বিশেষ সংখ্যা

প্রসঙ্গ : ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ

হিফজুর রহমান প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০২-২০১৯ ইং ০১:২২:৪২ | সংবাদটি ৭৯ বার পঠিত

পৃথিবীতে মানুষসহ অসংখ্য প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। এ সকল প্রাণীর সব প্রজাতিকে আমরা চিনি না। এমন কি বিদ্যমান সকল প্রাণীকে বিজ্ঞানীরাও অদ্যাবধি আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে পারেন নি এবং দেখেনও নি। বিশ্ব চরাচরের লোকালয়ে, গহীন অরণ্যে বা গভীর সমুদ্রের নিচে যেখানেই এসকল প্রাণী থাকুক না কেনো, তারা কিন্তু সমাজবদ্ধ না হলেও এক ধরনের দলবদ্ধ অবস্থায় আছে। এ দলবদ্ধ থাকতে গিয়ে তাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ হয়, বোঝা-পড়া হয় এবং বংশবৃদ্ধিও ঘটে। আবার নিজেদের মধ্যে হানাহানিও ঘটে। এসব করতে গিয়ে তাদের মধ্যে ভাব বিনিময় হয়; একে অপরকে বুঝতে এবং বোঝাতে হয়। এই বুঝা এবং বোঝানোকে আমরা তাদের ভাষা হিসেবে ধরে নিই। তাদের ভাব বিনিময়ের মাধ্যম স্বল্প সংখ্যক ধ্বনি তথা আওয়াজ, আওয়াজের প্রয়োগভেদ, আকারÑইঙ্গিত ও অঙ্গ-ভঙ্গির মধ্যে সীমিত থাকায় এবং তার কোনো বিবর্তনÑবিকাশ না থাকায় তাদের মাধ্যমকে আমরা মূলত: ভাষা বলিনা। ভাষা বলা হয় কেবল মানুষের বাগযন্ত্রের দ্বারা উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনির সাহায্যে ভাব প্রকাশের মাধ্যমকে। কারণ, এ মাধ্যমের মধ্যে বহমানতা, ক্রমবিকাশ ও সম্প্রসারণশীলতা রয়েছে এবং তার একটা লিখিত রূপ দেয়া সম্ভব হয়েছে। মানুষের এই ভাষা নিয়ে খানিক কথা বলতে চাই এখানে।
ভাষা মানুষের এক অতি মূল্যবান সম্পদ। এ ভাষাকে অবলম্বন করেই জ্ঞানচর্চা সম্ভব হয়েছে; সভ্যতা অগ্রসর হওয়ার ফলে মানুষ আজকের অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। যে ভাষার সাহায্য নিয়ে আমাদের এতো অগ্রগতি, তার উদ্ভব-উৎপত্তি এবং উৎস সম্পর্কে জানার আগ্রহ কি মানুষের নেই? আজীবন আছে; আমার নিজেরও অফুরান আগ্রহ রয়েছে। কারণ, এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না, কিছু বুঝতেও পারি না। টুকিটাকি যা জেনেছি, তাতে আমি সন্তুষ্ট এবং তৃপ্ত হতে পারিনি। জেনেছি- মানুষ প্রাথমিক স্তরে উঃ, আঃ, হুঃ, হাঃ ইত্যাদি ধ্বনি উচ্চারণে এবং বিভিন্ন আকারÑইঙ্গিতে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতো। এভাবেই ভাব বিনিময় হতো; পরস্পরকে বুঝাÑবোঝানোর কাজ চলতো। যুগের পর যুগ চলার পর আস্তে আস্তে আরো কিছু আওয়াজ পরিচিত এবং অর্থবোধক হয়ে উঠলো তাদের কাছে । আরো পরে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ায় তারা আরো নতুন নতুন আওয়াজ ও শব্দের জন্ম দিলো এবং বহু পরে বাক্য গঠনে মানুষ শব্দ সংযোজন করা শিখলো। মোটামুটি এভাবেই ভাষার সৃষ্টি বলে জেনেছি। ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে এ জাতীয় ব্যাখ্যা ছাড়া অধিকতর গ্রহণযোগ্য কোনো তত্ত্ব দেখা যায় না। ভাষাবিজ্ঞান নিয়ে যারা পূর্বে গবেষণা করেছেন এবং বর্তমানে করেন, তারা এ বিষয়ে খুব গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করেছেন এবং এ ব্যাপারে সম্ভাব্য সকল উৎসমূলে হাত দিয়েছেন বলে মনে হয় না; বরং তারা ভাষাতত্ত্বের অন্যান্য শাখায় বেশি মনোযোগ দিয়েছেন বলে মনে হয়।
এ পর্যন্ত ভাষা গবেষক হিসেবে কাজ করে যাঁরা খ্যাতি অর্জন করেছেন, তাঁদের মধ্যে পাশ্চাত্যের গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিস- প্লেটো, ইংরেজ পন্ডিত উইলিয়াম জোনস, জর্জ গ্রীয়ার্সন এবং অন্যান্য যেমন-ব্লুমফিল্ড, বপ, গ্রীম রাস্ক, ম্যাক্স মূলার, গ্রাসম্যান এবং নোয়াম চমস্কি প্রমুখ প্রতিভাবান গবেষকগণ অন্যতম। প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশে যারা ভাষাতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং গ্রন্থাদি রচনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে স্মরণীয় হচ্ছেন পানিণি, যাশু, পতঞ্জলি, কাত্যায়ন এবং ভাষার আধুনিক কালের পন্ডিত ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়। এসব বরণীয় গবেষকদের ভাষাতত্ত্ব আলোচনায় ধ্বনিতত্ত্ব, রূপমূলÑশব্দতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব, অর্থতত্ত্ব, কালানুক্রমিক ও তুলনামূলক ভাষাতত্ত্ব, উপভাষা ইত্যাদি যতোটুকু প্রাধান্য পেয়েছে, আদি ভাষার উৎপত্তি-উদ্ভব আলোচনা তেমন আকারে প্রাধান্য পায়নি। যেখানে ইতিহাস বা কালানুক্রমিক ভাষাতত্ত্বে মুখ্যতই মূল ভাষাসহ অন্যান্য ভাষা সমূহের উৎপত্তি ও বিকাশের বিশ্লেষণ হওয়ার কথা, সেখানে প্রচলিত ভাষাসমূহের উৎস ও বিভাজন নিয়ে আলোচনা আছে; কিন্তু প্রথম ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে তেমন এবং স্পষ্ট আলোচনা নেই। ভাষাতত্ত্বের ব্যাপারে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যে গবেষকÑউইলিয়াম জোনস, তাঁর গবেষণায়ও মূল ভাষা সম্পর্কে আশাপ্রদ কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। যা পাওয়া যায় তা হলো-ভাষাসমূহের উৎপত্তি ও বিভাজন হয়েছে ইন্দোÑইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী থেকে। কিন্তু ইন্দোÑইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী কোন ভাষার প্রজন্ম বা ইন্দোÑইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর পূর্বের স্তর কী, সে সম্পর্কে কোনো আলোচনা নেই বললেই চলে। মজার ব্যাপার হলোÑউইলিয়াম জোনসের নেতৃত্বে পরিচালিত ১৮৭৮ সালে প্যারিসের ভাষাতত্ত্ব সমিতির কোনো অধিবেশনে ভাষার উদ্ভব বিষয়ক কোনো প্রবন্ধ পড়ার জন্য গৃহীত হবে না মর্মে নিষেধনামা জারি করা হয়। সম্ভবত: এ নিষেধ নামা জারি করা হয়-সমাজে এ বিষয়ে প্রচলিত দু’টি ভিন্ন ভিন্ন ধারণার জটিলতা এড়াতে। সে ধারণা দু’টি হলো- কেউ কেউ ভাষার দৈবী উদ্ভবে বিশ্বাসী এবং অন্যরা মানুষের সৃজনী চেতনা থেকে উদ্ভবে বিশ্বাসী।
প্রকৃতপক্ষে ভাষার উদ্ভব বিষয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে কী ধারণা আছে বা কী কী বিতর্ক রয়েছে, সেদিকে তাকানো ভাষাবিজ্ঞানী বা গবেষকের কাজ নয়। তাঁর কাজ হলোÑগবেষণার সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো কিছুকে বাদ না দিয়ে যাবতীয় তথ্যÑউপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা এবং বিজ্ঞান সম্মত পদ্ধতিতে উপসংহারে উপনীত হওয়া-তা কারো কাছে গ্রহণযোগ্য হোক বা না হোক। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় ভাষাতাত্ত্বিকরা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর আরো পেছনে যেতে কোনো আলোর পথ খোঁজে পান নি। তাই তারা বিব্রত হয়ে এ ব্যাপারে খুব গভীরে প্রবেশ করা অসমীচীন বা পন্ডশ্রম ভেবে হাল ছেড়ে দিয়ে কিছুটা অনুমান ভিত্তিক ধারণা দিয়েই অন্য বিষয়ে মনোযোগ দিয়েছেন বলে মনে হয়। আমাদের দেশের ভাষা গবেষক ড. মোঃ শহীদুল্লাহ, ড. এনামুল হক, প্রফেসর আব্দুল হাই এবং অধুনা আশাÑভরসার স্থল-ড. হুমায়ুন আজাদও ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে প্রায় নীরব থেকে পাশ্চাত্যের গবেষকদের মতামত বর্ণনা করেই তাদের গ্রন্থ এবং সন্দর্ভে বাক্যতত্ত্ব নিয়েই বেশি আলোচনা করেছেন। তাঁরাও মূল ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে নিজস্ব গবেষণার কথা না বলে পাশ্চাত্যের বিদগ্ধ গবেষকদের অনুরূপ এ ব্যাপারে সরাসরি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী থেকে শুরু করেছেন এবং পরবর্তী বিভাজন পর্যায় নিয়ে আলোচনা করেছেন। ফলে দেখা যায় ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে সর্বত্রই এক ধোঁয়াশা বিদ্যমান। এ প্রেক্ষাপটে বাংলা বিভাগের এক অধ্যাপক মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান এর একটি বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য। তিনি তার বাংলা ভাষার ইতিহাস নামীয় পুস্তকে সম্প্রতি বলেছেন-“উনবিংশ শতাব্দীতে ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে যতগুলো তত্ত্ব তৈরি করা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকটিই কল্পনাপ্রসূত বা মূলের সাথে সম্পর্কহীন বলে বিবেচিত হয়েছে।”
পৃথিবীতে প্রায় তিন হাজার ভাষা রয়েছে। এ সকল ভাষা নিশ্চয়ই একই সময়ে উৎপন্ন হয়নি। প্রথমে একটি মাত্র ভাষার উৎপত্তি হওয়ার কথা। সে একটি ভাষা থেকে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তনের মাধ্যমে আরো একাধিক ভাষার সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। সাদৃশ্যপূর্ণ এই একাধিক ভাষাকে একত্রে বলা যেতে পারে একটি ভাষাগোষ্ঠী। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীও তেমনই একটি ভাষাগোষ্ঠী। সেটি কোনো একক ভাষা নয়। এর পেছনে বা মূলে কোনো না কোনো একটি মাত্র ভাষা রয়েছে যা থেকে এতোসব ভাষার বিস্তার। মানুষ সৃষ্টি হওয়ার পর ক্ষুদ্রাকারে একত্রে থাকায় প্রথমে কেবল একটি মাত্র ভাষার উদ্ভব হওয়া স্বাভাবিক তা খুবই অপরিণত হলেও। পরবর্তীতে বংশ-বৃদ্ধির দরুণ মানুষ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ার কারণে সাদৃশ্যপূর্ণ আরো অনেক ভাষার সৃষ্টি যা মিলিতভাবে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীরূপে আমাদের কাছে দৃশ্যমান হওয়া এবং আরো পরে তা থেকে পর্যায়ক্রমে বিভক্ত-বিচ্ছন্ন হয়ে পরিবর্তন, পরিগ্রহণ ও বিকাশের মাধ্যমে কালের পরিক্রমার বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ভাষার উদ্ভব ঘটার ধারণা সহজে বোধগম্য। তাই বলে আদি কোনো একক ভাষা থাকার ধারণা থেকে সরে যাওয়া যায় না।
সে আদি ভাষার অনুসন্ধানে একটি সূত্রের প্রতি আলোকপাত করা যায়। ইসলাম ধর্মমতে প্রথম সৃষ্ট মানুষ হলেন হযরত আদম (আঃ) এবং বিবি হাওয়া । পবিত্র কুরআনের সুরা বাক্কারায় এ আদম সম্পর্কে বলা হচ্ছেÑ“এবং তিনি আদমকে যাবতীয় নাম শিক্ষা দিলেন....”। অতপর: রয়েছে ফেরেশতাদের সামনে নিয়ে- “তিনি বললেন, হে আদম! তুমি ওদের (ফেরেশতাদের) এদের (এ সকল বস্তুর) নাম বলে দাও। যখন সে নাম সমূহ বলে দিলো ------।” পরবর্তীতে আরেক পর্যায়ে বলা হচ্ছে- “এবং আমি বললাম হে আদম! তুমি এবং তোমার সহধর্মীনি জান্নাতে বসবাস করো ------- কিন্তু সাবধান! কখনো ওই গাছটার ধারে- কাছে যেয়ো না”। পরে অভিশপ্ত শয়তানের প্ররোচনায় তারা বিভ্রান্ত হয়ে সৃষ্টিকর্তার অবাধ্য হওয়ার প্রেক্ষিতে বলা হচ্ছে-“আমি বললাম নেমে যাও তোমরা একে অপরের (আদম-হাওয়া এবং শয়তান) শত্রুরূপে এবং পৃথিবীতে কিছুকালের জন্য তোমাদের বসবাস ও জীবিকা রইলো।” হযরত আদম (আঃ) এবং হাওয়া পৃথিবীতে পরস্পর বহু দূরে দূরে বহুকাল বিচ্ছিন্ন থাকাকালীন প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ওই একই সুরা বাক্কারায় বলা হয়েছেÑ “অত:পর আদম তাঁর প্রভুর কাছ থেকে কিছু বাণী প্রাপ্ত হলো। আল্লাহ তার তওবা কবুল করলেন ----।” এ পর্যায়ে নিশ্চয়ই বলা যেতে পারে যে, হযরত আদম (সাঃ) এর পৃথিবীতে আগমনের পূর্বে তাঁর প্রতি প্রদত্ত নিদের্শাবলির মধ্যে এবং পরবর্তীতে পৃথিবীতে আগমনের পর তওবা করার মধ্যে ভাষা ব্যবহারের নির্দশন রয়েছে। এবং এ ভাষাই আদি ভাষা হওয়ার কথা। মুসলিম ছাড়াও অন্তত: ইহুদী এবং খৃষ্টান সম্প্রদায়ের কাছের তথ্যও অনুরূপ হওয়ার কথা।
তর্কের খাতিরে বলা যেতে পারে যে, হযরত আদম (আঃ) জান্নাতে আল্লাহ্র কাছ থেকে ভাষা শিখলেও পৃথিবীতে আগমনের পর সুদীর্ঘকাল সহধর্মীনি থেকে বিছিন্ন থাকার ফলে অচর্চা এবং অব্যবহারের কারণে সেটা ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু বিজ্ঞান তা বলে না। ব্যবহার না হলেও মানুষ তার পূর্বের শেখা ভাষা-কথা ভুলে যায় না। বহুকাল পরে হযরত আদম (আঃ) ও হাওয়ার সাক্ষাৎ হয়েছে। সেখানে নিশ্চয়ই কথা-বার্তা হয়েছে, ভাষার প্রয়োগ হয়েছে। এছাড়া তাদের মিলিত হওয়ার পর সংসার হয়েছে, বংশ বিস্তার হয়েছে। সেখানে ভাষা ব্যবহার না থাকলে কীভাবে সংসার, পরিবার সচল থাকা সম্ভব! এছাড়া কুরআন নিশ্চিত করছে যে, বহুকাল পরে আদম তাঁর প্রভূর কাছ থেকে বাণী পেয়ে তাঁর মালিকের কাছে ক্ষমা চান, তওবা করেন। এ ক্ষমা চাওয়া, তওবা করা নিশ্চয়ই কোনো কিছু উচ্চারণ করা ছাড়া সম্ভব হয়নি। সর্বোপরি হযরত আদম (আঃ) পর্বের বাইরে সাধারণ্যে সুরা আর রাহমানে সুস্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে-“খালাক্বাল ইনসানা, আল্লামাহুল বায়ান”-আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি, কথা বলতে শিক্ষা দিয়েছি।
ভাষার উৎপত্তি অনুসন্ধানে যেসব নিবেদিত গবেষকগণ কাজ করছেন, প্রকৃত তথ্য পাওয়ার স্বার্থেÑসম্ভাব্য সকল সূত্রকেই তাদের সামনে রাখা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অন্যান্য সূত্রের পাশাপাশি পবিত্র কুরআনকে মহান আল্লাহর বাণী, ঐশী গ্রন্থ মনে না করলেও অন্তত: বহুল পঠিত একটা পুস্তক মনে করে উপরে বর্ণিত এবং এ সম্পর্কিত অন্যান্য আয়াতসমূহ অধ্যয়ন করলে সত্যের নাগাল পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়।

 

শেয়ার করুন
বিশেষ সংখ্যা এর আরো সংবাদ
  • মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতা
  • পেছন ফিরে দেখা
  • মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের ভূমিকা
  • স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়
  • ভাষার ব্যবহারের শুরু ও একুশ
  • প্রসঙ্গ : ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ
  • ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা
  • বাংলাদেশে প্রচলিত নানান ভাষা
  • বর্ষ গণনা ও ক্যালেন্ডারের ইতিকথা
  • নতুন বছরে নতুন শপথ
  • সালতামামি ২০১৮ : প্রত্যাশার ২০১৯
  • বাংলাদেশ, বাংলাদেশ
  • বিজয় দিবসের তাৎপর্য
  • ছেলেবেলার ঈদ
  • রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
  • সার্বজনীন উৎসবের দিন
  • ঈদের আনন্দ হোক সবার ঘরে
  • ঈদ : ভ্রাতৃত্বের ফোয়ারায় উদ্ভাসিত হোক জীবন
  • ঈদ, আনন্দের ঝর্ণাধারা
  • হিমশীতল স্পর্শ
  • Developed by: Sparkle IT