উপ সম্পাদকীয়

নোবেল শান্তি আর যেন অশান্তি সৃষ্টি না করে

ব্রজেন্দ্র কুমার দাস প্রকাশিত হয়েছে: ০৮-১০-২০১৮ ইং ০০:৪৯:৫০ | সংবাদটি ১৭ বার পঠিত

পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কার রয়েছে, এর মধ্যে নোবেল পুরস্কারই মানুষের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত। আলফ্রেড নোবেল যিনি ডিনামাইট আবিষ্কার করেন তাঁর নামানুসারেই এই পুরস্কারটি প্রবর্তন করা হয়। এই নোবেল পুরস্কারটি চালু হয় ১৯০১ সাল থেকে। এখন পর্যন্ত ছয়টি বিষয়ে এই পুরস্কার দেয়া হয়ে আসছে। যথা-Physics, chemistry, Medicine, Literature, Peace and Economics ইত্যাদি। এই ছয়টি বিষয়ের মধ্যে Peace বা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ছাড়া অন্য পাঁচটিতে নোবেল পুরস্কার পেতে হলে উল্লেখিত বিষয়ে বিশেষ কোন নির্দিষ্ট অবদান রাখতে হয়। অর্থাৎ বিশেষ কোন আবিষ্কার করতে হয়। কিন্তু ‘শান্তিতে’ নোবেল পুরস্কার একটা বিচিত্র ধরণের অবদানের কথা উঠে আসে। অর্থাৎ শান্তি’টা যেন একেক জনের কাছে এককে রকম। ‘শান্তি’ শব্দটির আভিধানিক অনেক অর্থ রয়েছে। যথা-উপদ্রবহীনতা (শান্তি রক্ষা), অবসান (যুদ্ধশান্তি), যুদ্ধাবসান (শান্তি স্থাপন), কল্যাণ (শান্তিস্বম্ভায়ন) ইত্যাদি।
আমরা দেখি শান্তিতে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন মাদার তেরেসা, নেলসন মেন্ডেলা, রিগোবার্তা মেঞ্চু, হেনরি কিসিঞ্জার, মেনাহেম বেগিনি, ইয়াসির আরাফাত, শিমন প্যারেজ, আইজ্যাক রবিন, বারাক ওবামা, ড. ইউনুস, অং সান সুচি। হয়তো বা আরো অনেকেই পুরস্কারটি পেয়েছেন। সবার নাম জানি না। কিন্তু যারা যারা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তারা সবাই কি ‘শান্তি’ শব্দটির আভিধানিক অর্থের পুরোপুরি অনুসরণকারী? পৃথিবীতে কল্যাণ বা শান্তি রক্ষার জন্য কাজ করে বিশ্ববাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন? যুদ্ধাবসানের পর সত্যিকার শান্তি স্থাপনে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন? তবে এটা সত্যি যে পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত যত পুরস্কারের কথা আমাদের জানা আছে তার মধ্যে নোবেল পুরস্কারই পৃথিবীর মানুষের কাছে বেশি পরিচিত। সম্মানিত করে বিজয়ীকে। তারপরও বিতর্ক রয়েই গেছে। কখনো কখনো বিতর্কিত ব্যক্তি পুরস্কৃত হয়েছেন। আর কখনো কখনো যোগ্য ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করার পরও কেউ কেউ এ নিয়ে নিজেদের গোষ্ঠী স্বার্থে অকারণে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন বা করছেন। নেলসন মেন্ডেলা পুরস্কার পেয়েছেন পেয়েছেন। মাদার তেরেসা, এ নিয়ে কেউ কোন প্রকার বিতর্কের সৃষ্টি করেননি। না করাটাই সঙ্গত। কিন্তু বৃটিশ ভারতে মহাত্মা গান্ধীর অবদান কি কারো তুলনায় একেবারেই কম! ভারতে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় মহাত্মা গান্ধীর অবদানকে খাটো করে দেখার কোন অবকাশ নেই। এর প্রকৃষ্ট প্রমাণ হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম ঘটসের ঘাতক বুলেট। শান্তির জন্য তিনি জীবন দিলেন। আর কতো পরীক্ষা দিলে মহাত্মা গান্ধী নোবেল কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারতেন তা আমাদের জানা নেই। কিন্তু এতে করে কোন প্রকার বিতর্কের সৃষ্টি হলে কিছুটা হলেও কি নোবেল কমিটির সম্মানিত সদস্যগণ বিতর্কিত হবেন না?
৩.৯.২০১৮ তারিখের দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় নোবেল কমিটির বিতর্কিত কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে কয়েকটি নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।
(১) গুয়াতেমালার একজন লেখক হলেন রিগোবার্তা মেঞ্চু। তিনি একটি বই লেখেন। সেই বইয়ের জন্য তাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে জানা যায় উক্ত বইটিতে প্রদত্ত বর্ণনায় অনেক মিথ্যা, ভুল ও বানোয়াট তথ্য বইটির উপজীব্য। এই যে বই, সেটির জন তো উনি নোবেল পুরস্কারের মতো এতো সম্মানের পুরস্কার পেতে পারেন না। কিন্তু তিনি পেয়েছেন। নোবেল পুরস্কারের সম্মান রক্ষার্থে কি তাকে প্রদত্ত পুরস্কারটি ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিলো? কেন নেয়া হয়নি? এই কি শান্তির কথা?
(২) ১৯৩৯ সালে নোবেল কমিটির এক সদস্য নাকি কুখ্যাত হিটলারকে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার জন্য মনোনয়ন দিয়েছিলেন। পরে অবশ্য বিতর্ক সৃষ্টির পর তা বাতিল হয়ে যায়। এখানে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন এসে যায়-নোবেল কমিটির সেই সদস্য মহোদয়ের কাছে শান্তির আভিধানিক অর্থটাইবা কি। তাইতো বলতে ইচ্ছে করে নোবেল কমিটির সেই সদস্যের কাছে সারা বিশ্বে অশান্তি সৃষ্টিকারী ব্যক্তিটিই কিভাবে শান্তির প্রতীক হলো? যদি নোবেল কমিটি সেই সদস্যের মনোনয়নকে স্বীকার করে নিতো তাহলে কি সেটাকে ‘অশান্তিতে’ নোবেল বললে খুব একটা বেশি বলা হতো?
(৩) বিশ্বজুড়ে হাসাহাসির খোরাক যোগায় আর একটি নোবেল পুরস্কার আর সেটি হলো বারাক ওবামাকে নোবেল প্রদান। নোবেল কমিটি বলছে দুর্নীতি দমনে কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন, অস্ত্র ও যুদ্ধ নিরসনকল্পে গৃহীত পদক্ষেপের জন্য ওবামাকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এগুলোতে বিশ্ববাসীর জন্য অবশ্য শুভবার্তা কিন্তু প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি এ পুরস্কার পেয়ে যান। বছরের পর বছর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থাকার পরও যেখানে তিনি উপরোক্ত কাজগুলো সমাধান করতে পারেননি সেখানে কয়েক মাসের মধ্যেই করে ফেললেন আর সেই ‘করার’ জন্য নোবেল পুরস্কারের মতো পুরস্কার পেয়ে যাবেন সেটা কি বাস্তবসম্মত কথা? ওবামা নিজেও বলেছেন, এ পুরস্কারের জন্য তিনি যোগ্য নন। তারপরও শান্তির পায়রা ওবামার খাচায়ই প্রবেশ করলো। হায়রে শান্তি! কতরূপেই না তুমি ধরা দাও ধরাধামে!
(৪) এবার নরওয়ের নোবেল কমিটির এক ‘বিজ্ঞ’ সদস্যের পদত্যাগ কাহিনীর কথা না বল্লেই নয়। কাহিনী হলো, ১৯৯৪ সালে শিমন প্যারেজ ও আইজ্যাক রবিনের সঙ্গে ফিলিস্তিন মুক্তি সংগ্রামের নেতা ইয়াসির আরাফাতকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দিলে নোবেল কমিটির সেই সদস্য ইয়াছির আরাফাতকে সন্ত্রাসী বলে আখ্যায়িত করে এর প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন। ইসরাইলি নেতারা হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে শান্তির দূত হন আর ইয়াছির আরাফাত ফিলি¯িÍেন শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে হয়ে গেলেন পশ্চিমাদের কাছে সন্ত্রাসী। এমতাবস্থায় নোবেল কমিটির ‘শান্তি’ শব্দটি কি বার বার প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে না?
(৫) এবারের ‘শান্তিতে নোবেল’ পুরস্কার অশান্তির মূর্ত প্রতীক বলতে এতোটুকু মিথ্যে বলা হবে না। সেই অশান্তির দূত হলেন হেনরি কিসিঞ্জার। কিসিঞ্জার সাহেবকে যখন নোবেল পুরস্কার দেয়া হল তখন নোবেল কমিটির দু’জন সম্মানিত এবং সাহসী সদস্য এর প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন। উনারা সঠিক কাজটিই করেছেন। কারণ কিসিঞ্জারকে নোবেল পুরস্কার (শান্তি) দেয়া মানে বিশ্বজুড়ে মারাত্মক অশান্তিকেই আহবান করা। পৃথিবীর অন্য কোন কোন দেশে কিসিঞ্জার ‘কিসিঞ্জারী’ করে অশান্তি সৃষ্টি করেছিলেন সেটা না-ই বা বললাম। বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে এই ভদ্রলোক যে অশান্তির আগুন জ্বালিয়ে ছিলেন বিশ্ব ইতিহাসে তা লিখা আছে। আর বাংলাদেশের (১৯৭১) সাড়ে সাত কোটি মানুষের হৃদয়ে তিনি যে রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে ছিলেন তা কেউ ভুলতে পারেননি আজো। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের নিরস্ত্র সাড়ে সাত কোটি মানুষ কি অপরাধ করেছিলেন? কি অপরাধ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব? বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসা, বর্বর পাকিস্তানীদের অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন-খুন-ধর্ষণ-লুন্ঠন থেকে মুক্ত করে বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার আপ্রাণ চেষ্টা কি তার অপরাধ ছিলো? সেই একাত্তরের ভয়াবহ অসহায় অবস্থায় নিমজ্জিত সাড়ে সাত কোটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোটা কী অপরাধ ছিলো ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর? বা ভারতীয় জনগণের?
১৯৭৩ সালে যদি শান্তি নোবেল প্রাইজ কারো প্রাপ্য হয় সেতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আর শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীরই! নিক্সন-কিসিঞ্জারের ইন্ধন আসকারা সমর্থন না পেলে পাকিস্তানী বর্বর সেনাবাহিনীর কি এত সাহস হত বাংলাদেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালাবার?
তাই তৎকালীন নোবেল কমিটির সদস্যগণের সমীপে বিনীত জিজ্ঞাসা-ইয়াহিয়া-নিয়াজী-ভুটো-টিক্কার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেতে দোষটা কি?
(৬) এবার অং সান সুচি! তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। এ নিয়ে এতোদিন কোন বিতর্ক ছিল না। তাঁর দেশের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে তার নির্ভীক অবস্থান ও আন্দোলনের কৃতিত্ব স্বরূপ তাকে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়। এবং সেটা শান্তিতে। তখন তিনি রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন না। এখন ক্ষমতায়। এমতাবস্থায় মিয়ানমারের সকল নাগরিক সে দেশে আগের চেয়ে শান্তিতে থাকবেন। সকলের নিরাপত্তা বিধান করবেন, এমন প্রত্যাশা তো সবারই ছিল। বিশেষ করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা তো আরো একটু বেশি ছিল। আর এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবে কি ঘটলো? তার সরকার এবং সে দেশের সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতন-খুন-ধর্ষণ সহ অমানবিক কর্মকান্ডের ফলে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসে। এদেরকে ফিরিয়ে নেবার ব্যাপারে তার দুঃখজনক নীরবতা তো শান্তির কথা বলে না? বাংলাদেশের মতো একটা ছোট্ট ভূখন্ডে ১৬ কোটি মানুষের বসবাস। এর মধ্যে ১১ লাখের চাপ সহ্য করা কতটা সম্ভব সেটা অং সান সুচির না বোঝার কথা নয়। কিন্তু তিনি বুঝেও বুঝছেন না, শুনেও শুনছেন না। বিশ্ব জনমতের চাপে কখনো কখনো তার দেশের নাগরিক রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হন কিন্তু তারপর নানা টালবাহানা। মুখে এক বাস্তবে আর এক। শুধুই বিলম্বিত করছেন। এর একটি নমুনা মেলে ভারতীয় এক পত্রিকার খবরে। খবরে বলা হয়-বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় আরও পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা। খবরটি যদি সত্যি হয় তাহলে ঘটনাটি এরকম যে, একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে থাকতে দেয়া হবে না? একোন শান্তির বাণী? প্রশ্ন আসে, মহামতি বুদ্ধের অহিংসবাণীর একোন সহিংস রূপ! শান্তিতে নোবেল জয়ী নেলসন মেন্ডেলার পরই যার স্থান তার কাছে তো এমনি কখনো প্রত্যাশিত ছিল না! তাহলে কি আমরা ধরে নেব মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর কাছে তিনি একেবারেই টুটু জগন্নাথ? এজন্যই সারা বিশ্বে বিতর্কিত প্রশ্ন উঠছে, শান্তিতে নোবেল জয়ী এ ব্যক্তি আসলে শান্তিতে পাওয়ার কতটুকু অধিকার সংরক্ষণ করেন? এ পুরস্কার ফিরিয়ে দেবার প্রশ্ন যদি তুলেন তা খুব একটা অমূলক হবে?
তাইতো দেখি আমাদের মানবতাবাদী সাহসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রয়টার্সকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মিয়ানমারের নোবেল বিজয়ী নেত্রী অং সান সুচি এবং দেশটির ‘মূল ক্ষমতা’ যাদের হাতে, সেই সেনাবাহিনীর কথায় আস্থা রাখার মতো ধৈর্য্য ধীরে ধীরে কমে আসছে। আর এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের গুরুত্ব বিশ্বনেতৃবৃন্দ যত দ্রুত অনুধাবন করবেন ততই অসহ্য-অশান্তিতে নিমগ্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর হৃদয়ে হৃদয়ে শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করবে। শান্তিতে নোবেল জয়ই বিশ্ব শান্তির শেষ কথা নয়?
লেখক : মুক্তিযোদ্ধা, কলামিস্ট, সাবেক ব্যাংকার।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন
  • মূর্তিতেই দুর্গা : বিশ্বাসের বিষয় তর্কের নয়
  • শিক্ষার্থীর মনোজগৎ বিকাশে কার কী ভূমিকা
  • দুর্গের কর্তা দেবী দুর্গা
  • রাশিয়ার কাছে কি যুক্তরাষ্ট্র হেরে যাচ্ছে
  • দারিদ্র বিমোচনে সাফল্যের পথে বাংলাদেশ
  • বাংলাদেশ-সম্প্রীতি সমাবেশ ও কিছু কথা
  • পর্যটন নীতিমালার বাস্তবায়ন কত দূর
  • ওসমানীর দন্তরোগ বিভাগ
  • দুর্গার আগমন শুভ হোক
  • দেবী দুর্গার আবির্ভাব
  • দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধে উদ্যোগ নিতে হবে
  • প্রসঙ্গ : পানি ও বিদ্যুতের অপচয়
  • কওমি সনদের স্বীকৃতি
  • জয় মোবাইল অ্যাপ
  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
  • মৃন্ময়ী
  • সুন্দর পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষায়
  • শিশুর বিকাশ : খেলার মাঠ ও পাঠাগার প্রসঙ্গ
  • মূল্যবোধের অবক্ষয় : কারণ ও প্রতিকার
  • Developed by: Sparkle IT