প্রথম পাতা

নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ

ডাক ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে: ১৫-১১-২০১৮ ইং ০২:৩৯:০৬ | সংবাদটি ৯৩ বার পঠিত

 রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে।
গতকাল বুধবার বেলা ১টা থেকে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে এই সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আহত হন পুলিশ সদস্যসহ অর্ধশতাধিক।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদুনে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট ছোঁড়ে। অন্যদিকে, বিএনপির কর্মীরা বেশ কিছু যানবাহন ভাংচুর করে এবং পুলিশের দু’টি গাড়িতে আগুন দেয়।
এই সংঘর্ষের জন্য দুই পক্ষই পরস্পরকে দোষারোপ করেছে। বিএনপি বলেছে, ‘সরকারের নির্দেশে’ পুলিশ বিনা উসকানিতে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর ‘হামলা’ চালিয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশ বলেছে, নির্বাচন সামনে রেখে ‘ইস্যু তৈরির লক্ষ্যে’ বিনা উসকানিতে বিএনপির কর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রিকে কেন্দ্র করে গত দুই দিনের মত গতকাল বুধবারও নয়া পল্টনের সড়কে ছিল মনোনয়নপ্রত্যাশী কর্মী সমর্থকদের ভিড়। পুলিশ সদস্যরা তাদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছিলেন।
এর মধ্যে বেলা পৌনে ১টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের সমর্থকরা বড় একটি মিছিল নিয়ে ফকিরাপুলের দিক থেকে বিএনপি কার্যালয়ের দিকে আসেন। তার পেছনেই ছিল দক্ষিণ বিএনপির সহসভাপতি নবীউল্লাহ নবীর সমর্থকদের আরেকটি মিছিল।
বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর মিছিলের কারণে বিএনপি কার্যালয়ের সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ তাদের রাস্তা বন্ধ করে মিছিল নিয়ে যেতে নিষেধ করলে উত্তেজনার মধ্যে শুরু হয় বাকবিত-া। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
বিএনপির কর্মীরা পুলিশের দিকে ঢিল ছুঁড়তে শুরু করলে পুলিশ টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে চলে লাঠিপেটা।
এক পর্যায়ে পুলিশ কিছুটা সরে গিয়ে নাইটিঙ্গেল মোড়ে অবস্থান নেয়। বিএনপির কর্মীরা তখন নয়া পল্টনের সড়কে থাকা বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় পুলিশের দু’টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।
সংঘর্ষের মধ্যে বিএনপির অফিসের সামনে থাকা অনেকে আশ্রয়ের আশায় কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকে যান। এসময় বিএনপি অফিসের সবগুলো ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়।
পল্টন থানার ওসি মাহমুদ হোসেন বলেন, “পার্টি অফিসের সামনে আসা নেতাকর্মীরা সড়কে বিশৃঙ্খলভাবে অবস্থান করছিল। পুলিশ তাদের সুশৃঙ্খলভাবে থাকতে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু তারা বিনা উসকানিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।”
বেলা দেড়টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে গাড়িতে দেয়া আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। বিএনপিকর্মীরা রাস্তা আটকে রাখায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বেগ পেতে হয় বলে অগ্নি নির্বাপক বাহিনীর কর্মীরা জানান।
ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মো. আনোয়ার হোসেনসহ ১৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে এ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিএনপি নেতারা তাদের ২১ জন আহত কর্মীর নাম গণমাধ্যমকে বলেছেন।
সংঘর্ষের সময় কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুলের দিকে রাস্তার উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে বিকাল সোয়া ৩টার পর থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু জানান, সংঘর্ষের কারণে দুপুরে ঘণ্টাখানেক মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমার কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বেলা ২টার পর আবার তা শুরু হয়।

 

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • বিভিন্ন স্থানে ড. মোমেনের নির্বাচনি সভা ও গণসংযোগ
  •   মহান বিজয় দিবসে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচি
  • ভোটকক্ষে ছবি তোলা যাবে সরাসরি সম্প্রচার নয়: সিইসি
  •   শেষ দিন পর্যন্ত মাঠে থাকার চেষ্টা করবো
  •     ওসমানী বিমানবন্দরে পৌনে ৩ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণের বার জব্দ
  • ড. কামাল এখন বেপরোয়া চালকের মতো : কাদের
  •   ড. কামাল হোসেনের দুঃখ প্রকাশ
  • মহান বিজয় দিবস আজ
  • প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরসূচি পরিবর্তন ॥ আসছেন ২২ ডিসেম্বর
  • বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি
  • ছুটির দিনেও প্রচারণায় সরব প্রার্থীরা
  • প্রধানমন্ত্রী সিলেট সফরে আসছেন ২১ ডিসেম্বর
  • জাতীয় পার্টির ১৮ দফার ইশতেহার
  • পুলিশকে বেআইনি নির্দেশ না মানতে পরামর্শ ড. কামালের
  • জামায়াত নিয়ে প্রশ্নে কামাল বললেন ‘খামোশ’
  • চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন আর নেই
  • ড. কামালের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ
  • সিরিজ জয়ে অভিষিক্ত সিলেট ভেন্যু
  • সিলেট-২ আসন প্রার্থীতা ফিরে পেলেন মুহিব-সরদার
  • বিজয়ের মাস
  • Developed by: Sparkle IT