ধর্ম ও জীবন

ইসলামে বিনোদনের গুরুত্ব

মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান প্রকাশিত হয়েছে: ২৬-১০-২০১৮ ইং ০১:২২:৪২ | সংবাদটি ৬৭ বার পঠিত

ইসলাম মানবজাতির জন্যে আল্লাহ তা‘আলা প্রদত্ত সর্বজনীন ব্যবস্থার নাম। জীবনের প্রতিটি দিক ও বিভাগের রয়েছে ইসলাম প্রদত্ত সুন্দর, শাশ্বত কল্যাণময় পথ নির্দেশনা। যেগুলো একদিকে যেমন মানবকল্যাণধর্মী, অন্যদিকে তা মানুষের সৃষ্টিগত স্বভাব ও চাহিদার অনুকূলে। এগুলো মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের সাথে যেমন সম্পৃক্ত, তেমনিভাবে তা তার আধ্যাত্মিক জীবনকেও পরিশুদ্ধ করে তোলে। এ অমোঘ বিধান তার জীবনকে যাবতীয় অশুচি, অসুন্দর ও অশালীন কথা, কাজ ও পরিবেশ থেকে পরিচ্ছন্ন, শালীন ও নির্মল করে তোলে। তবে ইসলাম মানব জীবনের সুখ দুঃখ আনন্দ নিরানন্দ সর্বক্ষেত্রে একটি সীমারেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে। মানুষ দুঃখ যন্ত্রণা ও নানা প্রতিকূলতায় যেমন মানসিক চাপ অনুভব করে, তেমনি ভাবে নানা উৎসব অনুষ্ঠাণে একটু খুশি ও আমোদিত হয়ে মানসিক চাপমুক্ত হয়। দুঃখ দুর্দশায় ব্যথিত হওয়া কিংবা কারো মৃত্যুতে শোকাতুর হওয়া মানুষের স্বভাবজাত প্রবণতা। ইসলাম এটিকে অস্বীকার করে না; বরং নির্ধারিত সীমারেখা মেনে চললে ইসলামের দৃষ্টিতে এটি বৈধ। অন্যদিকে খুশি বা আনন্দ প্রকাশে ও ইসলাম সীমা ঠিক করে দিয়েছে, যা মেনে চলা একজন মুমিনের ঈমানের দাবি। এক কথায়, মানব জীবনের আদি অন্ত সবকিছুর ব্যাপারেই সুন্দর নির্দেশনা ইসলামে রয়েছে। এ হিসেবে মানুষের চিত্ত বিনোদনের বিষয়টি ও ইসলামে উপেক্ষিত নয়; বরং বিনোদন ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসলাম মানব জাতির জন্যে খুবই সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ রীতিনীতি শিক্ষা দিয়েছে, যা নিঃসন্দেহে সুস্থ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিনোদনের ব্যাপারে আমাদের সমাজে পরস্পর বিরোধী দুটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে। কেউ কেউ এর প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করেন এ যুক্তিতে যে, এতে অহেতুক মানুষের মূল্যবান সময়ের অপচয় হয় এবং তা মানুষের মাঝে নানারকম অন্যায় ও অশালীন প্রবণতা সৃষ্টি করে, ক্ষেত্রবিশেষ তা মানব চরিত্রকে কলুষিত করে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে যায়। এ কারণে বিনোদন মানুষের জন্যই কোনো মতেই উপকারী কিংবা প্রয়োজনীয়তা হতে পারে না। বিপরীত পক্ষে দ্বিতীয় ধারণা মতেই বিনোদনমূলক কর্মকান্ড মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় বিনোদনমূলক উপায় উপকরণ গ্রহণ ও চর্চা বড়ই উপকারী, অনেক সময় তা মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা ও জীবনের ভারসাম্য রক্ষায় আবশ্যিক হয়ে পড়ে। বর্তমানে বিনোদনের ব্যাপারে অনেক বাড়াবাড়ি ও সীমালঙ্গন পরিলক্ষিত হয়। বিনোদনের নামে অনেক ক্রিয়াকলাপ সংঘটিত হয়, যা একদিকে যেমন রীতি নৈতিকতা পরিপন্থী, তেমনিভাবে তা ইসলামের বিধি বিধানের সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিকও। এতে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে নানা অনাচার ও অশ্লীল কর্মকান্ডের ব্যাপক প্রচলন ঘটে। সমাজে বহুরকম অরাজকতা ও অশালীনতার সয়লাব বয়ে যায়। তার কুপ্রভাবে মনুষ্যত্ব, মানবিকতা ও লজ্জাবোধ সমাজ থেকে লোপ পায়। সাথে সাথে তা সমাজ ও ব্যক্তি জীবনে স্বস্তি, শান্তি ও নির্মলতার পরিবর্তে নানা অশান্তি, অস্তিরতা ও অবিশ্বাসের বীজ বপিত হয়। বিনোদনের নামে এ সব অনৈতিক কাজের চর্চার ফলে পারিবারিক জীবনে নেমে আসে আস্থাহীনতা ও অশান্তির কালোছায়া। ছিন্ন হয়ে যায় পারিবারিক বন্ধন। যুব সমাজ হয়ে উঠে মেধাহীন ও জ্ঞান চর্চার মহান ব্রত থেকে বিচ্যুত। এ কারণে একজন মুসলিম ব্যক্তির উচিত, কোন ধরনের বিনোদন ব্যবস্থা তার জীবনকে সুন্দর, শালীন ও শান্তিময় করবে, দূর করবে মনের অশান্তি, অস্থিরতা এবং জীবনকে করে তোলবে গতিময়তা যথার্থভাবে অবগত হওয়া, পক্ষান্তরে কোন ধরণের বিনোদন চর্চায় তার জীবনে নেমে আসবে অশান্তির অমানিশা তাও অবগত হওয়া উচিত।
ইসলাম সুষ্ঠু বিনোদন ব্যবস্থায় গুরুত্ব দিয়ে থাকে। মানুষের শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক ভারসাম্য রক্ষায় সুস্থ বিনোদনের বিকল্প নেই। সঠিক বিনোদন ব্যবস্থা মানুষকে যেমন কর্মক্ষম থাকতে সহায়তা করে, তেমনি তা সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশেও ভূমিকা রাখে। তদুপরি রুচিসম্মত বিনোদন মানুষকে নানাবিধ অপরাধকর্ম ও হতাশা থেকেও নিভৃত রাখে। এজন্যে ঈমানদারগণ এমন কিছু চিত্ত বিনোদনমূলক কর্মকান্ড করবেন, যাতে আত্মার প্রশান্তি আসে। এ প্রসঙ্গে রাসূল স. ইরশাদ করেন: তোমরা মাঝে মধ্যে আত্মাগুলোকে বিশ্রাম দাও, কারণ আত্মাসমূহ যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ে তখন তা হয়ে যায় অস্থির অবস্থিত।
উপর্যুক্ত হাদিস দ্বারা আমরা বুঝতে পারি, আত্মাকে বিশ্রাম দেয়া এব বিনোদনের ব্যবস্থা করা খুবই জরুরি। কারণ, কাজকর্মে জর্জরিত ব্যক্তির আত্মা কাজের চাপে অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে। যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সন্দেহপ্রবণ হয়ে উঠে। তাই মানুষের স্বভাবজাত মনের সতেজতা রক্ষা করতে ইসলাম চিত্ত বিনোদনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সাইয়িদুনা আলী রা. এর একটি উক্তি এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায়। তিনি বলেন, নিশ্চয় অন্তর সমূহের কামনা বাসনা, উৎসাহ উদ্দীপনা এবং হতাশা ও পিছটান রয়েছে। সুতরাং অন্তরের চাহিদা ও উৎসাহ ঠিক রেখে চলো। কারণ, মনকে যে কোনো বিষয়ে বাধ্য করলে তা অব্যবস্থিত হয়ে পড়ে। নিম্নে আমরা বিনোদনের গুরুত্ব বিষয়ক মুসলিত মনীষীগণের কয়েকটি উক্তি উল্লেখ করছি।
সাইয়িদুনা আলী. রা. বলেন: তোমরা আত্মাসমূহকে প্রফুল্লতা দাও এবং তার জন্যে প্রজ্ঞাপূর্ণ চমৎকার মজার বিষয় তালাশ করো, কারণ দেহের মতো আত্মাও বিরক্ত এবং ক্লান্ত হয়ে পড়ে। বিশিষ্ট সাহাবী উসামাম ইবনু যায়িদ রা. আল্লাহ তাআলার যিকর এর মাধ্যমে অস্তির আত্মায় প্রশান্তি আনতে বলেছেন। তিনি বলেন: আত্মগুলোকে আনন্দ দাও যিকর এর মাধ্যমে।
বিশিষ্ট তাবিয়ী আল হাসান আল বাসরী রাহ. বলেন, এই অন্তকরণসমূহ জীবন্ত থাকে, আবার নির্জীবও হয়ে যায়। আত্মা যতক্ষণ জীবন্ত থাকে, তখন তুমি একে ফরয ইবাদতের সাথে সাথে নফল বন্দেগীতেও নিয়োজিত রাখো। আত্মার নির্জীব হয়ে গেলে তুমি শুধু ফরয ইবাদতে একে নিয়োজিত করো। বিখ্যাত মুহাদ্দিস শিহাব আয যুহ্রী রহ. বলেন: কোনো এক ব্যক্তি রাসূলূল্লাহ স. এর সাহাবীদের সাথে উঠাবসা করতেন এবং তিনি তাঁদের সাথে কথাবার্তা তাদের পারস্পরিক কথাবার্তা যখন বেশি হয়ে যেতো এবং কথা যখন তাদের কাছে ভারী হয়ে উঠত তখন তিনি বলতেন, নিশ্চয় কানসমূহ কথা শুনতে অনীহা দেখাচ্ছে আর অন্তরগুলো বিতৃষ্ণা ভাব দেখাচ্ছে। অতএব, তোমরা তোমাদের নানা রকম কবিতা ও কথামালা উপস্থাপন করো।
উপর্যুক্ত মুসলিম পন্ডিতগণের উক্তির মাধ্যমে এ কথা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, চিত্ত বিনোদন ইসলামের দৃষ্টিতে উপেক্ষিত নয়; বরং ইসলাম একে উৎসাহিত করেছে। কারণ, এটি মানুষের স্বাভাবিক দাবী। কাজের পর একটু বিশ্রাম বা অবকাশ যাপন দেহ মনের স্বাভাবিক চাহিদা। মানুষের কাজের গতি ও কর্মোদ্দীপনা বাড়াতে এর কোন বিকল্প নেই। ইমাম কাযিম রা. মানুষের সময়কে চারভাগে ভাগ করেছেন। তিনি বলেন, তোমরা চেষ্টা করো, যেন তোমাদের সময়কাল চার অংশে বিভক্ত হয়। এক অংশেকে কেবলমাত্র মহান আল্লাহর সাথে নিভৃতে সম্পর্ক গড়ে তোলে তার ইবাদত বন্দেগীতে লিপ্ত থাকবে, আরেক অংশ তোমাদের জীবনোপকরণ অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট রাখবে, আরেক অংশ তোমাদের ভাই বন্ধু আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা সাক্ষাতের জন্য বরাদ্দ রাখবে, চতুর্থ সময়ের একটি অংশ এমনভাবে নির্ধারিত রাখবে, যাতে তোমাদের বৈধ পন্থায় আনন্দ খুশি ও মজা করে সময় কাটাতে পার। সময়ের এ অংশটির মাধ্যমেই তোমরা অপর তিনটি অংশের দায়িত্বগুলো পালন করতে শক্তি সঞ্চয় করবে। মানুষের জীবনটাই আল্লাহ প্রদত্ত এক বড় নিয়ামত। দেহ ও মনের সুস্থতা হলো এক জীবনকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়ার অন্যতম শর্ত। শরীয়তসম্মত পন্থায় চিত্ত বিনোদন মানুষকে ইবাদত বন্দেগী কাজকর্ম ও সামগ্রিক উৎপাদনে সক্ষম করে তোলে। সাথে সাথে এটি যুবসমাজকে স্থায়ী কর্মমুখর রাখে। তবে এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, চিত্ত বিনোদনের সব উপায় উপকরণ যেন কুরআন সুন্নাহ এবং সাহাবা কিরাম রা. এর সুমহান আদর্শের সাথে সামঞ্জস্যশীল হয়। অতএব নিম্নোক্ত কয়েকটি দিক বিবেচনায় রাখলে বিনোদনের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে। মানুষের স্বভাবজাত দাবি হিসেবে দেহ ও মনের ভারসাম্য রক্ষা করা খুবই জরুরী, যা সুস্থ বিনোদন ছাড়া সম্ভব নয়।
বর্তমান প্রযুক্তির যুগে নানা ধরণের অসুস্থ ধারায় বিনোদন এবং এসব বিনোদনের বহুবিধ উপায় উপকরণ সহজলভ্য হওয়ায় যুব সমাজ তাতে ব্যাপকভাবে জড়িয়ে পড়ছে। ফলে তা ব্যক্তি চরিত্র ও সুন্দর সমাজ ব্যবস্থার রুচিশীল ধারায় আঘাত হানছে। এমতাবস্থায় সুস্থ রুচির বিনোদন ব্যবস্থার প্রচলন সমাজের জন্যে অত্যন্ত জরুরী, যা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিকে এবং সমাজকে অবক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। নারী পুরুষের জন্য শার’য়ী সীমারেখা মেনে পৃথকভাবে তাদের স্ব-স্ব স্বভাব ও প্রকৃতি উপযোগী বিনোদন ব্যবস্থা সমাজে গড়ে তুললে তা নিজ নিজ প্রতিভা বিকাশে সহায়ক হবে।
শরী’আতের সুনির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে থেকে যে সুস্থ ও রচিশীল বিনোদন চর্চা করা হয়, তাকে ইসলামে বৈধ ঘোষণা করেছে। সুস্থ রুচি পরিপন্থি যে কোন গতানুগতিক ব্যবস্থাকে ইসলাম অনুমোদন দেয় না। এ ভিত্তিতে বিনোদনের এমন সব ব্যবস্থাকে ইসলাম বৈধতা দেয়, যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক উন্নতি সাধনে সহায়ক ভূমিকা রাখে। বিনোদনের ধরণ প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে এর বিধানের ভিন্ন রয়েছে।
আবু হুযাইফা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালমান আল ফারিসী রা. ও আবুদ দারদা রা. এর মাঝে রাসূল স. ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সৃষ্টি করে দিলেন। একদিন সালমান রা. আবুদ দারদা রা. এর সাথে সাক্ষাত করতে গিয়ে লক্ষ্য করলেন যে, তার স্ত্রী উম্মুদ দারদা রা. জীর্ণ শীর্ণ কাপড় পরে বিমর্ষ অবস্থায় আছেন। তখন তিনি তাকে বললেন তোমার এ কী দশা? তিনি বললেন, তোমার ভাই আবুদ দারদা দুনিয়া বিমুখ হয়ে গেছে। তারপর আবুদ দারদা রা. বাড়িতে আসলেন, তিনি তার মেহমানের জন্যে খাবার তৈরি করলেন, তারপর তাকে বললেন, খাও তিনি নিজে বললেন, আমি রোযাদার। সালমান আল ফারিসী রা. বললেন তুমি না খেলে আমি খাচ্ছি না। বর্ণনাকারী বললেন, তারপর তিনি খেলেন। যখন রাত হলো তখন আবুদ দারদা রা. রাতের নামাজের জন্যে দাঁড়াতে গেলেন, কিন্তু সালমান রা. বললেন তুমি শুয়ে পড়ে। তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন। তারপর আবার উঠতে চাইলেন, কিন্তু সালমান রা. বললেন ঘুমাও। অতঃপর যখন রাতের শেষাংশ হলো, তখন সালমান রা. বললেন এবার ওঠ. তারপর তারা দু’জন নামাজ আদায় করলেন। তারপর সালমান রা. আবুদ দারদা রা. কে লক্ষ্য করে বললেন, তোমার ওপর তোমার প্রভুর হক আছে, তোমার ওপর তোমার নিজের নাফস এর হক রয়েছে। তোমার ওপর তোমার পরিবারের হক রয়েছে। প্রত্যেক হকদারকে তার হক প্রদান করো। তারপর আবুদ দারদা রা. রাসূলূল্লাহ স. এর কাছে এসে তা জানলে রাসূলুল্লাহ স. বললেন, সালমান সত্যই বলেছে।

শেয়ার করুন
ধর্ম ও জীবন এর আরো সংবাদ
  • প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান (রাহ.) ও সাদাকায়ে জারিয়া
  • রাসূলের সাথে জান্নাত
  • মাতা-পিতার অবাধ্যতার শাস্তি
  •  তাফসিরুল কুরআন
  • বিশ্বনবীর কাব্যপ্রীতি
  • শতবর্ষের স্থাপত্য সিকন্দরপুর জামে মসজিদ
  • তাফসিরুল কুরআন
  •  আত্মার খাদ্য
  • মানব জীবনে আত্মশুদ্ধির প্রয়োজনীয়তা
  • সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ : ইসলাম কী বলে
  • মৃত্যুর আগে আখেরাতের পাথেয় সংগ্রহ করি
  •   তাফসীর
  • ইসলামে বিনোদনের গুরুত্ব
  • কুরআনে হাফিজের মর্যাদা
  • মদীনা রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকা-ের কেন্দ্র ছিল মসজিদ
  • তাফসিরুল কুরআন
  • এতিম শিশু
  • বার্মিংহামে আল কুরআনের হাতে লেখা প্রাচীন কপি
  • রাসুলের সমগ্র জীবন আমাদের জন্য অনুকরণীয়
  • মৌল কর্তব্য আল-কুরআনের বিধান
  • Developed by: Sparkle IT