উপ সম্পাদকীয়

নিরপেক্ষ নির্বাচন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে

সৈয়দ আহমদ প্রকাশিত হয়েছে: ০৭-১০-২০১৮ ইং ০১:০১:২২ | সংবাদটি ২০ বার পঠিত

হাজারো প্রতিকুলতায় ঘাত প্রতিঘাতের কারণে দেশ দীর্ঘদিন কাক্সিক্ষত অগ্রগতি থেকে বঞ্চিত ছিল ফলে স্বপ্ন পুরণের প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ হতাশ হয়ে পড়েছিল। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন সফলতায় আমরা আজ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হচ্ছি এবং ক্রমেই সেই স্বপ্ন পুরনের পথে এগিয়ে চলছি। পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন বৃহৎ প্রতিষ্ঠান আজ নিজস্ব অর্থায়নে করা হচ্ছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কও নিজস্ব অর্থায়নে করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সিলেটবাসীর প্রত্যাশা অতিদ্রুত সময়ের মধ্যেই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চারলেনের কাজ আরম্ভ হবে। ঔষধ, সফটওয়ার ও তৈরী পোষাকসহ মোট ৭৭২ ধরণের পণ্য বিদেশে রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে এবং তা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আমাদের দেশের জন্য স্বস্তি ও আনন্দের বিষয়। আমরা চাই উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে এবং দেশটি উন্নয়নশীল থেকে উন্নততর দেশে রূপান্তরিত হয়ে স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাবে, এটাই জাতীর প্রত্যাশা।
আদর্শ ও মূল্যবোধ ছাড়া রাজনীতি অচল। তিক্ত বড়িকে মিষ্টি ঔষধ বলে গেলানোই হচ্ছে রাজনৈতিক নৈপুণ্যতা। এই জন্যই অতি নীতিবান মানুষ দেশের রাজনীতিতে অচল। আমাদের দেশের বর্তমান রাজনীতি শুধু ক্ষমতাকেন্দ্রিক, নীতি আদর্শ কেন্দ্রিক নয় বলেই সমর্থকরাও তদরূপ। তাই দেশ, জাতি ও দেশের মানুষের সুখ, দুঃখ বা আশা আকাক্সক্ষার সমস্যা নিয়া রাজনীতি গড়ে ওঠছে না। সকল নেতা কর্মীরাই মনে করেন ক্ষমতাসীন দলে থাকলে বা ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতি করলে নিজেদের দাপট দেখানো এবং আখের গোছানো উভয়ই সম্ভব হবে। তাই সবাই ক্ষমতার প্রতি, ক্ষমতাসীন দলের প্রতি ভালমন্দ না বুঝেই নিজের আখের গুছানোর ধান্দায় ক্ষমতা কেন্দ্রিক রাজনীতি করে থাকেন। একটি দলের সু-শৃঙ্খল ও পেশাদার আচরণের কারণে সংশ্লিষ্ট জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি হয়ে থাকে আবার দলের নেতাদের ব্যক্তিগত সদাচরণ, সাধারণ জনগণ ও কর্মীদের কাছে উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারে কিন্তু নেতা যখন কোনো নির্দিষ্ট দল কিংবা কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি ও পরিবারের লেজুরবৃত্তি করতে গিয়ে স্বার্থান্বেষী, কঠোর, আদর্শহীন আচরণ করে তখন সে এবং তার দল উভয়ই সাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলে। আমাদের দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি বেশীর ভাগ দল বা সংগঠনেরই শ্রদ্ধাশীলতা নেই ফলে দেশের রাজনীতি দিন দিন সংঘাতপূর্ণ হয়ে উঠছে। প্রায়ই রাজনীতিবিদরা প্রতিপক্ষকে উৎখাত, নিশ্চিহ্ন, নির্মূল বা দেশ ছাড়া করার হুমকী ধমকী দিয়ে থাকেন। সুস্থ রাজনীতিতে এমন বক্তব্য বা আচরণ কাম্য হতে পারে না কেননা বিরোধী পক্ষ যদি না থাকে তবে রাজনীতি হয়ে যায় আদর্শহীন একপেশে ফলে সুস্থ রাজনীতি গড়ে তোলা সম্ভব হয় না। তাই সংঘাত নয় বরং সুস্থ রাজনীতির জন্য সবাইকে নিয়েই সমঝোতার রাজনীতি করে দেশ ও জনগণের মঙ্গল করার চেষ্টা করতে হবে। আর এটাই হচ্ছে সুস্থ ও কল্যাণকর রাজনীতির লক্ষণ। তাই সকল পক্ষকেই গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। অন্যথায় সমাজসচেতন, বাস্তববাদী, মননশীল, সৃজনশীল, তীক্ষ্ম চিন্তা ও বুদ্ধিসম্পন্ন, বিনয়ী, সদালাপী, পরোপকারী নেতৃত্ব গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এটাই আমাদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা।
রাজনীতিবিদদের কোনো অবিবেচক সিদ্ধান্ত বা ভুলের কারণে যদি দেশের শাস্তি শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বিপন্ন হয়ে পড়ে তবে দেশে অগণতান্ত্রিক অপশক্তির আগ্রাসনের ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। অমূলক নানা ধরণের চিন্তাভাবনা, অনিশ্চয়তা ও আশক্সক্ষা থাকলেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই নিকটবর্তী হচ্ছে আমাদের দেশের রাজনীতি ও রাজনীতিবিদগণ নির্বাচনমুখী হয়ে উঠছে এবং সচেতন সাধারণ মানুষের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহ ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু শুধু নির্বাচন করার জন্য বা বাধ্যবাদকতার জন্য নির্বাচন দিলেই যথেষ্ট হবে না। সার্থক, ফলপ্রসু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য দরকার সকল দল ও মতের লোকদের অংশগ্রহণ। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাই হবে মূখ্য তবে নির্বাচনকালীন সরকারকে অবশ্যই নিরপেক্ষতার সাথে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিন্দ্র ব্যবস্থা গ্রহণের বলিষ্ঠ ভূমিকা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি দল নির্বাচনের ফলাফল নিজেদের পক্ষে নেওয়ার জন্য কমিশন ও তার কর্মকর্তাগণের ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করবে। বিশৃঙ্খলা ও আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করবে। কমিশনকে এ চাপ প্রতিহত করে, সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ কমিশনের নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে একটি প্রভাবমুক্ত, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনা করার ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। অন্যথায় সকল আয়োজন ব্যর্থ হবে এবং নির্বাচন হবে প্রশ্নবিদ্ধ।
আগামী নির্বাচন নিয়ে বর্তমান ক্ষমতাসীন মহলের মধ্যে যেমন আলোচনা, পর্যালোচনা, বাক্য বিনিময়, অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তেমনি দেশের বিরোধী দলগুলোসহ সাধারণ জনগণের মধ্যেও উদ্বেগ উৎকন্ঠা পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমাদের দেশে যে কোনো রাজনৈতিক দল একবার ক্ষমতায় আসলে আর ক্ষমতা ছাড়তে চায় না বরং ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তখন তারা জনগণের ওপরই সহিংস আচরণ করতে থাকে এমনকি নিজেদের ইচ্ছামত সংবিধানে সংযোজন বিয়োজন করে সংবিধান রক্ষার অঙ্গিকার করে থাকে। আসলে ক্ষমতায় থাকলে দলগুলো জনগণের কল্যাণ ও সেবার চেয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে অথবা পুনঃরায় ক্ষমতার আসতে অধিক ব্যস্ত হয়ে পড়ে। রাজনীতি কোনো ব্যবসা নয় বরং রাজনীতি যে জনসেবা ও জনকল্যাণ, এ কথাটি তারা বেমালুম ভুলে যায়। অন্যদিকে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধানরা যে যা বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ তা বিশ্বাস করে, সে অনুযায়ী হৈ চৈ, রাগডাক করতে থাকে। তাই দেশের স্থিতিশীলতা, শান্তি ও উন্নয়নের স্বার্থে দেশের নির্বাচনী সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। সেজন্য দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার মনমানসিকতা অর্জন করতে হবে। সকল দলকে ক্ষমতায় মোহ ত্যাগ করে কিভাবে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা যায় তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে হবে। সেজন্য বৃহৎ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকেই প্রধান ভূমিকা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, রাজনীতি হবে জনকল্যাণের জন্য, ক্ষমতায় যাওয়া এবং ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নয়। সব দলগুলোকে নির্বাচনে আনতে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে আর তা ক্ষমতাসীন সরকারকেই করতে হবে। কেননা দেশের অভিভাবক হিসাবে এটা তাদেরই নৈতিক দায়িত্ব।
ক্ষমতাসীন সরকার কোনো দলের থাকে না তাই সরকারকে সকল দলের প্রতি সঠিক ও সমান নজর রাখতে হবে। সব দল যেন সভা, কর্মী সভা ও নিজ দলের কর্মীদের সাথে নির্বিঘেœ আলাপ আলোচনা করে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য উৎসাহ ও অনুপ্রেরণ যোগানোর লক্ষ্যে সুধী সমাজসহ দেশীয় স্বাধীন সরকারী বেসরকারী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান সমূহকেও ভূমিকা পালন করার সুযোগ দেওয়া উচিৎ। সরকার যদি নিজ দলের আস্থা, শক্তি সামর্থের প্রতি বিশ্বাস থাকে তবে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে আপত্তি না থাকাই উচিৎ কেননা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাইলে সেনা মোতায়েন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। কারণ দেশের নেতা-কর্মী ও দলীয় সমর্থক গোষ্ঠিতো বটেই সাধারণ মানুষগুলোর নৈতিকতা ও চারিত্রিক ব্যবহার সন্তোষজনক নয়। একটু সুযোগ পেলেই অন্যের ক্ষতি করা যেন আমাদের স্বভাবসিদ্ধ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সন্ত্রাস ও শান্তি শৃঙ্খলার স্বার্থেই সেনাবাহিনী মোতায়েন করা জরুরি। অন্যদিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যদি বিতর্কিত হয় তবে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে পারে দেশ ও জাতি, এমন আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন পুরো দেশবাসী। তারপরও সরকারের প্রতি আমাদের বিশ্বাস ও উচ্চাকাঙ্খা রয়েছে যে সব দলকে নিয়ে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হবে নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার।
দেশের সাধারণ মানুষের সেবা, কল্যাণ, শান্তি ও উন্নয়নের কথা চিন্তা করেই প্রতিটি রাজনৈতিক দল যথাসময়ে নির্বাচনে অংশ নেবে এটাই দেশবাসীর কাম্য। সেক্ষেত্রে দলগুলোকে নির্বাচনে আনতে সরকার বা অন্য কারো করণীয় আছে বলে মনে হয় না, কেননা যারা রাজনীতি করেন বা দলের নীতি নির্ধারক নেতা-নেত্রী তারা অন্য কারো চেয়ে কম বুদ্ধিমান নন বরং তারা নীতিবান, বুদ্ধিমান, চরিত্রবান ও পরোপকারী না হলে বড় মাপের নেতা হতে পারতেন না। প্রতিটি রাজনৈতিক দল তাদের বিজ্ঞ নেতৃবৃন্দের দ্বারাই নিজস্ব নীতি অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে থাকে। কোনো দল যদি স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বা নির্বাচনী সুষ্ঠু পরিবেশ থাকলেও নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে সেটা হবে তাদের একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। কোনো দল বা ব্যক্তিকে জোর করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করানোর চেষ্টা করাও গণতান্ত্রিক অধিকারের হস্তক্ষেপ করার সামিল। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের উচিৎ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করতঃ নির্বাচনে অংশ নিয়ে আগামী নির্বাচনকে অর্থবহ করা এবং নির্বাচিত হয়ে দেশ, জাতি ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করা। মনে রাখতে হবে, উন্নয়নে প্রত্যাশি বর্তমান প্রজন্মের কাছে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ তাদের স্বপ্নে গাথা উন্নয়নের অবস্থান আরো শক্তিশালী ও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরতে হবে। কেননা নতুন প্রজন্মরা নিষ্প্রাণ ও নিষ্ক্রিয় হতে চায় না আবার রাজনীতির নামে হিংসা, হানাহানি, ঘৃণা, মিথ্যাচার, সন্ত্রাস ও বিভেদ বিভক্তি চায় না। চায় উন্নয়ন, দায়িত্ববোধ ও জবাবদিহিতার বাস্তবায়ন ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতি। শান্তিপূর্ণ রাজনীতির প্রধান শর্ত সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। আর তা সম্ভব হলেই দেশের গণতন্ত্র হবে স্থায়ী ও শক্তিশালী। এমন স্থায়ী ও শক্তিশালী গণতন্ত্রই দেশবাসীর প্রত্যাশা।
আমরা প্রত্যাশা করছি, আমাদের দেশের গণতন্ত্র সঠিক, সক্রিয় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু পথে অগ্রসর হবে। তাই সঠিক উপায়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই হচ্ছে প্রথম ও প্রধান শর্ত। আর তা সম্ভব হলে ক্রমান্বয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা পাবে, বাড়বে আস্থা, বিশ্বাস ও স্থায়ীত্ব। আমরা সব সময় শান্তিময় সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে আসছি যদিও অতীত কর্মকান্ড দেখে মাঝে মধ্যে হতাশায় ভোগেছি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেশে শান্তির বার্তা ও সুখী বাংলাদেশ উপহার দেওয়ার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। অতীত দিনগুলোতে নির্বাচন ঘনিয়ে আসলে যেভাবে বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা সৃষ্টি করা হতো এ বছর এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির কোনো সুযোগ বা সম্ভাবনা আছে বলে মনে হচ্ছে না, কেননা চলমান শান্তিময় পরিস্থিতি অক্ষুন্ন রাখতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সদা তৎপর রয়েছে এবং সময় উপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। বর্তমানে আমাদের দেশটি উন্নয়নশীল দেশে পদার্পন করছে শুধু তাই নয় অর্থনীতিও একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়ানোর দ্বারপ্রান্তে, সেই সাথে যদি এখন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রও একটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আসার সম্ভাবনাই বেশী, যা দেশবাসীর প্রত্যাশা। উন্নত ও সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক দেশ হিসাবে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে ওঠবে এই প্রত্যাশা করেই শেষ করছি।
লেখক : সাবেক কর্মকর্তা, সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিলস লি:, ছাতক।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • প্রসঙ্গ : আইপিও লটারী
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন
  • মূর্তিতেই দুর্গা : বিশ্বাসের বিষয় তর্কের নয়
  • শিক্ষার্থীর মনোজগৎ বিকাশে কার কী ভূমিকা
  • দুর্গের কর্তা দেবী দুর্গা
  • রাশিয়ার কাছে কি যুক্তরাষ্ট্র হেরে যাচ্ছে
  • দারিদ্র বিমোচনে সাফল্যের পথে বাংলাদেশ
  • বাংলাদেশ-সম্প্রীতি সমাবেশ ও কিছু কথা
  • পর্যটন নীতিমালার বাস্তবায়ন কত দূর
  • ওসমানীর দন্তরোগ বিভাগ
  • দুর্গার আগমন শুভ হোক
  • দেবী দুর্গার আবির্ভাব
  • দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধে উদ্যোগ নিতে হবে
  • প্রসঙ্গ : পানি ও বিদ্যুতের অপচয়
  • কওমি সনদের স্বীকৃতি
  • জয় মোবাইল অ্যাপ
  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
  • মৃন্ময়ী
  • সুন্দর পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষায়
  • শিশুর বিকাশ : খেলার মাঠ ও পাঠাগার প্রসঙ্গ
  • Developed by: Sparkle IT