উপ সম্পাদকীয়

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা কতটুকু

অ্যাডভোকেট আনসার খান প্রকাশিত হয়েছে: ০৭-১০-২০১৮ ইং ০১:০৭:৩৮ | সংবাদটি ১৯ বার পঠিত

বিশ্ব সম্প্রদায় বৃহৎ একটা যুদ্ধের দিকে ধাবমান হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্ন এখন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের। বিখ্যাত সব পত্রিকাগুলোও শিরোনাম করছে- বিশ্ববাসী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। গোটা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলগুলোতে জাতিতে-জাতিতে, রাষ্ট্রে-রাষ্ট্রে বা রাষ্ট্র ব্যতীত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর দ্বারা সংঘাত, সংঘর্ষ, সীমান্ত যুদ্ধ, অস্ত্র প্রতিযোগিতা ইত্যাদি বিষয়গুলো এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এসবের যেকোনো একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো সময় যুদ্ধের দাবানল জ্বলে ওঠতে পারে এবং এমন যুদ্ধ শুরু হলে তা শেষ পর্যন্ত সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা উচ্চমাত্রায় বিদ্যমান বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দ্য উইক ম্যাগাজিন তার এক সংবাদ শিরোনামে লিখেছে, আমরা কী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কিনারে।” সিরিয়া, ইরান, গাজা স্ট্রিপ কেন্দ্রিক উচ্চতর মাত্রার উত্তেজনা এবং দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিকায়ন গোটা বিশ্বে সংঘাত উসকে দিতে পারে বলে মনে করছে দ্য উইক।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রভাবশালী বৃহৎ শক্তিগুলো ক্রমশ: নিজেদের স্বপক্ষের রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে জোট বাধার চেষ্টা করছে এবং বিশ্বব্যাপী মেরুকরণ এমনভাবে করতে চাইছে যাতে বিশ্বব্যাপী যেকোনো সম্ভাব্য যুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিপক্ষ শত্রুর মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, আমেরিকা মধ্য প্রাচ্যে ইসরাইল, সৌদি আরবসহ গালফভূক্ত রাষ্ট্রগুলোসহ মিসর ও জর্ডানের সমন্বয়ে ইরান বিরোধী জোট করার জন্য জোর তৎপরতা শুরু করেছে। সত্যিকার অর্থে এ জোট আলোর মুখ দেখলে সেটি একই সঙ্গে রাশিয়া বিরোধী জোটে রূপান্তরিত হবে। কেননা, মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য বৃদ্ধি, সিরিয়ায় আসাদ শাসন টিকিয়ে রাখা তথা আমেরিকার শক্তি ও প্রভাব ঠেকিয়ে দেবার জন্য রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়া, তুরস্ক ও ইরানের সমন্বয়ে আমেরিকা বিরোধী একটি জোট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ জোটে সরাসরি যুক্ত না হলেও পরোক্ষ সমর্থন থাকবে চীনের। তবে শেষ পর্যন্ত চীনও এ জোটের অংশীদার হতে পারে।
এশিয়ার দিকে চোখ ফেরালেও দেখা যাবে, এ অঞ্চলেও রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নতুন মেরুকরণের একটি প্রক্রিয়া বহুদিন ধরেই চলছে। এ অঞ্চলে আমেরিকার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি চীন। ভবিষ্যত দিনগুলোতে বিশ্বব্যাপী আমেরিকার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে চীন, এমনটাই নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা। এমন এক প্রেক্ষাপটে চীনের সম্ভাব্য উত্থান রোধ করা এবং এশিয়ায় আমেরিকার প্রভাব বজায় রাখাসহ এ অঞ্চলের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা বিধান করা, দক্ষিণ চীন সাগরের জলপ্রবাহে চীনের আধিপত্য খর্ব করে জলপ্রবাহ সকলের জন্য উন্মুক্ত রাখার প্রচেষ্টা এবং উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য থেকে এশিয়ার বন্ধু রাষ্ট্রগুলো অর্থ্যাৎ জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত দক্ষিণ কোরিয়া, সিংগাপুর প্রভৃতি রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে চীন বিরোধী একটি জোট গঠনের চেষ্টায় রয়েছে আমেরিকা। অপরদিকে, এ ধরণের জোটের বিরুদ্ধে চীনও এ অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির মাধ্যমে আমেরিক বিরোধী একটি বলয় সৃষ্টি করার জন্য কাজ করে চলেছে চীন এবং এখানেও চীনের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে রাশিয়া। যেমনটা দেখা যাচ্ছে, আমেরিকার হুমকির জবারে উত্তর কোরিয়ার প্রতি অব্যাহত সমর্থন দিয়ে চলেছে চীন এবং রাশিয়া।
মোটের উপর এটি বলা যায়, বিশ্বের প্রধান প্রধান শক্তিগুলোর জোট গড়ার চেষ্টা ও নতুন মেরুকরণ ভবিষ্যতে একটি বড় ধরণের যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। কেননা, জোট গড়ার পাশাপাশি যুদ্ধের বৃহৎশক্তিগুলো নিত্য নতুন অস্ত্র উৎপাদন ও কৌশলগত অঞ্চলগুলোতে ব্যাপক অস্ত্রাদির সমাহার ও মোতায়েন করে চলেছে। নিজ নিজ বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর নিকট অস্ত্রাদি বিক্রি ও সরবরাহ করে সামরিক শক্তি সম্পন্ন করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
দক্ষিণ চীন সাগর চীন বনাম আমেরিকার মধ্যে সামরিক সংঘাতে উর্বর একটি ক্ষেত্র। এখানে যুদ্ধের সূচনা হলে সেটি বিশ্বযুদ্ধে রূপ নিতে পারে। এ অঞ্চলকে কেন্দ্র করে চীন সামরিক ব্যুহ গড়ে তুলছে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। আমেরিকান বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক এন্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ এর বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ চীন সাগরে চীন বৃহৎ পরিসরের সামরিক সুবিধাসম্পন্ন স্থাপনা গড়ে তুলেছে সেটি আয়তনে বাকিংহাম প্রাসাদের চেয়ে চারগুণ হবে।
অন্যদিকে, চীনের সামরিক শক্তি সমাবেশের বিপরীতে ফ্রিডম অবনেভিগেশন এর অজুহাতে আমেরিকাও ঐ বিতর্কিত দ্বীপে যুদ্ধ জাহাজের নিয়মিত টহল বেশ জোরদার করেছে,-সামরিক শক্তির বিন্যাস করে চলেছে। (সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান)
মেরিল্যান্ডে অবস্থিত আমেরিকার ন্যাভাল একাডেমির ইতিহাসের প্রফেসর মাও চুয়ান ইউ মনে করেন,-এ অঞ্চলে সার্বিক অর্থেই সংঘাতের সম্ভাবনা ও আশংকা রয়েছে। বেইজিং তার সীমান্ত বর্ধিত করে জল প্রবাহের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার চেষ্টা করছে এবং বিশ্বব্যাপী চীনের সিস্টেম, আইন ও প্রথাসমূহ ছড়িয়ে দেবার লক্ষ্যে চীন তার ভূরাজনৈতিক ও জিও স্ট্র্যাটেজিক নীতিতে পরিবর্তন সাধন করছে, এর প্রেক্ষিতেই দক্ষিণ চীন সাগরের প্রতি চীনের আগ্রহ, মনে করেন মি: মাও চুয়ান ইউ। ফরেন পলিসি ম্যাগাজিন দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের সাথে আলাপ কালে তিনি এ মন্তব্য করেন যে, “সংঘাত পরিহার করা অসম্ভব।” অন্যদিকে, গেল বছর ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন আরো এক ধাপ এগিয়েই বলেছিলেন,- “কোনো সন্দেহ নেই যে, আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে আমরা দক্ষিণ চীন সাগরে যুদ্ধ করতে যাচ্ছি।” (সূত্র দ্য গার্ডিয়ান)
আমেরিকা এ অঞ্চলে তার আধিপত্য বজায় রাখা এবং চীনের সাথে যে কোনো সংঘাত মোকাবেলা করার লক্ষ্যে সামরিক ও নৌশক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। তার মিত্র রাষ্ট্রগুলোতে অস্ত্র সরবরাহ করছে এবং চীনের আপত্তি সত্বেও বিতর্কিত তাইওয়ানে আধুনিক মারণান্ত্র বিক্রি করছে। উল্লেখ্য, চীন সেই ১৯৪৮ সাল থেকেই দাবি করে আসছে তাইওয়ান তার মূল ভূখন্ড অথচ আমেরিকা বিতর্কিত এ ভূখন্ডকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। মূলত: চীনকে মোকাবেলা করার জন্যই তাইওয়ানকে শিখন্ডি হিসেবে ব্যবহার করছে আমেরিকা। ফলে তাইওয়ান নিয়েও দেশ দুটির মধ্যে সংঘাত দেখা দিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। চীনও অবশ্য বসে নেই। অর্থনৈতিক শক্তি অর্জনের পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ সামরিক শক্তি হিসেবে চীনকে গড়ে তোলার কাজটিও করছে। চীনের লক্ষ্য বিশ্বের এক নম্বর সামরিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়া। এজন্য আধুনিক সামরিক বাহিনী গঠন , অত্যাধুনিক সামরিক অস্ত্রাদি উৎপাদন, শক্তিশালী আকাশ ও নৌ শক্তি গড়ে তোলার জন্য কাজ করে চলেছে দেশটি এবং গত দুদশক ধরে তাই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে প্রতিরক্ষা খাতে। উদ্দেশ্য হলো বিশ্বে সামরিক শক্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা এবং চীনের ভাষায়, বর্হি জগতের যেকোনো আগ্রাসন প্রতিরোধ করা। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, আমেরিকাকে প্রতিহত করাই মূল লক্ষ্য। তাই আমেরিকার সাথে একটি সংঘাতে চীনের জড়িয়ে পড়ার আশংকা উড়িয়ে দেয়া যায় না এবং এ ধরণের সংঘাত শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার অন্যতম একটি উর্বর অঞ্চল হলো মধ্যপ্রাচ্য। পূর্বে এখানে উল্লেখ করেছি যে, এ অঞ্চলে নতুন করে সামরিক মেরুকরণ হচ্ছে, জোট গঠিত হচ্ছে। এর এক পক্ষে আমেরিকা এবং অন্যপক্ষে রাশিয়া। এ অঞ্চলেও উভয় পক্ষই ব্যাপক সামরিকায়ন ও শক্তি সমাবেশ গড়ে তুলছে। ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধ জাহাজের ব্যাপক সমাবেশ ঘটাচ্ছে উভয় পক্ষ। এছাড়া, ন্যাটোর নৌজাহাজ ও সাবমেরিন গুলোও অব্যাহতভাবে উপস্থিতি বজায় রেখেছে ওখানটায়।
দ্য টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া ভূমধ্যসাগরে বৃহত্তর নৌ শক্তি সমাবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে এবং ইতোমধ্যে ওখানটায় কমপক্ষে দশটি যুদ্ধজাহাজ এবং দুটি সাবমেরিন মোতায়েন করেছে। পর্যবেক্ষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে,“তেরটি রাশিয়ান ভ্যাসেল গত দশদিনে কৃষ্ণ সাগর অতিক্রম করেছে ভূমধ্যসাগরের উদ্দেশ্যে এবং এগুলোতে বেশি অস্ত্র হলো ক্যালিবার ক্রুজ মিসাইলস।” (সূত্র দ্য টাইম্স ২৯.৮.১৮)।
সিরিয়াতেও সামরিক শক্তি সমাবেশের উদ্যোগ নিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার কোমারসান্ট সংবাদপত্রের খবরে প্রকাশ, মস্কো সিরিয়ায় ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সার্গেই সুইগো জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে সিরিয়ায় এস-৩০০ মিসাইল সিস্টেম পাঠানো হয়েছে এবং এগুলো সিরিয়ার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে শক্তিশালী করবে বলে বলা হচ্ছে।
অন্যদিকে, পর্যবেক্ষকদের মতে, আমেরিকা ও এর মিত্রদের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করার লক্ষ্যে গত সেপ্টেম্বরে চীন-রাশিয়া বড় আকারের একটি যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছে। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম দুটি সামরিক শক্তির এই মহড়া বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং আমেরিকা ও তার মিত্র দের জন্য এটি অবশ্যই মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদেশগুলো তাদের যৌথ মহড়াও অব্যাহত সামরিক তৎপরতার মাধ্যমে আমেরিকাকে বুঝিয়ে দিতে চাইছে যে, তারা যুদ্ধের জন্য অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন আরও বেশি প্রস্তুত। তারা পেন্টাগনকে বোঝাতে চাইছে, পূর্ব ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য বা দক্ষিণ চীন সাগরে আমেরিকা কোনো যুদ্ধ সংঘটিত বা অত্রাঞ্চলগুলোতে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে চাইলে বা করলে ভয়াবহ জবাব দেওয়া হবে আমেরিকাকে।
বাস্তবতা হলো, বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর নেতৃত্বে জোট উপজোট গঠনের মাধ্যমে নতুন মেরুকরণ হচ্ছে গোটা বিশ্বে এবং এর ফলে বিশ্বজুড়ে পরাশক্তিগুলোর বিবাদ ক্রমশ: আরও বেশি পরিমাণে দৃশ্যমান হচ্ছে এবং এক সময় বিবাদ যুদ্ধের দিকেই গড়াবে যা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের রূপ নিতে পারে।
লেখক : আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • শিক্ষার্থীর মনোজগৎ বিকাশে কার কী ভূমিকা
  • দুর্গের কর্তা দেবী দুর্গা
  • রাশিয়ার কাছে কি যুক্তরাষ্ট্র হেরে যাচ্ছে
  • দারিদ্র বিমোচনে সাফল্যের পথে বাংলাদেশ
  • বাংলাদেশ-সম্প্রীতি সমাবেশ ও কিছু কথা
  • পর্যটন নীতিমালার বাস্তবায়ন কত দূর
  • ওসমানীর দন্তরোগ বিভাগ
  • দুর্গার আগমন শুভ হোক
  • দেবী দুর্গার আবির্ভাব
  • দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধে উদ্যোগ নিতে হবে
  • প্রসঙ্গ : পানি ও বিদ্যুতের অপচয়
  • কওমি সনদের স্বীকৃতি
  • জয় মোবাইল অ্যাপ
  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
  • মৃন্ময়ী
  • সুন্দর পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষায়
  • শিশুর বিকাশ : খেলার মাঠ ও পাঠাগার প্রসঙ্গ
  • মূল্যবোধের অবক্ষয় : কারণ ও প্রতিকার
  • পরিবেশ বিপর্যয়ে বছরে ক্ষতি ৫৩ হাজার কোটি টাকা
  • শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো. আবুল বশর
  • Developed by: Sparkle IT