি কথা বলেন ও হাত মেলান। আমার কপি ‘অনুভবে অনুরাগে’ তিনি স্বাক্ষর দেন।
আমি আমার বক্তব্যে একটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করবো বলে ঠিক করেছিলাম, ভয়ও ছিলো কে কিভাবে বিষয়টি নেবেন ভেবে। দেখলাম বিষয়টি উত্থাপন করার উপযুক্ত প্লাটফর্ম এটিই। বিষয়টি হলো ১৯৬৫ সালে ১৩ আগস্টে গঠিত প্রেসক্লাবের কমিটি নিয়ে। বর্তমান এবং পূর্বের কমিটিগুলো (১৯৭৭ সাল থেকে) চুপ ছিলো এ ব্যাপারে। কিন্তু আমি অন্যদের ভাষণে এ ব্যাপারে বক্তব্য শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে গেলাম। কারণ সবাইর বক্তব্যে ১৯৬৫ সালের কমিটির যথার্থতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আমার আশঙ্কার কারণ এ যাবতকাল ’৬৫ সালের কমিটিকে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। তাছাড়া ঐ কমিটির একমাত্র জীবিত সদস্য এখন আমি। মনে হতে পারে আমার বাহাদুরি জাহির করার জন্য আমি এমন করছি। যখন দেখলাম মৌখিকভাবে হলেও সবাই ’৬৫ সালের কমিটিকে যথাযথ মর্যাদা দান ও প্রতিষ্ঠা করার পক্ষে, তখন আমি সাহস পেলাম। আমি তখন ’৬৫ সালের কমিটিকে গ্রহণ ও স্বীকৃতি দানের জন্য অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে বসে পড়ি। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হাসান শাহরিয়ার তার বক্তব্যে এক জায়গায় ‘সবার উপরে’ ছায়াছবির নায়ক ছবি বিশ্বাসের ডায়লগ ‘ফিরিয়ে দাও আমার বারোটি বছর’ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন : প্রেসক্লাবের ৪১ বছর থেকে আমরা বারোটি বছর হারিয়ে যেতে দিতে পারি না। এই বিষয়ে প্রেসক্লাবের শীঘ্রই ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ একান্ত জরুরি একটি কাজ। প্রধান অতিথির এই বক্তব্য থেকে বর্তমান কমিটির কর্তব্য নির্ধারন হয়ে গেছে বলে আমার মনে হয়।
‘অনুভবে অনুরাগে’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত নতুন পুরাতন, পরিচিতি-অপরিচিত সকলকে নিয়ে আমি আলাদা আলাদা আমার অনুভূতি প্রকাশ করেছি, মন্তব্য করেছি। এতে কেউ অন্য রকম মনে করতে পারেন এবং মনে কষ্ট পেতে পারেন এই ভেবে যে, আমি ভিন্ন ভিন্ন চোখে, ভিন্ন ভিন্ন ওজনে তাদের দেখছি। না! এমন কোনো ভাবনার লেশই নেই আমার মনে। আমি সবাইকে একই ভাবে দেখি, একইভাবে আপন মনে করি। শুধুমাত্র তাদের আরো ঘনিষ্ঠভাবে আরো নিবিড়ভাবে শনাক্ত করার জন্য এমনটি করেছি। ‘অনুভবে অনুরাগে’ সুন্দর অনুষ্ঠানে হয়তো অনেকে যোগ দিতে পারেননি। একজনের অনুপস্থিতি আমি খুব অনুভব করেছি। আমি ভেবেছিলাম দেরিতে কিংবা শেষ পর্যায়ে হলেও তিনি এসে উপস্থিত হবেন। আমি অপেক্ষা করেছি। খাওয়ার টেবিলে বসেও তার প্রতীক্ষা করেছি। তিনি প্রেসক্লাবের দুই টার্মের সাধারণ সম্পাদক, দুই টার্মের সভাপতি। তিনি সিলেটের দৈনিক সিলেট মিরর-এর সম্পাদক ও ঢাকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর সিলেট ব্যুরো প্রধান এবং ২০১৫ সালে প্রকাশিত ‘ওয়ান-ইলেভেন কারারুদ্ধ দিনগুলো’-গ্রন্থের লেখক আমার প্রিয়ভাজন আহমেদ নূর।
ইকবাল মাহমুদ প্রেসক্লাবের সম্পাদক অত্যন্ত কর্মঠ এবং চোখ কান খোলা রাখা সক্রিয় একজন মানুষ। পূর্বে পরিচয় ছিলো না। এই অনুষ্ঠানে আসার আগে কখনো তাকে দেখিনি। মোবাইল ফোনে যখন কথা হলো তখন পূর্ব পরিচিত একজন ঘনিষ্ঠ মানুষের মতোই কথা বললেন ইকবাল মাহমুদ। মোবাইলে আলাপের সময় ইকবাল মাহমুদের যে অবয়ব ভেসে ওঠেছিলো, সাক্ষাতে যেনো সেই ইকবাল মাহমুদকেই পেলাম।
ইকরামুল কবির-প্রেসক্লাবের বর্তমান সভাপতির সঙ্গে বহুদিনের সম্ভবত তার সাংবাদিকতা পেশায় আসার আগে থেকেই পরিচয়। তাকে ইকু বলেই ডাকতাম। তার অগ্রজ ইকবাল কবিরের ছোট ভাই হওয়ায় তাকে ¯েœহের চোখেই দেখতাম। আমাদের সেই ছোট্ট ইকুই এখন সময় টিভি’র সিলেটের ব্যুরো প্রধান।
প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কিছু বন্ধুর সঙ্গে পূর্বের পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা ঝালিয়ে নেয়ার সুযোগ পেলাম। দীর্ঘদিন দেখা-সাক্ষাত না হওয়ায় তা বিস্মৃতির পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো। ওই বন্ধু সহকর্মীরা হলেন এনামুল হক জুবের, এম.এ হান্নান, বদরুদ্দোজা বদর, বকসি ইকবাল, সাঈদ চৌধুরী, আব্দুল মুকিত অপি, সিরাজুল ইসলাম, চৌধুরী দিলওয়ার হোসেন জিলন এবং আরো কেউ কেউ। এছাড়াও আরো কিছু সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন দেখলাম, তাদের সঙ্গে এর আগে দেখা হয় নাই, পরিচয়ও ছিলো না। প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠানের বদৌলতে তাদের সঙ্গে পরিচয় হলো, কথা হলো, কেউ কেউ কথা বলে আবেগে ঘনিষ্ঠ হলেন, আপন মনে হলো তাদের, তাদের আকুলতা দেখে। কিছু নাম উল্লেখ না করলেও হয়। যেমন আব্দুল মালীক চৌধুরী, আব্দুল মালিক জাকা, আবদুল হামিদ মানিক, সমরেন্দ্র বিশ্বাস সমর, আহবাব মোস্তাফা খান, ওবায়দুল হক চৌধুরী মাসুম, সেলিম আউয়াল, আব্দুল বাতিন ফয়সল এবং আরো কেউ কেউ। কারণ তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ও আন্তরিকতা এত কাছের যে, তা কোনো পক্ষ থেকেই ভুলে যাবার নয়।
লেখক : সাবেক শিক্ষক, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • রপ্তানিতে সুবাতাস, ইতিবাচক বাংলাদেশ
  • রপ্তানিতে সুবাতাস, ইতিবাচক বাংলাদেশ
  • ডিসেম্বর আমাদের অহংকারের মাস
  • পোশাক শিল্পের অগ্রগতি
  • উন্নয়ন, আদর্শ ও মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষিত
  • প্রসঙ্গ : রিকসা ভাড়া
  • পেছন ফিরে দেখা-ক্ষণিকের তরে
  • অবাধ ও সুষ্ঠু নিবার্চনের প্রত্যশা
  • শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার
  • বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার
  • বাংলাদেশের উৎসব
  • ‘শান্তি জিতলে জিতবে দেশ’
  • মানবাধিকার মুক্তি পাক
  • অদম্য বাংলাদেশ
  • নারী আন্দোলনে বেগম রোকেয়া
  • আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জনমানস
  • অরিত্রী : অস্তমিত এক সূর্যের নাম
  • স্বপ্নহীন স্বপ্নের তরী
  • মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান
  • নয়া রাষ্ট্রদূত কী বার্তা নিয়ে এসেছেন?
  • Developed by: Sparkle IT