উপ সম্পাদকীয়

শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো. আবুল বশর

রফিকুর রহমান লজু প্রকাশিত হয়েছে: ১২-১০-২০১৮ ইং ০০:০৭:১৬ | সংবাদটি ৩৬৬ বার পঠিত

গুণী শিক্ষক বলতে যা বুঝায় তেমনি একজন গুণী নন্দিত শিক্ষক ছিলেন প্রফেসর মো. আবুল বশর। গোটা কর্মময় জীবন শিক্ষাদানেই ব্যয় করেছেন তিনি। তিনি ছিলেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতিভাধর মেধাবী ও প্রথিতযশা অধ্যাপক। সাহিত্য সংস্কৃতি অঙ্গঁনেও ছিলেন পুরোধা বরেণ্য ব্যক্তিত্ব। লেখালেখি, আলোচনা, বক্তৃতায় অঙ্গীকারবদ্ধ ও শিকড় সন্ধানী আভিজাত্যে উদ্ভাসিত ছিলো তাঁর জীবন। আমার অত্যন্ত প্রিয় শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর সান্নিধ্যে, তার সঙ্গে উঠবস ও মেলামেশার অবারিত সুযোগ নিজকে আরো পরিশীলিত, উন্নত জীবনবোধে উদ্বুদ্ধ করতে পেরেছি। তাঁর জ্ঞান গরিমা, পান্ডিত্ব, শিক্ষা সভ্যতার ইতিহাস বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ণ থেকে আমি অভাবনীয়ভাবে সমৃদ্ধ হয়েছি যা চলার পথে স্বচ্ছ, নির্লোভ ও পরিচ্ছন্ন জীবন যাপনে সহায়ক হয়েছে। এজন্যে তার প্রতি আমার ঋণ ও কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তা সত্ত্বেও আমার একটি খেদ বা অতৃপ্তি রয়ে গেছে। এই যশস্বী শিক্ষকের পদতলে বসে পাঠ নেওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তাঁর সরাসরি ছাত্র হওয়ার গৌরবের ভাগীদার আমি হতে পারিনি।
বশর স্যারকে বহু আগে থেকেই চিনতাম। তবে তার সঙ্গেঁ যোগাযোগ, পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা হয় স্বাধীনতার পরে ১৯৭৪-১৯৭৫ সালের দিকে। তাকে আগে থেকে চেনার কারণ হলো তিনি ছাত্র জীবনে প্রগতিশীল রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। রাজনীতিবিদ নুরুর রহমানের খুব কাছের লোক ছিলেন বশর স্যার। নুরুর রহমান পাটি না করলেও গোপন পাটি নেতৃত্বের সঙ্গে তার সখ্যতা ছিলো। তিনি বশর স্যার সম্পর্কে পার্টি নেতৃত্বের কাছে প্রশংসা করে ছিলেন। এই রিপোর্টের ভিত্তিতে বশর স্যারকে পাটির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। বশর স্যারের ছদ্মনাম ছিলো রশীদ করিম। তিনি প্রকাশ্যে এবং ঘটাকরে রাজনীতি করেননি। তিনি সংস্কৃতি লাইনে কাজ করতেন এবং নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন।
শিক্ষার উন্নয়ন, সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ বিষয়ে পাকিস্তান আমলে দেশে বেশ কয়েকটি শিক্ষা সম্মেলন, সাংস্কৃতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ জাতীয় সব ক’টি সম্মেলনে বশর স্যার যুক্ত ছিলেন এবং সম্মেলনে যোগদান করেছেন। ১৯৫০ সালের ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় শিক্ষা সম্মেলন। অলি আহাদ, মোস্তফা নুরুল ইসলাম, তাসাদ্দুক আহমদ, আব্দুস সামাদ (পরে আজাদ), এস.এম আলী প্রমুখ এই সম্মেলনের আয়োজক ছিলেন। এই সম্মেলনে বশর স্যার এবং তার সঙ্গে পীর হাবিবুর রহমান, এ. এইচ. সা’দাত খান, কবি রিয়াসত আলী, তারা মিয়া, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, ফারুক উদ্দিন চৌধুরী, আব্দুল মুক্তাদির প্রমুখ যোগদান করে। ১৯৫২ সালের ২২, ২৩ ও ২৪ আগস্ট কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান সাংস্কৃতিক সম্মেলন সিলেটের অগ্রণী লেখক ও শিল্পি সংঘের পক্ষ থেকে বশর স্যার, নুরুর রহমান, রেজাউল করিম, প্রাণেশ দাস, লিয়াকত হোসেন, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, মীর্জা হাবিবুর রহমান সম্মেলনে অংশ গ্রহণ করেন।
অতঃপর ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক বিজয়ের পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় জাঁকজমকপূর্ণ সাহিত্য সম্মেলন। এই সম্মেলন জনগণের বিজয় উৎসবে রূপ নেয়। সিলেট থেকে এই সম্মেলনে যে প্রতিনিধিদল যোগ দিয়েছিলো তাতে ছিলেন বশর স্যার, আজিজ স্যার, বিজয় দত্ত (মাইকেল দত্ত), শামসুদ্দিন আহমদ, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, কবি রিয়াসত আলী এবং আরো কেউ কেউ। এই সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়, দেবীপ্রসাদ চট্টপাধ্যায় ও মনোজ বসু প্রমুখ।
বশর স্যারের ছাত্র জীবন থেকে একটা সখ, বলা যায় একটা অভ্যাস ছিলো বই কেনা, বই সংগ্রহ ও বইপড়া। তার বেতনের একটা অংশ প্রতি মাসে বই কেনায় ব্যয় করতেন। তাঁর আরামবাগের বাসার দোতলার একটি কক্ষ বইপত্রে ঠাসা, শুধু বই আর বই। এগুলোকে তিনি জীবনের শ্রেষ্ঠ সংগ্রহ ও শ্রেষ্ঠ সম্পদ মনে করতেন।
প্রথিতযশা সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবী শওকত ওসমানের (মূল নাম শেখ আজিজুর রহমান) সাথে স্যারের প্রীতির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো। শওকত ওসমানের মৃত্যুর মাত্র কিছু দিন পূর্বে ১৯৯৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বশর স্যার ঢাকায় শওকত ওসমানের বাসায় গিয়েছিলেন তাকে দেখতে। তিনি তখণ ঘোরতর অসুস্থ। তখন তিনি তার প্রিয়ভাজন বশর স্যারকে একটা শুভেচ্ছা লিখে দেনÑ প্রতিভাজন আবুল বশর অধ্যাপক সুজনেষু এই দেশে বাস সর্বনাশে দেখতে হয় পৌষ মাস। সুদীর্ঘ জীবন কামনাসহ শত ওসমান। ঢাকা. ২৫.০২.৯৮।
বশর স্যারের জীবনের বড় একটা অংশ জুড়ে রয়েছে অগ্রণী লেখক ও শিল্পি সংঘ (১৯৫১-১৯৫৪) এবং প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক মাসিক ‘নিশানা’ (আগস্ট ১৯৫১, আগস্ট-১৯৫২) মোট আট সংখ্যার কার্যক্রম। তিনি নিশানার প্রকশনা ও সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নাসির উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে তিনি যৌথভাবে সহকারী সম্পাদক ছিলেন। নিশানার প্রাণ পুরুষ ও পরিচালক ছিলেন নুরুর রহমান। নিশানা’র ১ম থেকে ৫ম সংখ্যা সম্পাদনা করেন পীর হাবিবুর রহমান এবং ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ১ম বর্ষের সমাপ্তি সংখ্যা সম্পাদনা করেন নুরুর রহমান।
বশর স্যারের জীবনের এক অমর কীর্তি ‘মাসিক নিশানা সমগ্র’ প্রকাশ ও সম্পাদনা। আগস্ট ২০০৫ সালে এই নন্দিত কাজটি করেন বশর স্যার। স্যারের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে নিশানা সমগ্র প্রকাশের সকল কর্মকান্ডে আমি জড়িত ছিলাম স্যারের সঙ্গে। নিশানার ২য় সংখ্যায় (সেপ্টেম্বর-১৯৫১) কবি প্রজেম কুমার রায় একটি কবিতা লিখেছিলেন। কবিতাটির শিরোনাম ‘আত্মবিক্রীত লেখককে’। ঐতিহাসিক মূল্য বিবেচনায় সুন্দর কবিতাটি এখানে উদ্বৃত করলামÑ সত্য কথা বলতে যদি/ কলম করে ভয়,/ বন্ধ করো কলম তোমার/ লেখক মহাশয়।/ মিথ্যা দিয়ে/ লোক ঠকানোর পেশা/ আর কতকাল/ চলবে তোমার বলো?/ যাচ্ছে কেটে অফিস খোরের নেশা/ বিদায় নেবার সময় তোমার হলো...।
প্রফেসর মো. আবুল বশর সিলেট এমসি কলেজ প্রাক্তন ছাত্র-শিক্ষক পুনমির্লানী’ ৯৩ এর স্মারক ‘স্মৃতির আঙিনায়’ স্মারকগ্রন্থ উপ পরিষদের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া কবি দিলওয়ার সংবর্ধনা পরিষদ (৭ মে ১৯৭৮) এর সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন তিনি। সভাপতি ছিলেন যুগভেরী সম্পাদক আমীনূর রশীদ চৌধুরী। বৃহত্তর সিলেটের ইতিহাস ১ম খ- ও ২য় খ-ের অন্যতম সম্পাদক, পীর হাবিবুর রহমান স্মারকগ্রন্থ ও জননেতা আব্দুল হামিদ স্মারকগ্রন্থের সম্পাদনা পরিষদের সদস্য ছিলেন বশর স্যার। অগ্রণী লেখক ও শিল্পিসংঘ এবং নিশানার প্রকাশনা বশর স্যারের জীবনে দারুণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। দু’টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে থেকে তিনি জীবনের বহুমুখী বিচিত্র অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। সাহিত্য সংস্কৃতি রাজনীতি অঙ্গনের আলোকিত বিরল মানুষজনের সংস্পর্শ ও সান্নিধ্য পেয়েছেন। সাহিত্য চর্চা, লেখালেখি, সম্পাদনা, জ্ঞান গরিমার সুন্দরতম ও বৈচিত্র্যময় অনুভূতির স্পর্শ নিয়েছেন। তার এই অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি পরবর্তী শিক্ষা জীবন তথা কর্মজীবনে আলো ছড়িয়েছে। এই দুই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেকালের প্রথিতযশা সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবী শওকত ওসমান, বরেণ্য শিল্পি আলতাফ মাহমুদ, অধ্যাপক কাজী আব্দুল মান্নান, অধ্যাপক আব্দুল লতিফ চৌধুরী, কবি প্রজেশ কুমার রায়, কবি হাসান হাফিজুর রহমান, শিল্পি মুর্তজা বশীর, পশ্চিম বাংলার রবীউদ্দিন আহমদ সহ ঢাকা চট্টগ্রাম রাজশাহীর খ্যাতিমান লেখক শিল্পি বুদ্ধিজীবীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মেলবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন প্রফেসর আবুল বশর। সে সময়কার বিদগ্ধ গুণীজনদের সঙ্গসুধা বশর স্যারের বিন¤্র সজ্জন মননশীল ও উন্নতপরিশীলিত জীবনাচরণের সুন্দর জীবন মানস গঠনে অসামান্য ভূমিকা পালন করেছে।
ভাষা গবেষক ও সাহিত্যের অনুরাগী প্রফেসর আবুল বশ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তর লিখেছেন। সে অনুপাতে তার রচিত অনেকগুলো গ্রন্থ থাকার কথা। আমরা তার মাত্র দুইখানি বইয়ের কথা জানি। তার প্রথম বই ‘বাংলা সাহিত্য প্রসঙ্গ’ একটি গবেষণাধর্মী ও পান্ডিত্বপূর্ণ গ্রন্থ। এটি প্রকাশিত হয়েছে ১৯৭২ সালে। বাংলা সাহিত্যের ছাত্রছাত্রীদের একটি অনন্য সহায়ক গ্রন্থ এটি। অন্য বইটি হলো স্মৃতির ভুবনে বসবাস ও অন্যান্য (২০০০ সাল)। বইখানি সিলেটের সাহিত্য সংস্কৃতি রাজনীতির চুম্বক ইতিহাস হিসেবে সচেতন পাঠক মহলে খুবই সমাদৃত।
আগেই উল্লেখ করেছি কথা সাহিত্যিক শওকত ওসমানের সঙ্গে স্যারের হৃদ্যতা ছিলো। তিনি ১৯৬৯ সালে সিলেটে বেড়াতে এসেছিলেন। বশর স্যারের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় ঢু মেরেছিলেন সিলেটের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মচাঞ্চল্য সম্পর্কে তারা আলাপ আলোচনা করেন। অনেকেই জানেন শওকত ওসমানের তাৎক্ষনিক চূর্ণকবিতা লেখার দক্ষতা ছিলো। তিনি বশর স্যারকে তার ‘উপলক্ষ্য’ গল্প গ্রন্থের এক কপি উপহার দেন। তাতে দু’ছাত্র কবিতায় ‘নিশানা’র স্মৃতিকে অক্ষয় করে রাখেন...। তিনি লিখেনÑ অধ্যাপক আবুল বশর প্রীতিভাজনেষুÑ ‘নিশান’ মুছে গেছে আপনি আছেন এই ভাবেই চলে ভবিষ্যতের লেনদেন গুণমুগ্ধ শওকত শ্রীহট. ১২.৮.৬৯
প্রসেফর আবুল বশরের জন্ম ১৯৩৪ সালের ১৭ জানুয়ারি। সিলেট শহরের জল্লারপারে রিয়াসত উল্লাহ ও হামিদা বাবুর ঘরে তার জন্ম। ত্রিশের দশকের শক্তিমান কবি আব্দুর রাজ্জাক তার জ্ঞাতি ভ্রাতা। পড়ালেখা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি সুনামগঞ্জ কলেজ, খুলনা সরকারি বি এল কলেজ, সিলেট এমসি কলেজে অধ্যাপনা করেন। তিনি মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ এবং সিলেট সরকারি মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি মঈন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজ, সিলেট এমসি কলেজ একাডেমি গোলাপগঞ্জ, কুরুয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যক্ষের পদে আসীন ছিলেন। এসময় শাবিতে দু’বছর বাংলা বিভাগে খন্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন।
বশর স্যার ছাত্রাবস্থায় মহান ভাসা আন্দোলনে অংশ নেন এবং সিনিয়র নেতৃবৃন্দের কাছে থেকে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ছাত্রজীবনে ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ পর্যন্ত তিনি ছাত্র আন্দোলন সংগঠনে তৎপর ছিলেন এবং ১৯৫৩-৫৪ সময় পূর্বে তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউয়িনয় (ইপসু) সিলেট জেলা শাখার সহ সভাপতি ছিলেন।
প্রফেসর মো. আবুল বশর ১৯৬৫ সালে সংসার জীবনে প্রবেশ করেন। তার সহধর্মীনি নাজমা আরা। তারা দুই কন্যা ও দুই পুত্র সন্তানের জনক জননী। ছেলে মেয়েরা সবাই বিবাহিত। তাদেরও সন্তানাদি রয়েছে। বশর স্যারের সঙ্গে আমার আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। তার স্ত্রী সম্পর্কে আমার ভাগনি হন। তিনি আমাকে মামা বলে ডাকেন। এই সূত্রে বশর স্যার আমার দামান্দ হন। তার অবসর জীবনে তার আরামবাগ বালুচরের বাসায় আমি প্রায়ই যেতাম। নানা ফুলের গাছ ও নানা রঙের লতাপাতায় ঘেরা তার বাসাটি খুবই চমৎকার। উন্নত জীবনশৈলী ও সুস্থ জীবনবোধের পরিচ্ছন্ন মানুষ ছিলেন প্রফেসর মো. আবুল বশর। জীবনের প্রতি গভীর মমত্ববোদ ও নিখাদ ভালোবাসার টানেই তিনি পরিচ্ছন্ন মানুষ হয়ে ওঠে ছিলেন। সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করতে তিনি আলো দিয়ে হাতে তুলে নিয়েছিলেন। আলো দিয়ে আলো জ্বালাতে তিনি ভালোবাসতেন। তার সমৃদ্ধ জীবনের জন্য তিনি আনন্দিত ও গর্বিত। এই আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি নিয়ে তিনি এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন ১২ অক্টোবর ২০১৩ সালে।
লেখক : সাবেক শিক্ষক, সিনিয়র সাংবাদিক ও কলাম লেখক।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • রপ্তানিতে সুবাতাস, ইতিবাচক বাংলাদেশ
  • রপ্তানিতে সুবাতাস, ইতিবাচক বাংলাদেশ
  • ডিসেম্বর আমাদের অহংকারের মাস
  • পোশাক শিল্পের অগ্রগতি
  • উন্নয়ন, আদর্শ ও মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষিত
  • প্রসঙ্গ : রিকসা ভাড়া
  • পেছন ফিরে দেখা-ক্ষণিকের তরে
  • অবাধ ও সুষ্ঠু নিবার্চনের প্রত্যশা
  • শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার
  • বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার
  • বাংলাদেশের উৎসব
  • ‘শান্তি জিতলে জিতবে দেশ’
  • মানবাধিকার মুক্তি পাক
  • অদম্য বাংলাদেশ
  • নারী আন্দোলনে বেগম রোকেয়া
  • আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জনমানস
  • অরিত্রী : অস্তমিত এক সূর্যের নাম
  • স্বপ্নহীন স্বপ্নের তরী
  • মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান
  • নয়া রাষ্ট্রদূত কী বার্তা নিয়ে এসেছেন?
  • Developed by: Sparkle IT