প্রথম পাতা

জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে প্রশাসনের কর্মকর্তারা দিনভর হাওরে

প্রকাশিত হয়েছে: ১৫-০৩-২০১৯ ইং ০৪:৩০:৫৫ | সংবাদটি ৬০ বার পঠিত

শাল্লায় ফসলরক্ষা বাঁধ পরিদর্শন
পিআইসি সভাপতি ও সেক্রেটারিদের পলায়ন
শাল্লা(সুনামগঞ্জ) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা গতকাল বৃহস্পতিবার একযোগে শাল্লা উপজেলার সবগুলো ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ পরিদর্শন করেছেন। জেলা প্রশাসক ছাড়াও উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ছয়টি টিমে বিভক্ত হয়ে উপজেলার মোট ১১৫টি প্রকল্প কাজ একযোগে পরিদর্শন করেন তাঁরা। এসময় অধিকাংশ পিআইসি সভাপতি ও সেক্রেটারিকে প্রকল্প এলাকায় পাওয়া যায়নি। খরব পেয়ে তারা এলাকা ত্যাগ করেছেন বলে জানান স্থানীয় অনেকে।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের কালিকোটা হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেন। তিনি হাওর উপ-প্রকল্পের ৪৬ থেকে ৬৬নং পর্যন্ত মোট ২১টি প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এসময় অনেক স্থানে যথা সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় এবং বাঁধের কাজ যথাযথ ভাবে না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তবে পরিদর্শনকালে প্রকল্প গুলোতে পিআইসি’র সভাপতি ও সেক্রেটারি কাউকেই পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসক আসার খবর পেয়ে আগেই পিআইসি সভাপতি সেক্রেটারিসহ সদস্যরা এলাকা ত্যাগ করেছেন বলে জানান এলাকার অনেকে। পরে জেলা প্রশাসক শাল্লা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-মুক্তাদির হোসেনকে সংশ্লিষ্ট পিআইসি’র সভাপতিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকল্পের কাজ শেষ না হলে বিল না দেয়ার নির্দেশ দেন। এদিকে, স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক মোঃ এমরান হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম ভেড়াডহর হাওর উপ-প্রকল্পের ২৮ থেকে ৩৯ নং প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন। অপরদিকে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সফিউল আলমের নেতৃত্বে একটি টিম উদগল বিল হাওরের ৪০ থেকে ৪৫, ৬৭ এবং ছায়ার উপ-প্রকল্পের ৬৮ থেকে ৭৪ নং প্রকল্প পরিদর্শন করেন। বাঁধ পরিদর্শনের ব্যাপারে স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক মোঃ এমরান হোসেন বলেন, প্রকল্প এলাকায় পিআইসির সভাপতি, সেক্রেটারিদের পাওয়া যায়নি। মাটির কাজ ঠিকমতো হলেও বাঁধের স্লোপ ও কম্পেকশনের কাজ ঠিকমতো হয়নি। অন্যদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহমদ উপজেলার ২নং হবিবপুর ইউনিয়নের বরাম হাওর উপ-প্রকল্পের ১৪ থেকে ২৭নং প্রকল্প কাজ পরিদর্শন করেন। কাজ পরিদর্শনকালে ১৭নং পিআইসির প্রকল্প কাজে যথেষ্ট গাফিলতি ও অনিয়ম পাওয়ায় পিআইসির সভাপতি সুধীর রঞ্জন দাস ও সেক্রেটারি রতন কুমার দাসকে গ্রেফতার করে থানায় সোপর্দ করেন। জেলা প্রশাসক বাঁধ পরিদর্শন শেষে বিকেলে উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের উজানগাঁও গ্রামের পেয়ারা বানু, জমিলা খাতুন, মুক্তা বানু ও কুলসুম বেগম এই চারজন বীরাঙ্গনার বাড়িতে যান ও তাদের খোঁজ-খবর নেন। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের সাথে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-মুক্তাদির হোসেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুনুর রহমান, পাউবোর শাখা কর্মকর্তা ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী শমসের আলী মন্টু, বাঁধ সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা নানু চক্রবর্তী, শাল্লা থানার এসআই সারোয়ার হোসেন, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম ভোট ৫ মে
  • এইচএসসি: ১ এপ্রিল থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ
  • স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের তাগিদ
  • মহান স্বাধীনতা দিবস আজ
  • মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিলেটে সমরাস্ত্র প্রদর্শনী শুরু
  • ওয়াসিম হত্যার ঘটনায় মৌলভীবাজার থানায় মামলা
  • সিলেটী বিমান যাত্রীদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে
  • এ এম এ মুহিত আহ্বায়ক, সদস্য সচিব আরিফ
  • দেশে শুধু দুর্নীতির উন্নয়ন হচ্ছে: ফখরুল
  • কালরাত স্মরণে ব্ল্যাকআউট
  • কমলগঞ্জে কলেজ ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
  • নন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কর্মসূচি স্থগিত
  • কূটনৈতিক জোনের নিরাপত্তা জোরদার
  • প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শাহনাজ রহমত উল্লাহর দাফন সম্পন্ন
  • যক্ষ্মা নির্মূলে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অঙ্গীকার
  • খুলে দেওয়া হয়েছে ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদ
  • যেভাবে হত্যা করা হয় ওয়াসিমকে-
  • প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চালক ও সহকারীর দায় স্বীকার
  • ভয়াল ২৫ মার্চ, জাতীয় গণহত্যা দিবস আজ
  • Developed by: Sparkle IT