উপ সম্পাদকীয়

সমাবর্তনে শুভ কামনা

ব্রজেন্দ্রকুমার দাস প্রকাশিত হয়েছে: ২০-০৩-২০১৯ ইং ০০:১৪:৩০ | সংবাদটি ১১৮ বার পঠিত

সিলেটে বেসরকারিভাবে উচ্চশিক্ষার সুযোগ অবারিত করার কাজটি শুরু করেছিল লিডিং ইউনিভার্সিটি। ২০০১ সালে সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এ প্রতিষ্ঠান যে আশার প্রদীপ জ্বালিয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় সিলেটে এখন বেসরকারিভাবে উচ্চশিক্ষার পথ অনেকটা প্রশস্ত হয়েছে। সিলেটের শিক্ষার্থীরা এখন হাতের নাগালেই পাচ্ছে উচ্চশিক্ষার সুযোগ। প্রতিবছর সিলেটে বসেই উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করছে হাজার হাজার শিক্ষার্থী।
এক সময় সিলেটে উচ্চশিক্ষার সুযোগ অবারিত ছিল না। উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন অনেকটা উচ্চাকাক্সক্ষার মতই ছিল। ১৯৯১ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর সিলেটে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ দুয়ারে আসে। এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার প্রায় এক দশক পর ২০০১ সালে সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে সিলেটে বিস্তৃত পরিসরে উচ্চশিক্ষার দুয়ার উন্মুক্ত হয়। যদিও ব্রিটিশ আমল ও পাকিস্তান আমলে শিক্ষাদীক্ষায় সিলেট এগিয়ে ছিলো। সরকার ও রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ে সিলেটের কৃতিসন্তানদের পদচারণা ছিলো। কিন্তু স্বাধীনতার কিছুকাল পর সিলেটের তরুণদের মধ্যে লন্ডনমুখী হওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। ফলে ধীরে ধীরে কমে আসতে থাকে সিলেটে উচ্চশিক্ষিতের হার। গত তিন দশক পর্যন্ত এই হার হতাশাজনক ছিলো। উচ্চশিক্ষার অভিযাত্রা অনেকটা থমকে দাঁড়িয়েছিলো। কিন্তু এখন সেই অবস্থা পাল্টে গেছে। পাবলিক ও প্রাইভেট মিলে এখন ২৫ হাজার উচ্চশিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে সিলেটে।
তিন দশক আগে যখন সিলেটে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটা স্থবিরতা লক্ষ করা গেলো, তখনই বেসরকারিভাবে উচ্চশিক্ষার প্রসারে এগিয়ে আসার চিন্তা করলেন শিল্পপতি দানবীর ড: রাগীব আলী। তাঁকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করলেন তাঁর সহধর্মিনী মহীয়সী বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী। ২০০১ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করলেন সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। সিলেট অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে এবং সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম দিলেন লিডিং ইউনিভার্সিটি। যে বিশ্ববিদ্যালয়টির শ্লোগান-অ্যা প্রমিজ টু লিড। ২০১৮ সালের মে মাস থেকে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি দক্ষিণ সুরমার রাগীবনগরে স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে ১০টি বিভাগে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী এ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে। এরই মধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা বিচারক, আইনজীবীসহ নানা পেশায় নিয়োজিত হয়ে প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়টির তৃতীয় সমাবর্তন বা কনভোকেশন।
আমাকে ‘দৈনিক সিলেটের ডাক’-এর নির্বাহী সম্পাদক আবদুল হামিদ মানিক কথার ফাঁকে জানালেন ২০ মার্চ লিডিং ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমার মেয়ে সুমি এই ইউনিভার্সিটির ছাত্রী ছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই সমাবর্তন নিয়ে একটু আগ্রহ হলো। মোবাইলে সুমিকে খবরটা জানালাম। ও বললো ক’বছর আগেই তার সমাবর্তন হয়ে গেছে। তারপরও আগ্রহে ভাটা পড়েনি। মনে মনে চিন্তা করলাম এই সমাবর্তন নিয়ে কিছু একটা লিখা যাক। কিন্তু বেকায়দায় পড়লাম ইংরেজি ঈড়হাড়পধঃরড়হ শব্দটির বাংলা অর্থ নিয়ে। শরণাপন্ন হতে হলো এ.টি দেব-এর। ঈড়হাড়পধঃরড়হ শব্দের অর্থ পেলাম-‘সমাবর্তন’। এই ‘সমাবর্তন’ নিয়ে আবার ঝামেলা। এর আরো সহজ অর্থ খুঁজতে গিয়ে আশ্রয় নিতে হলো রতন সিদ্দিকীর ‘প্রমিত বাংলা বানান অভিধান’ এর। সেখানে পেলাম সমাবর্তন অর্থ ‘প্রত্যাবর্তন, ঈড়হাড়পধঃরড়হ’। তাতেও পরিষ্কার হলো না। এরপর দ্বারস্থ হলাম ‘সংসদ বাঙালা অভিধান’ এর। এখানে ‘সমাবর্তন’ শব্দের বিস্তারিত অর্থ পেলাম-ব্রহ্মচর্য পালনের পর গুরুগৃহ হতে গার্হস্থ্যজীবনে প্রত্যাগমন; ¯œাতক ছাত্রগণকে উপাধি বিতরণের সভা; ‘ব্রহ্ম-চর্য পালনের পর গৃহকর্মে প্রত্যাগত’।
আসলে বিষয়টি তাই। প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ই গুরুগৃহ। চার-পাঁচটি বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এক ধরনের ব্রহ্মচর্যই সত্যিকার অর্থে পালন করে থাকেন। আর শিক্ষা জীবন শেষ করে গার্হস্থ্যজীবন তথা গৃহকর্মে সবাই ফিরে যান। কেউ তো আর খালি হাতে ফিরে যান না! বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমাবর্তন উৎসবের মধ্য দিয়ে ¯œাতক ছাত্র-ছাত্রীগণকে উপাধি প্রদান করেন। যে উপাধি তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের পাথেয়। একটি সমাবর্তন ভাষণে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘তোমরা কী লক্ষ করেছো তোমার বিদ্যাপিঠটিকে বলা হয় বিশ্ববিদ্যালয়? একটি গ্রামের নয়, একটি শহরের নয়, একটি বিভাগের নয়, এমনকি দেশেরও নয়-এটি সারা বিশ্বের একটি বিদ্যালয়। ইংরেজিতে এই বিদ্যাপিঠটি আরো বেশি ব্যাপক, ইউনিভার্সিটি অর্থাৎ পুরো ইউনিভার্স বা বিশ্বব্রহ্মান্ডের বিদ্যাপিঠ। এই নামকরণটি কিন্তু শুধু শুধু করা হয়নি, যখন একটি বিশ্ববিদ্যালয় কল্পনা করা হয় সেখানে কিন্তু সংকীর্ণতার কোনো স্থান নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হতে হয় সত্যিকার অর্থে সারা বিশ্বের নাগরিক। দেশ, কাল, ধর্ম,বর্ণ, জাতি, সম্প্রদায় এ রকম কোনো বিভেদ লালন করে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কিংবা ছাত্রী হওয়া যায় না।’ এরপর বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, সমাবর্তনের বিশালতা প্রশ্নাতীত। এগুলোকে কোন অবস্থাতেই হালকাভাবে দেখার কোনো অবকাশ নেই।’
তবে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে, এর মান নিয়ে, শিক্ষার মান নিয়ে দেশের সম্মানীত শিক্ষাবিদগণের মধ্যে ইতিমধ্যে নানা আলোচনা, সমালোচনা চলছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান বলেছেন, দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মানসম্মত শিক্ষাদানে সক্ষম হচ্ছে না। তিনি অনেকটা ক্ষোভের সঙ্গেই বলেছেন, বেসরকারি ভার্সিটি দোকান নয়। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট বিক্রির দোকান হতে পারে না। নিজেদের স্বার্থেই এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে সব সমস্যার সমাধান করতে হবে। বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়, বাংলাদেশের শিক্ষার্থী প্রজন্মের জনসংখ্যা চিন্তা করলে বাংলাদেশে আসলে ৫০০টি বিশ্ববিদ্যালয় থাকা দরকার। কিন্তু তা কী আছে? নেই। বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় সম্ভবত এখন ৪টি স্বায়ত্তশাসিত, ৪৫টি সরকারি ও প্রায় শ’খানেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এ প্রসঙ্গে কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, অধ্যাপক, মোহীত উল আলম তার ‘উচ্চশিক্ষার সংকটের আয়তন এবং চেহারা’ নিবন্ধে তিনি লিখেছেন ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে হয়তো গোটা বিশেক বিশ্ববিদ্যালয় স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে চলছে, কিন্তু বাকিগুলো নানা কারণে ধুঁকছে। কারো জায়গা নেই, কারো বিল্ডিং নেই, কারো শিক্ষক নেই, কারো হয়তো উপাচার্য বা উচ্চ প্রশাসনের কেউ নেই, এবং কারো হয়তো শিক্ষার্থী নেই।’
আশার কথা, আমাদের সিলেটের লিডিং ভার্সিটির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা যাবে না। কেউ চাইলেই তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে পারেন না! বাংলাদেশে যে গোটা দশেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কাক্সিক্ষত মান সম্পন্নভাবে চলছে আমরা আশা করছি সেই সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় সিলেটের লিডিং ভার্সিটি স্থান করে নিয়েছে। ২০০১ সালের ৪ মার্চ সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষার মান বজায় রেখে সুনামের সাথেই বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। ইউজিসি চেয়ারম্যান একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘একজন আলোকিত মানুষ হয় অসাম্প্রদায়িক সত্যানুসন্ধানী, সহনশীল ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন। এজন্য জানতে হয় নিজের মাতৃভাষা, ইতিহাস ও ঐতিহ্য, বিশ্বসভ্যতা, দর্শন মানবজাতির ইতিহাস সহ আরো অনেক বিষয়।’
আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে লিডিং ভার্সিটির সমাবর্তন উৎসব। সেখান থেকে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা একজন আলোকিত মানুষ হবার সংকল্প নিয়ে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাবেন এমন প্রত্যাশাই সকলের। কারণ দেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার তো তারাই।
ভাষাবিদ-সুপন্ডিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র মতে প্রত্যেক মানুষের নাকি তিনটি করে মা থাকে। এ আবার কেমন কথা? এতোদিন জেনে এসেছি এক মায়ের কথা? এবার তিনটি মা! হ্যাঁ আসলে প্রত্যেক মানুষের তিনটি মা-ই থাকে।
একটি জন্মদাত্রী মা, একটি মাতৃভাষা এবং আর একটি হলো মাতৃভূমি। প্রত্যেক মানুষের জন্মদাত্রী মায়ের কথা তো বলার কোন অপেক্ষা রাখে না। প্রশ্ন আসে অন্য দু’টি মাকে নিয়ে। ঐ দু’টি মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা-সম্মান প্রদর্শনই একজন মানুষের সত্যিকার পরিচয়। বাঙালি কবি বলেন, মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা, মা গো তোমার কোলে তোমায় পেলে কত শান্তি ভালোবাসা। আর ইংলিশ কবি বায়রণ বলেছেন-মাতৃভূমিকে যে ভালোবাসতে পারে না, তার পক্ষে অন্য কিছুকে ভালোবাসা সম্ভব নয়। লিডিং ভার্সিটির কর্তৃপক্ষ ভার্সিটির নতুন ক্যাম্পাসে ঐ দুই মায়ের প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা-ভালোবাসা-সম্মান প্রদর্শনের স্বাক্ষর রেখেছেন ক্যাম্পাসে শহীদ মিনার আর বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করে। সিলেটসহ সারা বাংলাদেশে কোন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কি না আমার জানা নেই। করে থাকলে ভাল কথা। করলে দু’টি মা-ই শান্তি পাবে। মাতৃভাষা আর মাতৃভূমি মা দু’জন আমাদেরকে আশীর্বাদ করবে। প্রশ্ন আসতে পারে, মাতৃভাষার প্রতীক হলো শহীদ মিনার মাতৃভূমির প্রতীক কোনটি! উত্তর সোজা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। কিভাবে? ভাবটি হলো-বঙ্গবন্ধু মানেই তো আমাদের সোনার বাংলা-বাংলাদেশ-মাতৃভূমি। এতে কোন বিতর্ক থাকার অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না। কেউ যদি করতে যান, সেটা হবে ইতিহাস-ঐতিহ্যকে অস্বীকার করা। তা একান্তই অর্থহীন। যুক্তিহীন।
এবার একটু অন্য প্রসঙ্গ। জানি না বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হবে কি না। তবু বলছি নিতান্তই মনের তাগিদে। বিষয়টি হলো, বাংলা ভাষা-সাহিত্য তথা দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে বাংলা বিভাগ চালু করা। বাংলা ভাষার মাস, অমর একুশের মাস সবেমাত্র শেষ হলো, রেশ কিন্তু কাটেনি। বাংলাভাষা, একুশ, ফেব্রুয়ারি কতো আবেগঘন বক্তৃতা-বিবৃতি। কিন্তু যখন দেখি দেশে সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে জন্মলগ্ন থেকেই ইংরেজি বিভাগ চালু আছে। বাংলা বিভাগ উপেক্ষিত। অর্থাৎ বাংলা বিভাগ নেই। যে ভাষার জন্য রফিক সালাম বরকত সহ অনেকেই জীবন দিলো, যে ভাষা যে সাহিত্য রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি বানালো, নোবেল প্রাইজ ছিনিয়ে আনলো, যে ভাষা আমাদেরকে আমাদের বাংলাদেশ এনে দিল সেই ভাষার স্থান হলো না বাংলাদেশের কোন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বড় কষ্ট হয়। লজ্জাও।
লিডিং ভার্সিটির সমাবর্তনে অনেক জ্ঞানীগুণী শিক্ষাবিদগণ অবশ্যই উপস্থিত থাকবেন। সম্মানীত সকল বিজ্ঞজন সমীপে আমার বিনীত আহ্বান যদি সম্ভব হয় লিডিং ভার্সিটিসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ চালু করা যায় কিনা দয়া করে একটু ভেবে দেখুন! সমাবর্তন সফল হোক। উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী সবাই হোক আলোকিত মানুষ। বিশ্বনাগরিক। সবার জন্য শুভ কামনা।
লেখক : মুক্তিযোদ্ধা, কলামিস্ট, সাবেক ব্যাংকার।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • শব্দদূষণ রোধে এগিয়ে আসুন
  • খাদ্যে ভেজালকারীদের নির্মূল করতেই হবে
  • বাংলাদেশের গৃহায়ন সমস্যা
  • বৃদ্ধাশ্রম নয় বৃদ্ধালয়
  • ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি
  • বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশের বাস্তবতা
  • ভারতের জাতীয় উন্নয়ন ও ভারত মহাসাগর
  • জীবনে শৃঙ্খলাবোধের প্রয়োজনীয়তা
  • চলুক গাড়ি বিআরটিসি
  • জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবেলায় আমাদের করণীয়
  • নির্ধারিত রিক্সাভাড়া কার্যকর হোক
  • নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা
  • খাদ্যে ভেজাল রোধে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে
  • মুর্তাজা তুমি জেগে রও!
  • সন্তানের জীবনে বাবার অবদান
  • এবার কুম্ভকর্ণের নিদ্রা ভংগ হোক
  • বন উন্নয়নে মনোযোগ বাড়ুক
  • একজন অধ্যক্ষের কিছু অবিস্মরণীয় প্রসঙ্গ
  • গ্রামাঞ্চলে বৃক্ষ রোপণ
  • শান্তির জন্য চাই মনুষ্যত্বের জাগরণ
  • Developed by: Sparkle IT