উপ সম্পাদকীয়

জামাল খাসোগী হত্যাকান্ড ও সৌদি আরব

অ্যাডভোকেট আনসার খান প্রকাশিত হয়েছে: ২০-১০-২০১৮ ইং ০০:১১:৫৫ | সংবাদটি ৪৩১ বার পঠিত

তুরস্কের ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে সৌদি নাগরিক, রাজনৈতিক ও নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার অভাবজনিত কারণে আমেরিকায় স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকা দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট সাংবাদিক জামাল খাসোগীকে হত্যা করা হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে এবং তুরস্ক কর্তৃপক্ষ জোর দিয়েই দাবি করেছে যে, খাসোগীকে হত্যা করার ভিডিও রেকর্ডসহ প্রমাণ তাদের নিকট আছে। এ হত্যাকান্ডের সাথে সৌদি কর্তৃপক্ষ, বিশেষ করে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ এটি অস্বীকার করে চলেছে।
উল্লেখ্য যে, সাংবাদিক খাসোগী অক্টোবরের দুই তারিখে ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে তাঁর ব্যক্তিগত কাজে নিয়েছিলেন এবং কনস্যুলেটে প্রবেশের ভিডিও ফুটেজ থাকলেও তিনি কনস্যুলেট থেকে বের হয়ে এসেছেন, এমন কোনো প্রমাণ বা ভিডিও ফুটেজ পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ থাকার কারণে ধারণা করা হতে থাকে যে, তাঁকে কনস্যুলেটের ভেতরেই হত্যা করা হয়েছে এবং তাঁর লাশ গোপনে সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তুরস্ক কর্তৃপক্ষ জোর দিয়েই দাবি করছে সৌদি আরব ১৫ সদস্যের একটি ঘাতক দল পাঠিয়েছিলো এবং এ ঘাতক দলটি খাসোগীকে হত্যা করে সৌদি থেকে আগত একটি বিমানে করে তাঁর লাশ নিয়ে গেছে সৌদি আরবে।
জামাল খাসোগীর নিখোঁজ হওয়া এবং কথিত হত্যাকান্ডে সৌদি যুবরাজের সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়ে তাই দুনিয়া জুড়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করেছে। প্রশ্ন ওঠেছে, কেন যুবরাজ বা সৌদি কর্তৃপক্ষ খাসোগী হত্যায় জড়িত থাকতে পারে।
জামাল খাগোসী সৌদি রাজতন্ত্রের এবং একই সাথে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের কঠোর সমালোচক হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত। যুবরাজের ক্ষমতার শীর্ষে ওঠে আসা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয় বলেই মনে করতেন খাসোগী। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করে কলাম লিখেছেন এবং বলেছেন এটি প্রাসাদ ক্যু। এছাড়াও যুবরাজের কথিত সংস্কার কর্মসূচিরও কট্টর সমালোচক তিনি। এসব নিয়ে কড়া সমালোচনামূলক কলাম লিখেছেন দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে।
খাসোগী তাঁর লেখায় এবং বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, সৌদি আরবে সরকারের কার্যকলাপের সমালোচনা তা তর্ক-বিতর্কের কোনো সুযোগ নেই এবং নেই কোনো বাক স্বাধীনতা। সেখানে পুলিশি কর্মকান্ডের সমালোচনা করায় অনেক সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবিদের কারাগারে আটক করে রাখা হয়েছে। তাঁর মতে, সৌদি যুবরাজের নেওয়া বিভিন্ন কর্মকান্ডের সমালোচনা করার সাহস কারো নেই। সৌদি আরবে গণতান্ত্রিক শাসনের কোনো সম্ভাবনাও নেই বলে মন্তব্য করেছিলেন খাসোগী।
সৌদি রাজতন্ত্র, যুবরাজ সালমান ও সৌদি শাসন কর্তৃপক্ষের ঘোরতর বিরোধী হওয়ার কারণে তাঁর প্রতি এক ধরণের আক্রোশ কাজ করছিলো সৌদি কর্তৃপক্ষের। জীবনের নিরাপত্তার অভাব উপলব্দি করে ২০১৭ সালে তিনি স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে গিয়েছিলেন আমেরিকায়। সেখানে থেকেও খাসোগী পত্র-পত্রিকায় সৌদি আরব কর্তৃপক্ষর বিরুদ্ধে লেখালেখি অব্যাহত রেখেছিলেন। এসব কারণে খাসোগী মূল সৌদি শাসক গোষ্ঠীর রোষানলে থাকায় খাসোগীর নিখোঁজ হওয়া বা কথিত হত্যায় সৌদি কর্তৃপক্ষের হাত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তুরস্ক কর্তৃপক্ষ তো বলে চলছে যে, কনস্যুলেটে খাসোগীর প্রবেশের ভিডিও ফুটেজ রয়েছে-সেখান থেকে তিনি বের হয়ে গেলেন এমন ভিডিও ফুটেজ দেখাতে হবে সৌদি কর্তৃপক্ষকে। নতুবা খাসোগী হত্যা বা নিখোঁজের দায়ভার সৌদি আরবকেই নিতে হবে।
খাসোগী নিখোঁজ বা কথিত হত্যাকান্ড নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে সৌদি আরবের মিত্র দেশগুলোর মধ্যে। আমেরিকা, ফ্রান্স, জার্মানী প্রভৃতি সৌদি মিত্র দেশগুলো কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। অন্যদিকে, সৌদি আরবের স্বাভাবিক প্রতিপক্ষ দেশ তুরস্ক প্রচন্ড ধরণের ক্ষেপেছে সৌদি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। মোটা দাগে বলতে গেলে, খাসোগীকে কেন্দ্র করে একটি কূটনৈতিক যুদ্ধ শুরু হয়েগেছে এবং এ কূটনৈতিক যুদ্ধে সৌদি আরব বড় ধরণের বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ও নিরাপত্তা অংশীদার হলো সৌদি আরব। খাসোগী হত্যার ঘটনায় সৌদি আরবের সাথে আমেরিকার সেই সম্পর্কে ফাটল দেখা দিতে পারে বলে কঠোর হুশিয়ারী দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেছেন ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে সৌদি আরবকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। খাসোগী নিখোঁজ বা হত্যার বিষয়টি সৌদি আরব ও আমেরিকার সম্পর্কে কতদূর প্রভাব ফেলতে পারে সেটি বোঝা যায় আমেরিকার উদ্বেগ থেকে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও কে রিয়াদে পাঠিয়েছেন এবং মি. পম্পেও সৌদি বাদশাহ এবং যুবরাজ সহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করেছেন। এদিকে, আমেরিকার রাজনৈতিক মহল, সাংবাদিক মহল সহ সচেতন জনগোষ্ঠির মধ্যে খাসোগী হত্যা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং অবিলম্বে দেশটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি দাবি জানিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাই উভয় সংকটে পড়েছেন। এক দিকে নিজের জনগণের ক্ষোভ প্রশমিত করা এবং অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা অংশীদার সৌদি আরবের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। কেননা, সৌদি আরবের সাথে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এর প্রভাব হবে বিরূপ।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও আমেরিকান প্রশাসন সৌদি আরবের মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে একটি মৈত্রী জোট গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। এ জোট একটি সামরিক জোট হতে পারে, সেটি ইরান, রাশিয়া, সিরিয়া, কাতার, তুরস্কের সম্ভাব্য জোট ও এর প্রভাব মোকাবেলা করে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার প্রভাব বজায় রাখতে সহায়ক হবে। কিন্তু খাসোগীর নিখোঁজ বা হত্যা রহস্য নিয়ে কোনোভাবে সৌদি আরবের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক বিনষ্ট হলে সৌদি কর্তৃপক্ষ চীন ও রাশিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে এবং এক্ষেত্রে গোটা মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতি ও কৌশলগত অবস্থান আমেরিকার প্রতিকুলে চলে যেতে পারে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। তাই খাসোগী নিখোঁজ বা হত্যার ঘটনা আমেরিকার জন্য মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে আমেরিকা কোনঠাসা হয়ে না পড়ে সেজন্যই তাই আমেরিকান কর্তৃপক্ষ দৌড়ঝাপ শুরু করেছে। ভূরাজনীতিতে যাতে খাসোগীর হত্যা রহস্য কোনো প্রভাব ফেলতে না পারে তার জন্য আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদির সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ রাখছেন আবার কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে সৌদি কর্তৃপক্ষকে ভয়ও দেখাচ্ছেন। অর্থাৎ একটা ভারসাম্যমূলক অবস্থানে রয়েছে ওয়াশিংটন। তাই পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সৌদির সাথে বিরাজমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে যাতে বিরূপ প্রভাব না পড়ে বা সম্পর্ক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্যই পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও কে রিয়াদে পাঠিয়েছেন ট্রাম্প।
শুরু থেকেই সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ খাসোগীর ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করে আসলেও সোমবারের সিএনএন ও দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত খবরে প্রকাশিত হয়েছে যে, সৌদি কর্তৃপক্ষ খাসোগী হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে নিতে পারে। তবে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে সৌদি কর্তৃপক্ষের তরফে হ্যাঁ বা না সূচক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে, তুরস্কের প্রচন্ড চাপে সৌদি কর্তৃপক্ষ তুরস্কের ইস্তানবুলে তাদের কনস্যুলেটে-তুরস্কের তদন্তকারী দলকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ায় তদন্তকারী দল কনস্যুলেটে-প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় ধরে খাসোগীর বিষয়ে তদন্ত করে খাসোগী হত্যার অনেক আলামত সংগ্রহ করেছে বলে দাবি করেছে।
খাসোগীর নিখোঁজ বা হত্যা রহশ্য নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি যতোই অস্বীকার করার চেষ্টা করুক না কেন,-বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া কিন্তু ভিন্ন। সৌদির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলেই মনে করছে বিশ্ব সম্প্রদায়। যে কারণে, সৌদি আরবে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগদান না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অনেক ব্যবসায়ীক প্রতিনিধি ও মিডিয়া গ্রুপ। অন্যদিকে, আগামী মাসে ওয়াশিংটনে সৌদি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত কূটনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাতিল করে দিয়েছে রিয়াদ।
খাসোগীর ঘটনায় সৌদি মুদ্রা বাজার এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগেও বড় ধরণের প্রভাব পড়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে। বিগত দুই বছরের মধ্যে সৌদি রিয়ালের মূল্য পতন হয়েছে বড় আকারে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বন্ডের মূল্যেও দরপতন হয়েছে ব্যাপকভাবে। অন্যদিকে, সৌদি আরবের স্টক মার্কেটেও দরপতন হয়েছে। গত দুই বছর যাবত স্টক মার্কেটে সূচক ছিলো ৭.২% শতাংশ। অথচ গত সোমবারে অর্থাৎ ১৫ অক্টোবরে সূচক দুই শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ঘোষিত সংস্কার কর্মসূচী বাস্তবায়নে বিদেশী পুঁজি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য রিয়াদে ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত “ডাভোস ইন দ্য ডেজার্ট’ নামে একটি বৃহৎ বিনিয়োগ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সম্মেলনের ওপর প্রভাব পড়েছে খাসোগীর হত্যা রহস্য ঘটনায়। ইতোমধ্যে অনেক নামীদামী বিদেশী মিডিয়া প্রতিষ্ঠান এবং বহুসংখ্যক বিদেশী অতিথি উক্ত সম্মেলনে যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
সার্বিক অর্থে-বলা যায় যে, খাসোগীর হত্যা রহস্য সৌদির আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতেই কেবল বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করেনি বরং একই সাথে দেশটির অভ্যন্তরীন মুদ্রা বাজার, ব্যবসা বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে,-যা দেশটির অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে।
খাসোগী নিখোঁজ বা হত্যা রহস্য নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে তার শেষ কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটি দেখতে আরো কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে সত্য; তবে ততদিনে সৌদি আরবের ইমেজ, তার জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং অর্থনীতি ও বিনিয়োগ-বাণিজ্য মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। সে সঙ্গে সৌদি সংস্কারের রূপকার মোহাম্মদ বিন সালমানের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে।
লেখক : আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • ডাক বিভাগ ফিরে পাচ্ছে প্রাণ
  • আমরা সবাই ভালো হলে দেশ ভালো হবে
  • ‘জাতীয় বীর’ কৃষকদের নিয়ে কিছু কথা
  • ভর্তিযুদ্ধে লাঘব হোক ভোগান্তি
  • মানব সম্পদ উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা
  • ভোটের মাঠে তারকার মেলা
  • আয় বৈষম্য ও সামাজিক অসমতা
  • সামাজিক আন্দোলন : নিরাপদ সড়ক চাই
  • আলী হোসেন খান
  • মৃত্যুই দিয়েছে তাঁরে চিরমুক্তি!
  • আমেরিকা : ট্রাম্প শাসনে মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব
  • ইলেকট্রনিক ও প্লাস্টিক বর্জ্যরে ক্ষতিকর প্রভাব
  • পরিবহন নৈরাজ্য
  • মাদকবিরোধী অভিযান : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ
  • ছড়াকার বদরুল আলম খান
  • একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিগত দশটি নির্বাচন
  • বইয়ের বিকল্প প্রযুক্তি নয়
  • আগুনের পরশমণি ছোয়াও প্রাণে
  • বাড়ছে প্রবীণের সংখ্যা
  • জনসচেতনতাই পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে পারে
  • Developed by: Sparkle IT