স্বাস্থ্য কুশল

শীতে থাকুন সুস্থ ও উষ্ণ

ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস প্রকাশিত হয়েছে: ১৯-১১-২০১৮ ইং ০১:২০:৪৬ | সংবাদটি ৩৯ বার পঠিত

শীতের শুরুতেই যদি সতর্ক হোন তবে নিজেকে বিপদমুক্ত রাখতে পারবেন। রোগীরাও নির্দিষ্ট কিছু রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমর্থ হবেন। ফলে মনের উষ্ণতা বজায় রাখাও সম্ভব।
অ্যালার্জিজনিত বিড়ম্বনা ও কষ্ট নিয়ে আসা রোগগুলো হল-
অ্যালার্জিজনিত সর্দি বা অ্যালার্জি রাইনাইটিস এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়।
অ্যাজমা বা হাঁপানি : এর উপসর্গ হচ্ছে-
বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই আওয়াজ। শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট। দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা। ঘন ঘন কাশি। বুকে আঁটসাঁট বা দম বন্ধ ভাব। রাতে ঘুম থেকে উঠে বসে থাকা।
সমন্বিতভাবে এই রোগগুলোর চিকিৎসা হল-
অ্যালার্জেন পরিহার : যখন অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তা পরিহার করে চললেই সহজ উপায়ে অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
ওষুধ প্রয়োগ : অ্যালার্জিভেদে ওষুধ প্রয়োগ করে অ্যালার্জির উপশম অনেকটা পাওয়া যায়।
অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি : অ্যালার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতি ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েডের ব্যবহার অনেক কমে যায়। ফলে কর্টিকোস্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে অ্যালার্জিজনিত রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অভিহিত করে। এটাই অ্যালার্জি রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি।

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT