ইতিহাস ও ঐতিহ্য

এক ডিমের মসজিদ

আব্দুল হাই আল-হাদী প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-১১-২০১৮ ইং ০০:৩৪:৪৪ | সংবাদটি ১২২ বার পঠিত

সামনে ইমাম, পেছনে নামাজীদের সারি। মাত্র একটি। সে সারিতে সাতজন মুসল্লি দাঁড়াতে পারেন। ইমামসহ মসজিদের ধারণক্ষমতা মোট আটজন। মসজিদটি ছোট্ট হলেও তার পরতে পরতে লেগে আছে আভিজাত্যের ছাপ। দৃষ্টিনন্দন সে মসজিদের স্থাপত্যশৈলী অপূর্ব। স্থানীয়দের কাছে মসজিদটি ‘গায়েবী মসজিদ’ নামে পরিচিত। অবশ্য অনেকেই মসজিদটিকে ‘এক ডিমের মসজিদ’ নামে ডাকেন। মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত আজান হয়, জামাতও হয় নিয়মিত। বর্তমানেও গ্রামবাসী নামাজের জন্য এ মসজিদটিই ব্যবহার করছেন। দুনিয়াতে ছোট এরকম মসজিদের আরও নিদর্শন আছে; কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেগুলো ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। তাই নামাজ পড়ার উপযোগী বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মসজিদ যে ‘এক ডিমের মসজিদ’, তা নিশ্চিত করেই বলা যায়।
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় সে মসজিদটির অবস্থান। সিলেট থেকে গোয়াইনঘাট হয়ে পর্যটনস্পট পান্তুমাই যাওয়ার পথে আরকান্দি বাজার। সে বাজার থেকে প্রায় দু‘কিলোমিটার মেঠোপথ ধরে পশ্চিম দিকে গেলেই কালাইউরা গ্রাম। সে গ্রামের মধ্যেই প্রাচীন আমলের অপূর্ব স্থাপত্যশৈলীর ক্ষুদ্রাকার মসজিদটির অবস্থান। মাত্র আটজন মানুষের ধারণক্ষমতার ব্যতিক্রমী এ মসজিদটি দেখার জন্য প্রতিদিন অনেক মানুষ আসেন।
মসজিদটির বহিরাবরণ পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, উত্তর-দক্ষিণে দেয়ালের দৈর্ঘ্য ৩.৮৪ মিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে চওড়া ২.৯৫ মিটার। মসজিদটির চারকোণে চারটি মিনারের মতো স্তম্ভ আছে। এগুলোকে কর্ণার টাওয়ার বা বুরুজ বলা হয়। এগুলো ছাদ ভেদ করে সোজা উপরের দিকে উঠে গেছে। এগুলোর চূড়ায় রয়েছে চমৎকার কলস ও ফুলকুড়ি নকশা। এগুলোর গায়ে কার্ণিসের প্রায় ২ ফুট নীচে বলয়াকৃতির একটি রিং ছাড়া বিশেষ কোন কাজ নেই । মিনারের অগ্রভাগে ৩টি সদৃশ কার্নিস আছে এবং উপরের কলার থোড় আকৃতির কারুকাজ দেখা যায়। পশ্চিমের দেয়ালে বাইরে মধ্যখানে মেহরাবের অংশটি চৌকোণাকৃতি এবং সাদাসিদে সোজা ভূমি থেকে উপরের ছাদের সাথে মিশে গেছে। বাইরে মসজিদের মূল ঘর থেকে উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকে একটি দেয়াল আছে। মূল ঘর থেকে দেয়ালটি দক্ষিণ দিকে ২.৮৮ মিটার, পশ্চিম দিকে ১.৩৪ মিটার এবং উত্তর দিকে ১.৩৪ মিটার দূরে অবস্থিত। পশ্চিম দিকে দেয়ালের দৈর্ঘ্য ৮.৮৪ মিটার। দেয়ালের উচ্চতা ০.৭১ মিটার এবং পুরো দেয়ালের মধ্যে ৯ টি মিনারাকৃতি দৃষ্টিনন্দন খুটি আছে। প্রত্যেকটি খুটির উচ্চতা ১.০৫ মিটার। প্রত্যেকটি খুটির উপরে দৃষ্টিনন্দন মোটিফ আছে। মসজিদের পূর্বদিকে খোলা বারান্দার মতো একটি স্থাপনা ছিল যেটি কিছুটা সংস্কার করা হয়েছে নামাজীদের স্থান সংকোলানের জন্য। বাইরের দেয়ালের পশ্চিমে লাগোয়া ২ টি কবরস্থানের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। গ্রামবাসীর মতে, কয়েক বছর আগেও এগুলো সুন্দর কারুকার্যখচিত দেয়ালঘেরা ছিল। দেয়ালের উপরে আস্তর করা বলে ভেতরের ইট দেখা যায়না। মসজিদ ঘরের চারদিকে বর্ধিত কার্ণিস আছে। এটি সাদাসিদে এবং এতে কোন কারুকার্য নেই। দেয়ালের উপরে কার্ণিসের নীচে দেয়ালের পুরুত্বের চেয়ে খানিকটা বড় কোণাকৃতি ভিম চারপাশে দেখা যায়। এতে কোন বিশেষ কারুকার্য নেই।
মসজিদটির পরতে পরতে আভিজাত্যের ছাপ দৃশ্যমান। ঘরটির অভ্যন্তরের উত্তর-দক্ষিণ দেয়ালের দৈর্ঘ্য ৩.০৯ মিটার (১০ ফুট ২ ইঞ্চি) এবং প্রস্থ ২.০৮ মিটার (৬ ফুট ১০ ইঞ্চি)। ঘরের দেয়ালের পুরত্ব ০.৪৬ মিটার (১ ফুট ৬ ইঞ্চি)। উত্তর ও দক্ষিণ পশ্চিম দেয়ালে ত্রিকোণাকৃতি দু‘টি গবাক্ষ আছে। আলো ও বাতাস চলাচলের জন্য এগুলো তৈরি করা হয়েছে। গবাক্ষের মধ্যভাগের উচ্চতা ০.৬০ মিটার(১ ফুট ৫ ইঞ্চি), মধ্যভাগের প্রশস্থতা ০.৩৭ মিটার (১ ফুট ২.৫০ ইঞ্চি) এবং প্রত্যেকটিতে আড়াআড়ি ১০টি ছিন্দ্র আছে। মসজিদের মেহরাব অর্ধবৃত্তকার এবং ঘরের সমতলে তৈরি। আলাদা কোন বিশেষ কারুকার্য এতে নেই। মেহরাবের উচ্চতা ১.৫৭ মিটার (৫ ফুট ২ ইঞ্চি), ব্যাসার্ধ ০.৬০ মিটার (২ ফুট) এবং প্রস্থ ০.৪৫ মিটার (১.৫০ ফুট)। উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালের উপরিভাগে দুটি সেগমেন্টাল খিলান আছে এবং এগুলোর প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য ১.৮০ মিটার (৬ ফুট) ও পুরত্ব ০.৪০ মিটার (১৬ ইঞ্চি) এবং এগুলো মূলত: গম্বুজের ওজন বহনে তৈরি করা হয়েছে। নিচের দিকে গম্বুজের ব্যাস ৭ ফুট ৪ ইঞ্চি। গম্বুজটি অর্ধ গোলাকার। সমতল থেকে গম্বুজের শীর্ষবিন্দুর উচ্চতা ৩.২৭ মিটার (১০ ফুট ৯ ইঞ্চি)। গম্বুজটির বিস্তৃতি পুরো ছাদ জুড়ে। গম্বুজের চূড়ায় দৃষ্টিনন্দন পদ্ম ও কলস মোটিফ দেখা যায়। ঘরে মাত্র একটি প্রবেশপথ রয়েছে এবং সেটি অনেকটা অনুচ্চ। মাথা নীচু করে ঘরে প্রবেশ করতে হয়। দরজার উচ্চতা ১.৫০ মিটার (৫ ফুট )এবং ০.৬০ মিটার (২ ফুট)। মসজিদের মেঝে গ্রামবাসী বর্তমানে টাইলস বসিয়েছেন। সৌরবিদ্যুৎতের সাহায্যে ঘরে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজান দেওয়ার জন্য মাইকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রবেশপথে স্টিলের দরজা লাগানো।
বাংলার মুসলিম স্থাপত্যকে দু‘টি ভাগে ভাগ করা হয়। সুলতানি স্থাপত্য ও মুঘল স্থাপত্য। লাখনাবতী রাজ্যের প্রতিষ্ঠা ১২০৪ হতে ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত নির্মিত মসজিদ ও অন্যান্য ইমারতকে সুলতানি স্থাপত্য বলা যেতে পারে। ১৫৭৬ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত স্থাপত্যকে মুঘল স্থাপত্য বলা হয়। উপাদান ও উপকরণ একই হওয়া সত্বেও নির্মাণগত কিছু পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। মুঘল স্থাপত্যেও কোণায় ছত্রী ব্যবহার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ছত্রীর পরিবর্তে টাওয়ার ব্যবহৃত হলেও সেগুলোর উচ্চতা ছাদের কিনারা হতে উপরেও উঠে এবং সেগুলোর শিরোভাগে ফুলকুঁড়ির ন্যায় আবৃত মনে হয়। মুঘল আমলে ছাদ কিনারা অনুভুমিক (সমতল) আকার ধারণ করে। গম্বুজে দন্ডশলাকা গম্বুজ চূড়ার রূপ ধারণ করেছে। টেরাকোটা বা পোড়ামাটির ফলকের অলঙ্করণ সাধারণভাবে পরিহার করা হয়েছে। ইমারত গাত্রে পলেস্তারা ব্যবহার করা হয়েছে এবং কার্ণিসের নিচে কিংবা ইমারতের অভ্যন্তরে গম্বুজের নিচে অন্ধ ‘মারলন’ অলঙ্করণ মোটিফ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এসব বৈশিষ্ট্য বিচারে মসজিদটি যে মুঘল আমলের, তা নিশ্চিত করে বলা যায়।
এক ডিমের মসজিদ কিংবা গায়েবী মসজিদের ইতিহাস কী? কে বা কারা এটি নির্মাণ করেছিলেন? প্রাচীন এ পুরাকীর্তি সম্পর্কে আলোচনার ক্ষেত্রে এসব প্রশ্ন আসাই স্বাভাবিক এবং সেজন্য এসব প্রশ্নের উত্তরের জন্য মসজিদটির অবস্থানস্থলের ইতিহাস আলোচনা জরুরি। এতে মসজিদটির প্রাচীনত্ব সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নির্মাতাদের সম্পর্কেও জানা যাবে। স্থাপত্যশৈলীর বর্ণনা থেকে আমরা নিশ্চিত যে, মসজিদটি মুঘল আমলের। এলাকার লোকদের কেউই মসজিদের ইতিহাস সম্পর্কে কিছুই বলতে পারেননি। স্থাপত্য কিংবা ইতিহাসের কোন বইতে এর কোন উল্ল্যেখ নেই। আগেই বলা হয়েছে, মসজিদটির অবস্থান গোয়াইনঘাট উপজেলার পিয়াইন নদীর অনতিদূরে কালাইউরা গ্রামে। ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এ অঞ্চলটি জৈন্তিয়া রাজ্যের অন্তভূর্ক্ত ছিল। অন্য কথায়, স্বাধীন জৈন্তিয়া রাজ্যের সর্বশেষ সীমার মধ্যে অঞ্চলটির অবস্থান। কিন্তু সিলেটের ইতিহাস রচয়িতাদের মধ্যে প্রায় সবার মত হচ্ছে, জৈন্তিয়া রাজ্য কখনো মুসলমানদের দ্বারা বিজিত হয়নি । তবে রাজা দ্বিতীয় বড় গোসইয়ের রাজত্বকালে (১৭৩১ থেকে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ) তাঁর ভাগ্নে এবং প্রধান সেনাপতি ফতেহ খাঁর পরিকল্পনা, নির্দেশনা ও প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে জৈন্তিয়া রাজ্যে ইসলামের প্রচার ঘটে। ঢাকা ও মুর্শিদাবাদের লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তিনি নতুন রাজবাড়ী নির্মাণ করেন। এ নির্মাণ কাজে প্রথম ইটের ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর হাত ধরেই জৈন্তা রাজ্যে প্রথম মোঘল স্থাপত্যের প্রচলন ঘটে। পরে তিনি প্রাসাদ ষড়যন্ত্রে মারা যান। কিন্তু তার এত স্বল্প সময়ে নিজপাটের দূরবর্তী একটি স্থানে এরকম একটি মসজিদ নির্মাণ সম্ভব নয় বলে আমাদের অনুমান।
অপরদিকে গোয়াইনঘাট ও মালনিয়াং রাজ্যের ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৬২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মসজিদ সংলগ্ন পুরো এলাকাটি বিহার সুবাহ‘র অন্তর্ভূক্ত ছিল। এ সময় বিহারের সুবেদার ছিলেন ইব্রাহিম খাঁ যার মাজারটি মসজিদ হতে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । মসজিদটি ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দ হতে ১৬২৫ খ্রিস্টাব্দের কোন এক সময়ে নির্মিত হয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস। আরও সুনির্দিষ্টভাবে ইব্রাহিম খাঁ সুবেদার থাকা অবস্থায় সম্ভবত মসজিদটি নির্মাণ করা হয়ে থাকতে পারে কারণ এরকম ব্যয়বহুল একটি মসজিদ সাধারণ মানুষের দ্বারা নির্মাণ করা সম্ভব নয়। ইব্রাহিম খাঁ হত্যাকান্ডের শিকার হন ১৬২৫ খ্রিস্টাব্দে এবং এর বছর পাঁচেক আগে ১৬২০ খ্রিস্টাব্দে মসজিদটি নির্মিত হয়েছে বলে আমাদের অনুমান। সার্বিক বিচারে মসজিদটি প্রায় ৪০০ বছর পুরনো বলে ধরে নেওয়া যায়।
পৃথিবীর অন্যতম ক্ষুদ্রতম মসজিদের সাথে এ মসজিদের তুলনামূলক আলোচনা প্রাসঙ্গিক মনে করছি। প্রথমেই বাংলাদেশের বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলার সান্তাহার পৌরসভার তারাপুর মসজিদ সম্পর্কে আলোকপাত করবো। অনেকের দাবি, এটি পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মসজিদ। এ মসজিদের উচ্চতা ১৫ ফুট, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে মসজিদটি ৪.৫৭ মিটার (১৫ ফুট) এবং দেয়ালের পুরুত্ব দেড় ফুট। মসজিদের প্রবেশ দরজার উচ্চতা ৪ ফুট এবং চওড়া মাত্র দেড় ফুট। অনুমান করা হয় যে, এখানে একসাথে মাত্র ৩ জন মুসল্লি নামাজ পড়তে পারতেন। বর্তমানে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে এবং নামাজ পড়ার উপযোগী অবস্থায় নেই। ভারতের হায়দারাবাদের কিসান বাগের ‘জীন মসজিদকে’ অনেকে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মসজিদ বলে দাবি করেন। সে মসজিদটি প্রায় ৪০০ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। মসজিদটি হজরত সৈয়দ শাহ ইমাদ উদ্দিন মোহাম্মদ আল-হোসাইনি যিনি মীর মাহমুদ কি পাহাদি‘র দরগাহে পাহাড়ের উপর অবস্থিত। মসজিদটি বর্গাকৃতি এবং ভেতরে আয়তন ১০ বর্গমিটার । এটি ভারতের ভূপালের ক্ষুদ্রতম মসজিদের চেয়ে ছোট যেটিকে বর্তমানে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মসজিদ বলে অভিহিত করা হয়। বর্তমানে এটিকে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মসজিদের স্বীকৃতির জন্য প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে। বগুড়ার তারাপুর মসজিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ১৫ ফুট, ভারতের হায়দারাবাদের ‘জীন মসজিদ‘র ১০০ বর্গমিটার। গোয়াইনঘাটের ‘এক ডিমের মসজিদের’ দৈর্ঘ্য ৩.০৯ মিটার (১০ ফুট ২ ইঞ্চি) এবং প্রস্থ ২.০৮ মিটার (৬ ফুট ১০ ইঞ্চি)। অর্থাৎ পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মসজিদ বলে কথিত মসজিদগুলোর চেয়েও আমাদের আলোচ্য এক ডিমের মসজিদের অনেক ছোট। তাছাড়া সেসব মসজিদগুলো ধ্বংস হয়ে পরিত্যক্ত হয়ে আছে। সুতরাং পৃথিবীর মধ্যে প্রায় ৪০০ বছর পুরনো যেটিতে বর্তমানেও নামাজ পড়া হয়, সে মসজিদটি হচ্ছে ‘এক ডিমের মসজিদ’।

 

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • সাত মার্চের কবিতা ও সিলেট বেতার কেন্দ্র
  • পার্বত্য তথ্য সংকটের মূল্যায়ন
  • সিলেটের প্রাচীন ‘গড়’ কিভাবে ‘গৌড়’ হলো
  • ৮৭ বছরের গৌরব নিয়ে দাঁড়িয়ে সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয় জিন্দাবাজার
  • খেলাফত বিল্ডিং : ইতিহাসের জ্যোতির্ময় অধ্যায়
  • এক ডিমের মসজিদ
  • মুক্তিযুদ্ধে জামালপুরের কিছু ঘটনা
  • খাদিমনগরে বুনো পরিবেশে একটি দিন
  • ফিরে দেখা ৭ নভেম্বর
  • শ্রীরামসি গণহত্যা
  • প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহ্যের ধারক মৃৎশিল্প
  • বিপ্লবী লীলা নাগ ও সিলেটের কয়েকজন সম্পাদিকা
  • গ্রামের নাম আনোয়ারপুর
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • বিবি রহিমার মাজার
  • তিন সন্তানের বিনিময়ে বঙ্গবন্ধুর স্বীকৃতি
  • হারিয়ে যাচ্ছে পুকুর ও দীঘি
  • শিক্ষা বিস্তারে গহরপুরের ছমিরুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • বিলুপ্তির পথে সার্কাস
  • Developed by: Sparkle IT