ধর্ম ও জীবন

সন্ত্রাস দমনে মুহাম্মদ (সা.)

আব্দুল হান্নান তুরুকখলী প্রকাশিত হয়েছে: ১১-০১-২০১৯ ইং ০০:০৩:১৭ | সংবাদটি ৩৪ বার পঠিত

যে বিষয়টি নিয়ে আজ বিশ্ব মানবতা ভীত সন্ত্রস্ত, গোটা বিশ্ব শংকিত, বিশ্বের পরাশক্তিগুলো যার কাছে মাথানত করে আছে, যে বিষয়টির কারণে বিশ্বের প্রতিটি অঞ্চলে অশান্তির অগ্নিশিখা দাউদাউ করে জ্বলছে, সে বিষয়টি হচ্ছে সন্ত্রাস। সন্ত্রাস মানে ভয়, শঙ্কা, ভীতি হয়রানি ইত্যাদি। নানা রকম অত্যাচার, অবিচার, হত্যা, ছিনতাই ইত্যাদির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রাখার নামই সন্ত্রাস।
আবার অনেকের মতে যে কোনো স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সংঘবদ্ধ হয়ে ত্রাসজনক পথ বেছে নিয়ে কাউকে বশ করার ঘৃণ্য নীতি অবলম্বন করাকে সন্ত্রাস বলে। এই সন্ত্রাস সমস্যাটি নতুন নয়; বরং হাজার হাজার বছর পূর্বে ছিল এটি আরো প্রকট। তখন রক্ত পিপাসার প্রতিযোগিতায় উন্মত্ত ছিল প্রতিটি মানুষ। সেই যুগের নাম জাহিলিয়াতের যুগ, অন্ধকারের যুগ। আর সেই যুগেই ‘মারো ধরো কাটো, জোর যার মুল্লুক তার’ এই ছিল অলিখিত সংবিধান। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তখন চলত বছরের পর বছর দাঙ্গা-হাঙ্গামা, আইনের শাসন ছিল তখন সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। প্রতিপক্ষের কয়জনকে হত্যা করা হয়েছে তা নিয়ে গর্ব করা হতো, শত্রুর মাথার খুলি দিয়ে মদ্যপান করা হতো। অশান্তি, অনিয়মই ছিল তখন নিয়ম-কানুন। সর্বত্রই ছিল তখন যুদ্ধ-সংঘাত, রক্তপাত আর হানাহানি। সন্ত্রাসের কারণে শান্তির দূরতম কোনো লক্ষণই ছিলো না। ধর্ম বির্বজিত ছিল তখনকার মানুষ। ধর্ম নিরপেক্ষতাই ছিলো তখনকার সন্ত্রাসের মূল কারণ। জাহেলী যুগের সন্ত্রাস ও অনৈতিকতার কথা চিত্রায়িত করতে গিয়ে বিশ্বকবি আল্লামা ইকবাল বলেনÑ ‘পূর্বে তোমার বিশ্বে ছিল দৃশ্য অতি চমৎকার কেউ পূজিত গরু বাছুর কেউ পূজিত গাছ পাথর/সাকার পূজা নিত্য রত নিখিল বিশ্ব চরাচর/ কে পূজিত কে মানিত আকারবিহীন একেশ্বর।’ গোটা বিশ্ব ছিল তখন অশান্তির আগ্নেয়গিরি। মানবতা ও সভ্যতার এহেন অশান্তিময় বিপর্যস্ত দূরবস্থায় শান্তির স্বর্গীয় বাণী নিয়ে এলেন আমাদের প্রাণের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। সন্ত্রাস দমনে তিনি অনুপম কৌশল উপস্থাপন করলেন। বিশ্ববাসী লাভ করেছিল শান্তির পরশ। নিপীড়িত মানবতা পেয়েছিল তখন শান্তি ও কল্যাণের অমীয় ধারা। প্রশ্ন হলÑ বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সন্ত্রাস দমনে যেসব অনুপম কৌশল উপস্থাপন করেছিলেন তার স্বরূপ কি ছিল? কোন পদ্ধতিতে তিনি সন্ত্রাস দমন করেছিলেন?
কোন অন্যায় অপকর্ম দূর করতে হলে প্রথমে নিজেকে সৎ ও মহৎ করে তুলতে হয়। রাসুল (সা.) ছিলেন ‘উসওয়ায়ে হাসানা’ ও ‘খুলুক্বীন আজীম’ গুণের অধিকারী। রাসুল (সা.) ছিলেন সৎ ও মহৎ গুণের অনুপম দৃষ্টান্ত। তাঁর সততার জন্যই তাঁকে সকলে ‘আল-আমিন’ বলে ডাকত। তিনি সমাজ থেকে সন্ত্রাস রাহাজানি দূর করার জন্য সতের বছর বয়সেই নিঃস্বার্থ ও শান্তিপ্রিয় যুবকদেরকে নিয়ে ‘হিলফুল ফুজুল’ নামক ‘শান্তি সংঘ’ গঠন করলেন। সন্ত্রাস দমনের লক্ষ্যে হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর গঠিত ‘হিলফুল ফুজুল’ সম্পর্কে ঐতিহাসিক সৈয়দ আমীর আলী বলেনÑ আমরা যে সময়ের কথা বলছি, সে সময়ে আরবের কোন নগরেই আইন-শৃঙ্খলা ছিলো না। পৃথক পৃথক দল একে অপরের বিরুদ্ধে লেগে থাকতো বলে এই উপদ্বীপের সর্বত্র অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা ও সন্ত্রাস পুরো মাত্রায় বিরাজ করছিল। তাই বিশ্বনবী (সা.) আরব হতে সকল অরাজকতা ও সন্ত্রাস নির্মূলের লক্ষ্যে একটি ‘শান্তি সংঘ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
হিলফুল ফুজুলের শর্তাবলী ছিল নি¤œরূপÑ ১. আমরা কোন জালেমকে মক্কায় থাকতে দেব না। ২. আমরা বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করব। ৩. আমরা দেশ থেকে অশান্তি দূর করব। ৪. আমরা পথিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। ৫. আমরা অভাবীদেরকে সর্বদা সাহায্য করব। রাসুল (সা.) কর্তৃক ‘হিলফুল ফুজুল’ গঠন আমাদেরকে চিরদিন সন্ত্রাস দমনে ‘শান্তি সংঘ’ প্রতিষ্ঠায় উৎসাহ দান করবে। রাসুল (সা.) কর্তৃক ‘হিলফুল ফুজুল’ গঠনের ফলে আরব জাহান থেকে সন্ত্রাস অনেকটা হ্রাস পায়। ৬০৫ খ্রিস্টাব্দে কা’বা ঘরে হাজরে আসওয়াদ স্থাপনকে কেন্দ্র করে এক তুমুল সংঘর্ষ অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। রাসুল (সা.) অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতার সাথে কা’বার দেয়ালে হাজরে আসওয়াদ পুনঃস্থাপন করে অবশ্যম্ভাবী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থেকে জাতিকে রক্ষা করেন।
আমাদের প্রিয়নবী (সা.) হচ্ছেন বিশ্বনবী। তাঁর আদর্শও বিশ্বজনীন। সন্ত্রাস দমনে তিনি যে নীতি অবলম্বন করেছেন তাও সর্বজনীন। তিনি মদিনায় হিজরতের পর দেখলেন সকল ধর্মের লোক সেখানে বাস করে। সুতরাং সংঘাত-সংঘর্ষ সেখানে লেগে থাকবে এটা স্বাভাবিক। হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে ও সকল ধর্মের লোকদেরকে নিয়ে শান্তিতে বসবাস করার জন্য ‘মদিনার সনদ’ তৈরি করেন। সন্ত্রাস দমনের লক্ষ্যে যে সকল শর্তাবলী মদিনার সনদে সংযুক্ত করা হয় সে শর্তগুলো হচ্ছেÑ ১. মদিনাকে ‘পবিত্র’ শহর বলে ঘোষণা করা হল। এখানে সকল প্রকার রক্তক্ষয় ও অন্যায় অত্যাচার নিষিদ্ধ থাকবে। ২. প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করে। কেউ কারো ধর্মের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। ৩. মুহাম্মদ (সা.) এর পূর্ব অনুমতি ছাড়া কেউ কারো বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারবে না। ৪. অপরাধীকে উপযুক্ত শাস্তি ভোগ করতে হবে এবং সকল প্রকার অপরাধীকে ঘৃণার চোখে দেখতে হবে। ৫. কোন সম্প্রদায়ই কুরাইশদের বা বাইরের অন্য শত্রুর সাথে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে পারবে না। মদিনা সনদের ফলে মদিনা থেকে সকল অশান্তি ও অরাজকতা দূর হয়ে যায়। সকল ধর্মের লোক তখন শান্তিতে বসবাস করে। রাসুল (সা.) মদিনায় সর্বজনীন ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করেন।
৬ষ্ঠ হিজরির জুলকাদা মাসে চৌদ্দশত সাহাবি নিয়ে নবি করিম (সা.) মক্কায় হজ্ব করতে রওয়ানা হলে হুদায়বিয়া নামক স্থানে এসে কুরাইশ কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হন। নবি করিম (সা.) কুরাইশদের সাথে সন্ধি স্থাপন করেন। হুদায়বিয়ার সন্ধির বেশ কয়েকটি শর্তাবলী মুসলমানদের প্রতিকূলে থাকা সত্ত্বেও নবি করিম (সা.) অত্যন্ত ধৈর্য্যরে সাথে তা মেনে নন। নবি করিম (সা.) এ ধৈর্য্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন জাতিকে অবশ্যম্ভাবী যুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। কারণ কুরাইশ কর্তৃক মুসলমানদেরকে হজ্ব করতে বাধা দেয়া ছিল মহা অন্যায়। এরপরও মুসলমানরা সন্ধির শর্তাবলী তাঁদের বিপক্ষে থাকা সত্ত্বেও তারা তা মেনে নেন একমাত্র শান্তি স্থাপনের স্বার্থে। মুসলমানরা অন্যায়ভাবে যুদ্ধ করতে চায় না, তাঁরা শান্তি চায়, শান্ত দুনিয়া দেখতে চায়। হুদায়বিয়ার সন্ধির ফলে ইসলামের প্রসারতা লাভ করে দলে দলে লোক ইসলাম গ্রহণ করতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে নবি করিম (সা.) ৮ম হিজরিতে হাজার হাজার সাহাবিকে নিয়ে বিনা বাধায় মক্কা বিজয় করতে সমর্থ হন। মক্কা বিজয়ের পর নবী করিম (সা.) কুরাইশদেরকে এক বাক্যে ক্ষমা ঘোষণা করেন, তাদের কৃত অপরাধ নিঃশর্ত ক্ষমা করে দেন। মক্কা বিজয়ের পর মুসলমানগণ আরব জাহানে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী হাওয়া সত্ত্বেও কাফের-কুরাইশদের উপর কোনো অত্যাচার করেন নি। হুদায়বিয়ার সন্ধিতে মুসলমানদের ধৈর্য্য ধারণ, (কারণ, সন্ধির শর্তাবলী মুসলমানদের প্রতিকূলে ছিল) এবং মক্কা বিজয়ের পর নবী (সা.) কর্তৃক কাফের-কুরাইশদেরকে এক বাক্যে ক্ষমা ঘোষণা করার দ্বারা দিবালোকের ন্যায় একথাই প্রমাণিত হয় যে, নবি করিম (সা.) ও সকল মুসলমানরা ছিলেন শান্তিকামী। মুসলমানরা কোনো দিন সন্ত্রাস সৃষ্টি করেনি, তারা কোনো দিন আগাম-অন্যায় যুদ্ধের ডাক দেননি। মুসলমানরা যতো যুদ্ধ করেছেন সকল যুদ্ধই ছিল প্রতিরোধমূলক। তাঁরা (মুসলমানরা) প্রতিটি যুদ্ধেই প্রতিপক্ষের হামলা প্রতিরোধ করেছেন। সুতরাং আজকে যারা মুসলমানদেরকে ‘জঙ্গি’ বলে আখ্যা দিচ্ছে তাদের এই আখ্যা দান মিথ্যা ছাড়া আর কিছু নয়। মুসলমানরা সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে বিশ্বের ইতিহাসে এর কোন প্রমাণ নেই। কাফের মুশরিকরাই বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্ত্রাসী।
সন্ত্রাস দূর করার পূর্বশর্ত হচ্ছে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে সন্ত্রাস মাথাছাড়া দিয়ে ওঠতে পারে না। নবি করিম (সা.) সকলের মধ্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেন। বনু মাখজুম গোত্রীয় এক মহিলার চুরির শাস্তি শিথিল করার জন্য নবি (সা.) কে অনুরোধ করলে নবি করিম (সা.) বললেনÑ ‘আমার মেয়ে ফাতিমাও যদি চুরি করত তাহলে আমি তার হাত কেটে দিতাম।’ নবি করিম (সা.) ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে আরব জাহান থেকে সকল অরাজকতা, অশান্তি ও সন্ত্রাস দূর করেন। সমাজকে সুশীল সমাজে পরিণত করেন, সেই যুগই ছিল ইতিহাসের স্বর্ণযুগ। সন্ত্রাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে রাসুলে পাক (সা.) অমুসলিমদের উপর অত্যাচার-অবিচার করতে কঠোর নিষেধ করেছেন। রাসুলে পাক (সা.) ইরশাদ করেনÑ ‘অমুসলিম নাগরিককে যে মুসলমান হত্যা করবে সে বেহেশতের গন্ধও পাবে না।’ অন্য হাদিসে রাসুলে পাক (সা.) বলিষ্ঠ কণ্ঠে ইরশাদ করেনÑ যে ব্যক্তি কোন অমুসলিম নাগরিকের উপর অত্যাচার করবে তার প্রাপ্য কম দিবে, তার উপর অতিরিক্ত কর ধার্য্য করবে অথবা তার মনতুষ্টি ছাড়া তার কোন বস্তু হস্তগত করবে, ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমি কিয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে অভিযোগ করব।’ রাসুলে পাক (সা.) সন্ত্রাস দমনে অতুলনীয় আদর্শ স্থাপন করে গেছেন। তাঁর এই কালজয়ী আদর্শ যদি আমাদের সমাজে পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে আমাদের সমাজে সন্ত্রাস কোনক্রমেই থাকতে পারে না। বিদায় হজ্বের ভাষণে রাসুলে পাক (সা.) ইরশাদ করেনÑ ‘হে মানবমন্ডলী! এই দিন, এই মাস, এই স্থান যেমন তোমাদের নিকট সম্মানিত ও পবিত্র তেমনি অন্যের রক্ত, সম্পদ ও ইজ্জত তোমাদের নিকট সম্মানিত ও পবিত্র। কেউ কারো রক্তপাত করবে না, কারো ইজ্জত হরণ করবে না।’ রাসুলে পাক (সা.) এর উক্ত ভাষণ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একটি বলিষ্ঠ হাতিয়ার।
সন্ত্রাস দমনে রাসুল পাক (সা.) এর অবদান অনন্য ও অপরিসীম। রাসুল (সা.) এর এক একটি বাণীর যদি আমরা পূর্ণ বাস্তবায়ন করি তাহলে সন্ত্রাস আমাদের সমাজে কখনও মাথাছাড়া দিয়ে ওঠতে পারবে না। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেনÑ ‘সিবাবুল মুসলিমে ফুছুক্বুন ওয়া ক্বিতালুহু কুফরুন’ অর্থাৎ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং হত্যা করা কুফুরী। অন্য একখানা হাদিসে রাসুলে পাক (সা.) ইরশাদ করেনÑ ‘আল- মুসলিমু মান সালিমাল মুসলিমুনা মিন লিসানিহি ওয়া ইয়াদিহি’ অর্থাৎ মুসলমান সে-ই যে তার জিহবা ও হাত থেকে অন্য মুসলমানকে নিরাপত্তা দান করে’ (বুখারী-মুসলিম)।
বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত হযরত মুহাম্মদ (সা.) অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও সুনিপুনভাবে আরব জাহান থেকে সন্ত্রাস দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর কোনো তুলনা নেই। সন্ত্রাস দমনে তাঁর অবদান সম্পর্কে বলা হয়েছেÑ‘ইয়ামেনের হাদরামাউত থেকে সিরিয়া পর্যন্ত ষোড়শী রমণী সারা অঙ্গ মূল্যবান অলংকারে সুসজ্জিত করে রাতের অন্ধকারে একা একা মরু পাড়ি দিলেও তাকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য সামান্যও উদ্বিগ্ন থাকতে হতো না।’ আজকেও আমরা যারা সন্ত্রাস দমনের স্বপ্ন দেখি তা একমাত্র রাসুল (সা.) এর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই সম্ভব।

 

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT