উপ সম্পাদকীয়

সাক্ষরতা কার্যক্রমের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

মোঃ মোস্তফা মিয়া প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-১০-২০১৮ ইং ০০:২১:০৫ | সংবাদটি ২২ বার পঠিত

প্রাচীন কাল থেকেই শিক্ষাচিন্তার সূত্রপাত। কালক্রমে তা নানা ধারায় বিকশিত হয়েছে। ধর্মতত্ত্ব, অর্থনীতি, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজতত্ত্ব, নীতি বিজ্ঞান ইত্যাদি বহুবিধ দৃষ্টিকোণ থেকে শিক্ষার স্বরূপ অন্বেষণ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। শিক্ষা মূলত মানুষের জীবন ও সমাজ সম্পৃক্ত একটি প্রক্রিয়া। বিশ্বব্যাপী সামাজিক পরিবর্তনের বিবর্তন তথা রূপান্তরের সাথে শিক্ষা অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। শিক্ষাকে একটি সামাজিক বিশেষ প্রক্রিয়া হিসাবে গণ্য করা হয়েছে, যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক কর্ম সাধিত হয়। সেই আলোকে বিভিন্ন শিক্ষা বিজ্ঞানীরা মনে করেন, বিভিন্ন পন্থা ও পদ্ধতিগতভাবে জ্ঞান লাভের প্রক্রিয়াকেই শিক্ষা বলে।
মধ্যযুগে অনেক মুসলমান দার্শনিক জীবন ও জগত সম্পর্কে উচ্চস্তরের চিন্তার স্বাক্ষর রেখেছেন। শিক্ষা চিন্তাতেও তাঁদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মধ্যে আবু ইবনে রুশদ, আবু নাসের আল-ফারাবী, ইবনে সিনা, ইমাম গাজ্জালী, শেখ সাদী, জালাল ইবনে রুমী, ইবনে খালেদুন উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীকালে মুসলমান সমাজে শিক্ষা ব্যবস্থা কঠোর ধর্মীয় রীতিনীতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। মধ্যযুগের শিক্ষা সাধারণ মানুষের বাস্তব জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আধুনিক যুগে এসে শিক্ষা সাধারণ মানুষের জীবন সম্পৃক্ত হতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে সর্বশ্রেণীর মানুষের দুয়ারে পৌঁছাতে থাকে।
শুরু থেকেই ইসলাম ধর্ম বৈষ্যম্যহীন সমাজের ভাবধারা প্রচার করে এবং শিক্ষা গ্রহণকে সকল মানুষের অবশ্য কর্তব্য কাজ বলে ঘোষণা করে। এই প্রসংগে কবি গোলাম মোস্তফা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বিশ্বনবী’তে উল্লেখ করেছেন, যুগ যুগান্তর ধরিয়া যে মহাসত্যের জন্য ধরণী প্রতীক্ষা করিয়া আসিতেছিলেন, যে বাণী প্রেরণ করিবেন বলিয়া আল্লাহ বহুযুগ পূর্ব হতেই প্রতিশ্রুতি দিয়া আসিতেছিলেন, সেই বাণী আজ অবতীর্ণ হইল। যে বাণীর আরম্ভই হইল : পাঠ কর-অর্থাৎ জ্ঞান লাভ কর। সমগ্র কোরআনের সর্বপ্রথম বিষয় বস্তুই হইল জ্ঞান”। (গোলাম মোস্তফা : ২০০০ : ৭৯)
রেনেসাঁ বিপ্লবের প্রভাবে ইউরোপে ধর্মের কঠোর আওতা থেকে শিক্ষা ক্রমশ মুক্ত হতে শুরু করে। ১৯০০ শতক এর পূর্ব পর্যন্ত উল্লেখযোগ্যভাবে মুক্তি লাভ করতে সক্ষম হয় নাই। ইউরোপের কোন কোন দেশে ১৯০০ শতকের সূচনা লগ্নে বাধ্যতামূলক জনশিক্ষার চালু হলেও ১৯২০ শতকের পূর্বে তার সম্পূর্ণ রূপে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় নাই। পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলে যেমন-এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার উপনেবেশিক শাসনের অধীন দেশগুলোতে বিশ শতকের শেষ পর্যায়ে জনশিক্ষা প্রসার লাভ করে এবং এর ধারাবাহিকতায় এসব দেশে জনশিক্ষা সর্বজনীন করার লক্ষ্যে সবার জন্য শিক্ষা, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, অব্যাহত শিক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা, প্রভৃতি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। পাশাপাশি আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ধারার সাথে সাথে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমেও শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে জোর প্রচেষ্টার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের সাথে সাথে সকল প্রকার শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যও পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং নতুন নতুন মাত্রা লাভ করেছে। শিক্ষার লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষা মতবাদ গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা হচ্ছে সেই নমনীয় শিক্ষা ব্যবস্থা যা কোন বিশেষ শিক্ষার্থী দলের প্রয়োজন ও চাহিদা পূরণের জন্য গড়ে উঠে। অনমনীয় বাধ্যবাধকতা ও নিয়মনীতির বাইরে নির্দিষ্ট একদল শিক্ষার্থীর জন্য বিশেষ উদ্দেশ্যে সংগঠিত শিক্ষামূলক কার্যক্রমই উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা। বিশ শতকের শেষের দিকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার ধারার গুরুত্ব একাডেমিক অঙ্গনে প্রসার লাভ করে। এবং এর থেকে শিক্ষাবিদ ও শিক্ষাবিজ্ঞানীগণ এ শিক্ষা ধারার ধারণা গঠনে তৎপর হয়। অধ্যাপক আবু হামিদ লতিফ এর মতে, আনুষ্ঠানিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত নির্দিষ্ট শিক্ষার্থী দলের জন্য বিশেষ উদ্দেশ্যে সংগঠিত শিক্ষামূলক কার্যক্রমই উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা। (লতিফ : ২০০০ : ১৩)। শিক্ষা লাভের নির্দিষ্ট বয়সে বিভিন্ন কারণে যারা আনুষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করতে পারে নাই, তাদের জন্যই উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ধারা। মূলত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সম্পূরক ও পরিপূরক শিক্ষাধারা হিসাবে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার বিকাশ ঘটে।
জাতীয় জীবনে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার কাজ হলো : সামাজিক স্বার্থ ও ঐতিহ্য রক্ষা, রাজনৈতিক মতৈক্য প্রতিষ্ঠা, আবেগিক ঐক্যের সম্প্রসারণ, জাতীয় ভাষার বিকাশ সাধন, সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা, নাগরিকত্বের প্রশিক্ষণ, দক্ষ কর্মীর চাহিদা পূরণ, দায়িত্ব সচেতনতা, জাতীয় অনুভূতির বিবর্তন সাধন, সময়োপযোগী শিক্ষার বিকাশ সাধন।
বিংশ শতাব্দীর গোড়া থেকেই আজকের বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সাক্ষরতা প্রদানের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে সাক্ষরতা কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে টোল-মক্তবের শিক্ষার পাশাপাশি ১৯১৮ সালে নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম বয়স্ক শিক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়। এর পর ১৯২৬ সালে সমবায় সমিতির মাধ্যমে নৈশ বিদ্যালয়, ১৯৫৪ সালে মার্কিন সহায়তায় ঠ-অওউ কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক শিক্ষা, ১৯৫৬ সালে মি. বিভার নামে এক বিদেশি কর্তৃক বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র, ১৯৬৩ সালে কুমিল্লা জেলাতে ‘বার্ড’ কর্তৃক বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র চালু উল্লেখযোগ্য। কিন্তু নানা কারণে বিশেষ করে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বলে এ সকল উদ্যোগ সফল হয়নি। তাছাড়া কার্যকর সমন্বয়, পর্যাপ্ত ও পরিকল্পিত সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম প্রসার লাভ করতে পারেনি। সঙ্গত কারণেই সাক্ষরতা বিস্তারে এ সকল উদ্যোগ মূখ্য ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হয়নি।
স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে ৮০’র দশক পর্যন্ত বিচ্ছিন্নভাবে কিছু উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়। ১৯৭৫ সালে ব্র্যাক বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করে বয়স্ক সাক্ষরতা উপকরণ উন্নয়ন এবং গণকেন্দ্র নামে একটি অনুসারক উপকরণ প্রকাশ করে। ১৯৭৬-৮০ সনের দিকে রাজশাহী গণ মিলনকেন্দ্র, ডানিডা, এসএনএসপি, স্বনির্ভর বাংলাদেশ, ভার্ক, গুশিক্ষা সমিতি, বাংলাদেশ সাক্ষরতা সমিতিসহ বিভিন্ন সংস্থা সাক্ষরতা কার্যক্রম হাতে নেয়। ১৯৮০ সালে থেকে ইউসেফ, বেইস, এফআইভিডিবি, ভার্ক, সিসিডিবি, কারিতাস, আরডিআরএসসহ বিভিন্ন সংস্থা শিশু শিক্ষা এবং ১৯৮৫-৮৬ সনে ব্র্যাক ৮-১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করে।
১৯৮১-৮২ সালে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এফআইভিডিবি ফ্রেইরির শিক্ষাদর্শনের আলোকে একটি বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করে বয়স্ক সাক্ষরতা উপকরণ উন্নয়ন এবং নব্য ও স্বল্প সাক্ষরদের জন্য গ্রাম বান্ধব নামে একটি অনুসারক উপকরণ প্রকাশ করে। তিন শতাধিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এ উপকরণ ব্যবহার করে সারা দেশে স্ব স্ব কর্ম এলাকায় সাক্ষরতা কার্যক্রম পরিচালনা করে। তথাপি জাতীয়ভাবে ব্যাপকভিত্তিক একটি সাক্ষরতা কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজন অনুভব হতে থাকে।
১৯৯০ সালে থাইল্যান্ডের জমতিয়েনে সবার জন্য শিক্ষা বিষয়ে বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে সাক্ষরতা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এনজিওদের একটি সম্মিলিত জোট হিসেবে গণসাক্ষরতা অভিযান প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে দেশে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার একটি স্থায়ী অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘সমন্বিত’ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তার কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু করা হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা কর্মসূচী সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯২ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে পৃথকভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ নামে একটি পৃথক বিভাগ সৃষ্টি করা হয়। এই বিভাগের তত্ত্বাবধানে ইনফেপ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হতে থাকে। ১৯৯২-১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়িত এ প্রকল্প ১৬.৭০ লক্ষ নিরক্ষরকে সাক্ষরতা সেবা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে অনেক বেশি অর্জনে সক্ষম হয়। এই প্রকল্পের সফলতার কারণে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা হতে ঝরে পড়া ও শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত শিশু, কিশোর ও বয়স্ক নিরক্ষর নারী, পুরুষের সাক্ষরতা সেবা প্রদানের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা একটি কার্যকর ও যুগোপযোগী পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। সাক্ষরতা ক্ষেত্রে এই অভূতপূর্ব সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা পুরস্কার লাভ করে যা তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রহণ করেন।
সরকারের দীর্ঘ মেয়াদী বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে এর অংশ হিসেবে উপজেলা/ইউনিয়ন পর্যায়ে বহুতল ভবন লার্নিং সেন্টার (তথ্য প্রযুক্তিসহ) প্রতিষ্ঠা করা। যার মাধ্যমে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। দক্ষ যুব সমাজ দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করতে সক্ষম হবে।
বর্তমান সরকার একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূরীকরণে অঙ্গীকারাবদ্ধ। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বর্তমান সরকার ‘মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প (৬৪ জেলা)’ বাস্তবায়ন করছে, যার মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলায় নির্বাচিত ২৫০টি উপজেলার ১৫-৪৫ বছর বয়সের ৪৫ লক্ষ কিশোর-কিশোরী ও বয়স্ক নারী-পুরুষকে জীবন দক্ষতা ভিত্তিক মৌলিক সাক্ষরতা প্রদান করা হবে। এ প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সাল থেকে জুন ২০১৯ সাল পর্যন্ত। ইতিমধ্যে সারা দেশের ন্যায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন উপজেলায় দক্ষ জনশক্তির মাধ্যমে এ কার্যক্রম যথার্থভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মৌলিক সাক্ষরতা কার্যক্রম টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।
লেখক : অধ্যক্ষ, নর্থইস্ট বালাগঞ্জ কলেজ, সিলেট।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • শিক্ষার্থীর মনোজগৎ বিকাশে কার কী ভূমিকা
  • দুর্গের কর্তা দেবী দুর্গা
  • রাশিয়ার কাছে কি যুক্তরাষ্ট্র হেরে যাচ্ছে
  • দারিদ্র বিমোচনে সাফল্যের পথে বাংলাদেশ
  • বাংলাদেশ-সম্প্রীতি সমাবেশ ও কিছু কথা
  • পর্যটন নীতিমালার বাস্তবায়ন কত দূর
  • ওসমানীর দন্তরোগ বিভাগ
  • দুর্গার আগমন শুভ হোক
  • দেবী দুর্গার আবির্ভাব
  • দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধে উদ্যোগ নিতে হবে
  • প্রসঙ্গ : পানি ও বিদ্যুতের অপচয়
  • কওমি সনদের স্বীকৃতি
  • জয় মোবাইল অ্যাপ
  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
  • মৃন্ময়ী
  • সুন্দর পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষায়
  • শিশুর বিকাশ : খেলার মাঠ ও পাঠাগার প্রসঙ্গ
  • মূল্যবোধের অবক্ষয় : কারণ ও প্রতিকার
  • পরিবেশ বিপর্যয়ে বছরে ক্ষতি ৫৩ হাজার কোটি টাকা
  • শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো. আবুল বশর
  • Developed by: Sparkle IT