উপ সম্পাদকীয়

কীর্তিগাথা ক্রিকেটে অদম্য টাইগাররা

বিশ্বজিত রায় প্রকাশিত হয়েছে: ০৭-১২-২০১৮ ইং ০১:০৬:০০ | সংবাদটি ১৫ বার পঠিত

ক্রিকেট কৃতিত্বে ভাসছে বাংলাদেশ। একের পর এক কৃতিপালকে সমৃদ্ধ হচ্ছে টাইগার ক্রিকেটের অর্জন ঝুলি। বিশ্ব ক্রিকেটে ইতিহাস সৃষ্টিকারী রথী মহারথীদের পেছনে ফেলে সম্মুখ কাতারে চলে আসছেন আমাদের টাইগাররা।
সম্প্রতি শেষ হওয়া জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে চলমান সিরিজে রেকর্ডসম মাইলফলকে যুক্ত হতে পেরেছে এ দেশের ক্রিকেট। আজ ক্রিকেট বিশ্বের রেকর্ডীয় জায়ান্ট স্ক্রিনে ঝলমল করছে মুশফিক, মমিনুল, মিরাজ, সাকিব, তাইজুল, নাঈমদের নাম। ক্রিকেট অবিশ্বাস্য কৃতিমাল্যে টাইগাররা যেন একেকটি বিজয় ফুল হিসেবে আবির্ভুত হচ্ছে। একবৃন্তে রেকর্ডগাথা টাইগারদের সুঘ্রাণে চারপাশ যেমন সুরভিত হচ্ছে তেমনি সর্বত্র ছড়াচ্ছে সুখ্যাতির দ্যুতি।
বাঙালির ক্রিকেটীয় বীরত্ব বৈশ্বিক ক্রিকেট সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তথা ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের নিত্যনতুন হিসাব মিলাতে বাধ্য করছে। টাইগার ক্রিকেটে টালমাটাল আইসিসি ও ক্রিকেটজ্ঞরা টাইগারদের ক্রিকেট দৃষ্টান্ত অংক কষতে ভুল না করলেও তাদেরকে ফেলে দিচ্ছে সাময়িক ভাবনায়। ক্রিকেটে বাংলাদেশের আচমকা উত্থান শুধু বিশ্ব ক্রিকেটকেই বিস্মিত করছে না, এক সময়ের ক্রিকেট অন্যমনস্ক বাংলাদেশের দৃষ্টি ফিরিয়ে এনেছে ক্রিকেট ময়দানে।
অতীতের বিজয় বিবর্ণ সফলতাশূন্য ক্রিকেট বাঙালির মনোযোগ আকর্ষণ তো দূরের কথা ক্রিকেট শব্দটাই যেন তাদের কাছে ছিল অন্যতম অতৃপ্তির বিষয়। ক্রিকেট অবোঝ অনেকে ব্যাট-বলের এই প্রতিযোগিতাকে বৈঠা-বলের আজাইরা খেলা বলে বিদ্রুপ করত। তখনকার ক্রিকেট অপ্রিয় মানুষেরা কপাল কোঁচকে বাকানো ঠোঁটের টিপ্পনি কেটে শান্তনা খোঁজার চেষ্টা করত। মাঝে মাঝে বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুক্রবারের সাপ্তাহিক সিনেমা বাদ দিয়ে বাংলাদেশের খেলা সম্প্রচার করলে কেউ কেউ তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে বিনোদনের অন্যতম সঙ্গী বিটিভির চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করে ফেলত। হারের বৃত্তে অনবরত বন্দী ক্রিকেটকে অধিকাংশ মানুষেই সহ্য করতে পারত না। ক্রিকেটপ্রিয় কেউ যদি ভুল করে ক্রিকেট কথাটা মুখে আনত তাহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যেত।
১৯৯৭ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রপি জিতে ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করলে ক্রিকেটবৈরি বাংলাদেশে কিছুটা পরিবর্তন আসতে শুরু করে। সেই পরিবর্তনের হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে ’৯৯-এর বিশ্বকাপে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিধর পাকিস্তানকে হারিয়ে বাঙালিকে আনন্দরঙে ভেসে যাওয়ার সুযোগ এনে দেয় টাইগাররা। ক্রিকেটের এই বিজয় বন্দনায় সামিল হয় পুরো বাংলাদেশ। তখন থেকেই টাইগার ক্রিকেট সামর্থ প্রদর্শনের পথে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে শুরু করে।
রেকর্ডের অন্যতম দূত সাকিবকে দিয়েই শুরু করা যাক টাইগার ক্রিকেটের কীতি খাতা। সিরিজের প্রথম টেস্টেই দেশে প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পথে দুই’শ উইকেট আর তিন হাজার রানের ‘জোড়া কীর্তি’ গড়ার অভিজাত ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন সাকিব আল হাসান। এতে পেছনে ফেলা হয়েছে বেশ কয়েকজন কিংবদন্তী ক্রিকেটারদের। গ্যারি সোবার্স, ইমরান খান, ইয়ান বোথাম, রিচার্ড হ্যাডলি, জ্যাক ক্যালিস, কপিল দেবদের মতো কিংবদন্তিরা যে ক্লাবের সদস্য, সেখানে সাকিব যোগ দিয়েছেন ১৪তম ক্রিকেটার হিসেবে। তবে এ কীর্তি গড়তে সাকিব নিয়েছেন সবচেয়ে কম সময়, মাত্র ৫৪ টেস্ট। এর আগে সবচেয়ে কম অর্থাৎ ৫৫ টেস্টে ইয়ান বোথামের পূর্ণ হয়েছিল এই ‘ডাবল’। বোথামের জন্মদিনে বোথামকে শীর্ষস্থান থেকে সরিয়ে দিয়ে নিজেকে বসালেন সাকিব। সদ্য ইঞ্জুরি থেকে ফেরা সাকিবের রেকর্ড আসলে নতুন কিছু নয়। তার নামের পেছনে হরহামেশাই যুক্ত হচ্ছে ক্রিকেট কীর্তি। যেটা বাঙালির জন্য অতি গৌরবের।
বিশ্ব রেকর্ডধারী সাকিবের সাথে রেকর্ডসঙ্গী মুশফিকুর রহিম সম্প্রতি জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশ সিরিজে করে বসেন একগুচ্ছ রেকর্ড। সাদা পোশাকে ‘মিস্টার ডিপেনডেবল’ মুশফিক পান ডাবল সেঞ্চুরি। টেস্ট ইতিহাসে কোনো উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানের ‘ডাবলের ডাবল’ এবং বাংলাদেশী কোনো ব্যাটসম্যানেরও দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি এটিই প্রথম। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান বাংলাদেশকে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছিলেন ২০১৩ সালে।
এছাড়া ৫৮৯ মিনিট উইকেটে থেকে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে টেস্টে দীর্ঘসময় উইকেটে থাকার রেকর্ডটিও নিজের করে নিয়েছেন মুশফিক। এটি ছাড়াও বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ বল খেলার রেকর্ডটিও এ ডানহাতি ব্যাটসম্যানের দখলে। তাছাড়া ২০১৮ সালে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে একটি মাত্র ডবল সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছে ক্রিকেট বিশ^। আর সেটিরও মালিক মুশফিকুর রহিম। মুশফিকের পর তাইজুলের নামটি না বললেই নয়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে টানা তিন ইনিংসে ৫ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তিনি। এরপর দুই ইনিংস বিরতি দিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ৬ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ধস নামিয়েছিলেন।
এই ম্যাচের ৭টিসহ ৪০ উইকেট নিয়ে ২০১৮ সালে টেস্ট উইকেট শিকারির তালিকায় চার নম্বরে উঠে এসেছেন তাইজুল। ক্যারিয়ারে সাতবার পাঁচ উইকেট নিলেন তিনি। এরই মধ্যে দেশের হয়ে দারুণ এক রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন বাংলাদেশের এই বাঁ-হাতি স্পিনার। এক পঞ্জিকাবর্ষে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট নেয়ার মালিক এখন তাইজুল (৪০)। এক পঞ্জিকাবর্ষে বাংলাদেশের আগের সর্বোচ্চ উইকেট নেয়ার রেকর্ড ছিল সাবেক বাঁ-হাতি স্পিনার মোহাম্মদ রফিকের। ২০০৩ সালে রফিক পেয়েছিলেন ৩৩ উইকেট। তাঁকে টপকে বিশ্বের এক নম্বর হওয়ার দৌঁড়ে এগিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি। অন্যদিকে রেকর্ডের একেবারে কাছাকাছি দাঁড়িয়েছিলেন টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুল হক। মিরপুর টেস্টে একটি সেঞ্চুরি করতে পারলেই ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে পেছনে ফেলে চলতি বছর টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক হতেন তিনি। তারপরও মুমিনুল কোহলির সমান ৪টি সেঞ্চুরি করে ২০১৮ ক্রিকেট পঞ্জিটি শেষ করতে যাচ্ছেন, এটাই বা কম কিসে।
সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজের সমাপ্তি হয়েছে জয় দিয়ে। জয় বলতে একেবারে রেকর্ড জয়। যা এর আগে করে দেখাতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টে ৬৪ রানের জয়ে সাধ মিটেনি তাই দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ১৮৪ রানে জিতে প্রথম কোন দলকে ইনিংস ব্যবধানে হারানোর কৃতিত্ব দেখায় সাকিব আল হাসানের দল। এই টেস্টে ১১৭ রান খরচায় ১২ উইকেট নিয়ে দেশসেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বছর দুয়েক আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকায় প্রথম ১৫৯ রানে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। টাইগারদের এমন কীর্তিগাথা সাফল্যে গর্বিত বাংলাদেশ। পেছনের পরাজয়ত্যক্ত ক্রিকেট ভুলে বাঙালি আজ মন ভরে উপভোগ করছে মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ, মিরাজ, মুস্তাফিজের নজরকাড়া ক্রিক জাদু।
ক্রিকেটে অনেক ত্যক্ত বিরক্ত অস্বস্তিদায়ক বাজে সময় অতিবাহিত করেছে বাংলাদেশ। এক যুগ আগের ক্রিকেট বাস্তবতা আর বর্তমান সময়ের টাইগার ক্রিকেটে বিশাল ব্যবধান লক্ষ্যণীয়। ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য বিংশ শতাব্দীর শুরুটা ছিল রেকর্ড হারের অতৃপ্ত যন্ত্রণায় ভরপুর। তখনকার সময়টায় লাগাতার হারে ভরসাহীন অকূল পাথারে হাবুডুবু খাওয়া ছাড়া আর কোন পথ খোলা ছিল না টাইগার ভক্তদের সামনে। আগে ক্রিকেটে মত্ত যে দু’চারজন টিভি স্ক্রিণ কিংবা রেডিওতে খেলায় যুক্ত হত তারা সবাই হার সংবরণের মানসিক প্রস্তুতির মাঝেও একটু সম্মানজনক হারের সুখময়তা খোঁজে ফিরত।
কিন্তু বিশাল হারের এই কঠিন গন্ডিতে তাও ছিল অধরা। সেই অতীত হারের বিরক্তিকর মানসিকতায় আজ উড়ছে বিজয় নিশান। টাইগার ভক্তদের মনে লেগেছে কীর্তিগড়া ক্রিকেটের উৎসব আবীর। মুশফিক, মমিনুল, সাকিব, তামিম, তাইজুলদের ধারাবাহিক কীর্তি, অর্জন, সাফল্য এ দেশের ক্রিকেটকে বসিয়েছে সম্মানের আসনে। একসময় দর্শকখড়ায় ভোগতে থাকা ক্রিকেট আজ বাঙালির আবেগ, অনুভূতি, আগ্রহ, আনন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে। রাজনৈতিক বিভাজনের বাংলাদেশকে এক ছাতার নিচে এনে দাঁড় করিয়েছে টাইগারদের দ্যুতি ছড়ানো ক্রিকেট। ম্যাশ-মুশি-সাকি এক্সপ্রেসের চোখধাঁধানো খেলা দেখতে মাঠ কিংবা পর্দা সবখানেই হুমড়ি খেয়ে পড়ছে বাঙালি। তারা টাইগার দলের সফলতায় যেমন নেচেগেয়ে আনন্দ উদযাপন করছেন তেমনি হারের বেদনায় কাঁদছেন ফুপিয়ে ফুপিয়ে।
ক্রিকেট পরাশক্তি দল জনের উপহাস ঠাট্টা হজম করে আজ কীর্তির খাতায় সমোজ্জ্বল বাংলাদেশ। যারা টাইগার ক্রিকেটকে সর্বদা তুলোধোনু করত তারাই আজ বাংলা ওয়াসের শিকার হচ্ছে। ক্রিকেট বাঙালির আদিপত্যে তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে গিয়ে তারা প্রশংসাপুষ্প সুরভিতে ভাসাচ্ছে বাংলাদেশ দলকে। বিশ্ব ক্রিকেটের ক্ষমতাধর দেশগুলো একে একে টাইগারদের কাব্যিক ক্রিকেটে ধরাশায়ী হলেও একমাত্র ভারত তার নিজস্ব স্বার্থ অর্থাৎ জয় চিনিয়ে আনার অলীক ধান্দায় চলছাতুরীর আশ্রয় নিয়ে সুস্থ স্বচ্ছ ক্রিকেটকে কলঙ্কিত করছে। বাংলাদেশের মতো সদ্য শক্তিমত্ত্বায় বিস্ফোরিত দলকে অযাচিত ক্ষমতা প্রয়োগ করে বারবার হারিয়ে দিচ্ছে। এটা ক্রিকেটের জন্য বড় লজ্জা ও নিন্দনীয়।
কোন বৈশ্বিক আসরে ভারতের সাথে বাংলাদেশের খেলা অনুষ্ঠিত হলে বাঙালি ভাবতে থাকে প্রতিবেশী দেশটির আইসিসি নিয়ন্ত্রিত অযাচিত বেহায়াপনার কথা। বাংলাদেশের ক্রিকেট যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে সেই এগিয়ে যাওয়ার দ্রুত গতি মাঝে মাঝে থেমে যায় ক্রিকেট মোড়লীপনার পক্ষপাতমূলক আচরণে। এর জন্য বিশেষভাবে দায়ী আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। খেলায় দেশটির অনৈতিক প্রভাব বিস্তার টাইগার ক্রিকেটকে প্রায়ই জয়বঞ্চিত করছে। কোন বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ভারতের মুখোমুখী হলে টাইগারদের পরাজয় নিশ্চিতে ভারত নিয়ন্ত্রিত আইসিসি একতরফা মনোভাব পোষণ করে। বাংলাদেশের সাথে মান রক্ষার প্রতিটি ম্যাচে ভারত অযাচিত ক্ষমতা প্রদর্শনের মাধ্যমে টাইগারদের বিদায় করে হাসে শেষ বিজয়ের হাসি। বিশ্ব ক্রিকেটকে মুঠোবন্দী করে ভারত যে অনৈতিক মাতব্বরী দেখাচ্ছে তাতে ক্রিকেটের শুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বৈকি।
১৯৮৬ সাল থেকে বাংলাদেশের ওয়ানডে খেলা শুরু। তবে প্রথম উৎসবের উপলক্ষ খুঁজে পেল ১৯৯৭ সালে। আইসিসি ট্রফি জয় করে আকরাম খানরা দেশের কোটি মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে আনেন। এরপর ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে পাকিস্তানকে হারানো। তারপর দীর্ঘ বিরতি। একটা জয়ের সন্ধানে শুধু ক্ষণ গণনা। ২০০৫ বা ২০০৬ সালের দিকে কিছু জয়, ২০০৮ বা ২০১০ সালে অল্প বিস্তর ধারাবাহিকতা দেখা গেল বটে। কিন্তু যে প্রতীক্ষায় সমর্থকরা, তার দেখা মেলে না। দিনশেষে বাংলাদেশের একটা জয় তাই ‘অঘটন’ হয়েই থাকে। আর এই বৃত্ত থেকে বের করে দলকে একটু স্বস্তি দিতেই ২০১৪ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশের সীমিত ওভারের দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হলো ২০০৯ সালেই ‘ফুরিয়ে যাওয়া অধিনায়ক’ মাশরাফি বিন মর্তুজাকে। তখন থেকেই পরিবর্তন। এ থেকেই বাংলাদেশ খুঁজে পায় কীর্তি ক্রিকেটের সন্ধান।
লেখক : কলামিস্ট

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • মুক্তিযুদ্ধে জাতীয় চার নেতা
  • বিজয়ের ৪৭ বছর
  • প্রত্যাশা ও বাস্তবতা : বিজয়ের সাতচল্লিশ বছর
  • মুশকিল আসানের এক সৈনিক আব্দুল মঈদ চৌধুরী
  • রপ্তানিতে সুবাতাস, ইতিবাচক বাংলাদেশ
  • রপ্তানিতে সুবাতাস, ইতিবাচক বাংলাদেশ
  • ডিসেম্বর আমাদের অহংকারের মাস
  • পোশাক শিল্পের অগ্রগতি
  • উন্নয়ন, আদর্শ ও মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষিত
  • প্রসঙ্গ : রিকসা ভাড়া
  • পেছন ফিরে দেখা-ক্ষণিকের তরে
  • অবাধ ও সুষ্ঠু নিবার্চনের প্রত্যশা
  • শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার
  • বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার
  • বাংলাদেশের উৎসব
  • ‘শান্তি জিতলে জিতবে দেশ’
  • মানবাধিকার মুক্তি পাক
  • অদম্য বাংলাদেশ
  • নারী আন্দোলনে বেগম রোকেয়া
  • আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জনমানস
  • Developed by: Sparkle IT