প্রথম পাতা

রায়ে বিমর্ষ বাবর ঝাড়লেন ক্ষোভ

ডাক ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে: ১১-১০-২০১৮ ইং ০২:৪১:৫৯ | সংবাদটি ১৮৬ বার পঠিত

আদালত চলার সময় ভাবলেশহীন থাকলেও রায় ঘোষণা শেষে ক্ষোভ ঝেড়েছেন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় মৃত্যুদ- পাওয়া বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে তাকে নিয়ে যাওয়ার সময় সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী ‘আল্লাহর গজব পড়বে’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
গতকাল বুধবার ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন ১৪ বছর আগে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীবিরোধী সমাবেশে নৃশংস গ্রেনেড হামলার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের দুই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
দুই মামলাতেই সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদ-ের রায় হয়েছে।
খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদ-।
এছাড়া এ মামলার আসামি ১১ সরকারি কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেওয়া হয়েছে।
সকাল সোয়া ১১টায় সব আসামির মধ্যে লুৎফুজ্জামান বাবরকেই প্রথমে নাজিম উদ্দিন রোডের আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার বিশেষ এজলাসে নেওয়া হয়। সাদা শার্ট পরা কিছুটা মলিন চেহারার সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী এজলাসের কাঠগড়ায় দাঁড়ালেও কিছুক্ষণের মধ্যেই চেয়ারে বসে পড়েন।
এর আগে পুলিশের একটি সাদা মাইক্রোবাসে কড়া পাহারায় অন্য আসামিদের সঙ্গে তাকে আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়।
বাবর এসময় বরাবরের মতোই বিরক্তির অভিব্যক্তিতে ছিলেন।
রায় পড়া শুরু হলে খুব উৎসাহের সঙ্গে কান উঁচিয়ে তা শুনতে থাকেন বাবর। কিন্তু রায় পড়া শেষ হলে তার চেহারায় বিষণœতার ছায়া পড়ে।
রায়ের পর বেশ খানিকটা মুষড়ে পড়া বাবর তার আইনজীবী এস এম শাহজাহান, নজরুল ইসলাম, সানাউল্লাহ মিয়ার সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। আইনজীবীদের পক্ষ থেকে এ সময় তাকে আপিলের কথা বলা হয়।
একটু পরে এজলাসে উপস্থিত সাংবাদিকরা তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আল্লাহই এসবের বিচার করবে।”
গ্রেনেড হামলার সঙ্গে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে তারেক রহমানের বিষয়ে স্বীকারোক্তি নিতে না পারায় এমন সাজা হয়েছে বলে ক্ষোভ ঝাড়েন তিনি।
বলেন, “আমার কাছ থেকে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নাম বের করতে না পারায় আমাকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
এজলাস থেকে বের হওয়ার সময় তিনি বলতে থাকেন, “আল্লাহর গজব পড়বে।”
রায়ের পর কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার জন্য আদালতের সামনের রাস্তায় আগের মাইক্রোবাসেই তোলা হয় বাবরকে।
নিরাপত্তা প্রহরা ঠিক করার জন্য আসামিদের গাড়িবহর সেখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষায় থাকলে বাবর ডান হাত দিয়ে কয়েক বার গাড়ির জানালা খুলতে থাকেন।
এসময় গোয়েন্দা পুলিশের এক সহকারী কমিশনার জানালা খোলার কারণ জানতে চাইলে বাবর গলায় হাত দিয়ে বলেন, “আমার কাশির সমস্যা।”
সে সময় সাংবাদিকরা গাড়ির দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ তাদের থামিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ জানালা খোলা রাখার পর বাবর নিজেই তা বন্ধ করে দেন।

 

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • একুশের প্রথম প্রহরে
  • স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার জন্য জামায়াতের ক্ষমা চাওয়া উচিত : বিএনপি
  • ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সুরক্ষা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
  • চতুর্থ ধাপে ১২২ উপজেলায় ভোট ৩১ মার্চ
  • যুক্ত হলো আরেকটি স্প্যান ১২শ মিটারে পদ্মা সেতু
  • নাইকো: খালেদা হাজির না হওয়ায় পিছিয়েছে শুনানি
  • সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৪৯ জন শপথ নিয়েছেন
  • সিলেট ও মৌলভীবাজারে চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ৭৯ জনের মনোনয়ন বাতিল
  • অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ আজ
  • সরকারের চলতি মেয়াদেই পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
  • সুনামগঞ্জে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন ১৪৬ প্রার্থী
  • পরিকল্পনামন্ত্রী ৩ দিনের সফরে সিলেট আসছেন আজ
  • মৌলভীবাজারের ৭ উপজেলায় ভোটার ১২ লাখ ৯৭ হাজার ৫১১
  • সুনামগঞ্জের জোয়াল ভাঙ্গার হাওরে দু’মাসে ১০ ভাগ কাজও হয়নি
  • পানিতে ডুবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের শিশুপুত্রের মৃত্যু
  • সিলেটে ১২ উপজেলায় ভোটার ১৭ লাখ ৯৩ হাজার ৭১০
  • স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিলেট আসছেন আজ
  • অমর ২১ শে
  • জগন্নাথপুরে বাঁধের কাজে গাফিলতির অভিযোগে আটক ৪
  • সুনামগঞ্জে ১৩ ও হবিগঞ্জে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
  • Developed by: Sparkle IT