উপ সম্পাদকীয়

পুলিশ সপ্তাহ ও জনগণের প্রত্যাশা

মাজেদা বেগম মাজু প্রকাশিত হয়েছে: ১১-০২-২০১৯ ইং ০১:৪৮:২০ | সংবাদটি ৪০ বার পঠিত

একটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য যে সকল প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার মধ্যে পুলিশ বাহিনী অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান। প্রয়োজনীয় আইন তৈরি ও এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা একটি রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে দায়িত্ব সম্পাদনের উদ্দেশ্যেই গড়ে তোলা হয় ‘পুলিশ’ নামের প্রতিষ্ঠানটি।
প্রাচীন ভারতে পুলিশের উদ্ভব ও বিকাশ সম্পর্কে ধারণা খুব স্পষ্ট নয়। কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে রাষ্ট্র কর্তৃক আট রকমের গুপ্তচর পোষণের উল্লেখ আছে। অনুমান করা যায়, এরাই আধুনিক পুলিশের আদিরূপ। মোগল আমলে, বিশেষত স¤্রাট আকবরের সময়, কিছুটা আধুনিক আদলের পুলিশের দেখা পাওয়া যায়।
পর্তুগীজ ভাষা থেকে উদ্ভুত চড়ষরপব শব্দটির পূর্ণরূপ হলো চ-চড়ষরঃব, ঙ-ঙনবরফরবহঃ, খ-খড়ুধষ, ও-ওহঃবষষরমবহঃ, ঈ-ঈড়ঁৎধমবড়ঁং, ঊ-ঊভভরপরবহঃ। ইতিহাস থেকে ধারণা পাওয়া যায় প্রায় ৬ হাজার বছর আগে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে মিসরে প্রথম পুলিশি ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়। সে সময় মিসরের শাসকরা প্রতিটি শহরে পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন। পুলিশরা তাদের কাজের জন্য শহরের মেয়রের কাছে দায়বদ্ধ থাকত। উপমহাদেশে পুলিশ সার্ভিস চালু হয় লর্ড ক্যানিংয়ের শাসনামলে। তারই আধুনিক সংস্করণ বর্তমান পুলিশ বাহিনী।
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সমুন্নত থাকলেও পুলিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে রয়েছে জনগণের ভয়-ভীতি ও নেতিবাচক ধারণা। পরিবহন সেক্টর থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাঁদাবাজি, আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা, মামলার মিথ্যা রিপোর্ট দেয়া, নিরীহ বিচার প্রার্থীদের সহযোগিতার পরিবর্তে হয়রানি করা সহ রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।
‘পুলিশ জনতা ঐক্যগড়ি, মাদক-জঙ্গি নির্মূল করি’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পুলিশের সেবা কার্যক্রমকে আরো ত্বরান্বিত করে জনগণের মধ্যে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী পালিত হয়ে গেল পুলিশ সপ্তাহ-২০১৯। ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু’ এই নীতিবাক্যটিকে জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করা এবং পুলিশের সততা ও কর্মউদ্দীপনা বৃিদ্ধর লক্ষ্যে প্রতিবছর পালিত হয় পুলিশ সপ্তাহ। এবারের পুলিশ সপ্তাহে বিডি পুলিশ হেল্প লাইন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সেবা প্রাপ্তি, আইজিপি কমপ্লেইন সেল, নালী ও শিশু বান্ধব পুলিশিং, কমিউনিটি ও বীট পুলিশিং ইত্যাদি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার মাধ্যমে স্বচ্ছ ধারণা প্রদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। উল্লেখ্য পুলিশি ব্যবস্থার মধ্যে কমিউনিটি পুলিশিং ও বীট পুলিশিং এর গুরুত্ব অপরিসীম।
রবার্ট পীল-ই প্রথম জনগণকে পুলিশি সেবার অন্যতম উৎস হিসেবে প্রচার করেন। পুলিশ ও জনগণের সাথে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠাই মূলত কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থার প্রধান উদ্দেশ্য। ১৮২৯ সালে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রতিষ্ঠার পর রবার্ট পীল যে নয়টি দিক নির্দেশনা জারি করেন তার মধ্যে সপ্তম নির্দেশনায় ছিল ‘জনগণই পুলিশ এবং পুলিশই জনগণ।’ ১৮৭৪ সালে টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রতিষ্ঠার লগ্নে চালু হওয়া জাপানের কোবান পদ্ধতি আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সম্ভবত পৃথিবীর প্রাচীনতম আনুষ্ঠানিক কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম। তবে আধুনিক কমিউনিটি পুলিশিং এর যৌথ অংশীদারিত্বের ধারণা এসেছে মূলত: আমেরিকান পুলিশিং থেকে। বর্তমান পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা প্রায় আমেরিকান আদলেই পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা প্রাচীন কালে ভিন্ন আঙ্গিকে চালু থাকলেও আধুনিককালে তার দর্শন ও কর্ম কৌশল আমেরিকান প্রভাবে প্রভাবান্বিত। পৃথিবীতে প্রত্যেকটি কমিউনিটি যেহেতু বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্নতর তাই কমিউনিটি পুলিশিং বাস্তবায়নের কৌশলও বিভিন্ন কমিউনিটিতে বিভিন্ন রকম। বাংলাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের প্রথম সূচনা হয় ময়মনসিংহ জেলা শহরে ১৯৯২ সালে। স্থানীয় অধিবাসীদের অংশ গ্রহণে যে শহর প্রতিরক্ষা দল (ঞড়হি উবভধহপব চধৎঃু) গঠন করা হয়েছিল অপরাধ প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশ ও জনগণের যৌথ অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার তথা আধুনিক আদলে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের সেটিই প্রথম প্রয়াস।
বীট পুলিশিং এর ভিত্তি হল ঊনিশ শতকের শেষ দিকের ট্রাডিশনাল পুলিশিং যার মাধ্যমে পুলিশ এবং দায়িত্বাধীন কমিউনিটির সদস্যদের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরির মাধ্যমে পুলিশের কার্যকারিতা ও যৌথ ভূমিকাকে উৎসাহিত করে নিরাপদ কমিউনিটি বজায় রাখা। প্রচলিত অর্থে ‘বীট’ পুলিশ ফুট পেট্রোল বা মোটর সাইকেলে পেট্রোলের মাধ্যমে পুলিশ এবং ভালমন্দ নির্বিচারে কমিউনিটির সকল সদস্যদের মধ্যে মিশ্রভাবে কাজ করেন। পুলিশী ভাষায় ‘বীট’ হলো একটি নির্দিষ্ট এলাকা এবং একটি নির্দিষ্ট সময়কাল যখন একজন পুলিশ অফিসার উক্ত এলাকাটিতে পেট্রোলে নিয়োজিত থাকেন।
জনগণ পুলিশি সেবার অন্যতম উৎস হলেও আমাদের সমাজে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে রয়েছে বিস্তর দূরত্ব, যোজন যোজন ফারাক। যার কারণে পুলিশকে জনগণ এখনো বন্ধু হিসেবে ভাবতে পারে না। এবারের পুলিশ সপ্তাহে পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। আর সমাজে যত ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয় সেটা মানুষেরই দ্বারা। তথ্য প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার কারণে বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে সমাজে অপরাধের ধরণ, কৌশল ও মাত্রারও প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। কিন্তু পুলিশের রয়েছে নানা প্রতিবন্ধকতা, রয়েছে অনেক সীমাবদ্ধতা। দক্ষ জনবল স্বল্পতা, প্রয়োজনীয় বাজেট ও সরঞ্জামের অপর্যাপ্ততাও পুলিশ বাহিনীর অগ্রযাত্রার অন্যতম অন্তরায়। সকল ধরনের চাহিদা ও অপ্রতুলতা কাটিয়ে পুলিশ বাহিনীকে উন্নতকরণের মাধ্যমে একটি জনবান্ধন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পুলিশ বাহিনীর উন্নতিকল্পে সরকার যথেষ্ট আন্তরিক ও বদ্ধপরিকর। ফলশ্রুতিতে বিগত বছরগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে পুলিশ ও জনসংখ্যার অনুপাত। ২০০৯ সালে পুলিশ ও জনসংখ্যার অনুপাত যেখানে ছিল ১ ঃ ১৩৫৫ সেখানে বর্তমান সরকারের আমলে এই অনুপাত বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ ঃ ৮০১। বিদেশে দূতাবাসে পুলিশ নিয়োগ, প্রশিক্ষণ দান, দক্ষ জনবল বৃদ্ধিসহ বিদ্যমান চাহিদার নিরিখে পুলিশ ও জনসংখ্যার অনুপাত উন্নয়নে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও আগামীতে সরকারের সচেষ্টতার কথা রয়েছে।
পুলিশ সপ্তাহ শুরু হওয়ার পূর্বে ২৭ জানুয়ারি থেকে সপ্তাহব্যাপী সাড়ম্বরে পালিত হলো সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ এসএমপির ‘পুলিশ সেবা সপ্তাহ-২০১৯’। ‘পুলিশকে সহায়তা করুন, পুলিশের সেবা গ্রহণ করুন’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ২০০৬ সালের ১৫ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত এসএমপির সেবা কার্যক্রমকে জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়। অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণকল্পে এসএমপির সেবামূলক কার্যক্রম সমূহ হলো ওপেন হাউজ ডে, কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং ও ভাড়াটিয়া তথ্য সংগ্রহ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পাসপোর্ট ভেরিফেকেশন, অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সেবা, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক, বিডি পুলিশ হেল্পলাইন, ব্যাংকের টাকা এস্কর্ট, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, থানায় শিশু বান্ধব কর্মকর্তা নিয়োগ, সার্ভিস ডেলিভারি সেন্টার স্থাপন, ওমেন সাপোর্ট ডেস্ক, তথ্য প্রদানকারী অফিসার নিয়োগ, সেবামূলক ডিসপ্লে বোর্ড/ফলক, জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ ইত্যাদি।
‘চড়ষরপব’-এর প্রতিটি শব্দের প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস রেখে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন থেকে শুরু করে দেশে বিদেশে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। স্বীয় মর্যাদা ও সুনাম অক্ষুন্ন রেখে বিভিন্ন সংকট ও দুর্যোগ মোকাবিলায় পুরুষের সাথে তাল মিলিয়ে রয়েছে অকুতোভয় নারী পুলিশ। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী দেশে মোট পুলিশ সদস্যের সংখ্যা ১ লাখ ৯৯ হাজার ১৭৫। এর মধ্যে নারী পুলিশ সদস্য ১৩ হাজার ২৩০ জন, যা মোট পুলিশের ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ।
সন্ত্রাস, মাদক, জঙ্গি দমন ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুলিশের সফলতা অর্জনের পাশাপাশি ব্যর্থতার পাল্লাও কম ভারী নয়। সমাজের সর্বক্ষেত্রে অপহরণ, শিশুপাচার, ধর্ষণ, অ্যাসিড নিক্ষেপ, নারী নির্যাতন, হত্যা, সন্ত্রাস, ইভটিজিং, মাদক ব্যবসা ইত্যাদির কাছে বর্তমানে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। এর জন্যে অনেক ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগে ব্যর্থতা যেমন দায়ী, তেমনি অনেকাংশে দায়ী আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও। ফলে ভিআইপি অপরাধীরা আইনের ধরাছোঁয়ার ঊর্ধ্বে ওঠার কারণে সমাজে বৃদ্ধি পাচ্ছে অপরাধ প্রবণতা। পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু। কিন্তু পুলিশ যদি রক্ষক হয়ে ভক্ষকের আসনে উপনীত হয় তখনই জনগণ আস্থা হারিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকে। নারী পুরুষ নির্বিশেষে যে কোনো নাগরিক দেশের যে কোন স্থানে যে কোন সময়ে স্বাধীনভাবে চলাচলের অধিকার রাখেন। এই ক্ষেত্রে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ থেকে শুরু করে সমগ্র পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সামাজিক নিরাপত্তা ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। শান্তি, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার প্রতীক বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশ বাহিনীর উত্তোরোত্তর উন্নতির মধ্য দিয়ে পুলিশ হোক জনবান্ধব। এগিয়ে যাক দেশ, এগিয়ে যাক পুলিশ বাহিনী। পরিবেশ ও সমাজ হোক পুলিশ বান্ধব। রাজনৈতিক দলের কোন ‘ক্যাডার বাহিনী’ নয়-আইরিশদের মতো পুলিশ হোক জনগণের ‘গার্ডিয়ান অব পিস’-পুলিশ সপ্তাহে এটাই হোক জনগণের প্রত্যাশা।
লেখিকা : কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • একুশ আমাদের অহংকার
  • দেশপ্রেম, ভাষাপ্রেম
  • একুশে : বাঙালি জাতিসত্তার সংগ্রামের ইতিহাস
  • অনন্য গৌরবের একুশে
  • স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানী
  • ভেনেজুয়েলা প্রেক্ষাপট ও একনায়কতন্ত্র মতবাদ
  • সিটি কর্পোরেশনের সবুজায়ন
  • উচ্চশিক্ষায় উপেক্ষিত বাংলা
  • উপেক্ষিত যাত্রী অধিকার ও প্রতিনিধিত্ব
  • ‘জীবন শেষের গান’ ও প্রসঙ্গ কথা
  • স্কুল-কলেজগুলোর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
  • সাম্প্রতিক কথকতা
  • রেস্টুরেন্টে কতটা স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাচ্ছি?
  • বেকার লোকের সংখ্যা বেড়েই চলছে
  • প্রসঙ্গ : সুনামগঞ্জের হাওর রক্ষা বাঁধ
  • বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ঠেকাতে হবে
  • ভাটি বাংলার মরমী সাধক শাহ আব্দুল করিম
  • মৃত্যুঞ্জয়ী বীর জেনারেল ওসমানী
  • বই পড়ার আনন্দ
  • যে মৃত্যু স্বাভাবিক মৃত্যুর প্রতিদ্বন্দ্বী
  • Developed by: Sparkle IT