উপ সম্পাদকীয়

তারা বৃহত্তর সিলেটের গর্ব

সৈয়দ মবনু প্রকাশিত হয়েছে: ১১-০১-২০১৯ ইং ০০:০৫:১৩ | সংবাদটি ৮০ বার পঠিত

জাতীয় নির্বাচন ২০১৮ নিয়ে তর্কবিতর্ক আছে। তা থাকতেই পারে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কোন নির্বাচন দেখানো যাবে না, যা নিয়ে কমবেশি তর্কবিতর্ক নেই। তা আমাদের স্বীকার করতেই হবে। তারপরও বলবো, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া বড় রকমের কোন অপ্রীতিকর ঘটনা আমাদের এলাকায় ঘটেনি। নতুন সরকারের মন্ত্রীসভায় এবার স্থান পেয়েছেন সিলেট বিভাগের পাঁচজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। তবে ২৮ বছর পর অর্থ মন্ত্রণালয় হারিয়েছে সিলেট। সেই সাথে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও এবার সিলেটের হাতছাড়া হয়েছে। এবার যুক্ত হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত ড. এ কে আব্দুল মোমেন পেয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। সুনামগঞ্জ-৩ আসনের নির্বাচিত সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান পেয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ শাহাব উদ্দিন। সিলেট-৪ আসন নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ পেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব এবং হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাহবুব আলী পেয়েছেন বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব¡।
ব্যক্তিগতভাবে আমি দুটি আসনের সাথে সম্পর্কিত। প্রথমটি সিলেট-১ আসন, যেখানে আমি ভোটার। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন ড. এ কে আব্দুল মোমেন। যাকে ব্যক্তিগতভাবে এবং পারিবারিকসূত্রে আমি জানি। যিনি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, অর্থনীতি এবং ব্যবসা প্রশাসনে নর্থইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি (বোস্টন) থেকে ডক্টরেট এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে লোকপ্রশাসন, পাবলিক পলিসি অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইকোনোমিক্সে এমপিএ করেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি এবং উন্নয়ন অর্থনীতিতে বিএ ও এমএ করেন।
ড. এ কে আব্দুল মোমেন ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি জাতিসংঘের সাউথ-সাউথ কো অপারেশনের উচ্চ পর্যায়ের কমিটিতে সভাপতি, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইউনিসেফ নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি, ৬৭তম জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উপ-সভাপতি, সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) এবং ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে সৌদি আরবের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অর্থনেতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ড. মোমেন ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার, দ্য সালেম স্টেট কলেজ, মেরিম্যাক কলেজ, ক্যামব্রিজ কলেজ, কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্ট, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এবং নর্থইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি মেম্বার ছিলেন। ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে ফোর্ড ফাউন্ডেশন এবং মেশন ফেলো হিসেবে উচ্চশিক্ষা নেয়ার আগে তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন। এছাড়া সময়ে সময়ে তিনি বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি একজন লেখক ও কলামনিস্ট। তিনি ৪টি বই এবং ২৫০টির ওপর গবেষণাপত্র লিখেছেন।
যদিও বিষয়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবু অস্বীকার করা যাবে না যে তাঁর নানাবাড়ি আমাদের গ্রাম সৈয়দপুরে এবং এই সূত্রে তিনি আত্মীয়ও বটে। ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে গঠিত মন্ত্রী পরিষদে তাঁকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ছোটভাই।
দ্বিতীয় হলো সুনামগঞ্জ-৩ আসন, যা জগন্নাথপুর এবং দক্ষিণ সুনামগঞ্জ নিয়ে গঠিত। এই আসনের মধ্যেই আমাদের গ্রামের বাড়ি সৈয়দপুর। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন এম এ মান্নান। তিনিও বিশিষ্ট্য অর্থনীতিবিদ। ২০১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। জনাব এম এ মান্নানের জন্ম ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ এলাকার ডুংরিয়ায়। কর্মজীবনে তিনি ছিলেন সিএসপি কর্মকর্তা। তিনি কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ এবং চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থার চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকতে সরকারী চাকরী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। অতপর তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী হন। ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে তাঁকে পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, এই দুজনকে খুব কাছ থেকে দেখার এবং কথা বলার সুযোগ হয়েছে। যতটুকু বুঝেছি এবং জেনেছি তা থেকে বলতে পারি তারা ব্যক্তিগতভাবে দুজনই অতি ভদ্র, ন¤্র এবং ভাল মানুষ। দুজনের মধ্যেই বেশ ভাল মানুষি সরলতা রয়েছে। আমার বিশ্বাস, তাদের স্পর্শে যে কেউ অনুভব করবে এদেশের মাটি, মানুষ আর প্রকৃতির গন্ধ।
২৪ মার্চ ২০১৮ সন্ধ্যা সাতটায় প্রগতিশীল পাঠকসংঘ শৈলী কর্তৃক প্রকাশিত প্রফেসর মো. আব্দুল আজিজের ‘দায়বদ্ধ অর্থশাস্ত্রী: ড. আখলাকুর রহমান’ গ্রন্থের পাঠউন্মোচন ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সেদিনের অনুষ্ঠানে মঞ্চে কিংবা শৈলীর স্টলে দীর্ঘ সময় আমরা খুব কাছাকাছি ছিলাম এবং শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয়ক বেশ আলাপ হয়। তিনি বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষ করে বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক তাঁর পরিকল্পনার কথা খুব প্রাণখুলে আলাপ করেন। আমি যখন আমার বক্তব্যে বাংলাদেশের শিক্ষা পদ্ধতির দুর্বলতা, শিক্ষকদের উদাসীনতা, নোটনির্ভর পন্ডিতদের মূর্খতা ইত্যাদি নিয়ে সমালোচনামূলক এবং বঙ্গাত্মক বক্তব্য দিয়ে মঞ্চে ফিরি, তখন তিনি তাঁর চেয়ার থেকে উঠে আমার সাথে হাত মিলিয়ে আনন্দের অনুভূতি প্রকাশ করলে আমি সত্যই এই ভেবে আপ্লুত হই যে, এই মানুষটির মনেও এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কিছুটা দুঃখ আছে।
৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে আমি, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের তৎকালীন সহসভাপতি আ ন ম শফিকুল হক, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের তৎকালীন সহসভাপতি এবং দৈনিক উত্তরপূর্ব পত্রিকার সম্পাদক আজিজ আহমদ সেলিম, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী সিলেট সার্কট হাউসে যাই এম এ মান্নান সাহেবকে সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে দাওয়াত করতে। সার্কিট হাউসের প্রবেশ পথে তাঁর সাথে আমাদের দেখা। তিনি গাড়ি থেকে নেমেই দায়িত্বরত পুলিশদের বললেন, তোমরা আমাকে সালাম জানানোর জন্য দাঁড়িয়ে থেকে কষ্ট করো না। সালাম দিয়ে চলে যাও। আমি এখানে একটু কাজ সেরে চলে যাবো গ্রামের বাড়িতে। নিজের বাড়িতে থাকার মধ্যে অন্যরকম আনন্দ রয়েছে। পুলিশের সাথে তাঁর এই সরল ব্যবহার সত্যই আমাকে মুগ্ধ করে।
আমাদের সাথে দেখা হলে তিনি খুব আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেন এবং আমাদেরকে সাথে নিয়ে লিফটে উঠলেন। লিফটে আ ন ম শফিক সাহেব মন্ত্রীকে আমার পারিবারিক সূত্র বললে তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরেন। লিফট দ্বিতীয় তলায় পৌঁছলে তিনি সবাইকে সিটিং রোমে বসিয়ে আমাদেরকে সরাসরি নিয়ে গেলেন তাঁর শয়নকক্ষে। আমরা যখন তাঁকে দাওয়াত করি তখন তিনি খুবই বিনীতভাবে বললেন, আমি তো কবি কিংবা সাহিত্যিক নয়, আমি একজন সাধারণ মানুষ সেখানে গিয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে কী বক্তব্য দিবো! অন্য কাউকে প্রধান অতিথি করলে আমিও না হয় উপস্থিত থাকলাম। তাঁর এই সরল উক্তিতে যে মহত্ব ছিলো, তা মূলত তাঁকেই বড় করেছে।
নবগঠিত মন্ত্রী পরিষদে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের সাংসদ মো. শাহাব উদ্দিন এমপি। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে যাত্রা শুরু করে সাংসদ, হুইপ হয়ে পৌঁছেছেন মন্ত্রী পর্যন্ত। তিনি ১৯৮৪ সালে প্রথম বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। এর পর রাজনীতির মাঠে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। টানা তিনবার ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে প্রথম মনোনয়ন পেয়ে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবাদুর রহমানকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ এর নির্বাচনে হেরে গেলেও ২০০৮-এ আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদে এবং ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে পরপর তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মো. শাহাব উদ্দিন।
নতুন মন্ত্রিপরিষদে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন সিলেট-৪ আসনের এমপি ইমরান আহমদ। তিনি ১৯৪৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ভারতের আম্বালায়ে জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭০ সালে জেমস ফিনলে চা বাগানে কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি নিজের শ্রীপুর চা বাগান পরিচালনা করছেন। ১৯৮৬ সালে তিনি সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। এরপর ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হন। ইমরান আহমদ বাংলার পাশাপাশি ইংরেজী এবং উর্দূ ভাষায় অত্যন্ত দক্ষ। ইতিপূর্বে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসাবে তিনি দক্ষিণ কোরিয়া এবং কাতার সফর করেন। তার স্ত্রী ড. নাসরিন আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং বর্তমানে ঢাবির উপউপাচার্য (একাডেমিক) হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বাচিত অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রয়াত মাওলানা আসাদ আলীর ছেলে তিনি। বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র আইনজীবী মাহবুব আলী ১৯৬১ সালের ১৭ জুলাই তৎকালীন সিলেট জেলার হবিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সাবেক এমপি প্রয়াত মাওলানা আসাদ আলী। মাহবুব আলীর বাবা মাওলানা আসাদ আলী ছিলেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের প্রথম এমপি।
এই নিবন্ধে আমি যে পাঁচজন গুণী মানুষকে নিয়ে আলোচনা করলাম, তারা আমাদের বৃহত্তর সিলেটবাসীর গর্ব। তাদেরকে বাংলাদেশের মন্ত্রীসভায় যুক্ত করায় আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমরা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • ১৯৭১-এর সেই ভয়াল রাত
  • স্বাধীনতা ও দেশপ্রেম
  • মুক্তিযুদ্ধে পরদেশি বন্ধু সঙ্গীতশিল্পী
  • সড়ক দুর্ঘটনার দায় ও দায়িত্ব
  • সন্ত্রাসবাদের নির্মমতা ও বিশ্বব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ
  • একজন মারুফ জামানের ফিরে আসা
  • তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি
  • চোপড়া-জোলিরা কিসের বার্তা দিয়ে গেলেন?
  • জীবন থেকে নেওয়া
  • প্রাসঙ্গিক কথকতা
  • সিলেট বিভাগের শিল্পায়ন ও সম্ভাবনা
  • আমরা কি স্বাধীনতার অর্থ খুঁজি?
  • বৈশ্বিক শ্রমবাজার সম্প্রসারণে উদ্যোগ প্রয়োজন
  • হুমকির মুখে ভোলাগঞ্জ মহাসড়কের দশ নম্বর এলাকা
  • পাসপোর্ট ভোগান্তি
  • শিশুশিক্ষায় শাস্তি পরিহার বাঞ্ছনীয়
  • প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  • ভোগবাদী বিশ্বায়ন বনাম লোকসংস্কৃতি
  • সমাবর্তনে শুভ কামনা
  • উন্নয়নে যুবসমাজের ভূমিকা
  • Developed by: Sparkle IT